০৪:১৫ এম
টানা ভারী বৃষ্টির মাঝেও চট্টগ্রাম নগরীতে বড় ধরনের জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি। গত ২৪ ঘণ্টায় নগরীতে ১২৮ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হলেও, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কারণে জনজীবন ও যান চলাচলে উল্লেখযোগ্য বিঘ্ন ঘটেনি। এ কারণে নগরবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টার বৃষ্টির তথ্য প্রকাশ করেছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা জানান, সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রয়েছে। একই সঙ্গে ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কাও রয়েছে।
জানা গেছে, নগরীর কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকার দু’একটি স্থান এবং প্রবর্তক মোড়ের একাংশে পানি জমেছিল। পরবর্তীতে ওই এলাকাগুলোর নালায় জমে থাকা আবর্জনা সরিয়ে নিলে পানি সরে যায়।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
বৃষ্টির সঙ্গে নগরীর বিভিন্ন এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, খাল, নালা ও ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, পানি প্রবাহে বাধা দ্রুত অপসারণ এবং সার্বক্ষণিক তদারকির ফলেই টানা দুই দিনের বৃষ্টির পরও নগরীতে উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা হয়নি।
তিনি জানান, বর্ষা মৌসুমে কোথাও পানি জমার খবর পাওয়া মাত্র সংশ্লিষ্ট টিম দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা রোধে নালা-নর্দমা ও খালে ময়লা-আবর্জনা এবং প্লাস্টিকজাত বর্জ্য না ফেলতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন জানিয়েছেন, প্রকল্প এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে প্রকল্প পরিচালক ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে রাতভর ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকাগুলো তদারকি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন