ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাতিসংঘের শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ উপস্থাপন করলো ৫ প্রস্তাব


জাতিসংঘের শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ উপস্থাপন করলো ৫ প্রস্তাব

জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জাতীয় নেতৃত্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে পাঁচটি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত ‘ন্যাশনাল ওনারশিপ ইন প্র্যাকটিস: স্ট্রেনদেনিং ইনক্লুসিভ স্টেট ইনস্টিটিউশনস থ্রু ইন্টারন্যাশনাল পিসবিল্ডিং সাপোর্ট’ শীর্ষক বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এই প্রস্তাবগুলো তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গত দুই দশকে স্থানীয় জনগণ, জাতীয় সরকার এবং জাতিসংঘের যৌথ প্রচেষ্টায় সহিংসতা প্রতিরোধ ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি শান্তি বিনির্মাণ কমিশনকে এসব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

হুমায়ুন কবির বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলছে। বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আন্তর্জাতিক সম্মান অর্জন করেছে।

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্তিমূলক সুশাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক সংহতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের পাঁচটি প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে—স্থানীয় শিল্পকে বৈশ্বিক মূল্য শৃঙ্খলের সঙ্গে যুক্ত করে নারী ও যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শান্তিরক্ষা থেকে শান্তি বিনির্মাণে রূপান্তরে পিবিসির পরামর্শমূলক ভূমিকা জোরদার করা, নারী-শান্তি-নিরাপত্তা ও যুব-শান্তি-নিরাপত্তা কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা, ২০২৫ সালের শান্তি বিনির্মাণ কাঠামো পর্যালোচনার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করা।

বক্তব্যের শেষে তিনি জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে বাংলাদেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে ওআইসির সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে ওআইসির সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য দেশগুলোর সক্রিয় সহযোগিতা বাংলাদেশ চেয়েছে। একইসঙ্গে, গাম্বিয়ার আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে চলমান মামলার আইনি তহবিল ও মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বার্ষিক সমন্বয় বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এসব কথা বলেন।

তিনি তুরস্কের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং নতুন ওআইসি মহাসচিব ও আগামী চেয়ার হিসেবে ইরাককে স্বাগত জানান।

হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন, সংঘাত, দখল, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বৈশ্বিক শান্তি ও মানবিক মর্যাদাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। এসব মোকাবিলায় ওআইসির ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি ওআইসি দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে, জ্বালানি, নবায়নযোগ্য শক্তি, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান।

প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ ইসলামি ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) বাজেট ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ ওআইসির ২০২৬-২০৩৫ কর্মপরিকল্পনায় খাদ্য নিরাপত্তা, ডিজিটাল রূপান্তর, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের সহযোগিতার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে মত দেয়।

বক্তব্যে তিনি ইসলামোফোবিয়া ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য মোকাবিলায় ওআইসির ইসলামোফোবিয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থার ভূমিকা জোরদারের আহ্বান জানান।

ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী সীমারেখার ভিত্তিতে আল-কুদস আল-শরিফকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে।

তিনি ওআইসি সনদের প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে শান্তি, ন্যায়বিচার ও সমৃদ্ধির জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেতানিয়াহু মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই খালি হলো জাতিসংঘের অধিবেশন কক্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


নেতানিয়াহু মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই খালি হলো জাতিসংঘের অধিবেশন কক্ষ

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যখন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার জন্য মঞ্চে দাঁড়ান, তখন একটি চরম নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তার বক্তব্য শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা দলবেধে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করতে শুরু করেন।

এই ঘটনাটি বিশ্বমঞ্চে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে একটি তীব্র কূটনৈতিক বয়কটের ফলস্বরূপ, ফলে জাতিসংঘের প্রধান সম্মেলন কক্ষ মুহূর্তের মধ্যে প্রায় খালি হয়ে যায়।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এবং প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নেতানিয়াহু যখন মঞ্চে উঠছেন, তখনই বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা কক্ষ ছাড়তে শুরু করেন। যদিও কিছু ইসরায়েলি সমর্থক এবং কূটনীতিক সিটে বসে ছিলেন এবং নেতানিয়াহুর সমর্থনে সামান্য হাততালি দেন।

তবে, কক্ষের অধিকাংশ আসন তখন খালি ছিল, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ ও প্রতিবাদের একটি স্পষ্ট প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বৈঠক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে একটি বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ২৭তম তলায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে, বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সহযোগিতা, বৈশ্বিক এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান এবং জাতিসংঘের শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে বাংলাদেশের অব্যাহত অবদানসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে জাতিসংঘের সহযোগিতা ও সমর্থনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বহুপাক্ষিকতা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

জাতিসংঘ মহাসচিব বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। উভয় পক্ষ বৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং অভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিরোধকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পুনর্বিন্যাস করছে বাংলাদেশ: ডা. জুবাইদা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


প্রতিরোধকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পুনর্বিন্যাস করছে বাংলাদেশ: ডা. জুবাইদা

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশ তার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস করছে, যা রোগ প্রতিরোধ, রোগের প্রাথমিক শনাক্তকরণ এবং ধারাবাহিক সেবাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে। এই রূপান্তরের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে আরও শক্তিশালী ফ্রন্টলাইন স্বাস্থ্যকর্মী এবং পেশাদার ধাত্রী।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমাদের সুস্থ বাংলাদেশের যে স্বপ্ন, তা হলো- চিকিৎসাকেন্দ্রিক ব্যবস্থা থেকে এমন একটি ব্যবস্থায় যাওয়া, যেখানে রোগ প্রতিরোধ, রোগের প্রাথমিক শনাক্তকরণ এবং ধারাবাহিক সেবাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হবে।’

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘প্রতিশ্রুতি থেকে পদক্ষেপ : প্রতিরোধযোগ্য মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু বন্ধে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ধাত্রীবিদ্যাকে একীভূতকরণ’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে বক্তৃতাকালে ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা (পিএইচসি) ব্যবস্থা রূপান্তরের চলমান ও পরিকল্পিত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ গ্রাম থেকে শহরে ওয়ার্ড পর্যন্ত বিস্তৃত একটি সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার দিকে এগোচ্ছে। এর সঙ্গে থাকবে আরও শক্তিশালী ফ্রন্টলাইন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা। এই রূপান্তরের কেন্দ্রে রয়েছে নারী ও শিশুরা।

জুবাইদা রহমান জানান, ইতোমধ্যে ২৫ হাজার পেশাদার ধাত্রী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, এ উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু ধাত্রীর সংখ্যা বাড়ানো নয়; বরং তাদের বহুমুখী দক্ষতাসম্পন্ন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দলের সঙ্গে একীভূত করা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু তাদের সংখ্যা বাড়ানো নয়। আমরা তাদের বহুবিধ পেশাজীবীর সমন্বয়ে গঠিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দলের সঙ্গে একীভূত করতে চাই এবং গর্ভধারণের আগের সময় থেকে শুরু করে গর্ভাবস্থা, সন্তান প্রসব, প্রসব-পরবর্তী ও নবজাতকের সেবা পর্যন্ত ধারাবাহিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চাই।’

তিনি উল্লেখ করেন, আলোচনায় উপস্থাপিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা মডেলে মাতৃস্বাস্থ্যসেবার পুরো যাত্রায় ধাত্রীদের কেন্দ্রীয় ভূমিকায় রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে বিচ্ছিন্ন সেবার কাঠামো থেকে একটি সমন্বিত ও জবাবদিহিমূলক প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জুবাইদা রহমান বলেন, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিবার ও কমিউনিটিকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের সঙ্গে এবং প্রয়োজন হলে কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থায় বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, মিডওয়াইফ নেতৃত্বাধীন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বাংলাদেশের জন্য তিনটি অগ্রাধিকার এগিয়ে নিতে পারে- উন্নততর স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার, শক্তিশালী আর্থিক সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবায় অধিকতর সুফল।

তিনি বলেন, ‘নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা আরও কাছাকাছি আনতে ও নিজস্ব অর্থে স্বাস্থ্য ব্যয় কমাতে এবং সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে মর্যাদাপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারে।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশের এ উদ্যোগ উন্নয়নকে মানুষের কেন্দ্রস্থলে রেখে প্রতিরোধ, মর্যাদা ও প্রবেশাধিকারের ভিত্তিতে একটি আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার বৃহত্তর প্রচেষ্টার প্রতিফলন।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো- নারীরা যেন মাতৃত্বের পুরো সময়জুড়ে ধারাবাহিক স্বাস্থ্যসেবা পান এবং বিভিন্ন পর্যায়ে বিচ্ছিন্ন সেবার জন্য আলাদা আলাদাভাবে যেতে না হয়।

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক নারীর বাসস্থানের কাছাকাছি তার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দলের অংশ হিসেবে একজন দক্ষ পেশাদার ধাত্রীর সেবা পাওয়ার সুযোগ থাকা উচিত।’

জুবাইদা রহমান বলেন, নিজ নিজ স্বাস্থ্যব্যবস্থার উপযোগী সমাধান তৈরি করার পাশাপাশি দেশগুলো যেন একে অপরের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে পারে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে সেই সুযোগও তৈরি হবে।

তিনি বলেন, ‘পেশাদার ধাত্রীরা জীবন রক্ষা করেন। এখন আমাদের কাজ হলো এমন স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা তাদের কার্যকরভাবে, সমতার ভিত্তিতে এবং টেকসইভাবে এ কাজ করার সক্ষমতা সৃষ্টি করবে।’

তিনি বলেন, আলোচনাকে বাস্তব পদক্ষেপে রূপ দিতে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী এবং বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সম্প্রদায়ের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় অব্যাহত রাখতে আগ্রহী বাংলাদেশ সরকার।

আলোচনায় সিয়েরা লিওন, নেপাল, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এছাড়া জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, পেশাজীবী সংগঠন, নাগরিক সমাজ এবং বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও এতে অংশ নেন।

সুইডেন সরকার ও ইউএনএফপিএ’র অংশীদারিত্বে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%