বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:০৬ পি.এম
নোয়াখালীর সেনবাগে ১৮ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
একই দিন দুপুরের দিকে আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠেনোর নির্দেশ দেন। এর আগে বুধবার বিকেলে উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়ন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া (৫০) উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনমজুর আব্দুল লতিফ গত প্রায় দুই বছর ধরে নিজের মেয়েকে বিভিন্নভাবে উক্ত্যত করত। এরপর ২০২৪ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত একাধিকবার ভিকটিমকে ধর্ষণ করেন।
একপর্যায়ে মেয়ে বিষয়টি তার চাচা ও জেঠাদের জানালে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে সেনবাগ উপজেলা জামায়াত নেতা মাওলানা হানিফ ও ডুমুরুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মজিবুল হক টিটুর নেতৃত্বে ভিকটিমের ঘরে একটি গ্রাম্য সালিশ বসে। সালিশে অভিযুক্তকে ৩৩ বেত্রাঘাত, জুতার মালা পরানো ও নাকে খত দেওয়া হয়। সালিশের বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
ওসি আব্দুর রহিম সরকার আরও বলেন, এ ঘটনায় ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ভুক্তভোগী কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাথায় গুলির ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে ৩৬টি বুলেটের স্প্লিন্টারের চিহ্ন রয়েছে। জুলাই আন্দোলনের মাঠে গুরুতর আহত হয়ে যে জাতীয় পতাকা বেঁধেছিলেন মাথায়, সেই পতাকা রক্তে ভিজে গিয়েছিল। সেই রক্তমাখা পতাকা হাতে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন শেখ আজিজুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ হয়েছে। এই সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে আজিজুরের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হলো। আজিজুরের ইচ্ছা ছিল ওই পতাকাটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে তুলে দেওয়ার। আজ তিনি মাথায় বাঁধা সেই পতাকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন, সেই পতাকাটি রক্তক্ষরণ ঠেকাতে ব্যবহৃত হয়েছিল।
সম্প্রতি আজিজুরকে নিয়ে গণমাধ্যমে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ‘গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও শুধু ছাত্রদল করার কারণে জুলাই যোদ্ধার স্বীকৃতি মেলেনি’—এতে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সংবাদটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে এলে তিনি তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে বিষয়টি খোঁজ-খবর নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর সাক্ষাতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজিজুরকে নিয়ে আসা হয়।
এসময় প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে আজিজুরের দুঃখ কষ্টের কথা শোনেন। তার আহত হওয়ার ঘটনা, লেখাপড়া, বর্তমান জীবনযাপন এবং সিএনজি চালিয়ে শিক্ষাজীবনের খরচ চালানোর বিষয়সহ তার চিকিৎসার বিস্তারিত জানেন। তার জীবন সংগ্রামের কাহিনী শুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভীষণভাবে ব্যথিত হন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে শেখ আজিজুর রহমান বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পেরে আনন্দিত এবং আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন। নিজের কষ্টের কথা প্রধানমন্ত্রী শুনেছেন এবং তার খোঁজখবর নিয়েছেন; এটিকে জীবনের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন তিনি।
আজিজুর বলেন, এই পতাকাটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে দেওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল। আজ সেই ইচ্ছা পূর্ণ হয়েছে। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়।
আজিজুর রহমান সরকারি বাঙলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। তার বাড়ি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায়।
এতো অনেক ত্যাগ আর অবদানের পরেও যিনি, সেই যোদ্ধা ছাত্রদল করার কারণে দীর্ঘ দুই বছরেও জুলাই যোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি। সংসার ও লেখাপড়ার খরচ চালাতে তাকে সিএনজি স্টিয়ারিং ধরতে হয়েছে। জীবনটা কেটেছে নানা ঘাতপ্রতিঘাতে।
২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ আন্দোলনে মিরপুর-১০ ফ্লাইওভারে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে আলোচনায় আসেন আজিজুর। আন্দোলনের একপর্যায়ে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন।
আহত অবস্থায় মাথার গুলির ক্ষত ঢাকতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা মাথায় বেঁধে নেন। সেই পতাকাটি রক্তে ভিজে যায়। তবুও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। ১৯ জুলাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। দুই দিনের রিমান্ড শেষে ২১ জুলাই মুক্তি পান। তবুও ছাত্রদল করায় তার জুলাই যোদ্ধার স্বীকৃতি মেলেনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় ইতালি যাওয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়লেও দালালচক্রের প্রতারণার শিকার হয়ে লিবিয়ায় আট মাস ধরে নির্মম নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে শরীয়তপুরের ইয়ামিন সরদারকে। দীর্ঘ বন্দিদশা শেষে তিনি দেশে ফিরে আসতে সক্ষম হলেও একই জেলার অন্তত ১৯ তরুণের এখনো কোনো সন্ধান মেলেনি। তারা জীবিত নাকি মৃত— এ অনিশ্চয়তায় দিন পার করছেন তাদের স্বজনরা।
নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এতে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা আরও বেড়ে গেছে। তারা মানবপাচারকারী দালালচক্রের সদস্যদের দ্রুত গ্রেপ্তার, নিখোঁজদের সন্ধান এবং নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
ইয়ামিন সরদার জানান, স্থানীয় দালাল জামাল বেপারীর মাধ্যমে তিনি লিবিয়ায় যান। সেখানে পৌঁছানোর পর তাকে একটি মাফিয়া চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় অমানবিক নির্যাতন। মারধর করে পরিবারের কাছে মুক্তিপণের টাকা দাবি করা হয়।
ইয়ামিনের ভাষ্য, আট মাস ধরে তাকে আটকে রেখে পরিবারের উপর টাকা পাঠানোর চাপ সৃষ্টি করা হতো। টাকা না দিলে হত্যার হুমকি দেওয়া হতো। শেষ পর্যন্ত পরিবারের সদস্যরা জায়গা-জমি বিক্রি করে দুই দফায় মোট ২৭ লাখ টাকা পরিশোধ করলে গত মাসে তাকে দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়া হয়।
দেশে ফিরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসা নিতে হয়েছে ইয়ামিনকে। বর্তমানে কিছুটা সুস্থ হলেও তার শরীরজুড়ে নির্যাতনের অসংখ্য চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
তাদের অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে সালিশের উদ্যোগ নেওয়া হলেও দালালচক্রের প্রভাবের কারণে কোনো সমাধান হয়নি। তারা জামাল বেপারীর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জামাল বেপারী দাবি করেন, তিনি কাউকে বিদেশে পাঠানোর সঙ্গে জড়িত নন।
সম্প্রতি শরীয়তপুর সদর উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের তুলাতলা গ্রামে লিবিয়ায় নিখোঁজ ১৯ তরুণের স্বজনরা একত্রিত হয়ে তাদের দাবি তুলে ধরেন। সেখানে বাবা-মা, স্ত্রী, ভাই-বোন ও ছোট ছোট সন্তানদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। তাদের একটাই দাবি—নিখোঁজ স্বজনদের জীবিত ফিরিয়ে আনা হোক।
স্বজনদের অভিযোগ, মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য রাশেদ খান, কামরুজ্জামান টুন্নু খা এবং তাদের সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে নিখোঁজদের অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তাই দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি নিখোঁজদের উদ্ধারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
নিখোঁজ রাশিদুল ইসলামের বাবা সেলিম জমাদ্দার জানিয়েছেন, ইতালিতে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে টুন্নু খা ও রাশেদ খান তার কাছ থেকে কয়েক দফায় ১৮ লাখ টাকা নেন। পরে লিবিয়ায় ছেলের নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে আরও ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ছেলেকে বাঁচানোর আশায় তিনি ২০ শতাংশ জমিও লিখে দেন। এরপরেও এক বছরের বেশি সময় ধরে ছেলের কোনো খোঁজ পাননি।
নিখোঁজ দিদার আকনের স্ত্রী আছিয়া বেগম জানিয়েছেন, তিনি যখন ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, তখন তার স্বামী লিবিয়ায় যান। সন্তানের জন্মের আগেই তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। তার সন্তান আজও বাবাকে দেখেনি। তিনি শুধুমাত্র তার স্বামীকে ফিরে পেতে চান।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর সদর উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের চরযাদবপুর গ্রামের রাশেদ খান ‘লামিসা এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে লোক পাঠানোর কাজ করতেন। তার সহযোগী ছিলেন জমজ ভাই কামরুজ্জামান টুন্নু খা। তাদের নেতৃত্বে একটি চক্র শরীয়তপুর ও মাদারীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক সংগ্রহ করে অবৈধ পথে ইতালি পাঠানোর নামে প্রথমে সংযুক্ত আরব আমিরাত, পরে মিসর হয়ে লিবিয়ায় পাঠাত।
২০২২ ও ২০২৩ সালে শরীয়তপুরের অন্তত ২২ তরুণকে এভাবে লিবিয়ায় নেওয়া হয়। তাদের পরিবারের কাছ থেকে ১২ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়। পরে কেউ লিবিয়ার কারাগারে, কেউ মাফিয়া চক্রের হাতে জিম্মি হন। নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে পরিবারের কাছ থেকে আরও মুক্তিপণ আদায় করা হয়। গত বছরের ২১ ও ২২ মার্চের পর থেকে ওই যুবকদের অধিকাংশের সঙ্গে পরিবারের আর কোনো যোগাযোগ নেই।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দালালচক্র শুরুতেই পরিবারের কাছ থেকে ব্ল্যাংক চেক নিয়ে রাখত। মামলা করার চেষ্টা করলে সেই চেক ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা ও হামলার ভয় দেখানো হতো। এ কারণে দীর্ঘদিন কেউ আইনের আশ্রয় নিতে সাহস পাননি। পরে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রাশেদ খান ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে শরীয়তপুর আদালত ও পালং মডেল থানায় অন্তত ১১টি মামলা করেন ভুক্তভোগীদের স্বজনরা। এরপর থেকেই তাদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করে পুলিশ।
স্থানীয়দের দাবি, অবৈধ মানবপাচার চক্রের কারণে শরীয়তপুরের হাজারো পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। কেউ পঙ্গু হয়ে দেশে ফিরেছেন, কেউ ফিরেছেন লাশ হয়ে, আবার অনেকে আজও নিখোঁজ। তাদের মতে, মানবপাচারকারী চক্রকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে নিখোঁজদের সন্ধান নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে প্রতারণা বন্ধে কঠোর নজরদারি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেনেটর মোহাম্মদ ইশাক দার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ৫ বক্স আম পাঠিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকার পাকিস্তান হাই কমিশন থেকে এক কূটনৈতিক চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এই উপহারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
কূটনৈতিক নোট অনুযায়ী, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী সেনেটর মোহাম্মদ ইশাক দার তাদের ঐতিহ্য ও সৌজন্যতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের জন্য এই আম উপহার দেন।
ঢাকাস্থ পাকিস্তান হাই কমিশন থেকে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে উপহারটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিফ অব প্রোটোকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
উপমহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও কূটনৈতিক সৌহার্দ্য বাড়াতে প্রতি বছর ফল মৌসুমে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কাছে আমসহ উপহার সামগ্রী পাঠানোর এই ধারা দীর্ঘদিনের।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে আনুমানিক ৬০ বছর বয়সী অজ্ঞাত পরিচয়ের এক বৃদ্ধের মৃত্যু ঘটে গেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ইসলামপুর রেলওয়ে স্টেশনের আউটারের এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
জামালপুর রেলওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, বিকেলে দেওয়ানগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘তিস্তা এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি ইসলামপুর রেলস্টেশন অতিক্রম করার সময় ওই বৃদ্ধ ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, নিহতের পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ