বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:২৫ পি.এম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর সেক্রেটারি জেনারেল এবং সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করে指出 করেছেন যে, গণভোটে পাওয়া জনরায় বাস্তবায়ন না করে সরকার ভুল পথে হাঁটছে। সরকার জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত করার পরিবর্তে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা থেকে সরে এসেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংকুয়েট হলে ১১ দলীয় ঐক্য খুলনার উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা : সাম্প্রতিক বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, গণভোটের পর জুলাই সনদে স্বাক্ষর, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার বিষয়ে বিএনপি শুরু থেকেই একমত ছিল। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পর দলটি রাষ্ট্রপতির আদেশ, গণভোট ও জুলাই সনদের বাধ্যবাধকতা অস্বীকার করছে, যা জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল। তার দাবি, জাতীয় সংসদে জুলাই সনদ এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে বিষয়টি জনগণের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, সরকার যে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে, সেটি প্রকৃত সংস্কার নয়। সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। তিনি জানান, ১১ দলীয় ঐক্য জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সেমিনার, গোলটেবিল বৈঠক, মানববন্ধন ও বিক্ষোভসহ বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যাবে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা এমরান হুসাইন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা, জুলাই আন্দোলনের শহীদ সাকিব রায়হানের বাবা-মাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআর কঙ্গো) ঘন গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অরণ্যে বিজ্ঞানীরা একটি নতুন প্রজাতির বানরের সন্ধান পেয়েছেন, যার ঠোঁটের রঙ কমলা-গোলাপি এবং মুখের রঙ কালো। দীর্ঘ সময়ের অনুসন্ধান, শব্দ বিশ্লেষণ, আলোকচিত্র সংগ্রহ এবং জিনগত গবেষণার পর বানরটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন প্রজাতি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
নতুন এই বানরের বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া হয়েছে কলোবাস কঙ্গোয়েনসিস (Colobus congoensis)। স্থানীয় ভাষায় এটির পরিচিতি ‘লিকওয়েলি’ নামে। প্রাণীটির বৈশিষ্ট্য হলো এর কালো লোমযুক্ত দেহ এবং উজ্জ্বল কমলা-গোলাপি ঠোঁট।
বিজ্ঞানীদের মতে, আফ্রিকায় গত ৭৫ বছরে এটিই শুধুমাত্র পঞ্চম নতুন প্রজাতির বানর, যেটি বৈজ্ঞানিকভাবে শনাক্ত হয়েছে।
প্রাণীটি ডিআর কঙ্গোর মধ্য-পূর্বাঞ্চলের লোমামি জাতীয় উদ্যানের ঘন অরণ্যে দেখা গেছে। সংরক্ষণকর্মীরা ২০০৮ সালে প্রথমবার বানরটিকে দেখতে পান, তবে তখন তারা কেবল একটি অস্পষ্ট ছবি তুলতে সক্ষম হন। প্রায় ১০ বছর পর আবার প্রাণীটির দেখা মেলে এবং এরপর কঙ্গো, যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির গবেষকদের একটি দল তালিকা প্রস্তুতির জন্য ব্যাপক গবেষণা শুরু করে।
গবেষণার অন্যতম সদস্য ফ্লোরিডা আটলান্টিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক জুনিয়র আমবোকো জানান, এমন একটি অতি পরিচিত প্রাণীর মুখোমুখি হওয়া সত্যিই একটি রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা ছিল।
তিনি বলেন, এই প্রাণীটি অত্যন্ত লাজুক স্বভাবের। বেশিরভাগ সময় গাছের উপরেই অবস্থান করে, সুতরাং সহজে দেখা যায় না। গবেষণার সময় আশপাশের ৫২টি গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলার পর জানা গেছে, মাত্র আটটি গ্রামের মানুষ এই বানর দেখেছেন।
গবেষণার ফলাফল আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী পিএলওএস ওয়ান (PLoS One)-এ প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষকরা জানান, স্থানীয় লোকজন বহুদিন ধরেই ‘লিকওয়েলি’ সম্পর্কে সচেতন ছিলেন, কিন্তু এবারই বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে যে এটি অন্যান্য পরিচিত কলোবাস বানর থেকে জিনগতভাবে আলাদা একটি স্বতন্ত্র প্রজাতি।
গবেষক দলের সদস্য ও প্রাণিবিজ্ঞানী অধ্যাপক কেট ডেটওয়াইলার বোঝান যে, কলোবাস গোত্রের বানর আফ্রিকার বনাঞ্চলের বাস্তুতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা ফল ও পাতার মাধ্যমে বীজ ছড়িয়ে দেয়, যা বন পুনর্জন্মে সহায়তা করে।
তাঁর ধারণা, প্রাণীটির উজ্জ্বল কমলা-গোলাপি ঠোঁট সঙ্গী আকর্ষণ কিংবা নিজেদের মধ্যে শনাক্ত করার সংকেত হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।
গবেষকরা আরও জানান, এই বানরের ডাক গভীর এবং প্রতিধ্বনিময়, যদিও ঘন বন ও উঁচু বৃক্ষচূড়ার অবস্থানের কারণে তাঁদের দেখা পাওয়া কঠিন।
বর্তমানে এই প্রজাতির সংখ্যা খুবই সীমিত বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে মাংসের জন্য শিকারের কারণে প্রাণীটি হুমকির মুখে রয়েছে। তবে নতুন প্রজাতি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া গেলে এব্যাপারে আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে আশা করছেন গবেষকরা।
গবেষকদের মতে, এই বিরল প্রজাতির প্রকৃত সংখ্যা, বিস্তৃতি ও জীবনযাপন সম্পর্কে এখনও অনেক কিছু জানার দরকার রয়েছে। তাই ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত জরিপ ও গবেষণা পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
সূত্র: ইয়াহু
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভোলার চরফ্যাশনে সম্পত্তি দখলের কারণে একটি অভিযোগ সংগৃহীত হয়েছে, যেখানে এক আওয়ামী লীগ নেতা বিধবা নারীকে নৃশংসভাবে মারধর করেছেন। এই বিতর্কিত হামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, ওই নারীর বাম হাত এবং বুকের একটি হাড় ভেঙে গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পরে ভুক্তভোগী পরিবার থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) উপজেলার ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওসমানগঞ্জ ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কালাম মাঝি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর রহিমা বেগম সন্তানদের নিয়ে স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে বসবাস করছেন। অভিযোগ উঠেছে, কালাম মাঝি দীর্ঘদিন ধরে সেই সম্পত্তি দখলের জন্য বিভিন্নভাবে চাপ দিয়ে আসছিলেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার সকালে নারিকেল বিক্রির জন্য পাড়তে গেলে কালাম মাঝি, তার ছেলে জাকির, জিহাদসহ কয়েকজন সহযোগী নিয়ে রহিমা বেগমের ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় মারধরের ফলে তার বাম হাত ও বুকের একটি হাড় ভেঙে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা রহিমা বেগম বলেন, "আমার স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তি দখলের জন্য কালাম মাঝি আমাকে দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে হয়রানি করছে। বুধবার নারিকেল পাড়ার সময় তারা আমাকে মারধর করে গুরুতর আহত করেছে। আমি এই ঘটনার ন্যায়বিচার চাই।"
স্থানীয় ইউপি সদস্য নিজাম উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গ্রাম্য পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তিনি আরও বলেছেন, "খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, রহিমা বেগমকে মারধরের ঘটনাটি সত্য।"
অন্যদিকে, অভিযুক্ত কালাম মাঝির বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মগোপন করে রয়েছেন। চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, "আমরা ঘটনার বিষয়ে অবগত আছি। আহত নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুরে বন বিভাগ, সাতছড়ি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি (সিএমসি) ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ২৪টি বন্যপাখি উদ্ধার ও অবমুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলার বাঘাসুরা ইউপির কালিকাপুর এলাকায় দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে এসব পাখি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পাখির মধ্যে রয়েছে— ৩টি টিয়াপাখি, ৪টি শালিক, ৬টি ঘুঘু, ৬টি ডাহুক, ১টি কোড়া, ১টি বালিহাঁস ও ৩টি ময়না।
অভিযান চলাকালে বন বিভাগের সদস্যরা পাখি শিকারিদের বাধার মুখেও পড়েন বলে জানা গেছে।
উদ্ধার শেষে ডাহুক, কোড়া ও বালিহাঁস শাহজাহানপুরের কাটেঙ্গা বিলে অবমুক্ত করা হয়। এছাড়া টিয়া, শালিক ও ঘুঘু পাখিগুলো সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের গভীর বনে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সাতছড়ি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম আবুল বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের সদস্যরা তথ্য সংগ্রহ করে। পরে বন বিভাগ ও পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়। বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে সহযোগিতা করেন মাধবপুর মডেল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরাসউদ্দীন। তিনি বলেন, এমন উদ্যোগের মাধ্যমে বন্যপ্রাণীরা নিরাপদে ও স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকতে পারবে।
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোবারক হোসেন বলেন, বন্যপ্রাণী ধরে রাখা বা পালন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। উদ্ধারকৃত পাখিগুলো যথাযথভাবে অবমুক্ত করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনায় আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের খেলা উপলক্ষে ভূরিভোজের খরচ জোগাড়ের জন্য ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের কাছ থেকে চাঁদা তোলার উদ্যোগ নিয়েছিল একদল যুবক। তারা চাঁদার টাকা না দেওয়ায় অবিলম্বে এক ব্যবসায়ীর অটোরিকশা আটকে তাদের ব্যাটারি খুলে বিক্রির পরিকল্পনা করে এবং এর ওপর বড় ধরনের হামলাও করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু তাদের সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছে পুলিশ। সেই সঙ্গে পুলিশ রাতুল ইসলাম (২৩) নামে এক চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে সোয়া ৯টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর চর মন্ডলপাড়া এলাকায় ইছামতি খালের শালতলা ব্রিজের পাশ থেকে তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই সময় রাতুলের কাছ থেকে দুটি সচল বিদেশি পিস্তল, তিনটি ম্যাগজিন ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে জেলা পুলিশ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার রাতুল এবং তার পলাতক সহযোগীরা আর্জেন্টিনা দলের ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা উপলক্ষে বুধবার রাতে একটি বড় ধরনের ভূরিভোজের আয়োজন করেছিলেন। এ আয়োজনের খরচের জন্য তারা এলাকার ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের কাছে জোরপূর্বক চাঁদা দাবি করেছিলেন। এ ঘটনার ধারাবাহিকতায় তারা স্থানীয় মুদি দোকানদার জাকির হোসেনের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু, জাকির চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
বুধবার দুপুরে বৌ বাজার ব্রিজের ওপর জাকিরের মালিকানাধীন একটি অটোরিকশা তারা আটকে দেন। আসামিরা জাকিরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হুমকি দেন, চাঁদার টাকা না দিলে অটোরিকশার ব্যাটারি বিক্রি করে টাকা আদায় করা হবে। তবে, সেসময় স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে গেলে আসামিরা অটোরিকশাটি ছেড়ে পালিয়ে যান।
কিন্তু তারা এখানেই থেমে থাকেননি। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, চাঁদা না পাওয়ার ক্ষোভ থেকে আসামিরা নতুন পরিকল্পনা তৈরি করেন। ক্রীড়া টুর্নামেন্ট চলাকালীন মুদি দোকানদার জাকির হোসেনের ওপর বড় ধরনের আক্রমণ অথবা তার বড় ক্ষতি করার প্রস্তুতি নেন তারা। এই উদ্দেশ্যেই পলাতক আসামিরা রাতুলের কাছে একটি কালো ব্যাগে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি জমা রাখে।
তবে, ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অন্য আসামিরা কৌশলে পালিয়ে যায়। আর রাতুলকে দুটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি ম্যাগজিন ও গুলিসহ পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ