০৩:২৮ এম
পটুয়াখালীর বাউফলে একটি ঘটনা ঘটেছে যেখানে কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ মনির মোল্লা’র বাসভবন এবং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ ফিরোজ হাওলাদারের কার্যালয়ে হামলা এবং ভাঙচুরের অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় অভিযোগ করা হয় যে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে মারধর করা হয়েছে। ২০২৩ সালের সোমবার (২৯ জুন) উপজেলার কালাইয়া বাণিজ্যিক বন্দর এলাকায় পৃথক এই ঘটনাটি ঘটে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদার দাবি করেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম ফয়সাল আহমেদ, যিনি ওরফে মনির মোল্লা নামে পরিচিত, তার বাসভবন এবং কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ সময় তাকে মারধর করা হয়েছে।
ফিরোজ হাওলাদার আরো অভিযোগ করেন, বিএনপির একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবিতে তার কাছে আসছিল। সোমবার তারা মিছিল নিয়ে এসে তার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করে। অন্যদিকে, বিএনপি নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, গত শনিবার রাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী মিছিল চলাকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয় এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি গরুর হাট এলাকায় পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদারের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় তাকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হলে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন, যার ফলে সিনিয়র নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
তাদের দাবি, হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, সাবেক চেয়ারম্যানের বাসভবন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন