বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৩১ পি.এম
রাজধানী ঢাকা শহরের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থেকে আগত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৪৮ ফ্লাইটের কার্গো হোলে যৌথ অভিযানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় বিমানটির কার্গো হোলে অভিযান শুরু করে প্রাথমিকভাবে ১৬০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া সোনার মোট ওজন প্রায় ১৯ কেজি এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা বলে জানা গেছে।
অভিযানটি পরিচালনা করা হয়েছিল গোয়েন্দা সংস্থা, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ দলের মাধ্যমে।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোন তথ্য জানায়নি।
উদ্ধার হওয়া সোনার উৎস, কার্গো হোলে কীভাবে এগুলো রাখা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত বর্তমানে চলমান রয়েছে বলেও জানা গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর তিনটি এলাকা মাদকবিরোধী বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আটজন মাদক কারবারি ও সেবনকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত র্যাব-১-এর সিপিসি-১, সিপিসি-২, সিপিসি-৩ এবং সদর কোম্পানি যৌথভাবে অভিযানটি পরিচালনা করে মেরুল বাড্ডা, ভাটারা ও খিলক্ষেত এলাকায়। এ সময় র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী তাদের অপরাধের ধরন বিবেচনায় বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ছিলেন মো. শামিম মিয়া (৩২), মো. জয় (২৩), মো. মিনকুল ইসলাম (৩৫), অভিজিত দেবনাথ (৩৯), মো. ছাব্বির হোসেন শিপন (২৩), মো. শাহদাত হোসেন (৩০), মো. স্বপন মিয়া (৪০) এবং মো. মিলন (৩৩)।
র্যাব-১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম জানান, সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একইসঙ্গে মাদক নির্মূলে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহতের সংখ্যা ৮ জনে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামের মাধ্যমে এক পোস্টে জানান, ‘রুশ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮ জনে পৌঁছেছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, আবাসিক এলাকা এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।
হামলার পর, ইউক্রেনের জরুরি সেবা সংস্থার প্রকাশিত ছবিতে একটি আবাসিক ভবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির অবস্থা দেখা গেছে। ওই ভবনের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে।
এই সময় দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
উদ্যোক্তারা দাবি করেছেন, রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয়ের ধারা বজায় রাখতে জনশক্তি রফতানির নীতি প্রণয়নে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। যদি তা না করা হয়, তাহলে রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি কমে যেতে পারে এবং সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনাও ব্যাহত হতে পারে। তারা একই সঙ্গে দাবি করেছেন যে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ লাভজনকভাবে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে রেমিট্যান্স বন্ড চালু করা জরুরি। অর্থনীতিবিদরাও মত দিয়েছেন যে, বন্ড, পুঁজিবাজার কিংবা সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পে প্রবাসীদের অর্থ বিনিয়োগের জন্য এখনই সমন্বিত পরিকল্পনা নিতে হবে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে দেশে ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এটিই সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। পুরো বছরজুড়ে প্রতি মাসে ২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই ধরনের ধারাবাহিক রেমিট্যান্স প্রবাহ আগে কখনো দেখা যায়নি। গত ডিসেম্বর থেকে মে পর্যন্ত টানা ছয় মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রবাসী আয় দেশে এসেছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম। হুন্ডি কমে আসা এবং প্রবাসী শ্রমিকদের দক্ষতা ও আয় বাড়ার সঙ্গে, তাদের পাঠানো অর্থের লাভজনক বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে জনশক্তি রফতানিকারকরা রেমিট্যান্স বন্ড চালুর দাবি করেছেন। বায়রার সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোবারক উল্লাহ শিমুল বলেছেন, সরকার যেহেতু প্রবাসীদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখছে এবং বিভিন্ন উদ্যোগের কথা বলছে, তাই রেমিট্যান্স বন্ড চালু করা উচিত। এতে প্রবাসীরা আরও উৎসাহিত হবেন এবং নিজেদের সম্মানিত মনে করবেন। তবুও উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, ঋণ পরিশোধ এবং আমদানি ব্যয় মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও প্রবাসীরা এখনও যথাযথ মূল্যায়ন পান না। তারা সবাই একযোগে সরকারের প্রতি এই দাবি জানিয়েছেন যে ভবিষ্যতের নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নের সময় সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদেরও সাথে রাখতে হবে। শ্রমবাজার রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান বিশ্বাস বলেছেন, সরকার যদি শ্রমিক পাঠানোর নীতি তৈরির সময় ব্যবসায়ীদের নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, তাহলে সেই নীতির কার্যকারিতা বেড়ে যাবে। অন্যথায়, পূর্বের মতো অনেক উদ্যোগের ব্যর্থতার ঝুঁকি থাকবে। প্রবাসীদের অর্থ বিনিয়োগের জন্য রেমিট্যান্স বন্ড চালুর পক্ষে মত দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরাও। তাদের মতে, এটি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থের জোগান নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেছেন, এখন এমন উদ্যোগ নেয়ার উপযুক্ত সময়। যদি প্রবাসীদের জন্য আলাদা বন্ড চালু করা যায়, তাহলে তাঁরা স্বেচ্ছায় সেখানে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এতে দেশের উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন সহজ হবে, এবং প্রবাসীদের দেশের উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া সম্ভব হবে। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, শ্রমবাজার সম্প্রসারণের জন্য দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর কোন বিকল্প নেই। এজন্য আরও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা, অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং জনশক্তি রফতানি খাতকে 'ঝুঁকিপূর্ণ' তালিকা থেকে বের করে সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভুয়া প্রবেশপত্র ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে গিয়ে এক নারী শিক্ষার্থী এবং তার সহযোগী আটক হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে, সকাল পৌনে ১০টার দিকে কসবা তফাজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে তদন্তকালে এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন কসবা মহিলা কলেজের অকৃতকার্য শিক্ষার্থী তাসফিয়া রহমান (১৮) এবং তার ফুফাতো ভাই ইনজামুল হক (১৯)।
পরীক্ষা কেন্দ্রের সূত্রে জানা যায়, তাসফিয়া রহমান তার ফুফাতো ভাইয়ের সহযোগিতায় একটি ভুয়া প্রবেশপত্র তৈরি করে পরীক্ষায় অংশ নিতে যান। পরীক্ষা শুরুর পূর্বে প্রবেশপত্র যাচাইয়ের সময়, কার্ডে উল্লিখিত কোড নম্বর ও পরীক্ষার বিষয়ের সঙ্গে মিলে না যাওয়ার ফলে কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রবেশপত্রটি ভুয়া বলে নিশ্চিত হন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তফাজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ।
অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রবেশপত্র যাচাইয়ের সময় কোড নম্বর ও পরীক্ষার বিষয় মিলে না যাওয়ার ফলে আমরা বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়।
ঘটনার পর আটক দুইজনকে কেন্দ্রের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে রাখা হয়। এরপর উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছামিউল ইসলাম বলেন, ভুয়া প্রবেশপত্র নিয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে তারা আটক হয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ