বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:৩৭ পি.এম
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে নতুন বেতন কাঠামোর অগ্রগতি সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরার সময় তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী এ বিষয়ে বলেন, পে-স্কেল সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন হলেই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। এরপর অনুমোদন পাওয়ার পর দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বহু ধরনের সংবাদ প্রদর্শিত হওয়া সত্ত্বেও সরকার নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।
নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে ঋণ পেতে কোনো সমস্যা হবে কি না— এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া ছিল যে, আইএমএফের ঋণের বিষয়টি পে-স্কেল বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
পে-স্কেল নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন খবর প্রকাশের প্রসঙ্গে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমি চাই না দুই দিন পরপর বেতন কাঠামো নিয়ে কথা বলতে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম বিভিন্নভাবে সংবাদ প্রচার করছে, তারা করুক। আমি একবারেই এ বিষয়ে কথা বলবো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন, যিনি ডেভিড ইমন নামেও পরিচিত, তাকে গ্রেপ্তারের পর চট্টগ্রামে আনা হয়েছে। জানা গেছে, বুধবার (২৯ জুলাই) বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করার সময় যশোরের ঝিকরগাছা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরের সময় তাকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার (২৯ জুলাই) ভোরে যশোর এবং চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে যশোরের ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে চেকপোস্ট বসিয়ে একটি প্রাইভেটকার তল্লাশি করার সময় তাকে ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিতে ডেভিড ইমন তার বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার সকালে বেলা ১১টার দিকে জেলা পুলিশ কার্যালয়ে একটি প্রেস ব্রিফিং শেষ হওয়ার পর তাকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রিজন ভ্যানে উঠে যাওয়ার সময় নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতর থেকে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছিলেন, "আমার অনেক কিছু বলার আছে"। কিন্তু পুলিশ সদস্যদের বাধার কারণে তিনি কোনো কথা বলতে পারেননি।
পুলিশের সূত্র জানায়, ডেভিড ইমন বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী, যিনি ‘বড় সাজ্জাদ’ নামে পরিচিত, তার অন্যতম প্রধান সহযোগী। তার বিরুদ্ধে বাকলিয়ায় জোড়া খুন, পতেঙ্গায় ঢাকাইয়া আকবর হত্যা এবং সাম্প্রতিক সময়ে ইন্টারনেট সেবা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও চাঁদাবাজিসহ ১১টিরও বেশি গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে।
আইনি প্রক্রিয়া ও প্রেস ব্রিফিং সম্পন্ন হওয়ার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে কঠোর পুলিশি প্রহরায় আদালতের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার শিবনগর ডিসি ইকো পার্কে সরকারি মরা গাছের দোহাই দিয়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে তাজা গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
তবে স্থানীয়ভাবে কেউ জানেন না যে এসব সরকারি গাছ কাটার বিষয়ে কোনো উন্মুক্ত টেন্ডার বা নিলামের খবর হয়েছে এবং কোনো নোটিশও করা হয়নি। এই বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা ধরনের সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পার্কটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা বাহালুল হকের যোগসাজশে এই গাছগুলো কাটা হয়েছে এবং তিনিই গাছ ব্যবসায়ীকে ঠিক করেছেন।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই দামুড়হুদা শিবনগর ডিসি ইকো পার্কের কিছু ঝুঁকিপূর্ণ মরা গাছ বিক্রি করার জন্য পার্ক চত্বরে উন্মুক্ত নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে চন্দ্রবাস গ্রামের মৃত আমির হোসেনের ছেলে মো. নজরুল ইসলাম ২ লাখ ৭০ হাজার টাকায় ২৯টি মরা গাছ কিনেছেন। গাছগুলোর মধ্যে ছিল- ১৯টি আম গাছ, ৬টি শিশু গাছ, এবং ৪টি কাঁঠাল গাছ। পার্কের পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে, পরদিন ২০ জুলাই দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লাভলী ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত একটি কার্যাদেশ দেওয়া হয় সর্বোচ্চ দরদাতাকে।
কার্যাদেশ পাওয়ার পর ডিসি ইকো পার্কের মরা গাছের পাশাপাশি নজরুল ইসলাম তরতাজা গাছ কাটা শুরু করে। গাছের ক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, "নিলামে কয়জন ছিল আমার জানা নেই। আমি যখন পার্কে আসলাম তখন কোনো ব্যবসায়ী ছিলেন না। ইউএনও স্যার আর অফিসের লোকজন ছিল। আমি ২ লাখ ৭০ হাজার টাকায় গাছগুলো কিনেছি।"
পার্কের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা বাহালুল হক বলেন, "ইউএনও স্যার আমাকে গাছের ব্যবসায়ী দেখে দিতে বলেন। বিষয়টি আমি আমার গ্রামের দুজন কাঠের ব্যবসায়ীকে বলি। তারা গাছগুলো দেখে একটা দাম বললে আমি স্যারকে জানাই। পরে গাছগুলো তাদের কাছে বিক্রি করেছে ইউএনও স্যার। গত দুদিন আমি পার্কে ছিলাম না কয়টা গাছ কাটা হয়েছে এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।"
কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাস বলেন, "বিক্রিকৃত গাছের চেয়ে অতিরিক্ত গাছ কাটা হয়েছে বলে শুনেছি। যদি এটা সত্য হয় তাহলে এই কাজের সাথে যে বা যারা জড়িত তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করছি।"
ইউএনও লাভলী ইয়াসমিন বলেন, "এটা তো উন্মুক্ত নিলাম হয়েছে। জেলা প্রশাসকের সিদ্ধান্তে কমিটির মাধ্যমে নিলাম করা হয়েছে। নিলামের ফাইল তো ডিসি স্যারের কাছে- তাই কয়টা গাছ সঠিক বলতে পারব না।"
তিনি আরও বলেন, "নিলামকৃত মরাগাছের পাশাপাশি আরো কিছু অতিরিক্ত গাছ কাটা হয়েছে বলেও অভিযোগ পেয়েছি। এখন আমরা কমিটি করে দিয়েছি সরেজমিনে তদন্ত করে দেখব।"
স্থানীয়দের মতে, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন দেশে সবুজ বনায়ন করতে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন, যা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন হচ্ছে। তখন একশ্রেণির মানুষ কীভাবে সবুজ তরতাজা বৃক্ষ নিধনে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা কি বর্তমান সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করছেন, এমন ধরনের মন্তব্য করছেন। সেই সঙ্গে গাছের বিক্রির অনিয়ম তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বে বেসরকারি বিনিয়োগ আনার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সদস্য দেশগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট না দিলে সদস্য দেশগুলো সম্ভাব্য ৩০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিফার ২১১ সদস্য সংস্থাকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ৫৩ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ভোটে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে ‘ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই)’ নামে একটি নতুন প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে।
নতুন এই প্রতিষ্ঠানের অধীনে বিশ্বকাপসহ ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলোর সম্প্রচার স্বত্ব, স্পনসরশিপ, টিকিট বিক্রি এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিতে বাইরের বিনিয়োগকারীদের অংশীদার হওয়ার সুযোগ থাকবে।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, প্রস্তাব অনুমোদিত হলে ২০২৭-২০৩১ চক্রে ‘ফিফা ফরওয়ার্ড’ কর্মসূচির অনুদান প্রায় ৮ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২০ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। এছাড়া প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেওয়া সদস্য সংস্থাগুলোকে এককালীন আরও ২০ মিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যদিকে, প্রস্তাবটি অনুমোদন না পেলে সদস্য দেশগুলো মাত্র ১০ মিলিয়ন ডলার অনুদান পাবে। ফলে সম্ভাব্য অতিরিক্ত ৩০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতে ২০৩৫-২০৩৮ চক্রে এই অনুদান ২৪ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়ানোরও পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন বিনিয়োগ কাঠামোর মাধ্যমে প্রায় ৪.২ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ফিফা।
বাংলাদেশসহ অনেক ছোট ফুটবল ফেডারেশন জাতীয় দল পরিচালনা, অবকাঠামো উন্নয়ন, একাডেমি এবং তৃণমূল ফুটবল কার্যক্রম পরিচালনায় ফিফার অনুদানের ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভরশীল। এ কারণে প্রস্তাবটি এসব দেশের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
তবে পরিকল্পনাটি ইতোমধ্যে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা অভিযোগ করেছে, ফিফা ফুটবলের বাণিজ্যিকীকরণে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে খেলাটির মূল মূল্যবোধকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। বিষয়টি নিয়ে ইউরোপের ফুটবল কর্তারা জরুরি বৈঠক করছেন এবং বিশ্বকাপ বর্জনের সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ) জানিয়েছে, তারা আগে থেকেই এই পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত ছিল না। সংস্থাটির দাবি, প্রস্তাবের স্বচ্ছতা, প্রক্রিয়া এবং নীতিগত বিষয়গুলো নিয়ে তাদের উদ্বেগ রয়েছে এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়ার পর তারা আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানাবে।
এদিকে উত্তর আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনকাকাফও পরিকল্পনার সমালোচনা করেছে। তবে আফ্রিকা, এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার অনেক সদস্য সংস্থার সমর্থন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী ফিফা। প্রস্তাবটি কার্যকর করতে ২১১ সদস্যের মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট এবং ফিফা কাউন্সিলের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর কেরানীগঞ্জে তানজিলা আক্তার নামে এক কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা করেছে তার প্রেমিক। মূল আসামিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
পুলিশ জানতে পেরেছে, প্রেমিক রানা হাওলাদারের কাছে ৩০ হাজার টাকা চাওয়ার কারণে তানজিলাকে খুন হতে হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর উত্তরায় পিবিআইয়ের ঢাকা জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির বিশেষ পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ।
তিনি বলেন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার রাজেন্দ্রপুর এলাকা থেকে তানজিলা হত্যা মামলার মূল আসামি রানা হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুও উদ্ধার করা হয়।
পিবিআই জানায়, গত ২৭ জুলাই বিকেলে রানা হাওলাদার তার নিজস্ব অটোরিকশায় করে প্রেমিকা তানজিলাকে ঘুরতে নিয়ে যান। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। বিরোধের একপর্যায়ে রানা প্রথমে তানজিলার গলা চেপে ধরেন। পরে ফল কাটার চাকু দিয়ে তার গলা কেটে হত্যা করেন।
হত্যাকাণ্ডের পর ভুক্তভোগীর কাছে থাকা দুটি স্মার্টফোন ও একটি রুপার চেইন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান রানা। পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে পিবিআই তাকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ