বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২৪ পি.এম
দেশের ৬০টি পৌরসভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম কিস্তিতে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই অর্থ বরাদ্দ ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা জোরদার প্রকল্প’-এর আওতায় পৌরসভাগুলোর জন্য দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন-১ শাখা থেকে একটি চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের পরিচালন বাজেটে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা জোরদার প্রকল্পের জন্য মোট ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর প্রথম কিস্তিতে ৬০টি পৌরসভার ৭১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে।
ছাড় করা এই অর্থ ‘আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রজেক্ট-২য় পর্যায়’-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পৌরসভাগুলোতে বিতরণ করা হবে।
বরাদ্দের আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পৌরসভাগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, নেত্রকোণা, কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, পাবনা, আড়াইহাজার, লালমনিরহাট, মেহেরপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, নরসিংদী, গাজীপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, শেরপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, নাটোর, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, পঞ্চগড়, খুলনা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, বরগুনা, কুমিল্লা, ঝালকাঠি, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন পৌরসভা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনুদানের অর্থ শুধুমাত্র প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যয় করা যাবে। এর মধ্যে প্রসূতি স্বাস্থ্যসেবা, নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ রোগের চিকিৎসা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও যোগাযোগ এবং স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচালনার ব্যয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পৌরসভার জনসংখ্যা, আয়তন ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বিবেচনা করে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় করতে হবে। অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। একইসঙ্গে ২০২৭ সালের ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ব্যয়ের সচিত্র অগ্রগতি প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জুয়েল রানা স্বাক্ষরিত চিঠিতে সংশ্লিষ্ট পৌরসভার মেয়র এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার ও হিসাব সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভূমি মন্ত্রণালয় দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছে, যাতে ভূমি সেবা মাঠ পর্যায়ে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক হয়।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা প্রশাসকদের উচিত তাদের নিজ নিজ জেলার সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপন করা এবং এর নিয়মিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকারি অফিসে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার ই-গভর্ন্যান্স চালু করার পাশাপাশি বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে মাঠ পর্যায়ের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে অধিকতর গতিশীল ও জনবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, জনসাধারণ যেন নির্বিঘ্নে ও যথাসময়ে ভূমি সেবা পান, সে জন্য ভূমি সেবা প্রদানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে নিয়মিত ও সময়মত উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।
এই কারণে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অবিলম্বে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থাপিত ডিভাইসগুলো নিয়মিত ব্যবহার হচ্ছে কি না, সেটি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা বাস্তবায়নে চিঠির মূল প্রাপক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সব জেলা প্রশাসককে। একই সঙ্গে বিভাগীয় কমিশনার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সিস্টেম এনালিস্টসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের কাছে পরিপত্রটির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় এক নারী (১৯) ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, অভিযোগ উঠেছে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে স্বামীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে গিয়েছিলেন। স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত জসিম মিয়াকে (৩৫) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন যখন তিনি ভুক্তভোগীকে সড়কে রেখে পালানোর চেষ্টা করেন।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে বিজয়নগরের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বুধন্তি বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। গ্রেপ্তারকৃত জসিম বুধন্তি ইউনিয়নের আলিনগর গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় পুলিশ ও জনগণের সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ওই নারী নোয়াখালীর চাটখিলের বাসিন্দা। তার বিয়ে হয়েছে প্রায় আট মাস আগে নেত্রকোনার এক ব্যক্তির সঙ্গে। বর্তমানে তার স্বামী বিজয়নগর উপজেলার একটি বেকারিতে কাজ করেন।
রোববার, নোয়াখালী থেকে বাসযোগে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় তার স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে যান ওই তরুণী। পরে তিনি কুমিল্লা-সিলেটগামী একটি বাসে উঠে বিজয়নগরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ওই বাসে অভিযুক্ত জসিমও ছিলেন, যার ফলে তাদের পরিচয় ঘটে।
পরিচয়ের এক পর্যায়ে ওই নারী জসিমকে জানান যে তিনি বিজয়নগরে যাবেন। কিন্তু জসিম তাকে নিয়ে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় নামেন। এরপর স্বামীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে জসিম তাকে বিজয়নগর উপজেলার সাতবর্গ এলাকায় মনিহার সিনেমা হলের পূর্বপাশে একটি কারখানায় নিয়ে যান, যেখানে তাকে ধর্ষণের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ করেছেন।
পরে, জসিম ওই নারীকে একটি সিএনজিচালিত রিকশায় স্বামীর কাছে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। কিন্তু বুধন্তি এলাকায় পৌঁছালে জসিম তাকে জোরপূর্বক অটোরিকশা থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় অন্য যাত্রী ও স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয় এবং তারা জসিমকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর স্থানীয় লোকজন জসিমকে তাদের হাতে সোপর্দ করে। বিজয়নগর থানার ইসলামপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ ফারুক মিয়া জানান, ওই নারীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
বিজয়নগর থানার মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, ওই নারী নিজেই বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুপুরের দিকে আটক জসিমকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হুথি বাহিনী দাবি করেছে যে, ইয়েমেনের মারিব প্রদেশে সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান তারা গুলি করে ভূপাতিত করেছে।
এই দাবি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া শারি করেছেন।
তবে সৌদি কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এই ঘটনার বিষয়ে কোনো তাৎক্ষণিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র জানান, সৌদি যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত করার পর সেটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজতে আসা আরও দুটি সৌদি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের সঙ্গেও তাদের বাহিনীর ‘সংঘর্ষ’ হয়েছে।
ইয়াহিয়া শারি আরও জানান, চলতি সপ্তাহে সৌদি যুদ্ধবিমানগুলো ইয়েমেনের তাইজ, লাহজ, আল-জাওফ, হাজ্জাহ, মারিব, সাদাহ ও আল-বায়দা এলাকায় ৪৫০টির বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে।
তিনি দাবি করেছেন যে, এসব হামলায় বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন।
হুথি মুখপাত্র বলেন, যেকোনো আগ্রাসন বা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দেশের আকাশসীমা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য তারা সব ধরনের উপায়ে লড়াই অব্যাহত রাখবে।
সূত্র: আল জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার নিয়মে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের প্রস্তাবনা সামনে এসেছে। নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী, পদোন্নতি ছাড়া একই বা সমতুল্য পদে নির্দিষ্ট সময় চাকরি পূর্ণ হলে, বর্তমানের তুলনায় কম সময়ের মধ্যে প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
বর্তমানে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী, স্থায়ী কর্মচারীরা পদোন্নতি ছাড়া একই পদে ১০ বছর চাকরি পূর্ণ করলে এবং চাকরি সন্তোষজনক হলে ১১তম বছরে প্রথম উচ্চতর গ্রেড লাভ করেন। এরপর, প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর যদি আরও ছয় বছর পদোন্নতি না হয়, তবে সপ্তম বছরে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিধান রয়েছে।
তবে নবম পে-স্কেলের প্রস্তাবনায় প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সময়সীমা ১০ বছর থেকে কমিয়ে আট বছর করার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, একই বা সমতুল্য পদে পদোন্নতি ছাড়া আট বছর চাকরি পূর্ণ হলে নবম বছরে প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
এরপর, আরও ছয় বছর একই বা সমতুল্য পদে থাকলে সপ্তম বছরে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
নতুন ব্যবস্থায় একজন কর্মচারী একই পদে দুইবারের বেশি উচ্চতর গ্রেডের আর্থিক সুবিধা পাবেন না। একই সঙ্গে চতুর্থ গ্রেড পর্যন্ত এই সুবিধা প্রযোজ্য রাখার প্রস্তাব রয়েছে।
চতুর্থ গ্রেড বা তার ওপরে থাকা কর্মচারীরা উচ্চতর গ্রেডের মাধ্যমে তৃতীয় বা তার ওপরে গ্রেডে যাওয়ার সুযোগ পাবেন না।
এছাড়া, আগের বেতনস্কেলগুলোতে একই পদে দুই বা তার বেশি সিলেকশন গ্রেড, টাইম স্কেল, উচ্চতর গ্রেড বা স্কেল পেয়ে থাকলে নতুন পে-স্কেলে একই পদে আবার উচ্চতর গ্রেড দেওয়ার সুযোগ থাকবে না এমন বিধানও প্রস্তাব করা হয়েছে।
৩০ জুন ২০২৬ বা তার আগে একই পদে কোনো কর্মচারী মাত্র একটি উচ্চতর স্কেল বা গ্রেড পেয়ে থাকলে, সেই সুবিধা পাওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ছয় বছর পূর্ণ হওয়ার পর সপ্তম বছরে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড দেওয়ার বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
তবে এ ক্ষেত্রে আগের সময়ের কোনো বকেয়া পাওনা বা নতুন গ্রেড অনুযায়ী অতীত সময়ের বেতন পুনর্নির্ধারণের সুবিধা থাকবে না।
এদিকে, আগে টাইম স্কেল বা সিলেকশন গ্রেড পাওয়া সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেলে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিষয়েও আদালতের গুরুত্বপূর্ণ রায় রয়েছে। ২০২৬ সালের মার্চে আপিল বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের রিভিউ আবেদন খারিজ করে উচ্চতর গ্রেড সুবিধা-সংক্রান্ত আগের রায় বহাল রাখেন।
তবে উচ্চতর গ্রেড নিয়ে এসব পরিবর্তন এখনো প্রস্তাবিত নবম পে-স্কেলের অংশ। চূড়ান্ত গেজেট ও সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরই নতুন নিয়মের চূড়ান্ত প্রয়োগ পদ্ধতি স্পষ্ট হবে।
নতুন পে-স্কেলে বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে কর্মচারীর পদ, যোগদানের তারিখ, ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি ও উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার তথ্য বিবেচনায় নেওয়ার প্রস্তুতিও চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ