বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:৫২ পি.এম
উন্নয়নের নামে যেন একটি নির্মম প্রহসন ঘটেছে। সরকারি অর্থে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ব্যয়ে নির্মিত নগরপাড়া বাজার থেকে খালের সেতু পর্যন্ত ঢালাই সড়কটি উদ্বোধনের পর মাত্র এক মাসের মধ্যেই বিভিন্ন স্থানে ধসে পড়েছে। একই সাথে, সড়কের বাজার অংশে কোনো পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজ বা পাইপলাইন না থাকায় পুরো এলাকা স্থায়ী জলাবদ্ধতায় পরিণত হয়ে গেছে। এর ফলে নগরপাড়া, কাজীবাড়ি, পূর্বপাড়া, পশ্চিমপাড়া ও আশপাশের অন্যান্য কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৭ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের পাশাপাশি পরিকল্পনার অভাবের কারণে এত অল্প সময়ের মধ্যে সড়কটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির পানি ও বাজারের ময়লা-আবর্জনা জমে গিয়ে সড়কটি এখন দুর্গন্ধযুক্ত জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়, যার কারণে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, দিনমজুর এবং সাধারণ মানুষের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
দুর্নীতির খেসারত দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এলাকা বাসীদের দাবি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের উদ্দেশ্যে প্রকল্পটির গ্রহণ করা হলেও বাস্তবে কাজ হয়েছে অত্যন্ত নিম্নমানের। অভিযোগ রয়েছে যে, যথাযথ মান বজায় না রেখে নামমাত্র ইটের খোয়া ও ঢালাইয়ের কাজ করে প্রকল্পের বড় একটি অংশের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। সড়কের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে এবং পচা পানিতে চলাচল করতে গিয়ে শিশু-বৃদ্ধসহ অনেকেই চর্মরোগে আক্রান্ত হয়েছেন।
জরুরি প্রয়োজনে কোনো রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স বা অন্যান্য যানবাহন গ্রামে প্রবেশ করতে পারে না। অনেক সময় মুমূর্ষু রোগীদের খাটিয়া বা কাঁধে করে মূল সড়কে এনে হাসপাতালে নিতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন বলেন, "রাস্তার নিচে পানি যাওয়ার জন্য কোনো পাইপ দেওয়া হয়নি। ফলে ভেতরের পুরো রাস্তা পানিতে ডুবে থাকে। এতে মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।"
ব্রাইট শিশু কানন হাই স্কুলের শিক্ষার্থী রাহিদ ও রাশিদ জানায়, "প্রতিদিন এই নোংরা পানি মাড়িয়ে স্কুলে যেতে হয়। আমাদের পায়ে চুলকানি ও বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ দেখা দিয়েছে।"
ব্যবসায়ী আবুল হাশেম বলেন, "দোকানের ভেতরে পানি ঢুকে ব্যবসার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এভাবে চললে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।"
ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারা অবিলম্বে নিম্নমানের নির্মাণকাজের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পুনর্নির্মাণ এবং স্থায়ী ড্রেনেজ ও পাইপলাইন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেন বলেছেন, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, ‘আমি বিষয়টি জেনেছি। দ্রুত সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সান্বী জানিয়েছেন, একটি দৃশ্যে কর্ণের উদ্দেশ্য ছিল তাঁকে চুম্বন করা। এদিকে, তাঁর কর্ণকে চড় মারার ঘটনাও ছিল। কিন্তু পরিচালকের 'অ্যাকশন' বলার আগেই কর্ণ আগে থেকেই তাঁকে চুম্বন করে বসেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তখন বনাম এখন— চেহারার পরিবর্তন নিয়ে বলিউডের বহু অভিনেত্রী কটাক্ষের মুখে পড়েছেন।
রইল তেমনই একটি তালিকা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার কারণে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বর্তমান বিক্ষোভ একটি নতুন আলোচনা শুরু করেছে। দিল্লীর রাজপথে হাজারো শিক্ষার্থীর স্লোগানে ভরে উঠেছে। বিক্ষোভ চলছে টানা। আন্দোলন স্থলটিতে হঠাৎ একটি ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। সেখানে খাবারের প্যাকেট, সমুচা, চা, ঠান্ডা পানীয় পৌঁছে যাচ্ছে। কিন্তু খাবার নিতে সেখানে ক্রেতাদের দেখা মিলছে না। বরং ডেলিভারি কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিনামূল্যে খাবার বিতরণ করতে। তাহলে, কারা এই খাবার পাঠাচ্ছেন এবং কেন বিদেশ থেকেও খাবারের অর্ডার আসছে?
আন্দোলনকারীদের প্রতি সমর্থন জানাতে দেশ-বিদেশের মানুষরা অভিনব পথে চলছেন। তারা অনলাইনে খাবার অর্ডার করে তা সরাসরি আন্দোলনস্থলে পাঠাচ্ছেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, অনলাইনে খাবার সরবরাহকারী অ্যাপগুলোর মাধ্যমে যেমন সুইগি এবং জোম্যাটো, আন্দোলনকারীদের জন্য খাবার ও পানীয়ের নিয়মিত প্রদানের ব্যবস্থা হচ্ছে। এরপর ডেলিভারি কর্মীদের বলা হচ্ছে, যাদের খাবারের প্রয়োজন, তাদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করতে।
সুইগির ডেলিভারি কর্মী প্রদীপ কুমার সিং ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআইকে জানান, এখন যন্তর মন্তর তার নিয়মিত ডেলিভারি গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, অর্ডার দেওয়ার পর গ্রাহকরা ফোনে জানাচ্ছেন, আন্দোলনকারীদের মধ্যে খাবারগুলো বিলিয়ে দিতে। সেখানে আলাদাভাবে কেউ খাবার নিতে আসেন না। তিনি আরো জানান, একদিন তার কাছে সমুচার একটি বড় অর্ডার এসেছিল। তাকে স্রেফ বলা হয়েছিল, যাদের প্রয়োজন, তাদের কাছে সেটি পৌঁছে দিতে।
শুধু ভারতেই নয়, বিদেশ থেকেও আন্দোলনকারীদের জন্য খাবার আসছে। অন্য এক ডেলিভারি কর্মী মহেন্দ্র কুমার জানান, তিনি একজন বিদেশি গ্রাহকের পাঠানো চায়ের অর্ডার নিয়ে এসেছিলেন যন্তর মন্তরে। তবে, কে সেই অর্ডার দিয়েছেন, সে বিষয়ে তার কোনো ধারণা নেই। তাকে শুধু বলা হয়েছিল, আন্দোলনরত ভাইদের হাতে চা পৌঁছে দিতে।
অন্যদিকে, জোম্যাটো ও জেপ্টোর এক ডেলিভারি কর্মী এই উদ্যোগকে ‘স্টুডেন্ট সার্ভিস’ বলে অভিহিত করেছেন। তার ভাষ্য, প্রেরকের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছে। তাকে শুধু নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সব খাবার আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিতরণ করে দিতে।
এদিকে, আন্দোলনের কারণে দিল্লি পুলিশ এখন পর্যন্ত ১০টি এফআইআর দায়ের করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় চারটি, কনট প্লেস থানায় তিনটি এবং মন্দির মার্গ, বারাখাম্বা রোড ও কর্তব্য পথ থানায় একটি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে, আন্দোলনস্থলে পৌঁছানো এসব খাবার ও পানীয় যেন আরেকটি বার্তা দিচ্ছে। কেউ পরিচয় প্রকাশ না করেই নিজেদের সমর্থনের কথা জানিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে আছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম-কমিশনার ফরিদা ইয়াসমিনসহ মোট ১৭ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।
বুধবার (২৩ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহীল বাকী, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি বিধান ত্রিপুরা, পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত ডিআইজি ড. একেএম ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ) সারদার ডিআইজি মো. ওয়ালিদ হোসেন, এপিবিএনের অতিরিক্ত ডিআইজি সহেলী ফেরদৌস।
এছাড়াও, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি রেবেকা সুলতানা, সারদার অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত ডিআইজি হাসিনা রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি ফয়সল মাহমুদ ও কানিজ ফাতেমা, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি সুলতানা নাজমা হোসেন, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জেসমিন বেগম, টিডিএস ঢাকার পুলিশের সুপার আব্দুর রহিম শাহ চৌধুরী, সিআইডির ডিআইজি সানা শামীনুর রহমান এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) ফরিদা ইয়াসমিনও রয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সকল সুবিধা পাবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ