ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তিন বছর ধরে স্বামী বিদেশে, সন্তান জন্মে স্ত্রী আলোচনায়


তিন বছর ধরে স্বামী বিদেশে, সন্তান জন্মে  স্ত্রী আলোচনায়

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার কাশিমপুর গ্রামে তিন বছর ধরে বিদেশে অবস্থানরত এক ব্যক্তির স্ত্রীর সন্তান প্রসবের ঘটনা কেন্দ্র করে আলোচনা এবং সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়।

স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তবে তারা এবং তার পরিবার এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কাশিমপুর গ্রামের বাসিন্দা জাকির হোসেন তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। এই সময়ে তার স্ত্রী খাদিজা (৩০) শ্বশুরবাড়িতে দুই সন্তান ও শ্বশুরের সঙ্গে বসবাস করেছেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

স্থানীয়দের ভাষ্যে জানা যায়, গত ৯ জুলাই রাতে খাদিজার প্রসববেদনা উঠলে তার জা আক্তার বানু এবং প্রতিবেশী রুজি আক্তার ও ফাইজুন্নাহার সেখানে উপস্থিত হন। এরা দাবি করেন, ওই রাতে খাদিজা একটি ছেলে সন্তান জন্ম দেন। পরে রাতের মধ্যে নবজাতককে সঙ্গে নিয়ে তিনি বাবার বাড়ি লাখাই উপজেলার নকলাউক গ্রামে চলে যান।

আক্তার বানু নামে এক মহিলা জানান, ঘরে ঢুকলে তিনি নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনতে পান এবং একটি ছেলে সন্তান দেখতে পান। এই একই দাবি করেছেন প্রতিবেশী রুজি আক্তার ও ফাইজুন্নাহার। ফাইজুন্নাহার বলেন, তিনি নবজাতককে নিজের কোলে নিয়েছিলেন।

তবে খাদিজা সব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তিনি কোন সন্তানের জন্ম দেননি। দীর্ঘ কয়েক মাস শারীরিক সমস্যার কারণে একটি রক্তের পিণ্ড বের হয়েছে। তার বাবা ফজলুর রহমানও মেয়ের সন্তান প্রসবের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল আমিন জানান, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। তবে এখনও তিনি সরেজমিনে বিষয়টি যাচাই করেননি। তাই এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করা তার পক্ষে সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণীকে মদপানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পার্কিংকর্মীকে মারধরের ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


তরুণীকে মদপানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পার্কিংকর্মীকে মারধরের ঘটনা

ভারতের উত্তরাখণ্ডের পর্যটননগরী হৃষীকেশে প্রকাশ্যে মদ্যপানে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের এই ঘটনাটি দিল্লি থেকে আসা একদল পর্যটকের বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ফলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পার্কিং এলাকায় একদল পর্যটক মদ পান করছিলেন। এমন সময় দায়িত্বরত এক পার্কিংকর্মী তাদের বাধা দিতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায় যে, কয়েকজন ব্যক্তি এক পার্কিংকর্মীকে ঘিরে মারধর করছেন। তাদের মধ্যে একজন তরুণীকেও হামলার ঘটনায় অংশ নিতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে একজন যুবক বড় একটি পাথর হাতে তুলে নিয়ে ভুক্তভোগীকে লাথি মারেন। মারধরের ফলে ভুক্তভোগী মাটিতে পড়ে গেলেও হামলা অব্যাহত থাকে। ঘটনার সময় স্থানীয় লোকজনও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয়দের সহায়কতায় অভিযুক্ত পর্যটকদের মধ্যে দুজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তাদের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনাস্থলে ব্যবহৃত গাড়িটিও জব্দ করা হয়েছে। তবে দলে থাকা তরুণীর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়টি পুলিশ আলাদা করে জানায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং যথাযথ আইনি ব্যবস্থা শেষে নেওয়া হবে।

এদিকে, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক্স (সাবেক টুইটার)-এর UK News Page নামক একটি অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত হয়েছে। তবে ভিডিওটির সত্যতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর টুইটার ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক ইউজার। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন নেটিজেনদের একটি বৃহৎ অংশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করা হচ্ছে যেন তারা তাদের পড়ার টেবিলে ফিরে যান। তিনি উল্লেখ করেন, “সঠিকভাবে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন।” শিক্ষামন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে, যেসব কেন্দ্রে ভুল-ত্রুটি হয়েছে, সেসব কেন্দ্রে পুনরায় পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তিনি জাতীয় সংসদে পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন।

এ দিন শফিকুল ইসলাম মাসুদ শিক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, গতকাল যেসব এইচএসসি পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের জন্য বিশেষ মূল্যায়ন সহায়তা ব্যবস্থা এবং যেসব কেন্দ্রে এখনো পানি আছে, সে বিষয়ে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কি না? এছাড়া, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে?

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জবাবে বলেন, “বর্ষা মৌসুমে পরীক্ষা নিয়ে আমরা সবাই উদ্বিগ্ন।” তিনি জানান, “আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে ছিলাম এবং এখনও আছি।” পানির সমস্যা যে কেন্দ্রে সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলো আমাদের তাৎক্ষণিক ভাবে কেন্দ্র সরানোর কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, “এ যাবৎ কুমিল্লা সরকারি কলেজের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ রয়েছে।” তিনি জানান যে, অন্যান্য যেসব কেন্দ্রে সমস্যা হয়েছে, সেসময় কেন্দ্র পাল্টানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা মনে করি, যেসব শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের শুধরে দেয়া বিরাট কোনো কাজ নয়।” কারণ, “আমরা অনেক জায়গায় পরীক্ষা বন্ধ করেছি, আবার তাদের পরীক্ষা নেবো।” তিনি বলেন, “আমরা পর্যলোচনা করছি, যদি কোথাও প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ওঠার পর শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে না পারে। তাহলে এই জরিপটা পেলে আমরা পুনরায় পরীক্ষাও নিয়ে যেতে পারি।”

এসময় শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্ষা মৌসুম এড়াতে পরীক্ষা কীভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, তা নিয়ে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, “২০২৭ সালে এসএসসি থেকে বেজ ধরে ধীরে ধীরে এগিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।” তিনি জানান, এ বছরও পরীক্ষার সময় এক মাস এগোনো হয়েছে। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে শিক্ষাবর্ষ আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। সিলেবাস কীভাবে শেষ করবে, সে বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ভয়ঙ্কর সত্য সবাইকে জানিয়েছেন, ‘স্বামী ছেড়ে চলে গেছেন’,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ভয়ঙ্কর সত্য সবাইকে জানিয়েছেন, ‘স্বামী ছেড়ে চলে গেছেন’,

নিকটজন ও প্রতিবেশীদের কাছে সুনীতা কুশওয়াহা বলেছিলেন, তার স্বামী কাউকে কিছু না জানিয়ে হঠাৎ করে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। তবে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১১ মাস পর পুলিশ যখন ঘটনাটির আসল রহস্য সামনে আনল, তখন দেখা গেল, কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে আসছে এক সাপের ঝুড়ি। জানা গেল, স্বামী আসলে স্বেচ্ছায় চলে যাননি; বরং সুনীতা ও তার প্রেমিক মিলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছিলেন এবং পরে মরদেহ তিন টুকরো করে গভীর বনে ফেলে দিয়েছিলেন। প্রায় এক বছর ধরে এই ভয়ংকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য রহস্যজনকভাবে ধামাচাপা ছিল, যা অবশেষে উদঘাটন করেছে ভারতের নভি মুম্বাইয়ের পুলিশ।

পুলিশের দেয়া তথ্যে জানা যায়, নিহত ব্যক্তির নাম বলীরাম সূর্যনাথ কুশওয়াহা (৫০)। তিনি তার স্ত্রী সুনীতা কুশওয়াহার (৪০) সঙ্গে রাহুল দশরথ প্রজাপতি (৩০) নামের এক যুবকের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তীব্র প্রতিবাদ করেছিলেন। মূলত এই সমস্যার সমাধানের জন্য বলীরামকে চিরতরে বিদায় করার নিষ্ঠুর পরিকল্পনা তৈরী করেন ওই যুগল।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, গত বছরের ৯ আগস্ট রাতে প্রথমে বলীরামের দুই সন্তানকে কৌশলে তাদের খালার বাড়িতে পাঠানো হয়। এরপর যখন বলীরাম ঘুমিয়ে পড়েন, তখন সুনীতা ও রাহুল মিলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। তাদের প্রমাণ লোপাটের জন্য একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে বলীরামের মাথা কেটে পুরো দেহ তিন টুকরো করে ফেলা হয়। পরে এই মরদেহের টুকরোগুলো আলাদা বস্তা ও বিছানার চাদরে মুড়িয়ে রাহুলের অটোরিকশায় করে নভি মুম্বাইয়ের উপকণ্ঠে গাভলি দেব পাহাড়ের বনের তিনটি ভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর সুনীতা সন্তানদের নিয়ে ঘানসোলি এলাকায় চলে যান এবং সেখানে রাহুলের সঙ্গে নতুন সংসার শুরু করেন। তিনি সবার কাছে দাবি করেন, তার স্বামী তাদের ফেলে চলে গেছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ থাকায় বলীরামের ভাইয়ের মনে সন্দেহ দানা বাঁধলে চলতি বছরের এপ্রিলে তিনি থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপরই এমআইডিসি পুলিশ তদন্তে নামে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কল রেকর্ড বিশ্লেষণ ও ঘটনার পর মোবাইল নম্বর পরিবর্তনের সূত্র ধরে পুলিশ সুনীতা ও রাহুলকে গ্রেপ্তার করে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর অভিযুক্ত এই যুগল তাদের লোমহর্ষক অপরাধের কথা স্বীকার করে।

স্থানীয় আদালত তাদের সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছে। বর্তমানে পুলিশ গাভলি দেব বনের দুর্গম এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে বলীরামের কঙ্কাল ও অন্যান্য আলামত উদ্ধারের জন্য তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্ষণের শিকার শিশুর পাশে রয়েছে জেলা প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


ধর্ষণের শিকার শিশুর পাশে রয়েছে জেলা প্রশাসন

ধর্ষণের শিকার হয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে এক স্কুলছাত্রী (৮) যা দ্বিতীয় শ্রেণীর। গুরুতর জখম ওই শিশুটির সার্বিক চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে জেলা প্রশাসনের একটি প্রতিনিধিদল হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির সার্বিক চিকিৎসার ব্যয় বহনের প্রতিশ্রুতি দেন।

সোমবার রাতে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটিকে দেখতে যান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার সাইফুল ইসলাম, ইসতিয়াক আহমেদ অপু ও মো. শাহেদ হোসেনসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস বলেন, সাত বছর বয়সী একটি শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুটির সার্বিক খোঁজখবর নিতে এসেছি এবং চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করেছি। শিশুটিকে কেবিন থেকে বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে। সে শারীরিকভাবে এখন আশঙ্কামুক্ত; তবে কিছুটা মানসিক ট্রমার মধ্যে রয়েছে। আমরা ভুক্তভোগী পরিবারকে সমর্থন জানাচ্ছি এবং তার চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয় বহনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।

এর আগে রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের একটি গ্রামে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায়, সোমবার রাতে শিশুর মা বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় কুলতিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের আহসান উল্লাহ (১৬) নামের এক কিশোরকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। রোববার বিকেলে, বাড়ির পাশে খেলার সময় প্রতিবেশী আহসান উল্লাহ তাকে প্রলোভন দেখিয়ে হাত ধরে পাশের একটি একতলা ভবনের ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটি জোরপূর্বক ধর্ষণের শিকার হয়।

একপর্যায়ে, শিশুটির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে সে কান্নাকাটি করতে থাকে। এ সময় শিশুটির এক আত্মীয় ঘটনাটি দেখে ফেললে অভিযুক্ত কিশোর পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে রাতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে শিশুটির শরীরে ৪টি সেলাই দিতে হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, এ ঘটনার জন্য থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের সর্বাত্মক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%