ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআইয়ের


চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআইয়ের

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : বাণিজ্য ঘাটতি দূর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীনের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের পাশাপাশি যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

এফবিসিসিআই-এর মতিঝিল কার্যালয়ে চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিটিআই) -এর একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও অনুষ্ঠিত এক সভায় এ আহ্বান জানান এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক।

সভায় এফবিসিসিআই প্রশাসক উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে অন্যান্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও চীন থেকে বিপুল পরিমাণে পণ্য আমদানি করে থাকে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি থাকলেও, সেখানে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে বাংলাদেশের। বাংলাদেশ থেকে বছরে ১ বিলিয়ন ডলারেরও কম মূল্যের পণ্য চীনকে রপ্তানি করা হয়।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে আগ্রহ

উভয় দেশের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যৌথ বাণিজ্যের সম্ভাবনাময় খাতসমূহ খতিয়ে দেখার আহ্বান করেন মো. ফজলুল হক। তিনি বলেন, চীনা বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের এই সফর কেবল বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে সম্প্রসারিত করবে না, বরং চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানির সম্ভাবনাও বৃদ্ধি করবে। এটি বিনিয়োগ বাড়াতেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে।

এফবিসিসিআই প্রশাসক ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেন যে, বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনায় চীনের উদ্যোক্তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানে এফবিসিসিআই সক্রিয় থাকবে।

সভায় উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন চীনের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, মেডিকেল ডিভাইস ও অ্যাক্সেসরিজ, ওষুধ এবং এপিআই শিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ নানা সম্ভাবনাময় খাতে যৌথ বিনিয়োগের আহ্বান জানান বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিবৃন্দ।

বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন চীনের হংহে অঞ্চলের ব্যুরো অব কমার্সের ডিরেক্টর জনাব হে তাও। তিনি বলেন, আমাদের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করা এবং ব্যবসা বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করা।

আরও পড়ুন: পায়রা বন্দরে অত্যাধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রের সংযোজন

সভায় উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক আব্দুল হক, প্রীতি চক্রবর্তী, ওবায়দুর রহমান, এফবিসিসিআই মহাসচিব মো. আলমগীর, এফবিসিসিআই সেইফটি কাউন্সিলের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মো. শাহিদুল্লাহ, এফবিসিসিআই সাধারণ পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, সিসিপিটিআই এর প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামরাইয়ের ৯ উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধের অভাব: জরাজীর্ণ ভবন ও জনবল সংকটে ভোগান্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


ধামরাইয়ের ৯ উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধের অভাব: জরাজীর্ণ ভবন ও জনবল সংকটে ভোগান্তি

ঢাকার ধামরাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে দীর্ঘ দুই বছর ধরে সরকারি ওষুধ সরবরাহ বন্ধ থাকার কারণে চিকিৎসাসেবা ভেঙে পড়েছে। এর ফলে নরমাল ডেলিভারি, প্রসূতি সেবা ও কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবাসহ গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় রোগীরা জরাজীর্ণ ভবন ও তীব্র জনবল সংকটে চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ একাধিকবার ওষুধ সরবরাহ স্বাভাবিক করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়া গেলেও, সরকারি কোনো ওষুধ পাওয়ার সুযোগ নেই। রোগীরা শূন্য হাতেই বাড়ি ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন। ঢাকার ধামরাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এখন নিজেই রোগী। যেসব কেন্দ্র গত দুই বছর ধরে নিয়মিত সরকারি ওষুধ সরবরাহ পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। মাঝে মাঝে কিছু ওষুধ চলে এলেও, তা চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত কম।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শুধু ওষুধের অভাবই নয়, ৯টি কেন্দ্রের মধ্যে চৌহাট, সানোড়া ও কুল্লা— এই তিনটি কেন্দ্রের অবস্থা এখন চরম জরাজীর্ণ। ছাদের একাংশ ভেঙে পড়েছে এবং দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরের ভেতরে জমে থাকে পানি। এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ভেতরেই কোনোমতে চিকিৎসাসেবা চলমান রয়েছে। নতুন ভবনের নথিপত্র চূড়ান্ত হলেও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ এখনো মেলেনি। এছাড়া বেলিশ্বর মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রসহ নান্নার ও কুশুরা ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোও সংস্কারের অভাবে ধুঁকছে।

জরাজীর্ণ ভবন আর ওষুধের সংকটের পাশাপাশি হাসপাতালে জনবল সংকটও চেপে বসেছে। নিয়ম অনুযায়ী ১৫৫ জন স্টাফ থাকার কথা থাকলেও, সেখানে কর্মরত আছেন মাত্র ১২৭ জন। বিশেষ করে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার পদের সংকট সবচেয়ে বেশি। ৯টি কেন্দ্রের বিপরীতে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র ৪ জন। সংকট যে চরমে, তা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারাও।

চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রহিমা বেগম নামে এক নারী জানিয়েছেন, তিনি বাচ্চাদের ঠান্ডা জ্বরের চিকিৎসার জন্য এসেছেন। তিনি প্রেশক্রিপশন পেয়েছেন কিন্তু কোনো ওষুধ পাননি। তিনি আরও বলেছেন, আমরা সরকারি ওষুধের জন্য এখানে আসি। সংসারের খরচের কারণে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হিমশিম খেতে হয়।

আসাদ নামে এক ব্যক্তি বলেন, এখানে শুধু ওষুধের অভাব নেই; ডাক্তাররাও সময়মতো আসেন না, আবার আসলেও আগেই চলে যান। প্রায় দুই বছর ধরে আমি তো ওষুধ পাই না।

এদিকে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ রাসেল জানিয়েছেন, ওষুধের সংকটের পাশাপাশি আমাদের জনবল সংকটও রয়েছে। তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়েছেন এবং আশা করছেন খুব দ্রুতই বরাদ্দ সংকটের সমাধান হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবিতে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


ঢাবিতে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধন

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) এবং জাপান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংস্থা (জেএসটি) এর অর্থায়নে ‘হাওরের বন্যা পূর্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে গবেষণা প্রকল্পটি উদ্বোধন করেন।

কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তোরু তেরাও-এর নেতৃত্বে জাপান থেকে আসা চার সদস্যের একটি গবেষক দল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল।

দলের অন্য সদস্যরা হলেন কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তাইচি হায়াশি, টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কিগুচি মাসাশি এবং টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প সহকারী অধ্যাপক ড. মো. রেজোয়ানুল ইসলাম ফাহিম।

ঢাবি আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাতিমা আক্তার বাংলাদেশের পক্ষে এবং কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তোরু তেরাও জাপানের পক্ষে প্রধান গবেষক হিসেবে প্রকল্পটি যৌথভাবে পরিচালনা করছেন।

তাদের যৌথ নেতৃত্ব বাংলাদেশ এবং জাপানের মধ্যকার শক্তিশালী অ্যাকাডেমিক অংশীদারিত্ব ও বাংলাদেশের বন্যা-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত ও টেকসই সমাধান তৈরির অভিন্ন অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।

প্রকল্পটি তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত গবেষণায় যুক্ত হওয়া এবং বাংলাদেশ ও জাপানের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সহযোগিতা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চও তৈরি করবে।

এই আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা সক্ষমতা জোরদার করবে এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে জাতীয় অগ্রাধিকারগুলো মোকাবিলার দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে অ্যাকাডেমিক মহলের পক্ষ থেকে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছিল। যদিও এটি গবেষণা-চালিত, এর প্রত্যাশিত প্রভাব অ্যাকাডেমিক জগতের বাইরেও সুদূরপ্রসারী।

এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো বৈজ্ঞানিক জ্ঞান তৈরি করা এবং সেটিকে বাস্তব ও কার্যকরী সরঞ্জামে রূপান্তরিত করে বাংলাদেশের বন্যা পূর্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং জনগোষ্ঠী, কৃষি, জীবিকা ও অবকাঠামোর উপর বন্যার প্রভাব হ্রাস করা।

বিশেষ করে, প্রকল্পটি বাংলাদেশের হাওর অঞ্চলের জন্য বন্যা পূর্বাভাস এবং পূর্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নতির উপর মনোযোগ দেবে, যেখানে আকস্মিক বন্যা দ্রুত সৃষ্টি হতে পারে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে।

উন্নত গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে প্রকল্পটি জাতীয় পর্যায়ে আরও নির্ভরযোগ্য, কার্যকর এবং টেকসই বন্যা পূর্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় অবদান রাখার লক্ষ্য রাখে।

প্রকল্পটি একটি শক্তিশালী বহুশাস্ত্রীয় এবং বহু-প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বকে একত্রিত করেছে। বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিবি), বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর (ডিডিএম), স্পারসো, সার্ভে অফ বাংলাদেশ (এসওবি) এবং ইনস্টিটিউট অফ ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম)।

জাপানি অংশীদারিত্বের মধ্যে রয়েছে কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়, টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়, কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয় এবং কোচি বিশ্ববিদ্যালয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সঙ্গে এনডিবি প্রতিনিধিদলের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সঙ্গে এনডিবি প্রতিনিধিদলের বৈঠক

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান আজ নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এনডিবি) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এনডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) রোমান সেরেভ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নররা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ এবং নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এনডিবি) পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে দুই পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের উপায় নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

এসময় বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহায়তার লক্ষ্যে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে লংমার্চ কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানিয়েছে জামায়াত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


গণভোটের রায় বাস্তবায়নে লংমার্চ কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানিয়েছে জামায়াত

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার দাবিতে ঘোষিত চারটি লংমার্চ কর্মসূচি সফল করার আহ্বান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট), মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জামায়াত সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘লংমার্চ’ বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠকে এই আহ্বান জানানো হয়৷

বৈঠকে lংমার্চগুলোকে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হয় এবং দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকার সর্বস্তরের জনশক্তি ও দেশবাসীর প্রতি লংমার্চ কর্মসূচি সর্বাত্মকভাবে সফল করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।

কর্মসূচির মেয়াদ অনুযায়ী, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখযোগ্য যে, চট্টগ্রাম, রংপুর ও খুলনার লংমার্চ সড়কপথে এবং সিলেটের লংমার্চ রেলপথে অনুষ্ঠিত হবে। লংমার্চ কর্মসূচি শেষে আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় একটি মহাসমাবেশ আয়োজন করা হবে।

গত ৬ আগস্ট, ১১ দলীয় ঐক্যের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী চারটি লংমার্চের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। কর্মসূচি অনুযায়ী, ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা-সিলেটে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

সন্ধ্যায় বৈঠকে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটি এম মা’ছুম, مাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মো. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের প্রতিনিধি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমির মো. ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বগুড়া অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান আতিক এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%