ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের পথে


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের পথে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

তিনি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন, সময় ছিল পৌনে ৬টা। সফরসঙ্গী হিসেবে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত রয়েছেন।

এ সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন সরকারের কয়েকজন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তাগণ।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজী নজরুলের বাসা থেকে উদ্ধার মরিয়মের শেষ চিঠি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৫ পি.এম


গাজী নজরুলের বাসা থেকে উদ্ধার মরিয়মের শেষ চিঠি

জাতীয় সংসদের অফিসিয়াল প্যাড ও সাদা কাগজে লাল-কালো কালির আঁচড়ে লেখা প্রতিটি পাতায় সম্পর্কের জটিলতা ফুটে উঠেছে। সেখানে গভীর ভালোবাসা, বিশ্বাসভঙ্গের বেদনা, আক্ষেপ, ক্ষোভ এবং আত্মসম্মান রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় প্রকাশ পেয়েছে।

এমপি গাজী নজরুলের বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া হাতে লেখা চিঠিগুলোতে সম্পর্কের বিভিন্ন আবেগঘন অধ্যায় উঠে এসেছে। ভালোবাসার পাশাপাশি, চিঠিগুলোতে প্রতারণার অভিযোগ, সম্পর্কের জটিলতা, বিশ্বাসভঙ্গ এবং মানসিক কষ্টের বর্ণনা রয়েছে। কোথাও নিজেকে ‘দাবার গুটি’ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার আক্ষেপ, আবার কোথাও প্রতিকূলতার মধ্যেও ভেঙে না পড়ার এবং নিজের অবস্থানে অটুট থাকার প্রত্যয় প্রকাশ পেয়েছে।

“তুমিই তো ছিলে বিপক্ষ দলের সেনাপতি, আমি হেরেছি তুমি জিতেছো” কিংবা “ততটা সস্তা আমি নই” এই ধরনের বাক্যে গভীর মানসিক দ্বন্দ্বের চিত্র ফুটে উঠেছে।

জাতীয় সংসদের প্যাডে লেখা শেষ আক্ষেপ

জাতীয় সংসদের অফিসিয়াল প্যাডে কালো কালিতে লেখা একটি পাতায় আক্ষেপ প্রকাশ করে বলা হয়েছে- আমি অতি বিশ্বাস করে যুদ্ধে নেমেছিলাম তার সাথে, কিন্তু জিততে পারিনি হেরে গেলাম ময়দানে। জিতবোই বা কেমনে যুদ্ধের শেষ প্রান্তে এসে দেখি তুমিই তো ছিলে বিপক্ষ দলের সেনাপতি।

অধিকারের লড়াই ও ভালোবাসার অপূর্ণতা

সাধারণ একটি পাতায় নিজের অবস্থান ও ভালোবাসার টানাপোড়েনের কথা তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে লেখা- সে ছিল অন্য নারীর স্বামী- কাগজে কলমে অধিকার ছিল তার বউ-এর। আর আমি ছিলাম বোকা...!!! অন্য কারো স্বামীকে বানিয়েছিলাম নিজের শখের পুরুষ...!!! কাউকে অর্ধেক পাওয়ার চেয়ে হারিয়ে ফেলা বেশি সম্মানের কারণ... ভালোবাসা কখনোই ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়... ভালোবাসা হয় সম্পূর্ণ, না হয় অপূর্ণ!

বিশ্বস্ততার বদলে দাবার গুটি

বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে প্রতারিত হওয়ার অনুভূতিও প্রকাশ করা হয়েছে একটি পাতায়। সেখানে লেখা হয়েছে- সে বলেছিল- আজ থেকে আমরা বন্ধু--চলো একটা গেমস খেলি। আমিও সরল মনে বিশ্বাস করে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু কে জানতো আমিই ছিলাম তোমার গেমসের দাবার এক গুটি।

পরাজয় ও সতর্কবার্তা

জাতীয় সংসদের প্যাডে লেখা অন্য একটি পাতায় ক্ষোভ ও পরিণতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে- আমি হেরেছি--- তুমি জিতেছো-- কারণ, আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম বলেই তো ঠকিয়ে জিততে পেরেছো। আমি, শৃঙ্গের শেষ বাড়িয়ে ও হাসতে হাসতে মুখে হাসি রেখেছি-- দেখে নাও এই হাসির কারণই হবে তোমার ধ্বংসের কারণ।

আত্মসম্মানের শেষ কথা

লাল কালিতে লেখা সংক্ষিপ্ত একটি বার্তায় নিজের আত্মসম্মানের কথা তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে লেখা—

“শুধু মায়ায় পড়েছি বলে বারবার তোমার কাছে নত হই … তা না হলে যতটা সস্তা ভাবছো ততটা সস্তা আমি নই...!’

তারিখ সংবলিত ধর্মীয় আমলের পাতা

চিঠিগুলোর সঙ্গে ‘১২-০৭-২০২৬’ তারিখ সংবলিত একটি পাতাও পাওয়া গেছে। ওই পাতায় ঘুমানোর আগে করণীয় কয়েকটি ধর্মীয় আমলের তালিকা লেখা রয়েছে।

পাতাটিতে লেখা- ১২-০৭-২০২৬ ঘুমানোর আগে ৬টি আমল : কালেমা পড়ে, দুরুদ শরীফ, ঘুমের দোয়া, আয়াতুল কুরসী, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম ২১ বার, আস্তাগফিরুল্লাহ ৩ বার, আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমুতু ওয়া এহিয়া, দুরুদ শরীফ ১১ বার, ইয়া আরহামার রাহিমিন ১১ বার।

উদ্ধার হওয়া এসব হাতে লেখা পাতায় সম্পর্ক, ভালোবাসা, বিশ্বাসভঙ্গ, আক্ষেপ এবং আত্মসম্মান রক্ষার নানা অনুভূতির প্রকাশ দেখা যায়। একই সঙ্গে একটি লেখায় ভবিষ্যৎ পরিণতি নিয়ে কঠোর সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আশুলিয়ায় বিস্ফোরণের পর সিলিন্ডার উড়ে গিয়ে নারীর মাথায় পড়ল, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৬ পি.এম


আশুলিয়ায় বিস্ফোরণের পর সিলিন্ডার উড়ে গিয়ে নারীর মাথায় পড়ল, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু

আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় একটি কারখানায় ভ্রাম্যমাণ সিলিন্ডার লরিতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ফলে এক নারী প্রাণ হারিয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জামগড়া চৌরাস্তা সংলগ্ন এস সুহী ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের প্রীতি গ্রুপের পাশে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পাওয়ার পর জিরাবো ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিহত জয়নব বেগম (৫৫) গাজীপুরের কাশিমপুরের ইসরকান্দি এলাকার মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী। বিস্ফোরণের পর সিলিন্ডারটি উড়ে এসে তার মাথায় পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় হঠাৎ করেই বিকট শব্দে লরির সিলিন্ডারটি বিস্ফোরিত হয় এবং চারদিকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় লরির যন্ত্রাংশ ও সিলিন্ডারের অংশ ছিটকে গিয়ে পার্শ্ববর্তী দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ওই নারীর মাথায় পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের মেয়ে জানান, “আমার স্বামী মারা গেছেন। সন্তান নিয়ে জামগড়া এলাকায় থেকে দর্জির কাজ করি। কয়েকদিন আগে মা আমার বাসায় বেড়াতে আসেন। বিস্ফোরণের সময় আমি দোকানে কাপড় বানানোর কাজ করছিলাম। মা দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ একটি সিলিন্ডার উড়ে এসে মায়ের মাথায় পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। আমার ছেলেও আহত হয়। তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”

সাভার ও আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “কারখানার গেটের সামনে থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কারখানার ভেতরে একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের কোম্পানির পরিত্যক্ত একটি জায়গায়। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।”

ওই নারী নিহতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বিস্ফোরণের পর সিলিন্ডার উড়ে গিয়ে তার মাথায় পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তার মরদেহ উদ্ধার করে কারখানার গেটের সামনে রাখা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ বাতিলের আইনে হতে পারে প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৬ পি.এম


গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ বাতিলের আইনে হতে পারে প্রশ্ন

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ অবস্থায় তার সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন উঠেছে। জামায়াত যদি নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি দেয়, তাহলে কি তার সংসদ সদস্য পদ সরাসরি বাতিল হবে, নাকি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে, এ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সংবিধান কিংবা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল থেকে বহিষ্কৃত হলে সংসদ সদস্য পদ বাতিলের স্বয়ংক্রিয় বিধান নেই। ফলে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য ‘সংসদ সদস্যপদ বিরোধ নিষ্পত্তি আইন-১৯৮০’ অনুসরণ করা প্রয়োজন।

সংবিধানের ৬৬, ৬৭ ও ৭০ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যের পদ শূন্য হওয়ার বিভিন্ন শর্ত উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে সদস্য নিজে পদত্যাগ করলে কিংবা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংসদে ভোট দিলে আসন শূন্য হওয়ার বিধান রয়েছে। তবে কোনো দল তার সদস্যকে বহিষ্কার করলেই সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে এমন বিধান নেই।

গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে যদি বিরোধ তৈরি হয়, তাহলে প্রথমে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করতে হবে। ‘সংসদ সদস্যপদ বিরোধ নিষ্পত্তি আইন-১৯৮০’-এর ৩ ধারা অনুযায়ী, স্পিকার ৩০ দিনের মধ্যে একটি লিখিত বিবরণী প্রস্তুত করবেন। এই বিবরণীতে বিরোধের বিষয়, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য এবং বিরোধের পক্ষগুলোর বিস্তারিত তথ্য থাকবে।

স্পিকার ওই বিবরণী নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠাবেন। অর্থাৎ, রাজনৈতিক দল থেকে ইসিতে চিঠি পাঠালে কমিশন সরাসরি সংসদ সদস্য পদ বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে না; স্পিকারের মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসিতে পাঠানোর প্রয়োজন হবে।

স্পিকারের পাঠানো বিবরণী পাওয়ার পর আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন কার্যক্রম শুরু করবে। কমিশন ১৪ দিনের মধ্যে বিবরণীর অনুলিপি বিরোধের উভয় পক্ষকে পাঠাবে এবং তাদের লিখিত বক্তব্য দাখিলের সুযোগ দেবে।

এরপর কমিশন শুনানির জন্য নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থান নির্ধারণ করবে। উভয় পক্ষ সরাসরি অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করতে পারবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ দাখিল ও সাক্ষী জেরার সুযোগও থাকবে।

আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী, এ ধরনের বিরোধ নিষ্পত্তিতে নির্বাচন কমিশন দেওয়ানি আদালতের মতো বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। প্রয়োজনে কাউকে সমন জারি করে হাজির করা, শপথের মাধ্যমে সাক্ষ্য নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় নথি তলব করার ক্ষমতাও কমিশনের রয়েছে।

আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী, স্পিকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নথি পাওয়ার পর সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে বিরোধের বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত বা মতামত স্পিকারের কাছে পাঠাতে হবে।

শুনানি শেষে কমিশন যদি গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে সাতক্ষীরা-৪ আসন শূন্য ঘোষণার পর পরবর্তী সাংবিধানিক ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হবে।

বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে দল থেকে বহিষ্কারের পর সংসদ সদস্য পদ নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নজির রয়েছে। ২০০০ সালে তৎকালীন বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামানকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়। পরে তৎকালীন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বিষয়টি স্পিকারের কাছে উত্থাপন করেন। স্পিকারের রেফারেন্সের পর নির্বাচন কমিশন শুনানি করে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল করে।

একইভাবে, ২০১৫ সালে হজ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তৎকালীন মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হলে বিষয়টি স্পিকারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে যায়। ইসিতে শুনানি শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগেই লতিফ সিদ্দিকী নিজে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে জামায়াতের পদক্ষেপের পর নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, বিষয়টি তারা পর্যবেক্ষণ করছে। জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, স্পিকারের মাধ্যমে সংবিধানের ৬৬(৪) অনুচ্ছেদ বা সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক চিঠি ইসিতে এলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ কারণে জামায়াতের বহিষ্কারাদেশের পর গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হচ্ছে এমন সিদ্ধান্তে যাওয়ার সুযোগ নেই। বরং বিষয়টি স্পিকারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো এবং এরপর নির্ধারিত বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপির যৌথসভা: সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৬ পি.এম


বিএনপির যৌথসভা: সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

বিএনপি যৌথ সভা করেছে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার উদ্দেশ্যে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী এমপি, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এমপি এবং সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, মাহবুবের রহমান শামীম, সৈয়দ শাহীন শওকত, আসাদুল হাবিব দুলু, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ও অনিন্দ্য ইসলাম অমিতও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজীর আহমেদ টিটু, নজরুল ইসলাম আজাদ, হারুন অর রশীদ হারুন, ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, মো. আব্দুল খালেক, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম খান আলীম, এ এইচ এম ওবায়দুর রহমান চন্দন, জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, আকন কুদ্দুসুর রহমান, মাহবুবুল হক নান্নু, কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, মিফতাহ সিদ্দিকী, মো. মোস্তাক মিয়া, খন্দকার মাশুকুর রহমান, আবু ওয়াহাব আকন্দ ও ওয়ারেছ আলী মামুনও সভায় অংশ নেন।

এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব এবং যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সদস্যসচিবরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে দলের সাংগঠনিক কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি এবং পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে থাকার আহ্বান জানানো হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%