ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরিশালে খাল খনন শেষে অব্যয়িত ৬০ লাখ ৮২ হাজার ৪০৩ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন ইউএনও


বরিশালে  খাল খনন শেষে অব্যয়িত ৬০ লাখ ৮২ হাজার ৪০৩ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন ইউএনও

জেলার উজিরপুর উপজেলায় খাল খনন শেষে অব্যয়িত ৬০ লাখ ৮২ হাজার ৪০৩ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এমন দৃষ্টান্তমূলক কাজের প্রশংসা করেছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষসহ রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাও।

জানা গেছে, বরিশালের উজিরপুর উপজেলার দাসেরহাট বাজার থেকে গুঠিয়া বায়তুল আমান জামে মসজিদ কমপ্লেক্স হয়ে পঞ্চগ্রাম বাজার ভায়া গুঠিয়া বাজার অভিমুখে খাল পুনঃখনন প্রকল্পে মোট ২ কোটি ৫৭ লাখ ৫২ হাজার ৭৭৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ এপ্রিল মাসে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে শেষ হয় চলতি বছরের ৩০ জুন। প্রকল্পের কাজ শেষে অব্যয়িত ৬০ লাখ ৮২ হাজার ৪০৩ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন থেকে খালটির নাব্যতা কমে যাওয়ায় পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল। এতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে নানা সমস্যা দেখা দিত। এসব সমস্যা নিরসনে খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে। খাল পুনঃখননের ফলে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি কৃষি, সেচ ব্যবস্থা ও পরিবেশের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

গুঠিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা কামরুল বলেন, খালটি পুনঃখননের ফলে পানি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। কৃষকরা সহজে সেচের সুবিধা পাবেন এবং আগের তুলনায় আরও ভালোভাবে ফসল উৎপাদন করতে পারবেন।

রবিউল নামে একজন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের এলাকার এই খালটির খুব খারাপ অবস্থা ছিল। নতুন করে খালটি খনন হওয়ায় এলাকাবাসী বেশ উপকৃত হবে। এ খাল খননের পর যে টাকা ফেরত এসেছে তা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে বিষয়টি আমাদের কাছে খুবই ভালো মনে হয়েছে। আমরা চাই প্রতিটি কাজের শেষে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে।

বরিশাল জেলা কৃষকদলের সভাপতি শফিউল আলম শফ্রু বলেন, সরকারি টাকা অপচয় হয়নি এটি একটি ভালো বিষয়। তবে খাল খনন থেকে বেঁচে যাওয়া অর্থ সামাজিক কাজে ব্যবহার করলে আরো ভালো হতো। অবশ্যই তিনি যে কাজটি করেছেন সেটি একটি ভাল উদ্যোগ।

উজিরপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা বলেন, সরকারি অর্থ জনগণের সম্পদ। কাজের মান বজায় রেখে অব্যয়িত অর্থ ফেরত দেয়ার এই দৃষ্টান্ত নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়, যা অতীতে কখনও এ উপজেলায় এমন কোন ঘটনা ঘটেনি।

আরও পড়ুন: ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করলেন

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসাইন বাসস’কে বলেন, সরকারি নির্দেশনা ও প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। খালটির নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হয়েছে। এর সুফল স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ভোগ করবেন বলে আমরা আশাবাদী।

এ বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজা বলেন, দীর্ঘদিনের অবহেলায় ঐতিহ্যবাহী খালটিতে স্থানীয় মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসন, পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সরকারের উদ্যোগে খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, খাল খনন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা অর্থ জনগণের করের টাকা। সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে জনগণের এ অর্থের যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার পর যে অর্থ উদ্বৃত্ত ছিল, তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকার এ অর্থ দেশের অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করতে পারবে।

তিনি বলেন, সরকারি অর্থের অপচয় রোধ, স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাশ্রয় হওয়া প্রতিটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া উচিত। উপজেলা প্রশাসন সবসময় সরকারি অর্থের জবাবদিহিমূলক ব্যবহারে অঙ্গীকারবদ্ধ। যে কারণে সঠিক নিয়মে কাজ শেষে অবশিষ্ট টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগেরে জমা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: চিরিরবন্দরে মা ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার, দেয়ালে আবেগঘন বার্তা

তিনি আরো বলেন, খালটি অতিরিক্ত আরো তিন কিলোমিটার বেশি খনন করা হয়েছে। সরকারি এক বরাদ্দের অর্থ অন্য কোন উন্নয়ন কাজে ব্যয় করার নিয়ম নেই। সরকার উন্নয়নের জন্য যে বরাদ্দ দবেন সেটি সেই কাজেই ব্যয় করা হবে।

উল্লেখ্য, খালটি পুনঃখননের মাধ্যমে পানি প্রবাহ সচল রাখা, জলাবদ্ধতা কমানো, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নৌযান শুমারি প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১১ পি.এম


নৌযান শুমারি প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নৌযান শুমারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও কার্যকর নৌপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে। এই শুমারি আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হবে। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, এমপি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সহযোগিতায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ শুমারিটি পরিচালিত হবে।

রাজধানীর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ভবনে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত নৌযান শুমারি ২০২৬-এর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্ত সমন্বয়কারীদের জন্য তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। নদী ও নৌপথের সঙ্গে দেশের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং মানুষের জীবনযাত্রার সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। যদিও, নৌপথের সম্ভাবনাকে এখনও পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। সড়কপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের চাপ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এই চাপ কমানোর জন্য নৌপথের সর্বোচ্চ ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

নৌপথকে ব্যবসা-বাণিজ্য, পণ্য ও যাত্রী পরিবহন এবং পর্যটনের জন্য আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হলে দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করা সম্ভব হবে। নৌযান শুমারির মাধ্যমে দেশের নৌযানের প্রকৃত সংখ্যা, ধরন, ব্যবহার, মালিকানা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যের একটি নির্ভরযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাবে।

উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে নৌপরিবহন খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং নীতিনির্ধারণের পাশাপাশি নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল নৌচলাচল নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে।

প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সরকারের প্রচেষ্টা হারানো নৌপথের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা এবং আধুনিক, নিরাপদ ও জনবান্ধব নৌপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা নৌযোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এবং সরকারের অগ্রাধিকার অনুযায়ী নৌপথের উন্নয়ন ও এর সর্বাধিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, এমপি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত নির্বাচিত সরকার, যারা জনগণের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। সঠিক নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য ও উপাত্ত অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য সঠিক পরিসংখ্যান অপর Alternatives নেই। নির্ভুল তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে কোনো প্রকার গড়মিল, অনিয়ম বা অসঙ্গতি গ্রহনযোগ্য নয়, এবং তা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য তিনি আহ্বান জানান।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার নৌপথকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে, কারণ এটি তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। নৌপথের কার্যকর ব্যবহার এবং উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করা সম্ভব।

তিনি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে নৌযান শুমারি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর পেশাদারিত্ব এবং সক্ষমতার ওপর আস্থা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. ফিরোজ সরকার, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মো. শফিউল বারী এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মোঃ শামীমুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়কে প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে মনে করেন পানিসম্পদমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ পি.এম


পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়কে প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে মনে করেন পানিসম্পদমন্ত্রী

পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের বিষয়টি বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, জল চুক্তি স্বাক্ষরের সময় দেশের স্বার্থকে বিশেষভাবে প্রাধান্য দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করে নিতে হবে।"

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের আয়োজনে এসডিজি অর্জনের লক্ষ্যে পাঁচ বছর মেয়াদের কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারিত্ব ও অগ্রাধিকার শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনে পানিসম্পদমন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও যোগ করেন, "বর্তমান সরকারের জন্য পানি নিয়ে ন্যায্য হিস্যা আদায় করা হলো অগ্রাধিকার। আমাদের দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ অব্যাহত রয়েছে।"

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, "পানির ন্যায্য হিস্যা আমাদের আদায় করে নিতে হবে এবং আমরা চুক্তি বাস্তবায়নের সময় নিজেদের স্বার্থকে কিভাবে প্রাধান্য দেওয়া যায়, সে বিষয়ে আশা রাখছি।" তিনি আরও জানান, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নের জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যা ৩৫ বছরের দীর্ঘ প্রকল্প। এ প্রকল্পের সঙ্গে দেশের ৩ ভাগের ২ ভাগ মানুষের ভাগ্য জড়িত।

মন্ত্রী বলেন, "আমি স্যানিটাইজেশনের আন্দোলন ২০০১ সাল থেকে করে আসছি। নির্বাচনের আগে নতুন করে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা আবারও হয়েছে, যা নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ আছে। এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটানোর জন্য আমাদের সাড়ে চার বছরে কাজ করতে হবে।"

সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এসডিজি অর্জনের জন্য প্রান্তিক মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করতে হবে এবং এর জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি।

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা, নারী-পুরুষের সমতা, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, সামাজিক বৈষম্য কমিয়ে সমতাভিত্তিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে তিন দিনের একটি জাতীয় সম্মেলনে আলোচনা হয়। এ সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সরকারের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া সম্মেলনে মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, নারীর অধিকার, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগণের বৈষম্য কমানোর বিভিন্ন পরিসংখ্যান তুলে ধরেন আয়োজকরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের দ্বারপ্রান্তে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ পি.এম


বাংলাদেশ ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের দ্বারপ্রান্তে

সব শঙ্কা দূরে সরে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।

আফগানিস্তান সিরিজ জয় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আইসিসির ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে।

তবে আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপে আনুষ্ঠানিকভাবে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের জন্য বাংলাদেশকে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর র‍্যাঙ্কিংয়ের কাট-অফের পর এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে। বাংলাদেশের এখন শীর্ষ আটে থাকার কারণে তাদের পিছনে ফেলার কোনও বাস্তবসম্মত সুযোগ অন্য দলগুলোর নেই এবং মাত্র সাত সপ্তাহেরও কম সময় বাকি রয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে, যেহেতু তারা দুই স্বাগতিক দেশ, ইতোমধ্যে সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করেছে। ফলে, এই দুই দেশ বাদ দিয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আট দল সরাসরি ২০২৭ সালের বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে।

রোববার (৯ আগস্ট) বেলফাস্টে আয়ারল্যান্ডকে ৩ উইকেটে হারানোর মাধ্যমে আফগানিস্তান তাদের শীর্ষ আটের জায়গা নিশ্চিত করেছে। এই ফলাফলের পরে সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়ার তালিকা সংরক্ষণ করেছে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ।

অর্থাৎ বাংলাদেশের জন্য বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব এড়িয়ে সরাসরি মূল পর্বে খেলার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। আগামী বছর ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে এবং ৩০ সেপ্টেম্বরের কাট-অফের পরে বাংলাদেশের জায়গা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হবে।

অন্যদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে, যারা দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, তাদের বাছাইপর্বের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। ক্যারিবীয় দলটি বর্তমানে র‍্যাঙ্কিংয়ে ১০ নম্বরে রয়েছে। কাট-অফের আগে ভারতের বিপক্ষে নিজেদের বাকি দুটি ওয়ানডে জিতলেও তাদের শীর্ষ আটে ওঠার সুযোগ নেই। ফলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খেলতে হবে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

এখনো টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ চক্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাছাই পর্বে খেলতে হচ্ছে। ২০২৩ সালে বিশ্বকাপে তারা বাছাইপর্ব পার হয়ে সাফল্য অর্জন করে নি। সুপার সিক্স পর্বে পঞ্চম হয়ে শেষ করার পর তারা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা হারিয়েছে। তাদের এই ব্যর্থতার জন্য ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে তারা খেলতে পারেনি, যা ২০১৩ সালের পর তাদের প্রথম অনুপস্থিতি ছিল।

২০২৭ সালের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ড নন-হোস্ট পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে র‍্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে নিচে থাকা দুই দল হিসেবে অংশ নেবে। তাদের সঙ্গে থাকবে ওয়ার্ল্ড কাপ লিগ-২ এবং কোয়ালিফায়ার প্লে-অফ থেকে উঠে আসা দলগুলো।

এবার বিশ্বকাপে ওঠার নিয়মেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে জায়গা পাবে। আর দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ স্থানে থাকা দলগুলো খেলবে একটি সুপার সিরিজ। ওই সিরিজের বিজয়ী দলও বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলার সুযোগ পাবে।

তবে র‍্যাঙ্কিংয়ে শেষ মুহূর্তে বড় কোনো পরিবর্তন না ঘটলে বাংলাদেশকে এই বাছাইপর্বের কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে না। তারা সরাসরি ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাধীনতাবিরোধীরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছোট করার চেষ্টা করছে: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


স্বাধীনতাবিরোধীরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছোট করার চেষ্টা করছে: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ মন্তব্য করেছেন যে স্বাধীনতাবিরোধীরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট করার চেষ্টা করছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রধানের বাসভবনে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীর প্রসঙ্গ তুলে, সর্বশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা’র কোনো ছবি সেখানে নেই। প্রদর্শনীতে ৭ মার্চের শেখ মুজিবের ভাষণের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, এটি খুবই চক্রান্তমূলকভাবে কোনটা বড় এবং কোনটা ছোট তা যাচাই করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটাতে কোনো লাভ হবে না; এই জাতি স্বাধীনতা রক্ষা করতে জানে।

তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালের পাঁতানো নির্বাচনের পর থেকে একটি বড় দল একই পন্থায় ক্ষমতা ধরে রেখেছিল। বর্তমানে তারা পার্শ্ববর্তী দেশকে আকড়ে ধরে দেশের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।

রুহুল কবির রিজভী জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে তারা দেশের মানুষের বিরুদ্ধে কাজ করেছে। তাদের বীরত্বের কোনো ইতিহাস নেই, আছে শুধু দালালীর ইতিহাস। ৭১ সালে পাকিস্তানিদের সাথে আঁতাত ও পরবর্তীতে এরশাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে দেশের ক্ষতি করেছে জামায়াত। তিনি উল্লেখ করেন, ছাত্রশিবির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দাঙ্গা হাঙ্গামা শুরু করেছে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ৭১-এর পাল্লাকে ছোট করে দেখাচ্ছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াতের ছাত্র সংগঠনের দাঁড়িপাল্লা আঁকার প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, ৭১ কে হালকা করে দেখানো হচ্ছে। এগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কারণ একাত্তরের চেতনা আমাদের বুকের মধ্যে ছিল বলেই আমাদের সন্তানেরা ’২৪-এ শেখ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্টকে তাড়িয়ে দিয়েছে।

এর আগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে এ বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%