ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকার পূর্ণাঙ্গ ই-জিপি ব্যবস্থা চালু করতে অঙ্গীকারবদ্ধ: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী


সরকার পূর্ণাঙ্গ ই-জিপি ব্যবস্থা চালু করতে অঙ্গীকারবদ্ধ: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। ফাইল ছবি

ঢাকা, ৭ জুলাই, ২০২৬ : সরকারের নিকট সরকারি ক্রয়ে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার জন্য দেশে পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) ব্যবস্থা চালু করার প্রক্রিয়ায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি আজ জানিয়েছেন।

আজ রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘ই-জিপি সিস্টেমের উন্নয়ন, বাধ্যতামূলক ই-জিপি বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক দুটি অংশীজন পরামর্শ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানানো হয় যে, প্রথম কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয় এনইসি-২ সম্মেলন কক্ষে এবং দ্বিতীয়টি বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন প্রাঙ্গণে বিপিপিএ ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

চলমান অংশীজন পরামর্শ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) এ কর্মশালার আয়োজন করেছে। এই কর্মশালার লক্ষ্য হল ই-জিপি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা, সরকারি সব ক্রয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ই-জিপি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং বিপিপিএর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে সুপারিশ সংগ্রহ করা।

সকালের অধিবেশনে ই-জিপি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাগণ এবং প্রকল্প পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে, বিকেলের অধিবেশনে ই-জিপি প্ল্যাটফর্মের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে সরকারি ও বেসরকারি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধি, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিসহ শীর্ষস্থানীয় আইসিটি সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

দুই কর্মশালাতেই প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। কর্মশালা দুটিতে সভাপতিত্ব করেন বিপিপিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) এস এম মঈন উদ্দিন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব শিরাজুন নূর চৌধুরী।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

উভয় কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিপিপিএর পরিচালক শাহ ইয়ামিন উল ইসলাম। এছাড়া, বিকেলের অধিবেশনে জাতীয় ই-জিপি সিস্টেম উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরেন বিপিপিএর সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট মো. মোশাররফ হোসেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এ সময় বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ সময়মতো বাস্তবায়নকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং অর্থের যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কার্যকর ই-জিপি ব্যবস্থা অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, সরকারি উন্নয়ন ব্যয়ের একটি বড় অংশই সরকারি ক্রয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।

এ কারণে উন্নয়ন প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জনে ক্রয় ব্যবস্থাপনার সুশাসন জোরদার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের সব সরকারি ক্রয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ই-জিপি বাস্তবায়ন চাই। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য সিস্টেমকে আরও দক্ষ, ব্যবহারবান্ধব এবং সব অংশীজনের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।’

তিনি যোগ করেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি পুরো ক্রয় প্রক্রিয়ায় গুণগত মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বিপিপিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ই-জিপি বাস্তবায়নের বাস্তব চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা আরও ভালোভাবে বুঝতে ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে ধারাবাহিকভাবে অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

তিনি উল্লেখ করেন, ‘ই-জিপি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মতামত গ্রহণের জন্য ঢাকার বাইরেও আরও অংশীজন সংলাপ আয়োজন করব। এসব পরামর্শের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় কার্যকর সমাধান তৈরি করা হবে।’ আইএমইডি সচিব শিরাজুন নূর চৌধুরী বলেন, প্রকল্প প্রণয়নের দুর্বলতা অনেক সময় কার্যকর বাস্তবায়নকে বাধাগ্রস্ত করে। অবশ্য সময়মতো বাস্তবায়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উন্নত মানের ফল নিশ্চিত করতে শক্তিশালী ক্রয় ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রকল্প প্রস্তুতির মানোন্নয়নও জরুরি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীলঙ্কায় কারাগারে দাঙ্গার তদন্ত শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৩ এম


শ্রীলঙ্কায় কারাগারে দাঙ্গার তদন্ত শুরু

ঢাকা, ৭ জুলাই, ২০২৬ : শ্রীলঙ্কায় কারাগারে দাঙ্গার ঘটনায় কর্তৃপক্ষ আজ তদন্ত শুরু করেছে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ জনে পৌঁছেছে এবং এতে শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। নিরাপত্তা জোরদার করার পর সোমবারের সংঘর্ষের পর সশস্ত্র পুলিশ ও কমান্ডো নেগোম্বো কারাগারের ভেতরে মোতায়েন না করলেও, তারা কারাগারের চারপাশে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। এই খবরটি কলম্বো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে। বিচারমন্ত্রী হর্ষানা নানায়াক্কারা মঙ্গলবার পার্লামেন্টে জানান, সরকার গঠিত একটি তদন্ত কমিশনের পাশাপাশি ফৌজদারি তদন্তও শুরু হয়েছে। পুলিশ জানায়, মৃতের সংখ্যা অন্তত ২৭।

এর মধ্যে রাতের বেলা আরো একজন বন্দির মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, রাজধানীর উত্তরে অবস্থিত ওই কারাগারে প্রতিদ্বন্দ্বী দু’টি চক্রের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে তারা কারারক্ষীদের পরাস্ত করে তাদের অস্ত্র ছিনিয়ে নেয় এবং গুলি চালায়। নানায়াক্কারা জানান, সংঘর্ষের সময় বন্দিরা একটি সিসিটিভি ক্যামেরাও ভেঙে ফেলে। চিকিৎসকরা জানান, নেগোম্বো হাসপাতালে এখনো ৯৭ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাদের মধ্যে ২৩ জন কারারক্ষী। তারা গুলিবিদ্ধ, কাটা জখম ও গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। এছাড়া আরো ১৯ জন বন্দি কলম্বোর একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এক পুলিশ কর্মকর্তা এএফপি-কে জানান, সোমবার দাঙ্গা থামানোর চেষ্টা করতে গিয়ে সাতজন কারারক্ষী নিহত হন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিম্বাবুয়ের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৫ এম


জিম্বাবুয়ের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে

ঢাকা, ৭ জুলাই, ২০২৬ : জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড বিপর্যয়ের পর জিম্বাবুয়ের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। তবে রাজধানী হারারের কিছু এলাকায় এখনও সংযোগ পুনরায় চালুর কাজ চলছে।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিদ্যুৎ সংস্থা এ তথ্য জানায়।

জিম্বাবুয়ে ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই অথরিটি (জেসা) জানান, সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে বিদ্যুৎ সঞ্চালন নেটওয়ার্কে ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিড বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

বুলাওয়েও থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

জেসা জানায়, দক্ষিণ আফ্রিকার এসকমসহ চারটি কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে।

এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ‘আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, রাত ১০টার মধ্যে দেশের অধিকাংশ প্রধান বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রে সফলভাবে বিদ্যুৎ পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।’

কম বৃষ্টিপাত এবং খরার কারণে জলাধারে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিড বিপর্যস্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু মাহফুজ অপহরণ ও হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৭ এম


শিশু মাহফুজ অপহরণ ও হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

ঢাকা, ৭ জুলাই, ২০২৬ : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানায় ১৫ বছর আগে ৮ বছরের শিশু মাহফুজকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- জামাল শেখ, শামীম শেখ ও রঞ্জু শেখ। দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় তাদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া একই ধারায় মাহমুদা খানম উষার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

এদিকে, মাহফুজকে অপহরণ করায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৩০ ধারায় আসামী বিল্লাল শেখ, জামাল শেখ, রঞ্জু শেখ, শামীম শেখ ও মাহমুদা খানম উষার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া, প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের ৫ জুলাই সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বরাশুর গ্রামের বাড়ি থেকে ভাটিয়াপাড়া রেলওয়ে জামে মসজিদে যাওয়ার পথে ৮ বছরের শিশু মাহফুজকে অপহরণ করেন আসামিরা। পরে তারা মুক্তিপণ দাবি করে। দাবি অনুযায়ী অর্থ না পেয়ে, প্রায় দেড় মাস আটকে রাখার পর ২০১২ সালের ২০ আগস্ট রাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মাহমুদা খানম উষার বাড়িতে শিশুটিকে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এরপর লাশ ভুক্তভোগী পরিবারের বাড়ির পাশের একটি মেহগনি বাগানে ফেলে রাখা হয়।

এ ঘটনায় ২০১২ সালের ৬ জুলাই মাহফুজের মা স্বপ্না বেগম কাশিয়ানী থানায় মামলা করেন। একই বছরের ২০ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. নিজাম শিকদার আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় ২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন শাখার সিদ্ধান্তে মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এ স্থানান্তর করা হয়।

২০১৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষে ২৫ জনের মধ্যে ২৩ জন সাক্ষ্য দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনমন্ত্রীর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৯ এম


আইনমন্ত্রীর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বুধবার, ৬ জুলাই, ২০২৬  তারিখে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতে অংশগ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

ঢাকা শহরের সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সৌজন্য সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ আইনমন্ত্রীকে জানান, সুপ্রিম কোর্টে কর্মরত আইনজীবীদের জন্য পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে একটি আধুনিক নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজন। তারা স্পষ্ট বলেন, বিদ্যমান অবকাঠামো ক্রমবর্ধমান আইনজীবীর প্রয়োজন মেটাতে যথেষ্ট নয়। এজন্য আইনজীবীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য নতুন ভবন নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাক্ষাৎকারে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান আইনজীবীদের দাবির যৌক্তিকতার প্রতি সমর্থন জানান। তিনি বলেন, বিচার বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আইনজীবীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা সরকারের জন্য একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়। এই লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের জন্য নতুন ভবন নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি, সহ-সভাপতি মো. মাগফুর রহমান শেখ ও মো. শাহজাহান, সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, কোষাধ্যক্ষ মো. জিয়াউর রহমান, সহ-সম্পাদক মোহাম্মদ সামসুল ইসলাম (মুকুল) ও মাকসুদ উল্লাহ, এবং কার্যনির্বাহী সদস্য এইচ এম সানজিদ সিদ্দিক, এ কে এম আজাদ হোসেন, মিসেস ওয়াহিদা আফরোজ চৌধুরী, মো. কবির হোসাইন, মো. জিয়া উদ্দিন মিয়া, মো. টিপু সুলতান এবং আজিজ উদ্দিন পাটোয়ারী।

বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে। এখানে বিচার বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আইনজীবীদের পেশাগত পরিবেশের উন্নয়ন এবং বিচারপ্রার্থীদের আরও উন্নত সেবা নিশ্চিত করার জন্য সরকার ও আইনজীবী সমাজের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%