ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বঙ্গোপসাগরে ডুবল একটি ট্রলার, ১০ জেলে নিখোঁজ


বঙ্গোপসাগরে ডুবল একটি ট্রলার, ১০ জেলে নিখোঁজ

মৌসুমি নিম্নচাপের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়া এবং উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে ১০ জন জেলেসহ একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। দুর্ঘটনার পর সাত জেলেকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নিখোঁজ ছিলেন আরও তিনজন। পরবর্তীতে তাদেরও জীবিত উদ্ধার করা হয়।

এই দুর্ঘটনা সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে সাড়ে ৮টার দিকে বঙ্গোপসাগরের হাইরের কাছাকাছি এলাকায় ঘটে।

ট্রলারটির মালিক সোহেল মীর, যিনি চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা, বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

জানা গেছে, ট্রলারটি তিন দিন আগে রাঙ্গাবালীর কোড়ালিয়া এলাকা থেকে ১০ জন জেলেকে নিয়ে মাছ ধরতে বের হয়েছিল। তবে সোমবারের খারাপ আবহাওয়ার কারণে তারা ঘাটের দিকে ফিরছিলেন। এই সময় হাইরের মাঝামাঝি এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলারের তলা ফেটে যায়। এক পর্যায়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।

ডুবির সময় কাছাকাছি থাকা অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা দ্রুত সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে নিখোঁজ তিন জেলের সন্ধানে সাগরে তল্লাশি চালানো হয়, এবং এক পর্যায়ে অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা তাদেরও জীবিত উদ্ধার করেন।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন- মেহদি (২২), রিয়ান (২০), মাসুম মীর (২৫), ফরিদ (২৫), মো. মোস্তফা (৪৫), মো. মজনু (৩৮), মো. সাকিল (৩৫), আব্দুর খাঁ (৪৫), মো. সোহেল (৩৫) এবং মো. মনির (৩৬)।

দুর্ঘটনার শিকার মাছ ধরার ট্রলারটি অন্য ট্রলারের সাহায্যে ঘাটে আনার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পে-স্কেলের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত, যা জানা গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


পে-স্কেলের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত, যা জানা গেছে

আসন্ন নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের সুপারিশ করতে গঠিত সচিব পর্যায়ের কমিটি তাদের প্রস্তুতকৃত চূড়ান্ত প্রতিবেদন সম্পন্ন করেছে। ইতোমধ্যে কমিটির সকল সদস্য প্রতিবেদনে স্বাক্ষরও করেছেন। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট), সরকারের ১৮০ দিন উপলক্ষে গৃহীত কার্যক্রম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক একটি ই-বুক প্রকাশ করেছে। এ ই-বুকে ‘নবম পে–স্কেল: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর’ শীর্ষ উপশিরোনামে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রকাশিত এই ই-বুকের মাধ্যমে জানা গেছে, আসন্ন নবম পে-স্কেলে প্রথম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

তবে, নতুন এ পে-স্কেল বাস্তবায়ন দুই ধাপে হবে। এর প্রথম বছরে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় বছরে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর করা হতে পারে। সচিব কমিটির সব সদস্য তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করেছেন।

বইয়ে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বেতন–ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, এবং পেনশন গ্র্যাচুইটিসহ মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

অষ্টম বেতন কমিশনের প্রায় এক যুগ পর ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই অন্তর্বর্তী সরকার ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নবম জাতীয় বেতন কমিশন তৈরি করে। কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে। কমিশন প্রধান ছিলেন সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান। কমিশন বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বজায় রেখে বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধির সুপারিশ করেছিল। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছিল। এবং সর্বোচ্চ বেতন কাঠামো নির্ধারিত ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ ছিল।

পরে, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, অর্থসচিব, জনপ্রশাসনসচিব, আইনসচিব, প্রতিরক্ষাসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিব, স্বাস্থ্যসেবা সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং হিসাব মহানিয়ন্ত্রক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

এর আগে, ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে বলে ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা দেন। বাজেট বক্তৃতায় তিনি বলেন, প্রায় ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা একই বেতন কাঠামোতে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। এ সময়ে মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়েছে। তাই ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয়ের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বাবদ ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেখানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বুকসমান কাদায় ৪টি মহিষকে ৬ মাস বেঁধে রেখেছিলেন মালিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


বুকসমান কাদায় ৪টি মহিষকে ৬ মাস বেঁধে রেখেছিলেন মালিক

ঝিনাইদহের মহেশপুরে বুকসমান কাদার মধ্যে ছয় মাস ধরে বেঁধে রাখা চারটি মহিষ উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। গতকাল রোববার (১৬ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজ্জাদ হোসেনের নজরে আসে।

পরে একইদিন রাতে ইউএনওর হস্তক্ষেপে মহিষগুলোকে কাদা থেকে উদ্ধার করে শুকনা ও নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার স্বরূপপুর ইউনিয়নের গোকুলনগর গ্রামের আব্দুল আলীম প্রায় ছয় মাস ধরে চারটি মহিষকে বুকসমান কাদার মধ্যে বেঁধে রেখেছিলেন। ওই কাদার মধ্যেই মহিষগুলোকে খাবার খেতে, দাঁড়িয়ে থাকতে এবং ঘুমাতে হতো। দীর্ঘদিন এমন অস্বাভাবিক পরিবেশে থাকার কারণে মহিষগুলোর শারীরিক অবস্থাও দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছিল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

তারা আরও জানিয়েছেন, মহিষগুলোকে কাদা থেকে তুলে শুকনা ও নিরাপদ স্থানে রাখার জন্য মালিককে একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও তিনি বিষয়টি আমলে নেননি। পরে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা মহিষগুলোর দুর্দশার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় পশুপ্রেমী নাজমুল হোসেন বলেন, "প্রাণীরা মানুষদের মতো নিজেদের কষ্টের কথা বলতে পারে না। তাদেরও স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। দীর্ঘদিন বুকসমান কাদার মধ্যে চারটি মহিষকে আটকে রাখার দৃশ্য সত্যিই হৃদয়বিদারক।"

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, "মহিষগুলো উদ্ধার করে শুকনা স্থানে রাখা হয়েছে। মহিষের মালিককে ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে মহিষগুলোর জন্য পর্যাপ্ত জায়গা, শুকনা মেঝে, খাবার-পানি এবং নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬ বছরের সন্তান রেখে পরকীয়া প্রেমিকের বাড়িতে নারীর অনশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


৬ বছরের সন্তান রেখে পরকীয়া প্রেমিকের বাড়িতে নারীর অনশন

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মহাদেবপুর গ্রামের এক সন্তানের জননী দিপা কর্মকার বিয়ের দাবিতে তার পরকীয়া প্রেমিক প্রান্ত কর্মকারের বাড়িতে অনশন করছেন।

রোববার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যার পর, ওই নারী মহাদেবপুর গ্রামের প্রান্ত কর্মকারের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নিতে শুরু করেন।

দিপা কর্মকার তার বিয়ের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে থাকার সংকল্প প্রকাশ করেছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, "বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এতদিন প্রান্ত তার সঙ্গে সম্পর্ক করেছে।"

এদিকে, অভিযুক্ত প্রান্ত কর্মকার তাকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

এই ঘটনার ফলে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার মেয়াদ শেষ, অচলাবস্থায় যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার মেয়াদ শেষ, অচলাবস্থায় যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গত জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মেয়াদ আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) শেষ হয়ে গেছে। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা অবস্থায় থাকার কারণে এই সমঝোতার মেয়াদ আর বাড়ানো হবে কি না, তা নিয়ে একটি অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

জুনে স্বাক্ষরিত ওই সমঝোতার মূল লক্ষ্য ছিল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের অবসান ঘটানো এবং যুদ্ধবিরতির পর একটি স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রয়াস করা। সমঝোতার আওতায় দুই পক্ষের জন্য বিভিন্ন শর্ত ও পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হয়েছিল। অথচ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি ওয়াশিংটন ও তেহরান।

বর্তমানে আলোচনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে পারস্পরিক অবিশ্বাস। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক সামরিক তৎপরতা নিয়ে নিশ্চয়তা পেতে চাচ্ছে। অন্যদিকে ইরান যুদ্ধ বন্ধের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দাবি করছে।

সমঝোতার মেয়াদ শেষ হওয়া মানেই দুই দেশের মধ্যে আলোচনা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া নয়। তবে এটি চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। নতুন করে কোনো সমঝোতা না হলে আগের চুক্তির আওতায় নেওয়া পদক্ষেপগুলোর ভবিষ্যতে নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, সমঝোতার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দুই পক্ষকে হয় নতুন একটি সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে, নয়তো আরও বিস্তৃত একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে। তা না হলে যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা এবং সংঘাতের নতুন করে বিস্তার ঠেকানো আরো কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিরোধ বিদ্যমান। বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের অবস্থান একেবারেই ভিন্ন।

যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান তার পারমাণবিক সক্ষমতার ওপর কঠোর সীমাবদ্ধতা মেনে নিক এবং ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা বন্ধে আন্তর্জাতিকভাবে যাচাইযোগ্য নিশ্চয়তা দিক।

ইরান অবশ্য দাবি করে আসছে, শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনা করা তার অধিকার। তেহরান একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা বন্ধ এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে।

এছাড়া ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ভূমিকা নিয়েও ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের মতবিরোধ রয়েছে।

জুনের সমঝোতা যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক কাঠামো হিসেবে দেখা হয়েছিল। এটি সামরিক সংঘাত থেকে রাজনৈতিক আলোচনায় ফেরার সুযোগ তৈরি করেছে। তবে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি, পারমাণবিক স্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ এবং দুই পক্ষের কঠোর অবস্থানের কারণে এই প্রক্রিয়া প্রত্যাশিত গতিতে এগোয়নি।

এদিকে, সমঝোতার মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা অচলাবস্থায় থাকায় নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মহলে এই মুহূর্তে প্রধান উদ্বেগ হলো, সমঝোতার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দুই দেশ আবারও সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে কি না। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেল কিনা, তার প্রভাব বৈশ্বিক বাজারেও পড়তে পারে।

বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে কি না। কূটনৈতিক আলোচনা আবার শুরু হলে আগের সমঝোতার মেয়াদ বাড়ানো, নতুন শর্তে একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতা করা কিংবা আরও বিস্তৃত শান্তিচুক্তির দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে আলোচনা দীর্ঘায়িত হলে সংঘাতের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগের পথ খোলা রাখা এবং নতুন করে সামরিক উত্তেজনা এড়ানোই এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতির প্রধান লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

এই অবস্থায় জুনের সমঝোতার মেয়াদ শেষ হওয়াকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা দ্রুত পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব না হলে গত কয়েক মাসের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%