বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:২১ পি.এম
একটানা অতিবৃষ্টি ও সাম্প্রতিক বন্যার কারণে সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে করে বাজারে সবজির সরবরাহ কমে গেছে। এর ফলে বেশিরভাগ সবজির কেজি বর্তমানে ১০০ টাকার আশেপাশে চলছে। কিছু কিছু সবজি ১০০ টাকার চেয়েও বেশি দামেও বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি, কাঁচা মরিচের দাম ৩০০ টাকা ছুঁইছুঁই অবস্থানে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর ইব্রাহিমপুর বাজার, শেওড়াপাড়া, বিজয় সরণীর কলমিলতা এবং বিভিন্ন বাজারে ঘুরে এমন চিত্র উঠে এসেছে। বাজারে দেখা গেছে, করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১০০ টাকার মূল্য ছাড়া, ঝিঙা ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং শসা ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে ৬০ টাকায় বিক্রি হওয়া লাউ এখন ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টমেটো বর্তমানে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা এবং কাঁকরোল ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তুলনামূলক কম দামে একমাত্র পেঁপে রয়েছে, যা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায় প্রতি কেজি।
এর পাশাপাশি কাঁচা মরিচের দাম বাজারে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে বাজারে কাঁচা মরিচের দাম ২৪০ থেকে ২৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে কাঁচা মরিচের দাম ৩০০ টাকার কাছাকাছি।
শেওড়াপাড়ার পূর্ব অঞ্চলের পাকার মাথায় ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করছেন হাসিব। তার ভ্যানে প্রতি পোয়া কাঁচা মরিচের দাম ৭০ টাকা। সে অনুযায়ী প্রতি কেজির দাম দাঁড়াচ্ছে ২৮০ টাকা।
শেওড়াপাড়ার আরেক স্থানে ভ্যানে সবজি বিক্রেতা কাঁচা মরিচের কেজির দাম জানিয়েছেন ৬০ টাকা পোয়া। এর ফলে প্রতি কেজির দাম পড়ে ২৪০ টাকার।
এক ক্রেতা বলেছেন, কয়েক দিন আগে যে সবজি তিনি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় কিনেছেন, এখন সেটা ১০০ টাকার কাছাকাছি চলছে। বিশেষ করে কাঁচা মরিচের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।
বিক্রেতাদের দাবি, টানা বৃষ্টির কারণে অনেক স্থানে খেত থেকে সবজি সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। মোহাম্মদপুর টাউন হলের সবজি ব্যবসায়ী আবুল হোসেন বলেছেন, ভারী বৃষ্টির কারণে অনেক এলাকায় সবজির খেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় উৎপাদনে ক্ষতি হয়েছে, ফলে সরবরাহ সংকট আরও বেড়েছে।
ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করছেন, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং সরবরাহ বাড়লে সবজির দাম কমতে শুরু করবে। তবে যদি বৃষ্টি অব্যাহত থাকে, তাহলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাজারে দামের চাপ আরও বাড়তে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে সাতজনকে ঠেলে পাঠানো হয়েছে—এমন দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এই সাতজনের মধ্যে কারও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, জীবনের নগর উপজেলার নারায়ণপুর এলাকায় দুই ব্যক্তিকে দেখা গেলেও পরে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজিবির মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে।
সকাল ছয়টার দিকে ওই দুজনের বক্তব্য ভিডিও করে ফেসবুকে আপলোড করেন একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সাংবাদিক। পরে সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তির ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুজনের ঠিকানা জানতে চাইলে তারা খুলনার ডুমুরিয়ার একটি গ্রামে বলে জানান। তাদের ভাষ্যমতে, একই সময়ে আরও পাঁচজনকে ঠেলে পাঠানো হয়েছিল। তবে তাদের সর্বশেষ অবস্থান কেউ জানাতে পারেনি।
ভিডিওতে দেখা যায়, জিনসের প্যান্ট, সাদা ছাপা শার্ট ও কেডস পরা আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি এবং লাল পাঞ্জাবি, কালো প্যান্ট ও কেডস পরা আরেক ব্যক্তি মাথায় নীল রঙের ব্যাগ নিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। পরে তাঁদের একটি ভ্যানে উঠে চলে যেতে দেখা যায়।
দুই ব্যক্তির ভাষ্যমতে, পাটোয়ারী সীমান্ত দিয়ে ঠেলে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ৫৮ বিজিবি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ভারতীয় অংশে পাটোয়ারী নামে কোনো গ্রাম নেই। তা ছাড়া ওই দুজনকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ওই দুজন নিজেদের আপন ভাই বলে দাবি করেন। তাদের একজন আমিনুর রহমান, অন্যজন খলিলুর রহমান। তাদের বাবার নাম মোহাম্মদ আলী সানা।
আমিনুর রহমানের ভাষ্যমতে, ভোর চারটা থেকে সাড়ে চারটার দিকে তাদের দুই ভাইসহ মোট সাতজনকে ভারতের পাটোয়ারী সীমান্তপথ দিয়ে জীবননগর সীমান্তে ঠেলে পাঠায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বাকি পাঁচজন কোথায় আছেন বা কোথায় গেছেন, তা তারা জানাতে পারেননি। সীমান্ত পার হওয়ার পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাথে তাদের দেখা হয়নি।
খলিলুর রহমান জানান, দুই-আড়াই বছর আগে তারা বাংলাদেশ থেকে ভারতে গিয়েছিলেন। এখন তাদের গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি দেখেছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম। তিনি বলেন, ওই দুই ব্যক্তির ভাষ্যমতে পাটোয়ারী সীমান্ত দিয়ে ঠেলে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ৫৮ বিজিবি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ভারতীয় অংশে পাটোয়ারী নামে কোনো গ্রাম নেই। তা ছাড়া ওই দুজনকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান জানান, এ বিষয়ে কোনো তার তথ্য জানা নেই। তবে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায়, হঠাৎ করে রাজধানীতে গ্যাসের জন্য হাহাকার বেড়ে গেছে। ফিলিং স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তারা অপেক্ষা করছেন। দিনের একটি বড় অংশ কেটে যাচ্ছে গ্যাস সংগ্রহ করতে গিয়ে। চরম ভোগান্তিতে রয়েছে সাধারণ চালক থেকে শুরু করে গণপরিবহন খাতের কর্মীরা। নগরবাসী জীবিকার সংকটে ভোগছেন।
সিএনজি চালিত গাড়ির কয়েকজন চালক জানিয়েছেন, পাম্পগুলোতে রাতভর গ্যাস নিতে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তারা গ্যাস পাচ্ছেন না।
গ্যাসের এই সংকটে সবচেয়ে বড় ধাক্কা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের চালকদের ওপর পড়েছে। আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রাইড শেয়ারিং অ্যাপের চালকরা।
তারা জানাচ্ছেন, গ্যাস নিতে না পারার কারণে তাদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। সারাদিন কাটছে পাম্পে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে।
চালকদের মধ্যে কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পর্দার আড়ালে আবারো গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। তারা বলছেন, এর আগে জ্বালানি তেলের সময়েও কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। এবার গ্যাসের দামও বৃদ্ধি করতে এমন নাটক করছে।
গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় পাম্প মালিকরাও লোকসানের মুখে রয়েছেন। তারা এই অবস্থার থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের একটি কারাগারে ফিলিস্তিনের হামাস সদস্যদের জন্য রাখা বিশেষ জেলখানার চারপাশে কুমির রাখার উদ্দেশ্যে পরিখা বা খাল খননের কাজ শুরু করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) এই প্রতিবেদনে এমন খবর দিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।
কারাগারটি যে স্থানে অবস্থিত সে এলাকাটি রামাত নেগেভ আঞ্চলিক কাউন্সিলের এক স্থানীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ১৭০ মিটার বিস্তৃত এই পরিখার খননের কাজ কেতজিওত কারাগারের ভেতরের একটি উইংয়ে করা হচ্ছে, যা বাইরে থেকে দেখা যায় না। ইসরায়েলের পরিবেশ সুরক্ষা মন্ত্রী ইদিত সিলমান নীল নদীর কুমিরকে গৃহপালিত বন্যপ্রাণী হিসেবে নতুন শ্রেণীভুক্ত করার পরেই এই উদ্যোগের পথ উন্মুক্ত হয়েছে।
উগ্র ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে এটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হয়েছে এবং যারা এটিকে সস্তা স্টান্ট মনে করেছিল, তারাই ভুল প্রমাণিত হয়েছে। পরিখা ও কুমিরের যত্ন নেওয়ার জন্য ২১ মিলিয়ন শেকেল বা প্রায় ৬ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে, এবং কারা কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
তবে, ইসরায়েলের প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষ এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আইনি উপদেষ্টারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কঠোর বিরোধিতা করেছেন এবং এই বিষয়টি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। কেতজিওত কারাগারটি নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্দিশালা, যেখানে গাজা ও পশ্চিম তীর থেকে আটক ফিলিস্তিনিদের রাখা হয়।
ফিলিস্তিনি কারাবন্দি বিষয়ক সংস্থাগুলোর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দির সংখ্যা ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯ হাজার ৬০০ অতিক্রম করেছে।
একই সঙ্গে জানা গেছে যে বন্দীদের ওপর কম্বল ও খাবার না দেওয়া এবং লোহার পাতে ঘুমাতে বাধ্য করার মতো কঠোর নির্যাতন চালানো হচ্ছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লায় ৯ বছর বয়সী শিশু তানজিম সুলতানা ঝুমুরকে ধর্ষণের পর হত্যা করার ঘটনায় বহুল আলোচিত মামলায় আদালত মফিজুল ইসলাম মফুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।
কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১, মাত্র ১৯ কার্যদিবসে বিচারকাজ সম্পন্ন করে এ রায় ঘোষণা করেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে ট্রাইবুনালের বিচারক মো. ইয়াছিন আরাফাত এ রায় দেন।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা ইউনিয়নের খেয়াইশ গ্রামের সোনালী শিশু বিদ্যানিকেতনের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী তানজিম সুলতানা ঝুমুর (৯) স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার সময় নিখোঁজ হয়। নির্ধারিত সময় এলাকায় নেই বলেই পরিবারের সদস্যরা সামাজিকভাবে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে খেয়াইশ ঠাকুরবাড়ি এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে ঝুমুরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্তের বিষয়ে জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার স্কুলব্যাগ, স্কুলড্রেস ও জুতা উদ্ধার করে।
নিহত ঝুমুর খেয়াইশ গ্রামের প্রবাসী জাকির হোসেনের একমাত্র সন্তান ছিল।
জানা গেছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় স্থানীয় কয়েকজন সাক্ষী মফিজুল ইসলাম মফুকে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত চলে যেতে দেখেছিলেন। এ ঘটনার পরদিন নিহত শিশুর মা রাজিয়া আক্তার বাদী হয়ে সদর দক্ষিণ উপজেলার খিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম মফুকে একমাত্র আসামি করে সদর দক্ষিণ থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনার তিন দিন পর র্যাব চাঁদপুরে অভিযান চালিয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম মফুকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে তিনি শিশুকন্যা ঝুমুরকে ধর্ষণ ও হত্যা করার কথা স্বীকার করেন।
রায় ঘোষণার পর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনাল-১ এর পাবলিক প্রসিকিউটর বদিউল আলম সুজন বলেন, মাত্র ১৯ কার্যদিবসে বিচার যথাযথভাবে সম্পন্ন করে আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন। এটি সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ