ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জয়পুরহাটে গৃহবধূ সাজেদা হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


জয়পুরহাটে গৃহবধূ সাজেদা হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জয়পুরহাট শহরের জানিয়ার বাগান এলাকায় ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ সাজেদা ইসলাম সাজু হত্যা মামলায় আদালত দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, এবং জরিমানার অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জয়পুরহাট অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক হাসিবুল হক এই রায় প্রদান করেন।

দণ্ডিতদের মধ্যে একজন হলেন জয়পুরহাট সদর উপজেলার খনজনপুর এলাকার জহুরুল ইসলামের ছেলে রাব্বী হোসেন এবং অপরজন আনিছুর রহমানের ছেলে আবু সাঈদ।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গৃহবধূ সাজেদা ইসলাম সাজু জয়পুরহাট শহরের জানিয়ার বাগান এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় তার ছোট মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতেন। তার স্বামী সিলেটে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন, ফলে সাজেদা একাই মেয়েকে নিয়ে থাকতেন। স্থানীয় একটি স্কুলের কম্পিউটার অপারেটর আবু সাঈদের সঙ্গে সাজেদার পরিচয় ঘটে। ২০২২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, যখন তার মেয়ে এসএসসি পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে যায়, আসামিরা গৃহবধূর বাড়িতে এসে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়। সাজেদা বাধা দিলে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে তার মুখে কস্টেপ লাগিয়ে, হাত বেঁধে এবং গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে, পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরে মেয়েটি মেঝেতে তার মায়ের মরদেহ দেখতে পায়। পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

এই ঘটনায় নিহতের স্বামী হাফিজুল ইসলাম ২০২২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর জয়পুরহাট সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণের পর বিজ্ঞ আদালত আজ এ রায় প্রদান করেন।

জয়পুরহাট জজ আদালতের সরকারি পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং তিনি এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাউফলে 'মরিচ মিজানকে' ঘিরে চাঞ্চল্যকর ইয়াবা কারবারের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


বাউফলে

বাউফলে 'মরিচ মিজানকে' ঘিরে চাঞ্চল্যকর ইয়াবা কারবারের অভিযোগ:
মোটরসাইকেল নেটওয়ার্ক, পাচারের গোপন রুট ও জনমনে নানা প্রশ্ন

 

পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলায় মো. মিজানুর রহমান ওরফে ‘মরিচ মিজান’ নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তিকে ঘিরে উঠে এসেছে মাদক কারবার ও সীমান্তসংলগ্ন এলাকা থেকে ইয়াবা পাচারের নানা চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে মোটরসাইকেলে যাতায়াতের আড়ালে তিনি বাউফল উপজেলাসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে ইয়াবার একটি বিস্তৃত সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে বলেও জোর গুঞ্জন রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের আইনগত সত্যতা এবং মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা জানতে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ও পটুয়াখালী জেলা আদালতের অফিসিয়াল নথি যাচাইয়ের তাগিদ দিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

কীভাবে চলে ইয়াবা ব্যবসা: অভিযোগ ও গোপন নেটওয়ার্ক:
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, অভিযুক্ত মো. মিজানুর রহমান বাউফল উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার বাবার নাম সোবাহান চৌকিদার এবং মায়ের নাম বকুলি বেগম। স্থানীয়ভাবে তিনি ‘মরিচ মিজান’ নামে অধিক পরিচিত। স্থানীয় সূত্র ও অধিবাসীদের দাবি অনুযায়ী, মিজানুর রহমানের ইয়াবা পাচার ও বিপণন কৌশল অত্যন্ত সুচতুর। নিচে তার কথিত অপরাধ নেটওয়ার্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হলো:

মোটরসাইকেল কেন্দ্রিক মুভমেন্ট: দ্রুতগতির একাধিক মোটরসাইকেল ব্যবহার করে তিনি সার্বক্ষণিক বাউফল উপজেলা সদর, বাণিজ্যিক এলাকা এবং দূরবর্তী গ্রামগুলোতে ঘুরে বেড়ান। অভিযোগ রয়েছে, এই বাহন ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো দ্রুত স্থান পরিবর্তন করা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল বা নজরদারি এড়িয়ে ইয়াবার চালান নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে দেওয়া।
গোপন চেইন ও ক্যারিয়ার নিয়োগ: তিনি সরাসরি খুচরা পর্যায়ে মাদক বিক্রি না করে বেশ কয়েকজন স্থানীয় 'ক্যারিয়ার' বা খুচরা বিক্রেতা নিয়োগ করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ইয়াবার চালান তিনি মোটরসাইকেলের গোপন স্থান (যেমন: সিটের নিচে বা ফুয়েল ট্যাংকের ভেতরে) বা নিজের পোশাকে লুকিয়ে নির্দিষ্ট স্পটে নিয়ে যান এবং তা সাব-এজেন্টদের হাতে হস্তান্তর করেন।

তরুণদের টার্গেট: এলাকায় স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী, উঠতি বয়সী বেকার তরুণ এবং মোটরসাইকেল চালকদের বড় অংশকে ইয়াবার কাস্টমার হিসেবে টার্গেট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এতে করে এলাকার তরুণ সমাজ মাদকের নীল দংশনে ধ্বংসের মুখে পড়ছে। তবে আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র মোটরসাইকেলে চলাচল বা কারও মৌখিক অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে আইনগতভাবে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। মাদক আইন অনুযায়ী অপরাধ প্রমাণের জন্য সুনির্দিষ্ট আলামত (উদ্ধারকৃত ইয়াবা), নিরপেক্ষ সাক্ষী, পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন এবং আদালতের রায় আবশ্যক।

একাধিক মামলার দাবি ও আইনি তদন্তের আবশ্যকতা: বাউফলের স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক ধারায় একাধিক মামলা হয়েছে। কোনো কোনো মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হয়ে জেলহাজতেও ছিলেন বলে খবর পাওয়া যায়। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এসব দাবির বিপরীতে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো মামলার নম্বর, দায়েরের তারিখ, সংশ্লিষ্ট থানার নাম কিংবা কোন ধারায় চার্জশিট দাখিল হয়েছে-সেসব তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। আইনি নীতি অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা ঝুলন্ত থাকলেও যতক্ষণ না আদালতে তা প্রমাণিত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে আইনগতভাবে নিরপরাধ বলেই গণ্য করা হয়। তাই প্রকৃত সত্য উন্মোচনে পটুয়াখালী জেলা পুলিশ প্রশাসন ও আদালতের স্পেশাল ব্রাঞ্চের নথি পর্যালোচনার জোরালো দাবি উঠেছে।

মাদকের বিস্তার ও এলাকা জুড়ে তীব্র অসন্তোষ: পটুয়াখালীর উপকূলাঞ্চলীয় বাউফল উপজেলায় বিগত কয়েক বছরে মাদকের বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইয়াবার সহজলভ্যতার কারণে এলাকায় চুরি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাংয়ের উত্থান এবং পারিবারিক অশান্তির মতো সামাজিক ব্যাধি আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে।

এলাকাবাসীর স্পষ্ট দাবি:
উৎস ও রুট বন্ধ করা: যেসব পয়েন্ট ও রুট দিয়ে বাউফলে ইয়াবার চালান প্রবেশ করে, সেগুলো শনাক্ত করে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করতে হবে। গডফাদার ও ক্যারিয়ারদের গ্রেপ্তার: কেবল খুচরা সেবীদের গ্রেপ্তার না করে মাদক সরবরাহের মূল হোতা, বহনকারী (ক্যারিয়ার) ও তাদের নেপথ্যের মদদদাতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

নিরীহদের সুরক্ষা: অভিযান বা তদন্তের নামে যেন কোনো সাধারণ বা নির্দোষ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে প্রশাসনকে কঠোর নজর রাখতে হবে।

পুলিশ প্রশাসন ও অভিযুক্তের বক্তব্য:
উত্থাপিত অভিযোগের পরিপ্রক্ষিতে বাউফল থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং পটুয়াখালী জেলার উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য ও তদন্ত প্রতিবেদন অত্যন্ত জরুরি। মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বর্তমান কোনো অভিযোগ বা তদন্ত চলমান আছে কি না, কিংবা তার অতীত মামলাগুলোর হালনাগাদ অবস্থান কী-পুলিশের পক্ষ থেকে এসবের তথ্য মেলা প্রয়োজন। একইসঙ্গে নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার নীতি অনুসরণ করে অভিযুক্ত মো. মিজানুর রহমানের বক্তব্য জানা আবশ্যক। তার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ সত্য নাকি এটি স্থানীয় কোনো শত্রুতামূলক ষড়যন্ত্র বা রাজনৈতিক চক্রান্ত-তা তার নিজস্ব বক্তব্যের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত সকল তথ্য স্থানীয় অধিবাসীদের মৌখিক দাবি ও জনশ্রুতির ওপর ভিত্তি করে সংকলিত।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে ছিনতাই চক্রের ২ নারী সদস্য গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩২ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে ছিনতাই চক্রের ২ নারী সদস্য গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন থেকে নামার সময় কৃত্রিম জটলা সৃষ্টি করে এক যাত্রীর গলার সোনার চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার ঘটনায় রেলওয়ে পুলিশ দুই নারী সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন হবিগঞ্জ সদর থানার উছাইল (চারিনাও) গ্রামের দুলাল মিয়ার স্ত্রী মোছা. শাহেনা আক্তার শাহানা (৩৪) এবং আদিস মিয়ার স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩৯)।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহ আলম জানান, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলের দিকে আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে স্থানীয় জনতার সহায়তায় ওই দুই নারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৪ জুন বেলা ১১টার দিকে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রায়হান ভূঁইয়া (৩৪) তার বোন শান্তা আক্তারকে (৩২) সঙ্গে নিয়ে পারিবারিক কাজে আজমপুর স্টেশন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাওয়ার জন্য আন্তঃনগর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘চ’ বগিতে ওঠেন। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে তারা ট্রেন থেকে নামার সময় সংঘবদ্ধ চক্রের কয়েকজন নারী কৃত্রিম জটলা সৃষ্টি করেন।

এ সময় মোছা. সেলিনা আক্তার (৩৪) সহ তার সহযোগী শাহেনা, রেজিয়া, খুদেজা, গ্রেপ্তারকৃত শাহেনা আক্তার শাহানা ও নাসিমা বেগমসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জন মিলে শান্তা আক্তারকে ঘিরে ফেলেন। একপর্যায়ে কৌশলে শান্তা আক্তারের পিঠের পেছন দিয়ে ওড়নার নিচে হাত ঢুকিয়ে তার গলায় থাকা এক ভরি ওজনের সোনার চেইন, যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, টেনে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে শান্তা আক্তার তাৎক্ষণিক চেইনটি হাত দিয়ে ধরে ফেলেন এবং চিৎকার শুরু করেন।

তার চিৎকার শুনে ভাই রায়হান ভূঁইয়া ও ট্রেনে থাকা অন্যান্য যাত্রীরা এগিয়ে এসে সেলিনা আক্তারকে আটক করেন। এ সময় অন্যরা কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে সেলিনাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করা হলে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পলাতক সহযোগীদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করেন বলে পুলিশ জানায়।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে শাহেনা আক্তার শাহানা ও নাসিমা বেগমের ওই ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর ভিত্তিতে মঙ্গলবার আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের আটক করা হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. শাহ আলম বলেন, আটক দুই আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। এটি একটি সংঘবদ্ধ নারী ছিনতাইকারী চক্র। তাদের আরও কয়েকজন সহযোগী পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের বাজারে আজ ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৩ পি.এম


দেশের বাজারে আজ ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকায়

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারে সোনার দাম নির্ধারণ করে। সেই অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

সর্বশেষ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাজুস সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বৃদ্ধি করেছে। এর আগে এক দফা দাম বাড়ানো হয়েছিল। দুই দফায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম মোট ২ হাজার ৭৪১ টাকা বেড়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্ধারিত সোনার দামের সঙ্গে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত হবে। তবে গহনার নকশা ও মানের ওপর ভিত্তি করে মজুরির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।

এদিকে, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ২০৮ টাকা প্রতি ভরি।

অর্থাৎ, আজকের হিসাবে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এর সঙ্গে ভ্যাট ও মজুরি যোগ হলে গহনা কিনতে ক্রেতাকে আরও বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ মিনিটেই করুন পুরো শরীরের ব্যায়াম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৩ পি.এম


১০ মিনিটেই করুন পুরো শরীরের ব্যায়াম

ব্যায়াম করার জন্য সময় নেই—এমন ধারণা আর গ্রহণযোগ্য নয়। শুধুমাত্র ১০ মিনিট সময় এবং একটি জোড়া ডাম্বেল থাকলেই পুরো শরীরের জন্য একটি কার্যকর ব্যায়াম সম্পন্ন করা সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন হবে মাত্র তিনটি ব্যায়াম।

এই ধরনের ব্যায়ামকে কম পরিমাণের উচ্চ-তীব্রতার ব্যায়াম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সাধারণ উচ্চ-তীব্রতার ব্যায়ামে অল্প সময়ের জন্য খুব জোরে ব্যায়াম করার পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া হয় এবং এভাবে কয়েকবার করা হয়। সাধারণত এতে চারটি বা তার বেশি ব্যায়াম অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং সময় লাগে ১৫ থেকে ৩০ মিনিট।

অন্যদিকে, কম পরিমাণের উচ্চ-তীব্রতার ব্যায়ামে দুই থেকে চার ধরনের ব্যায়াম কয়েক দফা করলেই যথেষ্ট। ফলে ১০ মিনিট বা তারও কম সময়ে ব্যায়াম সম্পন্ন করা সম্ভব।

কম সময়ে বেশি উপকার

হার্ভার্ড-সংশ্লিষ্ট স্পল্ডিং পুনর্বাসন নেটওয়ার্কের শারীরিক চিকিৎসক বিজয় দারিয়ানানি জানান, অল্প সময়ে এই ব্যায়াম করতে হলে যথেষ্ট পরিশ্রমের প্রয়োজন। অর্থাৎ, সময় কম হলেও ব্যায়ামের তীব্রতা বজায় রাখতে হবে।

এই ধরনের ব্যায়ামে মূলত এমন কিছু ভঙ্গি অন্তর্ভুক্ত থাকে, যেগুলো একই সঙ্গে শরীরের একাধিক বড় পেশিতে কাজ করে। ফলে একটি ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের ওপরের ও নিচের অংশকে সক্রিয় করা সম্ভব হয়।

শুরুতে এমন ওজনের ডাম্বেল ব্যবহার করা উচিত, যাতে ১০ থেকে ১২ বার করার পর শেষ কয়েকবার বেশ কঠিন মনে হয়। যদি আরও বেশি বার সহজে করা সম্ভব হয়, তবে ডাম্বেলের ওজন বাড়ানো যেতে পারে। আবার, যদি শুরুতে পাঁচ-ছয়বার করেই শেষবারটি কঠিন মনে হয়, তাতেও সমস্যা নেই।

প্রথম ব্যায়াম: শুয়ে মাথার ওপর ডাম্বেল তোলা

এই ব্যায়ামে পেটের পেশি, কাঁধ ও বুকের পেশি সক্রিয় হয়।

প্রথমে মেঝে বা ব্যায়ামের বেঞ্চে চিৎ হয়ে শুয়ে দুই হাতে দুটি ডাম্বেল নিন। দুই হাত সোজা করে কাঁধের ওপর ডাম্বেল তুলে ধরুন।

এরপর দুই পা একসঙ্গে শরীরের সঙ্গে ৯০ ডিগ্রি কোণে তুলে রাখুন। পুরো ব্যায়ামের সময় পা এই অবস্থায় থাকবে।

এবার ওপরের বাহু স্থির রেখে কনুই ভাঁজ করে ডাম্বেল দুটি মাথার দুই পাশে নামিয়ে আনুন। কিছুক্ষণ থেমে আবার হাত সোজা করে ডাম্বেল আগের অবস্থানে তুলুন। এটিই একটি বার।

দ্বিতীয় ব্যায়াম: বসে উঠে ডাম্বেল মাথার ওপর তোলা

এই ব্যায়ামে পা ও কাঁধের পেশি কাজ করে। পাশাপাশি শরীরের ওঠানামার কারণে হৃদস্পন্দনও বৃদ্ধি পায়।

প্রথমে দুই পা কাঁধের সমান ফাঁক করে দাঁড়ান। দুই হাতে দুটি ডাম্বেল নিয়ে কাঁধের কাছে রাখুন। দুই হাতের তালু একে অপরের দিকে থাকবে।

পিঠ সোজা রেখে যতটা সম্ভব নিচু হয়ে বসুন। চাইলে উরু মেঝের সমান্তরাল হওয়া পর্যন্ত নামতে পারেন।

এরপর গোড়ালিতে ভর দিয়ে জোরে উঠে দাঁড়ান। একই সঙ্গে ডাম্বেল দুটি মাথার ওপর তুলুন, যতক্ষণ না দুই হাত পুরোপুরি সোজা হয়।

পরে ডাম্বেল আবার কাঁধের কাছে নামিয়ে সঙ্গে সঙ্গে নিচু হয়ে বসুন। এভাবে ধারাবাহিকভাবে করতে হবে।

তৃতীয় ব্যায়াম: বসে উঠে হাত ভাঁজ করা

এই ব্যায়ামে উরু, বাহু ও পেটের পেশি একসঙ্গে কাজ করে।

দুই পা কাঁধের সমান ফাঁক করে দাঁড়ান। দুই হাতে ডাম্বেল নিন। হাত শরীরের পাশে নিচের দিকে থাকবে এবং তালু থাকবে সামনের দিকে।

চেয়ারে বসার মতো করে ধীরে ধীরে নিচু হয়ে বসুন। যতটা আরামদায়ক ততটাই নিচে নামুন। চাইলে উরু মেঝের সমান্তরাল হওয়া পর্যন্ত যেতে পারেন।

নিচে নামার সময় একই সঙ্গে দুই কনুই ভাঁজ করে ডাম্বেল কাঁধের দিকে তুলুন। এরপর গোড়ালিতে চাপ দিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে আবার হাত শরীরের পাশে নামিয়ে আনুন।

তিন দফাতেই শেষ ১০ মিনিটে

এই তিনটি ব্যায়াম পরপর করে মোট তিন দফা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ব্যায়ামের মধ্যে ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ড বিশ্রাম নিতে হবে। সব মিলিয়ে সময় লাগতে পারে প্রায় ১০ মিনিট।

তবে শুরুতেই পুরো তিন দফা করা জরুরি নয়। ব্যায়ামটি বেশ কঠিন হওয়ায় প্রথম দিকে দুই দফা করলেও সমস্যা নেই। প্রয়োজন হলে বিশ্রামের সময়ও বাড়ানো যেতে পারে।

ধীরে ধীরে শরীর অভ্যস্ত হলে কম সময়ে বেশি ব্যায়াম করা সম্ভব হবে।

ব্যায়ামের সময় সতর্ক থাকুন

কম সময়ের এই ব্যায়াম বেশ তীব্র হতে পারে। তাই প্রথম দিকে ধীরে শুরু করা জরুরি। এতে আঘাতের ঝুঁকি কমে।

ব্যায়ামের সঠিক ভঙ্গি জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই সম্ভব হলে শুরুতে প্রশিক্ষকের কাছ থেকে সঠিকভাবে ব্যায়াম করার পদ্ধতি শিখে নেওয়া ভালো।

হৃদযন্ত্রের সমস্যা, অস্থিসন্ধির সমস্যা, সাম্প্রতিক কোনো আঘাত বা চলাফেরায় সীমাবদ্ধতা থাকলে উচ্চ-তীব্রতার ব্যায়াম করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ব্যায়াম করার সময় বা ব্যায়াম শেষ করার পর ব্যথা কিংবা অস্বস্তি অনুভব হলে সঙ্গে সঙ্গে থেমে যেতে হবে।

সূত্র: হার্ভার্ড

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%