মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩০ পি.এম
দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্য ট্রোম্যান খীসার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে অবস্থিত তার নিজ গ্রাম রামহরি পাড়ায় বৌদ্ধ ধর্মীয় রীতি ও যথাযোগ্য সামরিক মর্যাদায় তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি দল আনুষ্ঠানিকভাবে গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরে মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে প্রয়াত নৌ-সদস্যের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়।
জানা যায়, ২০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে মোতায়েন বাংলাদেশ ফোর্স মেরিটাইম ইউনিট ব্যানএফএমইউ-১১-এ দায়িত্ব পালনকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন ট্রোম্যান খীসা। তাকে ভারতীয় ফিল্ড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তার অবদানের কথা স্মরণ করে জাতিসংঘ মহাসচিবের পক্ষে বিশেষ প্রতিনিধি এবং দক্ষিণ সুদানে নিয়োজিত শান্তিরক্ষা মিশনের প্রধানও তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
রোববার সকালে ট্রোম্যান খীসার মরদেহ ঢাকায় আনার পর নেওয়া হয় তার পৈতৃক নিবাস রাঙ্গামাটিতে। সেখানে সোমবার পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রয়াত ট্রোম্যান খীসার স্ত্রীর হাতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও জাতিসংঘের পতাকা, ক্যাপ এবং মেডেল তুলে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালের ১৩ জুন রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার রামহরি পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন ট্রোম্যান খীসা। ২০০৬ সালের ১ জুলাই নাবিক হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগ দেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলার ঘটনার পর কুষ্টিয়া-২ আসনের জামায়াতের এমপি মোহাম্মদ আব্দুল গফুরের জামাতা মিজানুর রহমানকে (৫৯) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগ।
ডিবি গুলশান বিভাগের একটি দল সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে পশ্চিম মাটিকাটা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এমপির বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের সময় এমপি আব্দুল গফুর বাসায় উপস্থিত ছিলেন। তার সামনে থেকেই ডিবি পুলিশ মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।
ডিবি পুলিশ জানায়, নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলার ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়ের করা মামলায় মিজানুর রহমান এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এক হাজার দুইশো পণ্যের মধ্যে প্রতিযোগিতা শেষে লিলি হুইপড শিয়া বডিওয়াশ বর্ষসেরা পণ্যের সম্মান অর্জন করেছে।
বিক্রয় সাফল্য, বাজার জরিপ এবং ভোক্তাদের মতামতের ভিত্তিতে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে এই ঘোষণা দেয় রিমার্ক এইচবি লিমিটেড। নাম্বার ওয়ান হওয়ার দৌঁড়ে লিলি সিরাম গ্লো সোপ, লিলি ফেসওয়াশ, নিওর ফেসওয়াশ, লিলি আলট্রা সফট জেল, লিলি শ্যাম্পু, অরিক্স ডিটারজেন্ট ও টাইলক্সের মতো আরও অনেক পণ্য ছিল।
জমকালো অনুষ্ঠানে লিলি বডিওয়াশের প্রতিনিধিদের হাতে ২০২৬ সালের বর্ষসেরা পণ্যের সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। এ সময় অনুষ্ঠানস্থল উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। রিমার্কের পরিচালক কে এম সাদমান সাঈদ, লিলি বডিওয়াশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল এবং লিলির চিফ বিজনেস অফিসার আবির আদনানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
রিমার্ক এইচবি লিমিটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোনো একক সূচকের ভিত্তিতে নয় বরং বাজারে গ্রহণযোগ্যতা, ভোক্তাদের আস্থা, বিক্রয় প্রবণতা এবং ত্বক পরিষ্কারের পাশাপাশি ময়েশ্চারাইজিং ও ত্বকের যত্নের সমন্বিত সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে লিলি হুইপড শিয়া বডিওয়াশকে বর্ষসেরার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রচলিত বডিওয়াশের ধারণার বাইরে গিয়ে ক্লিনজিংয়ের সঙ্গে ময়েশ্চারাইজিং ও ত্বকের যত্নের সুবিধাকে একত্র করাই পণ্যটির অন্যতম বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এ পণ্য দেশে বডিওয়াশের বাজার সৃষ্টি করছে বলেও জানানো হয়।
লিলি হুইপড শিয়া বডিওয়াশের সব ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রবণতা পাওয়ার তথ্য দেন লিলির চিফ বিজনেস অফিসার আবির আদনান। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো পণ্যকে শুধু বিক্রয়ের পরিমাণ দিয়ে মূল্যায়ন করতে চাই না। ভোক্তা কেন পণ্যটি কিনছেন, ব্যবহারের পর তাঁদের অভিজ্ঞতা কেমন, তাঁরা পুনরায় কিনছেন কি না এবং বাজারে পণ্যটির গ্রহণযোগ্যতা কতটা—এসব বিষয়ও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। লিলিকে শুধু কনজ্যুমার ব্র্যান্ড নয়, বরং প্রতিটি ঘরের এক নম্বর পার্সোনাল কেয়ার ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ের কথাও জানান আবির আদনান।
লিলি হুইপড শিয়া বডিওয়াশ বর্ষসেরা পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন লিলি হুইপড শিয়া বডিওয়াশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। তিনি জানান, লিলির সঙ্গে কাজ করার সুবাদে পণ্যটির প্রতি ভোক্তাদের আগ্রহ কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। অনেক ভোক্তার কাছ থেকেই পণ্যটির ব্যবহার, সুগন্ধ ও ত্বকের অনুভূতি নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, ভোক্তাদের এই ভালোবাসা লিলিকে আরও বড় সাফল্যের দিকে এগিয়ে নেবে।’
রিমার্কের পরিচালক কে এম সাদমান সাঈদ বলেন, ‘একটি পণ্যকে সফল করে তোলে ভোক্তার গ্রহণযোগ্যতা। লিলি হুইপড শিয়া বডিওয়াশের ক্ষেত্রে আমরা বিক্রয়ের পাশাপাশি বাজারের প্রতিক্রিয়া এবং ভোক্তাদের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়েছি। বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণের পরই বর্ষসেরা পণ্য হিসেবে একে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’
তিনি বলেন, ‘রিমার্ক আন্তর্জাতিক মানের পণ্য তৈরি করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে ভোক্তার আস্থা অর্জন করেছে। লিলি হুইপড শিয়া বডিওয়াশের বিশেষ এই অর্জন আমাদের সেই লক্ষ্যকে আরও এগিয়ে নেওয়ার অনুপ্রেরণা।’
অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে কর্মকর্তারা জানান, ভোক্তার পরিবর্তিত চাহিদা ও জীবনযাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যক্তিগত পরিচর্যা পণ্যের বাজারে নতুনত্ব আনার চেষ্টা করছে রিমার্ক। শুধু পণ্য বাজারজাত নয়, ভোক্তার অভিজ্ঞতা ও মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ পণ্য পরিকল্পনাও করা হচ্ছে।
ইউএসএ এফিলিয়েটেড ব্র্যান্ড লিলি-এর স্বত্বাধিকারী রিমার্ক এইচবি লিমিটেড বাংলাদেশের বিউটি, স্কিনকেয়ার, পার্সোনাল কেয়ার, বেবি কেয়ার ও হোম কেয়ার পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। অত্যাধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থা, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং মান নিয়ন্ত্রণের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি দেশীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারের জন্যও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্য উৎপাদন করছে।
উৎপাদন সক্ষমতা ও মান ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে রিমার্ক ইতোমধ্যে আইএসও, সিজিএমপি ও হালাল সার্টিফিকেশনসহ বিভিন্ন মানসনদ অর্জন করেছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির কারখানা গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট দেশের রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্স ও প্রয়োজনীয় মানদণ্ড অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে রিমার্ক।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে হাসিবুল ইসলাম অপু নামে এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের টিচার্স লাউঞ্জের সামনে থেকে তাকে আটক করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের কয়েকজন নেতা-কর্মী। সংশ্লিষ্টদের দাবি অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার মুঠোফোনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের চবি শাখার সাবেক সহসভাপতি আবরার শাহরিয়ারের ভিডিও কল আসে।
পরে ওই শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরে হস্তান্তর করা হয় এবং সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
হাসিবুল ইসলাম অপু বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাবা শাহজাহান মিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সেকশন অফিসার। তাদের বাসা বিশ্ববিদ্যালয়ের পামবাগান-সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত।
হাসিবুল জানান, টিউশন শেষ করার পর অসুস্থ বোধ করায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে বিজ্ঞান অনুষদের টিচার্স লাউঞ্জের সামনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাকে আটক করেন।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রলীগের একটি মিছিলে অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। তবে ছাত্রলীগের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পৃক্ততার কথা তিনি অস্বীকার করেন। তাকে মারধর করা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।
চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভূঁইয়া এ বিষয়ে বলেন, হাসিবুল রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে সন্দেহভাজন মনে হওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার মুঠোফোন পরীক্ষা করে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি।
ইসহাক ভূঁইয়া আরও জানান, হাসিবুল এর আগে ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিল ও কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার মুঠোফোনে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের চবি শাখার সাবেক সহসভাপতি আবরার শাহরিয়ার ভিডিও কল দেন বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শাহজালাল বাদশা বলেন, পুলিশ আসবে। পুলিশের কাছে সোপর্দ করে দেব। পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
একই দিনে ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও এক শিক্ষার্থীকে আটক করেন ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা। আটক শিক্ষার্থী মুনতাসির মারজু বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে প্রক্টরিয়াল বডির মাধ্যমে তাকে হাটহাজারী থানায় সোপর্দ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন মধ্যরাতে রাজধানীর ছয়টি ছাপাখানা পরিদর্শন করেছেন। এটি আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপানোর অগ্রগতি ও গুণগত মান যাচাই করার জন্য করা হয়।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার পর তিনি এসব প্রেস পরিদর্শন করেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে দিবাগত রাত ১টার দিকে এ তথ্য জানানো হয়।
পরিদর্শনের সময় শিক্ষামন্ত্রী ছাপাখানাগুলোতে প্রস্তুত করা পাঠ্যবইয়ের কাগজ, বাঁধাই ও ছাপার মান সরাসরি পরীক্ষা করেন। তিনি বইয়ের বান্ডিল থেকে নমুনা কপি সংগ্রহ করে সার্বিক গুণমান পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের মানসম্মত বই মুদ্রণের বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য (টেক্সট) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের টুকু জানান, নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই মুদ্রণের কাজ পুরোদমে চলছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বই পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে আগামী ১ জানুয়ারি ‘বই উৎসব’-এ শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া নিশ্চিত করা যায়।
এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি পাঠ্যবই ছাপানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিশাল প্রকাশনা কার্যক্রমে সরকারের মোট ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৮৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩২৮ টাকা।
মুদ্রণ পরিকল্পনার আওতায় প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি এবং ইবতেদায়ি স্তরের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ৩ কোটি ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কপি বই তৈরি হচ্ছে। মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জন্য প্রায় ১৮ কোটি বই ছাপানো হবে। এর মধ্যে নবম শ্রেণির জন্য নির্ধারিত রয়েছে সর্বোচ্চ ৫ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি বই। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ৯ হাজার ৪ কপি ব্রেইল পদ্ধতির বই প্রস্তুত করা হচ্ছে।
আসন্ন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যসূচিতে কিছু নতুন বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণির জন্য ‘খেলাধুলা’ ও ‘আমাদের সংস্কৃতি’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য ‘আনন্দময় শিক্ষা’ ও ‘কারিগরি শিক্ষা’ বিষয়ের নতুন বই ছাপানো হচ্ছে। এনসিটিবি এসব নতুন এবং পরিমার্জিত ও সংশোধিত বই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ