ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মুক্তাগাছায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে


মুক্তাগাছায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে

ময়মনসিংহ, ২৬ জুলাই, ২০২৬ : জেলার মুক্তাগাছায় মাদকবিরোধী অভিযানের ফলে ১০ জন মাদকসেবী ও কারবারিকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে এবং তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন প্রশান্ত চৌহান (২৮), নূর হাবিব (৩০), আসাদুজ্জামান বাবু (২২), শামীমুল ইসলাম শামীম (৩১), মো. সোহাগ (২৫), মো. হাসমত আলী (৪২), রাজীব আলী (২৫), সুজন মিয়া (৩২), তারা মিয়া (৬৭) এবং নাজমুল ইসলাম রাজু (৩০)।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এর আগে গতকাল শনিবার রাতে মুক্তাগাছা পৌরসভার ৪ এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করে মাদকবিরোধী কমিটির সদস্যরা তাদের আটক করে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কৃষ্ণ চন্দ্র বাসসকে জানান, মাদক সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি। মাদকের বিরুদ্ধে সংসদ সদদ্যের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন ও সামাজিক সংগঠনের এই অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে।

কঠোর ভাবে আইন অনুযায়ী মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, মাদক নির্মূলে পুলিশের অভিযান নিয়মিত চলছে। স্থানীয় জনগণ ও মাদকবিরোধী কমিটির সহযোগিতায় এই ধরনের অভিযানকে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

এ বিষয়ে মুক্তাগাছা আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) জাকির হোসেন বাবলু বাসসকে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে।

কোনো অবস্থাতেই মাদক বিরোধী আভযানে ঢিলে গতি সহ্য করা হবে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঁশ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে বিসিক কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


বাঁশ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে বিসিক কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন

এই জেলার ঐতিহ্যবাহী বাঁশ শিল্প এখন প্রায় বিলুপ্তির সীমানায় পৌঁছে গেছে। কিছু পরিবার এখনও তাদের পূর্বপুরুষের পেশা রক্ষা করতে বাঁশ দিয়ে বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি করে বাজারে বিক্রি করছেন।

বাঁশ শিল্পের কারিগরদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, প্লাস্টিক পণ্যের সহজলভ্যতা, প্রয়োজনীয় পুঁজির অভাব, কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অভাবের কারণে এই শিল্প এখন হুমকির সম্মুখীন। তাই দেশের উত্তর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী এই কুটির শিল্পটিকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা অত্যন্ত জরুরি। তারা আবেদন জানিয়েছেন যে বাঁশ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) কর্তৃপক্ষের যথাযথ নজরদারি ও হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ হাটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন কারিগর এই পেশা ধরে রেখেছেন। তবে বাঁশজাত দ্রব্যের চাহিদা হ্রাস পাওয়া, কাঁচামাল হিসেবে বাঁশের দাম বেড়ে যাওয়া এবং শ্রমের সঠিক মূল্য না পাওয়ার কারণে অনেকেই অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন।

স্থানীয় প্রবীণরা জানান, দিনাজপুরের বিভিন্ন অঞ্চলে এক সময় বাঁশের তৈরি শিল্পপণ্যের ব্যবসা ছিল খুবই সফল। প্রতিটি পরিবারের হাতে কুলা, ডালি, ঝুড়ি, মোড়া, খেলনা, মাছ ধরার ডার্কি, খলইসহ নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক সামগ্রীর উৎপাদন করা হতো। গ্রামীণ হাটবাজারে এসব পণ্যের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও, প্লাস্টিকের সস্তা এবং টেকসই বিকল্পের কারণে বাঁশের তৈরি পণ্যের বাজার হ্রাস পেয়েছে।

সপ্তাহিক বা দৈনিক বাজারগুলোতে বাঁশ দিয়ে তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী বেচাকেনা হলেও, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মতে, দিন দিন এসব সামগ্রীর বিক্রি কমতে চলেছে।

বোচাগঞ্জ হাটে বাঁশের তৈরি পণ্যের কারিগররা জানান, বাঁশের পণ্য তৈরিতে সময় ও শ্রমের তুলনায় তারা এখন ন্যায্য মূল্য পেতে পারছেন না। কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির ফলে, উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে গেছে। এক সময় স্থানীয় বাঁশ সহজে পাওয়া যেত, এখন বন উজাড় এবং অপরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের কারণে দূর-দূরান্ত থেকে বেশি দামে বাঁশ কিনতে হচ্ছে।

চল্লিশ বছর ধরে বাঁশ শিল্পের সাথে জড়িত অভিজ্ঞ কারিগর সুবাশ পাল বাসসের সঙ্গে আলাপকালে জানান, আগে বাঁশের কাজ করে সংসার ভালো চলত, এখন আর ভালো চলে না। ছেলে-মেয়েরা এই কাজ শিখতে আগ্রহী নয়। সবাই অন্য কাজের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ছে। অনেক কারিগর এখন দিনমজুর বা ইজিবাইক চালাচ্ছেন।

কারিগর অধীরচন্দ্র রায় বলেন, বাঁশের দাম এখন অনেক বেড়ে গেছে। তৈরি করা পণ্যের বেচাকেনাও অনেক কমে গেছে। লাভ কম-বেশি যাই হোক, বাধ্য হয়ে পূর্বপুরুষদের এই পেশা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা ছোট থেকে এই বাঁশের জিনিস তৈরির কাজ শিখেছি। বাবা-দাদাদের কাজ করা দেখেই এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। কুলা, ডালি, হাঁস ঢাকা চালা, পাখা তৈরি করি। ৩০ বছর ধরে এই ব্যবসা করছি।

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, 'হয়তো এক সময় আধুনিকতার ছোঁয়ায় এই পেশা বিলুপ্ত হয়ে যাবে।' আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম অন্য পেশায় চলে যাবে। তখন হয়তো এই পেশায় আর কোনো কারিগর পাওয়া যাবে না!'

কারিগর কান্তিলাল রায় বলেন, 'আমার বাপ-দাদারা এই ব্যবসা করেছেন, এখন আমিও এটি করছি। দাম বেড়ে গেছে, শ্রম ও হাজিরা মূল্যও বেড়ে গেছে। আমরা সপরিবারে বাঁশ শিল্পের কাজ করি। সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। শুধুমাত্র ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য এই কাজ করছি।'

কারিগর সুরেশ বর্মন জানান, আমার তিন সন্তান। বড় ছেলেকে অন্য পেশায় দিয়েছি। কারণ এই ব্যবসা দিয়ে সংসার চলে না। ছোট ছেলে বাঁশ শিল্পের কাজে আমার সাথে থাকে। মেয়ে লেখাপড়া করছে। আমি সেতাবগঞ্জ, কাহারোল, ধুকুরঝাড়ি, দিনাজপুর, মঙ্গলপুর হাটে বাঁশের তৈরি পণ্য নিয়ে ব্যবসা করি।

কারিগর জামাল উদ্দিন কুলা, ঢাকি, পাখা, চালনসহ বিভিন্ন বাঁশের পণ্য তৈরি করে বিক্রি করছেন। তিনি জানান, ডালির দাম সাইজ অনুযায়ী ৮০ থেকে ১০০ টাকা, অন্য সব বাঁশের তৈরি পণ্যের দাম একই রকম।

তিনি বলেন, 'আধুনিকতার ছোঁয়ায় তৈরি বাঁশের পণ্য রং দিয়ে নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারলে, ভালো দামে বিক্রি করা যায়। এজন্য আমি বাঁশের পণ্য ওই আঙ্গিকে তৈরি করে বাজারজাত করতে শুরু করেছি। এতে আমার ভালো লাভ হচ্ছে।'

তরুণ উদ্যোক্তা সোহাগ হোসেন বলেন, বাঁশ শিল্প শুধুমাত্র অর্থনৈতিক খাত নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতির একটি অংশ। শিল্পটি বিলুপ্ত হলে আমাদের ঐতিহ্য হারিয়ে যাবে। এটি রক্ষা করতে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা, আধুনিক এবং মানসম্মত বাঁশ শিল্পের প্রসার ও বাজারজাতকরণে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। তবেই এই শিল্পটি টিকিয়ে রাখা সম্ভব।

কারিগরদের মতে, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে গ্রাহক চাহিদা অনুযায়ী নতুন ডিজাইনের পণ্য তৈরিতে বিসিক কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মানসম্মত পণ্য তৈরি ও বাজারজাত নিশ্চিত করা হলে কারিগররাও উৎসাহিত হবে। এছাড়াও, এই শিল্পের প্রধান কাঁচামাল বাঁশের বাণিজ্যিক উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহ প্রদান এবং সহজ ঋণ প্রদানের মাধ্যমে বাঙালির ঐতিহ্য বাঁশ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব।

তারা জানান, এই শিল্পের কারিগরদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারি উদ্যোগ আবশ্যক। অন্যথায় দিনাজপুরে বাঁশ শিল্পের ইতিহাস বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

বিসিক দিনাজপুরের উপমহাব্যবস্থাপক মো. জাহেদুল ইসলাম জানান, শিল্পটি টিকিয়ে রাখতে আধুনিকায়নের বিকল্প নেই। বাঁশের কারিগরদের জন্য কমপক্ষে তিন মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। ঋণ নিতে ইচ্ছুক কারিগরদের জন্যও ব্যবস্থা আছে। শিল্পটির তদারকি ও সহায়তা বৃদ্ধি করা হবে। যা মানসম্মত এবং টেকসই পদ্ধতিতে বাঁশের পণ্য তৈরি ও বাজারজাতকরণের জন্য সহায়ক হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৫ দিনে দেশে এলো ২৮ হাজার ৪৭ কোটি টাকার রেমিট্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


২৫ দিনে দেশে এলো ২৮ হাজার ৪৭ কোটি টাকার রেমিট্যান্স

চলতি জুলাইয়ের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসীরা দেশে ২২৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। দেশের মুদ্রায়, প্রতিটি ডলার ১২২ টাকার মূল্যায়ন অনুযায়ী, এর পরিমাণ প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকার বেশি।

রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদকৃত প্রতিবেদনে জানা গেছে এই তথ্য।

অভিযোগ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন বলছে, ২৫ জুলাই পর্যন্ত প্রবাসীরা ২২৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে ২২ থেকে ২৫ জুলাই সময়কালে মাত্র তিন দিনে দেশে ১২ কোটি ৯০ মিলিয়ন ডলার এসেছে। গত বছরের একই সময়ে, ১৯০ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন। এভাবে বছর ভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ২০ দশমিক ৬ শতাংশ।

এর আগে, ২২ জুলাই পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে ২ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছিলেন। দেশীয় মুদ্রায়, প্রতিটি ডলার ১২২ টাকা দরে, এর পরিমাণ ছিল প্রায় ২৬ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চলতি অর্থবছরের জন্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


চলতি অর্থবছরের জন্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

ঢাকা, ২৬ জুলাই, ২০২৬ : সরকার চলতি অর্থবছর (২০২৬-২৭) জন্য ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। তারা পণ্য ও সেবা উভয় খাতের রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশা করছে।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এই লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেন, যা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। মোট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি এবং ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার সেবা রপ্তানির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, গত অর্থবছরে নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশ ব্যর্থ হয়েছে এবং তা সম্পর্কে প্রবৃদ্ধিও ছিল মন্থর। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নবনির্বাচিত সরকারের অধীনে নীতিগত স্থিতিশীলতার ফলে চলতি অর্থবছরে country's export sector will regain momentum again due to business-friendly measures announced in the national budget.

তিনি বলেন, সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হলো রপ্তানি বহুমুখীকরণ। বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশই তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত থেকে আসে। একক খাতের ওপর নির্ভরতা কমাতে সরকার চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ পুনর্ব্যবহার (শিপ রিসাইক্লিং), লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতকে রপ্তানি সম্প্রসারণের জন্য অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

বাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তিনি আরো জানান, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আরো চার থেকে পাঁচটি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকরের জন্য আগামী সংসদ অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের বিষয়ে তিনি বলেন, এ প্রক্রিয়া নিয়ে বিদ্যমান অনিশ্চয়তা অনেকটাই কেটে গেছে। ফলে রপ্তানিকারকরা আগামী তিন বছর বিদ্যমান বাজার সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

মন্ত্রী রপ্তানি খাতের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে জ্বালানি সংকটের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এলএনজি আমদানি বৃদ্ধি এবং শিল্প কারখানায় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার অতিরিক্ত দু’টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপন করার জন্য কাজ করছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও উন্নত ব্যবসা পরিবেশ, বাণিজ্য চুক্তির সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি বাংলাদেশের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও উচ্চতর প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উপকূলে ফিরেছে শত শত ট্রলার লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল কুয়াকাটা সাগর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২১ পি.এম


উপকূলে ফিরেছে শত শত ট্রলার লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল কুয়াকাটা সাগর

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপের কারণে কুয়াকাটা সংলগ্ন সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। উপকূলে দমকা হাওয়া এবং থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার ফলে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ রেখে শত শত মাছ ধরার ট্রলার উপকূলে ফিরে এসেছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা উপকূলে সাগর উত্তাল দেখা যায়। ছোট-বড় ঢেউগুলো উপকূলে আছড়ে পড়ছে। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন স্থানে গুঁড়ি গুঁড়ি থেকে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে এবং আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে রয়েছে।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার কার্যক্রম বন্ধ রেখে শত শত ট্রলার খাপড়াভাঙ্গা ও শিববাড়িয়া নদীর দুই তীরে আলিপুর ও মহিপুর মৎস্য অবতরণকেন্দ্রে নোঙর করেছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রোববার দুপুর ১২টায় সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৬৫ কিলোমিটার, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৪৫ কিলোমিটার, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে।

এ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, লঘুচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং উপকূলীয় এলাকায় সাগর উত্তাল অবস্থায় রয়েছে।

এ অবস্থায় পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মাছ ধরার ট্রলার ও নৌযানগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে নিরাপদে চলাচলের জন্য সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জেলে আক্কাস আলী জানান, সাগরে প্রচণ্ড ঢেউয়ের কারণে মাছ ধরা সম্ভব হচ্ছে না। তাই তিনি জাল গুটিয়ে ট্রলার নিয়ে উপকূলে ফিরে এসেছেন। আরেক জেলে ইদ্রিস মাঝি বলেন, কয়েক দিন আগে মাছ ধরতে সমুদ্রে গিয়েছিলেন। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ হয়ে যাওয়ার কারণে দ্রুত ফিরে এসে ট্রলার আড়ৎঘাটে নোঙর করতে হয়েছে।

উপকূলে ফিরে আসা জেলেরা জানান, এ বছর সমুদ্রে মাছের দেখা তুলনামূলক কম পাওয়া যাচ্ছে। তবে, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে তারা আবার মাছ ধরতে সমুদ্রে যাবেন।

স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, সাগর উত্তাল থাকায় অধিকাংশ ট্রলার উপকূলে ফিরে এসেছে। তবে কিছু ট্রলার এখনও উপকূলসংলগ্ন এলাকায় মাছ ধরার চেষ্টা করছে।

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী বলেন, মৌসুমি লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বৃষ্টিপাতের পরিমাণও বাড়তে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%