ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুড়িগ্রামে পানিতে তলিয়ে বৃদ্ধ নিখোঁজ


কুড়িগ্রামে পানিতে তলিয়ে বৃদ্ধ নিখোঁজ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের কোলা সাঁতরে পার হয়ে চরে পাট কাটতে যাওয়ার সময় লিয়াকত মণ্ডল (৮০) নামে এক বৃদ্ধ নিখোঁজ হয়েছেন। রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরের দিকে উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের হাটিথানা পুটিমারী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ লিয়াকত মণ্ডল পুটিমারী গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে লিয়াকত মণ্ডল একটি হাঁড়ি সঙ্গে নিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের কোলা সাঁতরে চরে পাট কাটতে যাচ্ছিলেন। কোলার মাঝপথে স্রোতের কারণে হাঁড়িটিতে পানি ঢুকে গেলে সেটি ডুবে যায়। এ সময় হাঁড়ির সঙ্গে তিনিও পানিতে তলিয়ে যান। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজের নাতি লিয়ন মণ্ডল বলেন, খবর পেয়ে আমরা স্থানীয়ভাবে জাল দিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি। পরে চিলমারী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ডুবুরি দল পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

চিলমারী ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার স্টেশন সদস্য তন্ময় কুমার বর্মণ বলেন, রংপুর থেকে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছলে নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু হবে।

চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে তল্লাশি কার্যক্রম চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি হ্রাস পাচ্ছে, ভাঙন অব্যাহত রয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি হ্রাস পাচ্ছে, ভাঙন অব্যাহত রয়েছে

গাইবান্ধার সব নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে।

এই জেলার নদ-নদীর পানি কখনো কমছে আবার কখনো বাড়ছে। পানি ওঠা-নামার সাথে সাথে নদী তীরবর্তী ২৫টি পয়েন্টে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে জেলায় ভাঙনে বিলীন হয়েছে আড়াই শতাধিক বসতভিটা, মসজিদ এবং চার শতাধিক বিঘা ফসলি জমি। ভাঙনের মুখে পড়েছে আরও পাঁচ শতাধিক বসতভিটা, শত শত একর ফসলি জমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

রবিবার (১৯ জুলাই) গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ৪ সেমি হ্রাস পেয়ে বিপৎসীমার ৬৯ সেমি, ঘাঘট নদের পানি ৩ সেমি হ্রাস পেয়ে বিপৎসীমার ১০৭ সেমি, তিস্তা নদীর পানি ৭ সেমি হ্রাস পেয়ে বিপৎসাীমার ৪৩ সেমি এবং করতোয়া নদীর পানি ৪৩ সেমি হ্রাস পেয়ে বিপৎসীমার ১৯৮ সেমি নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

চলমান বন্যার মৌসুমে গাইবান্ধায় এখন পর্যন্ত কোনো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাশিয়া ইউনিয়নের উত্তর লালচামার এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত তিনদিনে শতাধিক বসতবাড়ি ও দুই শতাধিক বিঘা আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের মুখে ওই এলাকার ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আরও দুই শতাধিক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিচ্ছেন তাদের ঘরবাড়ি, গবাদীপশু ও হাঁস মুরগি।

এছাড়া গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ রসুলপুর, ফজলুপুর ইউনিয়নের চৌমহন চর, খাটিয়ামারি, দক্ষিণ খাটিয়ামারি ও কাউয়াবাদা, উড়িয়া ইউনিয়নের রতনপুর, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কেরানীর চর, কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের কালির খামার, হরিপুর ইউনিয়নের চর চরিতাবাড়ী এবং সদর ও সাঘাটায় উপজেলার কয়েকটি এলাকায় ভাঙন অব্যহত রয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নদ-নদীর পানি প্রতি বছর বৃদ্ধি-কমার সাথে সাথে ভাঙন শুরু হয়, যা মাসের পর মাস চলতে থাকে। সরকার স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধ, ড্রেজিং বা নদী খননের কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় প্রতি বছর প্রায় চার পাঁচ শতাধিক বাড়িঘর ও হাজারো একর জমি নদীতে বিলীন হচ্ছে বলছেন স্থানীয়েরা।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভাঙন কবলিত এলাকায় জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। নতুন এলাকাগুলোতে ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালিশে জুতাপেটা, ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২১ পি.এম


সালিশে জুতাপেটা, ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে মামলা

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার গৌরিগ্রাম ইউনিয়নের হাঁড়িয়াকাহন গ্রামে একটি স্থানীয় সালিশ বৈঠকে প্রকাশ্য ২০টি জুতার আঘাত করার অভিযোগে গৌরিগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান, বর্তমান এবং সাবেক ইউপি সদস্যসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (১৮ জুলাই) রাতে এই মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী মো. মহব্বৎ আলী খাঁর স্ত্রী মোছা. রোজিনা খাতুন বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় এই মামলাটি করেছেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী মো. এরশাদ আলীর প্রতিবন্ধী বোনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের কারণে গত ১২ জুলাই সন্ধ্যায় হাঁড়িয়াকাহন গ্রামে একটি সালিশ বৈঠক করা হয়।

বাদীর অভিযোগ অনুযায়ী, সালিশে উপস্থিত সবার সামনে তার স্বামী মহব্বৎ আলী খাঁকে ২০টি জুতার আঘাত করার এক তরফা সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। মহব্বৎ আলী খাঁ, উপস্থিত সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেও সালিশকারীদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়নি। এক পর্যায়ে তিনি সালিশস্থল ত্যাগ করতে চাইলে তাকে বাধা দেওয়া হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে সালিশকারীদের নির্দেশে প্রকাশ্যে তাকে ২০টি জুতার আঘাত করা হয়। এ ঘটনার ফলে তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফিরে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন।

এ মামলায় গৌরিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব মাস্টার, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক, বর্তমান ইউপি সদস্য আরশেদ আলীসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত মহব্বৎ আলী খাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে পৃথক একটি পাল্টা মামলা দায়ের করেছেন ওই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীর ভাই মো. এরশাদ আলী। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত ১২ জুলাই দুপুরে অভিযুক্ত মহব্বৎ খাঁ কাঁঠাল কাটার অজুহাতে ওই বাড়ি থেকে একটি কাচি নিয়ে যান। পরে, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে বাড়িতে একা পেয়ে তিনি ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এই ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে সালিশ ডেকে তাকে জুতাপেটা করা হয়।

গৌরীগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব প্রামানিক সালিশের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমাকে ডেকে নেওয়া হয়েছিল। ওরাই বিচার করে ২০টি জুতাপেটার রায় দেয়। আমার পরিষদের গ্রাম পুলিশ দিয়ে সেই রায় কার্যকর করা হয়েছে। এখন এই মামলায় আমাকে আসামি করা হয়েছে।

সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান জানান, উভয় পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেঘনায় ধরা পড়ছে বড় আকারের পাঙ্গাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২২ পি.এম


মেঘনায় ধরা পড়ছে বড় আকারের পাঙ্গাস

বরিশালে গত কয়েকদিন ধরে মেঘনা নদীতে বড় আকারের দেশীয় পাঙ্গাস ধরা পড়ছে। এটি স্থানীয় জেলেদের মধ্যে দীর্ঘকাল পর স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। মৎস্য অধিদপ্তরের দাবি, অবৈধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান এবং কঠোর নজরদারির সুফল এখন দেখা যাচ্ছে।

মেঘনা নদীর একজন জেলে, মান্দ্রা চর কুশরিয়া এলাকার বাসিন্দা নাগর খান বলেন, "মেঘনা নদীতে এখন আর আগের মতো ইলিশ মাছ নেই। গত ১৫ দিন ধরে আমি নদীতে মাছ শিকার করতে যাইনি। বর্তমানে নদীতে জাল ফেললে পাঙ্গাস মাছ পাওয়া যাচ্ছে। তাই আমি রাত থেকে মাছ শিকারে যাবো।"

ধুলখোলা বতুয়া গ্রামের জেলে মোতালেব বেপারীও বলেন, "গত কয়েকদিন ধরে মেঘনা নদীতে বিভিন্ন সাইজের মাছ ধরা পড়ছে। এখন আর খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে না। প্রতিদিনই দুই একজন পাঙ্গাস মাছ হয়তো ধরা পড়ছে জেলেদের জালে। সর্বনিম্ন ৫ থেকে সর্বোচ্চ ১২ কেজি ওজনের পাঙ্গাস মাছ ধরা পড়ছে।"

জেলেদের পাশাপাশি, সদর উপজেলার চরমোনাই বাজারের মাছ বিক্রেতা জাকির হোসেন জানান, গত দুদিন ধরে বাজারে পাঙ্গাস মাছ উঠছে। শনিবার প্রতিটি মাছের দাম ছিল ৮২০ থেকে ৮৫০ টাকা। রবিবার এসে দাম বেড়েছে এবং বর্তমানে বাজারে পাঙ্গাস মাছ ৯২০ থেকে ৯৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

হিজলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম জানান, "গত দুই বছরে মেঘনা নদী থেকে সব ধরনের অবৈধ বেহুন্দী জাল, পাঙ্গাশের পোনা ধরার চাই এবং সুতার তৈরি লাইন বরশি আমরা উচ্ছেদে সফল হয়েছি। একই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এর ফল হিসেবে এখন নদীতে দেশীয় পাঙ্গাশের আধিক্য দেখা যাচ্ছে।"

তিনি আরও বলেন, "সাধারণত শীত মৌসুমে সীমিত পরিমাণে পাঙ্গাশ পাওয়া যায়। তবে এবার মৌসুমের বাইরেও বড় আকারের দেশীয় পাঙ্গাস ধরা পড়ছে, যা অত্যন্ত ইতিবাচক লক্ষণ। এটি প্রমাণ করে যে, পোনা নিধন এবং অবৈধ মাছ শিকার বন্ধ করা গেলে নদীর প্রাকৃতিক উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।" সংশ্লিষ্টদের মতে, যদি মৎস্য অধিদপ্তরের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকে তবে মেঘনা নদীতে দেশীয় মাছের প্রাচুর্য আরও বাড়বে। পাশাপাশি নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জেলেদের জীবিকায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরায় মাদক মামলার আসামিসহ ৯ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৫ পি.এম


সাতক্ষীরায় মাদক মামলার আসামিসহ ৯ জন গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ৯ জন পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে মাদক মামলার এক আসামিও রয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) রাতে উপজেলা এলাকার বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন দেবহাটা উপজেলার মোমরেজপুর গ্রামের মৃত লুৎফর সরদারের ছেলে লিটন সরদার, কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের পশ্চিম নারায়ণপুর গ্রামের জালাল হোসেনের ছেলে আয়ান আহমেদ ওরফে জনি হোসেন, কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বেজুয়া (ফরিদপুর) গ্রামের আফছার আলী মোড়লের ছেলে জাহিদুল মোড়ল, ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের দাড়িয়ালা গ্রামের মো. রমজান মল্লিকের ছেলে হাফিজুর রহমান, নলতা ইউনিয়নের পাইকাড়া গ্রামের মো. দুলু কারিকরের ছেলে মো. আকবর আলী, বিষ্ণপুর ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে ফারুক হোসেন, কুশুলিয়া ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামের শেখ ওমর ফারুকের ছেলে রাজু হোসেন এবং মনোয়ারা খাতুন।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে লিটন সরদার মাদক মামলার আসামি এবং অন্যরা বিভিন্ন মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি।

কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের রোববার সকালে আদালতের মাধ্যমে সাতক্ষীরা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%