শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪০ পি.এম
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পাটলাই নদীতে কয়লা ও চুনাপাথরবাহী বাল্কহেড নৌকা থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে তালহা আহমেদ অভি (২৫) নামে এক যুবককে এলাকাবাসী পুলিশে সোপর্দ করেছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের সুলেমানপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আটক তালহা আহমেদ অভি দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের সুলেমানপুর গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তালহা আহমেদ অভির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে পাটলাই নদীতে কয়লা ও চুনাপাথরবাহী বাল্কহেড নৌকা থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। শনিবার দুপুরে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার নৌকা আটকে চাঁদা দাবি করার পর এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে বিকেলে সুলেমানপুর এলাকায় স্থানীয়রা তাকে চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে আটক করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমদ বলেন, "তালহা দীর্ঘদিন ধরে পাটলাই নদীতে চাঁদাবাজি করে আসছে, এমন অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তার বিরুদ্ধে আরও বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আজ এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নেতৃবৃন্দকে জানানো হয়েছে।"
তাহিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাসনাত চৌধুরী জানিয়েছেন, "চাঁদাবাজির অভিযোগে স্থানীয় এলাকাবাসী তালহা আহমেদ অভিকে আটক করে পুলিশে দেয়। পরে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি দেশের নিপীড়িত-নির্যাতিত সকল মানুষের পাশে রয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি ঢাকা জেলা শাখার ৭ দফা দাবি আদায়ের সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
আবদুস সালাম উল্লেখ করেন, "এই দেশের নিপীড়িত-নির্যাতিত সকল মানুষের সঙ্গে বিএনপিও আছে, আমিও আছি। আপনাদের এই সেক্টরে দীর্ঘদিনের সংগ্রামের কথা আমরা জানি। আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিটি মানুষের কথা বোঝার চেষ্টা করেন এবং সমস্যার সমাধানেও উদ্যোগ নেন।"
তিনি আরও বলেন, "আপনাদের সমস্যাগুলো আমরা মন্ত্রণালয়কে বলেছি। আমিও মন্ত্রণালয়কে বলার চেষ্টা করব এবং সম্ভব হলে প্রধানমন্ত্রীকে বলব। আমরা চাই দেশটা এগিয়ে যাক।"
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে আবদুস সালাম বলেন, "দীর্ঘ ১৭ বছরে দেশকে ধ্বংসের প্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ব্যাংকগুলোতে লুটপাট হয়েছে। অনেক ব্যাংক এমন অবস্থায় পড়েছে যে, মানুষ টাকা জমা রাখলেও তা ফেরত দেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসহ বিভিন্ন খাতে সমস্যা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জনগণ তারেক রহমানকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।"
কর্মসূচিতে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির চেয়ারম্যান এম এ রশিদ, মহাসচিব কে এস হোসেন টমাস, সভাপতি মো. ওয়াজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন খানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর খিলক্ষেতের কুড়িটোলা স্কুলরোড এলাকা থেকে ১২ বছরের মো. হাবিবুল্লাহ নাঈম নিখোঁজ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। শিশুটির মা মোছা. শরীফা খাতুন খিলক্ষেত থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
নাঈমের পরিবারের সদস্যরা জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়িটোলা স্কুলরোডের ভাড়া বাসা থেকে রাগ করে বেরিয়ে যায় নাঈম। এর আগে তার ছোট ভাই আদিলের সঙ্গে ঝগড়া হয়। মা তাকে বকাঝকা করার পর অভিমান করে বাসা থেকে বেরিয়ে যায় সে।
পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা আশপাশের এলাকা, আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও নাঈমের সন্ধান পাননি। তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
নাঈমের চাচা গোলাম হুসাইন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলে ছোট ভাইয়ের সঙ্গে ঝগড়ার পর নাঈমকে তার মা বকাঝকা করেন। এরপর সে রাগ করে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে থানায় জিডি করা হয়েছে।’
শিশুটিকে উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে পরিবারের পক্ষ থেকে।
এদিকে পরিবারের করা আবেদনের তথ্যমতে, শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাদের কাছে ফোন আসে। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে দাবি করা হয়, নাঈম তাদের হেফাজতে রয়েছে। ওই সময় ফোনে শিশুটির কান্নার শব্দও শোনা যায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
অজ্ঞাত ব্যক্তি ফোনে নাঈমকে শারীরিক নির্যাতন করে একটি বাথরুমে আটকে রাখার কথা বলে। পরে ‘হাজী বাড়ি ক্যাম্প এলাকায়’ অবস্থানের কথা জানিয়ে ফোনটি কেটে দেওয়া হয়। এরপর ওই নম্বরে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে পরিবার জানিয়েছে।
খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাব আল হোসাইন বলেন, ‘থানায় জিডি হয়েছে। শিশুটিকে খুঁজে বের করতে আমরা কাজ করছি।’
নাঈমের বাবা মো. বাবুল ইসলাম ও মা মোছা. শরীফা খাতুন। তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার হাজনা নাটোর গ্রামে। বর্তমানে তারা খিলক্ষেতের কুড়িটোলা স্কুলরোড এলাকায় বসবাস করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপে ইনজুরির কারণে নিজের সেরাটা দিতে পারেননি রাফিনিয়া। তবে চলতি মৌসুমে এই ব্রাজিলিয়ান তারকা অসাধারণ ফর্মে রয়েছেন। লা লিগার সাত ম্যাচে ১২টি গোল করে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে অবস্থান করছেন, সঙ্গে রয়েছে তিনটি অ্যাসিস্ট। সর্বশেষ সেভিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে বার্সেলোনাকে টানা সপ্তম জয় এনে দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সেভিয়ার মাঠে বার্সেলোনা ৩-১ গোলের জয় লাভ করেছে। ইউসুফ ফোফানার গোলে পিছিয়ে পড়ার পর, প্রথমার্ধেই সমতা ফিরিয়ে আনেন রাফিনিয়া। দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুটি গোল করে তিনি জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন। ম্যাচে জালের দেখা না পেলেও, দলের শেষ দুই গোলে সহায়তা করেন আরেক তারকা লামিন ইয়ামাল।
প্রথমার্ধে দুই দলই সমানে সমান লড়াই করে। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার পর থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় বার্সেলোনা। রেসিং সান্তানদেরের বিপক্ষে ৭-২ গোলে জয়ী হওয়ার ম্যাচের একাদশে চারটি পরিবর্তন আনেন বার্সেলোনা কোচ ফ্লিক।
ওই ম্যাচে প্রথমার্ধে হাঁটুতে চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়া মূল গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়ার জায়গায় দ্বিতীয়ার্ধে নামা ভয়চেখ স্ট্যান্সনির একটি বড় ভুলের কারণে গোল হজম করতে হয় দলকে। সেভিয়ার বিপক্ষে একাদশে সুযোগ পেয়ে এই ক্লাবের হয়ে অভিষেক হয় দমিনিক লিভাকোভিচের।
বার্সেলোনার শুরুটা ছিল ইতিবাচক। অষ্টম মিনিটে তারা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু ইয়ামালের বাঁ পায়ের জোরাল শট ঝাঁপিয়ে পড়া গোলরক্ষকের হাত ছুঁয়ে পোস্টে লাগে। উল্টো ১৯তম মিনিটে গোল খেয়ে বসে বার্সেলোনা।
ম্যাচে নিজেদের প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ পেয়েই এগিয়ে যায় সেভিয়া। বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে ফেলিক্স কোররেয়ার চমৎকার ক্রসের মাধ্যমে কাছ থেকে হেডে বল জালে পাঠান ফরাসি মিডফিল্ডার ফোফানা।
বার্সেলোনা জবাব দিতে বেশি সময় নেয়নি। ২২তম মিনিটে অধিনায়ক হাফিনিয়া দলের জন্য সমতা ফেরান। আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টেনসেনের পাস বক্সে দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে, প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের বাধা এড়িয়ে আরেক জনের পায়ের ফাঁক দিয়ে নিচু শটে জালে পাঠান তিনি।
৪৪তম মিনিটে বার্সেলোনার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে, কিন্তু বক্সে ভালো পজিশনে বল পেয়ে শট নিতে পারেননি পেদ্রি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে রদ্রির দৃঢ়তায় বার্সেলোনা রক্ষা পায়।
বক্সে ফাঁকায় বল পান কোররেয়া, কিন্তু গত বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল জয়ী রদ্রি চমৎকার এক ট্যাকলে তার কাছ থেকে বল কেড়ে নেন। ৫২তম মিনিটে সফরকারীরা এগিয়ে যায়।
সেভিয়ার বক্সে দারুণভাবে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে, দুই খেলোয়াড়ের বাধা এড়িয়ে ইয়ামাল চমৎকার ক্রস দেন, ছয় গজ বক্সের মুখে জোরাল হেডে জাল খুঁজে নেন হাফিনিয়া।
৬৪তম মিনিটে অলিম্পিক গোলে হ্যাটট্রিক হয়ে যেতে পারত রাফিনিয়ার। কর্নারে নেওয়া তার শটে বল গোলরক্ষকের একটু সামনে পড়ে বাঁক খেয়ে দূরের পোস্টে লাগে।
তবে হ্যাটট্রিকের জন্য খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। চার মিনিট পরই সেই স্বাদ পান তিনি। ইয়ামালের থ্রু বল ধরে বক্সে ঢুকে আগুয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ২৯ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড।
এবারের লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতা রাফিনিয়ার গোল হলো সাত ম্যাচে ১২টি, সঙ্গে অ্যাসিস্ট আছে তিনটি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মৌসুমে আট ম্যাচে তার গোল হলো ১৪টি। আগের ম্যাচেও হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি।
৭৭তম মিনিটে রাফিনিয়াকে তুলে কারিম আডেইয়েমিকে নামান ফ্লিক। শেষ দিকে গোল পেতে পারতেন এই জার্মান উইঙ্গার, কিন্তু তার প্রচেষ্টা দারুণভাবে রুখে দেন গোলরক্ষক।
বার্সেলোনা প্রথম সাত ম্যাচের সবকটি জিতে ২১ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে। একটি করে ম্যাচ কম খেলে সমান ১৫ পয়েন্ট নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ দ্বিতীয় এবং রেয়াল বেতিস তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বর্ষাকাল অনেকের কাছে প্রিয় সময়। ঝুম বৃষ্টি, মাটির গন্ধ এবং বৃষ্টিভেজা প্রকৃতি মানুষের মনকে ভালো করে তোলে। কিন্তু এই সময় আবহাওয়ার আচরণ বেশ অনিয়মিত হয়ে থাকে। কখনো তুমুল বৃষ্টি হয়, আবার কিছুক্ষণ পরেই তীব্র রোদ দেখা দেয়।
অফিস, স্কুল কিংবা জরুরি কাজে বাইরে বের হলে হঠাৎ করে বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ছাতা বা বৃষ্টির পোশাক সঙ্গে না থাকলে অনেক সময় সম্পূর্ণ ভিজে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়।
বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার পর অনেকের মধ্যে সর্দি, কাশি, জ্বর বা গলা ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে শুধুমাত্র বৃষ্টির পানি এসব সমস্যার কারণ নয়। শরীরের তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন এবং বিভিন্ন ভাইরাসের সংক্রমণও এর পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই বৃষ্টিতে ভিজলে কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
ভেজা পোশাক দ্রুত বদলে ফেলুন
বৃষ্টিতে ভিজে গেলে প্রথমে ভেজা পোশাক পরিবর্তন করা উচিত। অনেকেই ভেজা কাপড় পরে দীর্ঘ সময় অফিসে, বাসায় বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে থাকেন। এতে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত কমে যেতে পারে এবং অস্বস্তি বাড়তে পারে।
সুতরাং বর্ষাকালে বাইরে বের হলে ব্যাগে অতিরিক্ত একটি শুকনো পোশাক রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। এতে হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে গেলে দ্রুত পোশাক পরিবর্তন করা সম্ভব হবে।
হালকা গরম পানিতে গোসল করুন
বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফেরার পর হালকা গরম পানিতে গোসল করা যেতে পারে। এটি শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ত্বক ও চুলে লেগে থাকা ধুলাবালি, দূষণ এবং ময়লাও পরিষ্কার হয়ে যায়।
তবে খুব গরম পানি ব্যবহার না করে হালকা গরম পানি ব্যবহার করাই উত্তম।
চুল ভেজা রাখবেন না
বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফেরার পর মাথার চুলও ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। দীর্ঘ সময় চুল ভেজা থাকলে অস্বস্তি, মাথাব্যথা বা সাইনাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
সুতরাং পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে চুল ভালোভাবে মুছে নিতে হবে। প্রয়োজন হলে হালকা বাতাসে বা চুল শুকানোর যন্ত্রের সাহায্যেও শুকিয়ে নিতে পারেন।
পায়ের যত্ন নিন
বর্ষায় রাস্তার পানি ও কাদার সংস্পর্শে পা সবচেয়ে বেশি আসে। এই পানিতে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু থাকতে পারে, যা ত্বকে সংক্রমণ বা ছত্রাকজনিত সমস্যা তৈরি করতে পারে।
তাহলে বাড়ি ফিরে সাবান দিয়ে পা ভালোভাবে ধোয়া উচিত। বিশেষ করে পায়ের আঙুলের ফাঁক ও নখের কোণ পরিষ্কার করা জরুরি।
বর্ষাকালে দ্রুত শুকিয়ে যায় এমন জুতা ব্যবহার করা যেতে পারে। কর্মস্থলে অতিরিক্ত মোজা ও জুতা রাখলে হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার পরও সেগুলো বদলে নেওয়া সহজ হবে।
পান করুন গরম পানীয়
বৃষ্টিতে ভিজে শরীর ঠান্ডা হয়ে গেলে হালকা গরম পানীয় আরাম দিতে পারে। আদা, তুলসি, লবঙ্গ বা দারচিনি দিয়ে তৈরি চা শরীরকে উষ্ণ রাখার পাশাপাশি স্বস্তি দিতে পারে।
চা বা কফি হাতের কাছে না থাকলে এক গ্লাস হালকা গরম পানিও পান করতে পারেন। এতে শরীরের ভেতরটা উষ্ণ রাখতে সাহায্য করবে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খাবারের দিকে নজর দিন।
বর্ষায় সুস্থ থাকতে খাবারের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। প্রতিদিনের খাবারে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল রাখা যেতে পারে। যেমন—পাতিলেবু, কমলা, মাল্টা, আমলকি, পেয়ারা ও আনারস।
ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং পর্যাপ্ত ঘুমও শরীর সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।
বৃষ্টিতে ভিজলেই অসুস্থ হবেন, এমন নয়
বৃষ্টিতে ভিজলেই যে সর্দি-কাশি বা জ্বর হবে, এমন নয়। তবে ভিজে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ভেজা পোশাকে থাকা, শরীরের যত্ন না নেওয়া অথবা অপরিষ্কার পানি ও কাদার সংস্পর্শে থাকার কারণে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
সুতরাং হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে গেলে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। দ্রুত ভেজা পোশাক বদলে ফেলুন, শরীর ও চুল ভালোভাবে শুকিয়ে নিন, পা পরিষ্কার করুন এবং প্রয়োজনমতো হালকা গরম পানীয় পান করুন। সামান্য কিছু সতর্কতাই বর্ষার অনিয়মিত আবহাওয়ায় সুস্থ থাকতে সাহায্য করতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ