ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাবির ৪ শিক্ষার্থীর উদ্যোগে শীতলপাটি থেকে স্যান্ডেল তৈরির নতুন রূপ


রাবির ৪ শিক্ষার্থীর উদ্যোগে শীতলপাটি থেকে স্যান্ডেল তৈরির নতুন রূপ

এক সময় গ্রামাঞ্চলে শীতলপাটির ব্যাপক চাহিদা ছিল। গরমের দিনগুলোতে মেঝেতে শীতলপাটি বিছানো স্বস্তি দিত, এবং এটি বাঙালির লোকজ সংস্কৃতি ও গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিল। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের জীবনযাত্রা বদলেছে। প্লাস্টিক, ফোম ও আধুনিক উপকরণের প্রভাবের কারণে শীতলপাটির ব্যবহার কমে গেছে, ফলে এর সঙ্গে জড়িত কারিগরদের জীবনও সংকটে পড়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চার শিক্ষার্থী এই হারাতে বসা ঐতিহ্যকে নতুন রূপে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। তারা শীতলপাটির প্রচলিত ব্যবহারকে ছাড়িয়ে নান্দনিক স্যান্ডেল তৈরি করছেন। ঐতিহ্যবাহী উপকরণকে আধুনিক নকশা ও ব্যবহারিক প্রয়োজনের সঙ্গে মিলিয়ে তাদের এই উদ্যোগ পুরোনো গল্পকে নতুনভাবে বুনে দেওয়ার চেষ্টা।

এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী। তাদের অনলাইন প্ল্যাটফর্মের নাম ‘বুনন বাজার’। দলের সদস্য অপূর্ব কৃষ্ণ দে ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স বিভাগের শিক্ষার্থী। বাকি তিনজন ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের আবির দে, মো. আশিক মিয়া ও চৌধুরী খুবাইব বিন করিম। তাদের উদ্যোগের মাধ্যমে শীতলপাটিকে নতুনভাবে নকশা করে স্যান্ডেল তৈরি করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

টাঙ্গাইলের বাড়ি থেকে ভাবনার শুরু

শীতলপাটি থেকে স্যান্ডেল তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে অপূর্ব কৃষ্ণ দের হাত ধরে। তার বাড়ি টাঙ্গাইলে। ছোটবেলা থেকেই তিনি দেখেছেন, পরিবারের অনেক সদস্য মূর্তা বা বেতি গাছ চাষ এবং শীতলপাটি তৈরির কাজে যুক্ত ছিলেন। শীতলপাটির কাঁচামাল সংগ্রহ থেকে শুরু করে কারিগরদের কাজ; সবকিছুই ছিল তার পরিচিত।

সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তিনি লক্ষ্য করেন, শীতলপাটির প্রচলিত ব্যবহার কমে যাচ্ছে। এই চিন্তা থেকেই তার মাথায় নতুন ভাবনা আসে। তিনি ভাবেন, ঐতিহ্যবাহী উপকরণকে যদি নতুন কোনো পণ্যে ব্যবহার করা যায়?

সেই ভাবনা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে শুরু হয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা। নকশা তৈরি, উপকরণ সংগ্রহ, নমুনা বানানো—একটির পর একটি ধাপ পেরিয়ে তারা এগোতে থাকেন শীতলপাটির স্যান্ডেল তৈরির দিকে।

আরও পড়ুন: ইবি প্রশাসনের চার পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ

শীতলপাটি দিয়ে স্যান্ডেল বানানোর চিন্তাটা কিভাবে মাথায় এলো জানতে চাইলে অপূর্ব কৃষ্ণ দে আরটিভিকে বলেন, "শীতলপাটি দিয়ে স্যান্ডেল বানানোর মূল চিন্তাটা প্রথমে আমার মাথায় আসে। আমার বাড়ি টাঙ্গাইলে। আমাদের পরিবারের অনেকেই মূর্তা বা বেতি গাছ চাষ এবং শীতলপাটি তৈরির সঙ্গে যুক্ত। ছোটবেলা থেকেই শীতলপাটির কাঁচামাল এবং কারিগরদের কাজ খুব কাছ থেকে দেখে এসেছি। সেখান থেকেই একটা চিন্তা আসে যে শীতলপাটিকে যদি শুধু প্রচলিত ব্যবহারেই সীমাবদ্ধ না রেখে আধুনিক কোনো পণ্যে রূপান্তরিত করা যায় কিনা।"

শীতলপাটি থেকে পায়ের উপযোগী স্যান্ডেল

শীতলপাটি সাধারণত মেঝেতে ব্যবহারের জন্য তৈরি হলেও, মানুষের পায়ের চাপ, হাঁটার সময় বাঁকানো এবং নিয়মিত ব্যবহার; সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে সেটিকে স্যান্ডেলে রূপ দেওয়া সহজ ছিল না।

প্রথম দিকে মাপ, আকৃতি, কাটিং, ফিতার অবস্থান ও তলার কাঠামো নিয়ে একাধিকবার নমুনা তৈরি করতে হয়েছে। নিজেদের ব্যবহার, বন্ধুদের মতামত এবং সম্ভাব্য ক্রেতাদের প্রতিক্রিয়া—সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে নকশা বদলাতে হয়েছে।

আরও পড়ুন: ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা

অপূর্ব বলেন, "প্রথম দিকে সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল শীতলপাটিকে আরামদায়ক ও টেকসই স্যান্ডেলে রূপ দেওয়া। মাপ, আকৃতি, কাটিং, ফিতার অবস্থান ও তলার কাঠামো নিয়ে কয়েক দফা নমুনা তৈরি করে পরীক্ষা করতে হয়েছে। নিজেরা ব্যবহার করে দেখা, ক্রেতাদের মতামত নেওয়া এবং বারবার সংশোধনের মাধ্যমে নকশা ও গঠনে উন্নতি আনা হয়েছে। একই সঙ্গে শীতলপাটির স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও বুনন বজায় রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।"

তাদের কাছে শুধু স্যান্ডেল তৈরি করাই লক্ষ্য ছিল না। শীতলপাটির নিজস্ব সৌন্দর্য যেন নষ্ট না হয়, আবার পণ্যটিও যেন ব্যবহারকারীর কাছে আরামদায়ক হয়—এ দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য তৈরিই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ।

চার শিক্ষার্থীর কাছে শীতলপাটির স্যান্ডেল শুধু একটি পণ্য নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প এবং সেই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষের গল্প।

তাদের স্যান্ডেলে তাই একদিকে রয়েছে আধুনিক নকশা, অন্যদিকে শীতলপাটির পরিচিত বুনন। দেশীয় কারুশিল্পকে নতুন প্রজন্মের রুচি ও ব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত করাই তাদের মূল ভাবনা।

আরও পড়ুন: ইবির সমাবর্তন ২ ফেব্রুয়ারি, রেজিষ্ট্রেশনের তারিখ ও ফি নির্ধারণ

দলের আরেক সদস্য আশিক মিয়া আরটিভিকে বলেন, "আমাদের কাছে এটি শুধু একটি স্যান্ডেল নয়; এর সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি শিল্প ও কারিগরদের গল্প জড়িয়ে আছে। ঐতিহ্যকে শুধু সংরক্ষণ না করে আধুনিক জীবনের সঙ্গে যুক্ত করাই আমাদের লক্ষ্য। তাই শীতলপাটিকে নতুনভাবে ব্যবহার করে এমন একটি পণ্য তৈরি করেছি, যার মাধ্যমে ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠতে পারে।"

শুরুতে ছিল সংশয়, এখন সহযোগিতা

নতুন কোনো ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করলে সংশয় থাকা স্বাভাবিক। শীতলপাটি দিয়ে স্যান্ডেল তৈরির বিষয়টিও শুরুতে পরিবার ও বন্ধুদের কাছে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছিল।

তবে প্রথম প্রোটোটাইপ তৈরি, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং ক্রেতাদের ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার পর তাদের প্রতি আগ্রহ বাড়তে থাকে।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে চুয়েট অধ্যাপক আরাফাতকে শিক্ষার্থীদের অবাঞ্চিত ঘোষণা

বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি এই কাজ চালিয়ে যাওয়া অবশ্য সহজ নয়। ক্লাস, পরীক্ষা ও একাডেমিক ব্যস্ততার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পণ্যের নকশা, উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের পরিকল্পনাও করতে হচ্ছে তাদের।

অপূর্ব বলেন, "শুরুতে শীতলপাটি দিয়ে স্যান্ডেল তৈরির ধারণাটি পরিবার ও বন্ধুদের কাছে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হলেও, প্রোটোটাইপ তৈরি, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং গ্রাহকদের ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার পর তাদের আগ্রহ ও সহযোগিতা বেড়ে যায়। বন্ধুরা প্রোটোটাইপ ব্যবহার করে আরাম, নকশা ও ব্যবহারযোগ্যতা নিয়ে মতামত দিয়েছেন।"

বাজারে যখন নানা ধরনের স্যান্ডেল পাওয়া যায়, তখন একজন ক্রেতা কেন শীতলপাটির স্যান্ডেল কিনবেন; প্রশ্নটি তাই স্বাভাবিক।

আশিকের মতে, "শুধু শীতলপাটি দিয়ে তৈরি বলেই একজন ক্রেতা স্যান্ডেলটি কিনবেন—এমনটা তারা মনে করেন না। বরং পণ্যের আরাম, ব্যবহারযোগ্যতা ও নকশাকেই তারা গুরুত্ব দিচ্ছেন।"

আরও পড়ুন: মহানবী (সা.)-কে কটূক্তির অভিযোগে জাবি শিক্ষার্থী সাময়িকভাবে বহিষ্কার

তিনি বলেন, "ক্রেতারা শুধু শীতলপাটি দিয়ে তৈরি বলেই স্যান্ডেলটি কিনবেন—এমন নয়। আরাম, ব্যবহারযোগ্যতা ও আধুনিক নকশাকে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি এই স্যান্ডেলে দেশীয় কারুশিল্প, স্বতন্ত্র নকশা ও ঐতিহ্যের গল্প যুক্ত হয়েছে। লক্ষ্য হলো, ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটিকে আধুনিকভাবে উপস্থাপন করে এমন একটি স্যান্ডেল তৈরি করা, যা দেশীয় হওয়ার পাশাপাশি দৈনন্দিন ব্যবহারের উপযোগী।"

তাদের কাছে ঐতিহ্য পণ্যের পরিচয়ের একটি অংশ; কিন্তু পণ্যটিকে টিকিয়ে রাখতে হলে সেটিকে ব্যবহারকারীর প্রয়োজনও পূরণ করতে হবে।

প্রতিযোগিতা পেরিয়ে বাজারের পথে

‘বুনন বাজার’ এখন আর শুধু চার শিক্ষার্থীর পরীক্ষামূলক উদ্যোগ নয়। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে এরই মধ্যে সাড়া পেয়েছে তারা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হাল্ট প্রাইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছে ‘বুনন বাজার’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্টারপ্রেনিউরশিপ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব আয়োজিত একটি প্রতিযোগিতায়ও সেরা আটে জায়গা করে নিয়েছে দলটি। সেখানে আকিজ রিসোর্সেসের পৃষ্ঠপোষকতায় চার সদস্যই পেয়েছেন ইন্টার্নশিপের সুযোগ।

গত ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারেও প্রদর্শিত হয়েছে তাদের উদ্যোগ। সেখানে দর্শনার্থীদের কাছ থেকেও পেয়েছে প্রশংসা। এই পথচলায় অর্থায়নের পাশাপাশি আর্থ সোসাইটির মেন্টরশিপ ও ব্যবসায়িক দিকনির্দেশনাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তবে সামনে রয়েছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ। পণ্যের মান ঠিক রেখে উৎপাদন খরচ কমানো, উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো এবং আরও বেশি ক্রেতার কাছে পৌঁছানো এখন তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

এক সময় যে শীতলপাটি ছিল কেবল ঘরের শীতলতার উপকরণ, সেটিই এখন হয়ে উঠছে ফ্যাশন ও সৃজনশীলতার অংশ। ঐতিহ্যকে আঁকড়ে ধরে নয়, বরং তাকে নতুনভাবে ব্যবহার করেই যে বাঁচিয়ে রাখা যায়—রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই চার শিক্ষার্থীর উদ্যোগ যেন তারই একটি ছোট্ট উদাহরণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ওয়াহাবের চুক্তি নবায়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫০ পি.এম


জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ওয়াহাবের চুক্তি নবায়ন

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ সরকারের পক্ষ থেকে আরও এক বছরের জন্য নবায়ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বাক্ষর করেন উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর আইন, ২০২২-এর ধারা-১০(২) অনুযায়ী, তানজিম ইবনে ওয়াহাবকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে পুনরায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এই আদেশ জারি করা হয়েছে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীকে না জানিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা ফাঁস, পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫০ পি.এম


স্ত্রীকে না জানিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা ফাঁস, পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি

ভারতের পুনের ৪৬ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী স্ত্রীকে না জানিয়ে প্রেমিকাকে নিয়ে বিদেশে ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। ব্যবসার কাজে বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি তার নিয়মিত অভ্যাস হওয়ায় স্ত্রী সন্দেহ করেননি। তবে প্রেমিকার পাসপোর্টের জটিলতার কারণে শেষ পর্যন্ত পুরো পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যায়।

তথ্য অনুযায়ী, ওই ব্যবসায়ী স্ত্রীকে জানিয়েছিলেন যে, তিনি ব্যবসার কাজে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে যাচ্ছেন। কিন্তু তার আসল উদ্দেশ্য ছিল প্রেমিকাকে নিয়ে মালয়েশিয়ায় কয়েক দিন ছুটি কাটানো।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রেমিকাকে নিয়ে তিনি মুম্বাই বিমানবন্দরে পৌঁছান। কিন্তু সেখানে প্রেমিকার পাসপোর্ট নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। সমস্যার কারণে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ওই নারীকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেয়নি। ফলে বিদেশযাত্রার পরিকল্পনা বাতিল করে প্রেমিকাকে নিয়ে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হন ওই ব্যবসায়ী।

এরপর তিনি প্রেমিকার সঙ্গে মুম্বাইতেই কয়েক দিন কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু স্ত্রীকে কীভাবে বিষয়টি বোঝাবেন, তা নিয়ে নতুন সমস্যা তৈরি হয়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ওই ব্যক্তি স্ত্রীকে ফোন করে জানান, অভিবাসন-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে তার মোবাইল ফোন জমা দিতে হচ্ছে। এরপর তিনি ফোনটি বন্ধ করে দেন। পরদিনও স্ত্রীর সঙ্গে একবার কথা বলেন, কিন্তু এরপর তার ফোন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন স্ত্রী। একপর্যায়ে তিনি পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ করেন যে, স্বামীকে সম্ভবত অপহরণ করা হয়েছে।

পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করলে শেষ পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ী আর গোপন রাখতে পারেননি। পুলিশের কাছে তিনি পুরো ঘটনা স্বীকার করেন এবং জানান, অপহরণ নয়, বরং স্ত্রীকে না জানিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনাই করেছিলেন তিনি।

পুলিশের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় তেমন কিছু করার না থাকলেও, স্বামীর গোপন সম্পর্ক ও মিথ্যার কথা জানার পর তার দাম্পত্য জীবনে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গিনেস বুকে নাম উঠল আল্লু অর্জুনের সিনেমা ‘রাকা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


গিনেস বুকে নাম উঠল আল্লু অর্জুনের সিনেমা ‘রাকা’

মুক্তির পূর্বেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে দক্ষিণী তারকা আল্লু অর্জুন এবং নির্মাতা অ্যাটলির প্রত্যাশিত সিনেমা ‘রাকা’। সিনেমাটি এখনও প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়নি, তবে প্রযুক্তির নতুন ব্যবহারের মাধ্যমে এটি বিশ্বমঞ্চে একটি নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ‘রাকা’র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান পিকচার্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সিনেমাটি ‘মোস্ট পিপল মোশন-ক্যাপচারড ইন রিয়েল-টাইম’ বিভাগে নতুন গিনেস রেকর্ড গড়েছে।

এই রেকর্ড গড়ার পেছনে রয়েছে সিনেমাটির বিশেষ প্রযুক্তিগত আয়োজন। ‘রাকা’র জন্য একসঙ্গে ৩৭ জন পারফর্মারের রিয়েল-টাইম মোশন ক্যাপচার করা হয়েছে। চলচ্চিত্র নির্মাণে প্রযুক্তির এই অভিনব প্রয়োগের স্বীকৃতি পেয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।

সান পিকচার্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অর্জন ভারতীয় সিনেমাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। রেকর্ডের স্বীকৃতি হিসেবে আল্লু অর্জুন এবং অ্যাটলির হাতে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদও প্রদান করা হয়েছে।

অন্যদিকে, এই বিশ্বরেকর্ডের ঘোষণা আসে অ্যাটলির জন্মদিনেই। পরিচালককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি সাদা-কালো ছবি প্রকাশ করেন আল্লু অর্জুন। ছবিতে দুজনকেই হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় দেখা যায়।

অ্যাটলির সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে আল্লু অর্জুন বলেন, এমন দূরদর্শী ও দক্ষ পরিচালকের সঙ্গে কাজ করতে পেরে তিনি গর্বিত। তিনি ভবিষ্যতে তার সঙ্গে আরও ‘জাদু’ তৈরির অপেক্ষায় আছেন বলেও জানান।

এর আগে আল্লু অর্জুনের ৪৪তম জন্মদিনে প্রকাশ করা হয়েছিল ‘রাকা’র প্রথম ঝলক। সেখানে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অবতারে দেখা যায় অভিনেতাকে। টাক মাথা, রুক্ষ চেহারা এবং মুখের একাংশে নেকড়ের থাবার মতো নকশা সব মিলিয়ে তার লুকে ফুটে ওঠে আদিম ও যোদ্ধাসুলভ আবহ।

সিনেমাটির ঘোষণার সময় নির্মাতারা জানিয়েছিলেন, ‘রাকা’র ভিএফএক্স ও মোশন ক্যাপচারের কাজে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞ প্রযুক্তিবিদদের যুক্ত করা হয়েছে। সিনেমাটির ভিএফএক্স দলের সঙ্গে আছেন ‘আয়রন ম্যান ২’ এবং ‘ট্রান্সফরমার্স: রাইজ অব দ্য বিস্টস’-এর মতো সিনেমায় কাজ করা ভিএফএক্স সুপারভাইজার জেমস ম্যাডিগান। এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ের আরও একাধিক প্রযুক্তিবিদ এই উচ্চাভিলাষী প্রকল্পে যুক্ত রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিপদে এক ফোন, পাশে ৯৯৯: গর্ভবতী নারী ও শিশুকন্যার উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


বিপদে এক ফোন, পাশে ৯৯৯: গর্ভবতী নারী ও শিশুকন্যার উদ্ধার

একটি ফোনকল কখনও কখনও আতঙ্কের মুহূর্তকে স্বস্তিতে পরিণত করতে পারে। সংকটের সময় এটি নিশ্চিন্ত নির্ভরতা প্রদান করে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এমন দুটি ঘটনায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ দুটি পরিবারের জন্য ‘লাইফলাইন’ হিসেবে কাজ করেছে। একটি ঘটনায় চলন্ত লঞ্চে প্রসববেদনায় কাতর এক গর্ভবতী নারীকে উদ্ধার করা হয়। অন্য ঘটনায় দুর্ঘটনাক্রমে ট্রেনে থেকে যাওয়া চার বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

এই দুটি ঘটনা আবারও প্রমাণ করেছে যে, টোল-ফ্রি জরুরি নম্বর ৯৯৯-এ একটি ফোনকলের মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব।

৯৯৯ জাতীয় জরুরি সেবার গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আনোয়ার সাত্তার এ দুটি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ সার্বক্ষণিকভাবে চালু থাকে এবং পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন জরুরি সহায়তার সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ করিয়ে দেয়।

চলন্ত লঞ্চে প্রসববেদনায় কাতর নারী উদ্ধার

শনিবার রাতে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়া কালীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া দোয়েল পাখি-১০ লঞ্চে এক গর্ভবতী নারী তীব্র প্রসববেদনায় আক্রান্ত হন। এ সময় এক যাত্রী ৯৯৯-এ ফোন করেন।

ফোনকারী জানান, ওই নারী ব্যথায় কাতর হয়ে কাঁদছিলেন এবং তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। ৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে নারায়ণগঞ্জের কোস্ট গার্ড কন্ট্রোল রুম এবং নারায়ণগঞ্জ জোনের নৌ-পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে।

৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল করুণা সরকার কলটি গ্রহণ করেন। এরপর ৯৯৯-এর ডিসপ্যাচার এএসআই মাসুম বিল্লাহ উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করেন।

খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জের পাগলা স্টেশন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি উদ্ধারকারী দল স্পিডবোট নিয়ে চলন্ত লঞ্চটির কাছে পৌঁছে যায়।

উদ্ধারকারী দল অসুস্থ নারীকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকার সদরঘাটে নিয়ে আসে। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য কাছাকাছি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এর আগে, সম্প্রতি ৯৯৯-এর সহায়তায় ভোলা-ঢাকাগামী একটি চলন্ত লঞ্চ থেকে শ্বাসকষ্টে গুরুতর অসুস্থ সাত মাস বয়সী এক শিশুকেও কোস্ট গার্ড সদস্যরা উদ্ধার করেছিলেন।

চলন্ত ট্রেনে ফেলে যাওয়া শিশু উদ্ধার

শনিবার দুপুরে আরেকটি জরুরি ফোনকলের মাধ্যমে চলন্ত ট্রেনে দুর্ঘটনাক্রমে থেকে যাওয়া তিন থেকে চার বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে উদ্ধার করা হয়।

নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনে থাকা এক যাত্রী ৯৯৯-এ ফোন করে জানান, তিনি একটি ট্রেনে শিশুটিকে দেখতে পেয়েছেন। তার ধারণা ছিল, শিশুটির পরিবারের সদস্যরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে নেমে গেছেন।

৯৯৯-এ দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির মা মেয়েকে নিয়ে সিলেটের কুলাউড়া থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্দেশে কালনী এক্সপ্রেসে যাত্রা করছিলেন।

ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌঁছালে প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে মা তার লাগেজ নিয়ে ট্রেন থেকে নেমে যান। কিন্তু তিনি মেয়েকে ট্রেন থেকে নামাতে পারেননি। পরে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেলে শিশুটি ট্রেনেই থেকে যায়।

৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে রেলওয়ে পুলিশ কন্ট্রোল রুমকে বিষয়টি জানিয়ে জরুরি ভিত্তিতে শিশুটিকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করতে বলে।

৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল মিতু ফোনকলটি গ্রহণ করেন। পরে ৯৯৯-এর ডিসপ্যাচার এএসআই তরুণ কুমার আচার্য উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করেন।

ট্রেনটি নরসিংদীতে পৌঁছালে নরসিংদী রেলওয়ে থানার একটি দল শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা নরসিংদী রেলওয়ে থানায় পৌঁছালে নিরাপদে শিশুটিকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কুমিল্লার ডা. সৈয়দা ফারজানা আফরিন জানান, তার বাবা চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান। মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স কুমিল্লা নেওয়ার পথে বিকল হয়ে যায়। এ অবস্থায় তারা কি করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না। সেখানে উপস্থিত একজন ৯৯৯-এ ফোন করেন। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে সেখানে অপর একটি অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছে যায়। তখন পিতা হারানোর শোকের মাঝেও বিড়ম্বনা থেকে মুক্তিতে তারা স্বস্তি পান।

৯৯৯-এর বিশেষত্ব

এ ধরনের ঘটনা ৯৯৯ জরুরি সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে। জরুরি অবস্থায় থাকা ব্যক্তিকে কোন সংস্থা ঘটনাস্থলে গিয়ে সহায়তা করবে, তা কলকারীকে জানতেই হবে এমন নয়। জরুরি পরিস্থিতির তথ্য পাওয়ার পর ৯৯৯ সংশ্লিষ্ট পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড, রেলওয়ে পুলিশসহ প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী সংস্থার কাছে তা পৌঁছে দিতে পারে।

সড়ক দুর্ঘটনা ও বন্যার পানিতে আটকে পড়া মানুষকেও উদ্ধারে ৯৯৯ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এমনই একটি ঘটনায় ৯৯৯-এ পাওয়া খবরের ভিত্তিতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা বন্যার পানিতে আটকে পড়া ১৩ জনকে উদ্ধার করেন। এদের মধ্যে একজন গর্ভবতী নারী ও কয়েকজন শিশুও ছিল।

এসব ঘটনা প্রমাণ করে, সংকটের মুহূর্তে কোনো ব্যক্তি নিজে পুলিশ স্টেশন, হাসপাতাল বা উদ্ধারকারী সংস্থার কাছে পৌঁছাতে না পারলেও ৯৯৯ তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী সংস্থার মধ্যে প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগসূত্র হিসেবে কাজ করতে পারে।

তবে অপ্রয়োজনীয় ও ভুয়া ফোনকল জরুরি সেবার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে এবং প্রকৃত বিপদে থাকা মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছাতে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

চলন্ত লঞ্চে প্রসববেদনায় কাতর ওই গর্ভবতী নারী এবং ট্রেনে দুর্ঘটনাক্রমে থেকে যাওয়া ছোট্ট শিশুটির ক্ষেত্রে অবশ্য ফোনকল দুটি ছিল যথার্থ ও সময়োপযোগী। আর দ্রুত হস্তক্ষেপের ফলে দুটি সংকটময় পরিস্থিতিই শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় উদ্ধার ও স্বস্তির ঘটনায়। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%