বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৭ পি.এম
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় জাতিসংঘে চারটি প্রস্তাব তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাবৃদ্ধি বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের স্বল্প সামর্থ্য নিয়ে দুর্যোগপূর্ণ ভবিষ্যৎ মোকাবিলায় কাজ চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি করতে বর্তমান সরকার উচ্চাভিলাষী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি সক্রিয় বদ্বীপ। আমাদের দেশে শতশত নদী প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রে মিলিত হয়। দেশের মানুষ পানির খুব কাছাকাছি বসবাস করে। আমাদের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ উপকূলের সঙ্গে সম্পর্কিত। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে আমাদের ৪ শতাংশ ভূখণ্ড সমুদ্রে বিলীন হবে। এর ফলে প্রায় এক কোটি মানুষ ঘরবাড়ি ও জীবিকা হারাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা স্বল্প সামর্থ্য দিয়েই দুর্যোগপূর্ণ ভবিষ্যৎ মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছি। আমরা আগাম সতর্কতা ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করেছি এবং ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার প্রস্তুতি বাড়িয়েছি। আমরা ৫ বছরের মধ্যে জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে উচ্চাভিলাষী পদক্ষেপ নিচ্ছি। ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। পানি সংরক্ষণের জন্য পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এগিয়ে নিচ্ছি। তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্পের আধুনিকায়নে একটি মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কাজ করছি। এ ছাড়া ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগও নেয়া হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ গ্রিন গ্রোথের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ২০ ভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। আমরা সৌরবিদ্যুৎ, সবুজ শিল্পায়ন এবং পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ওপর জোর দিচ্ছি। একই সঙ্গে সংকটপূর্ণ ইকোসিস্টেমকে রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছি।’
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং এর ফলে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রস্তাবগুলো হলো:
১. দ্রুত ও ন্যায্যভাবে কার্বন নিঃসরণ কমাতে হবে।
২. জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য যথাযথ তহবিল নিশ্চিত করতে হবে।
৩. জলবায়ু প্রযুক্তি এবং আগাম সতর্কতা ব্যবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অ্যাকসেস নিশ্চিত করতে হবে।
৪. জলবায়ু-উদ্বাস্তুদের যথাযথ প্রক্রিয়ায় পুনর্বাসনের জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে আসার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় রায়েশা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই পরিবারের চার সদস্য, যার মধ্যে বাবা, দুই ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে, এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সোনামই এলাকায় আমান সিমেন্ট কারখানাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান দিগন্ত রায়েশা বেগমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন হেলাল উদ্দিন (৫৫), তার ছেলে সজীব (২৪) ও সামিন (৫) এবং মেয়ে সামিয়া (১৭)।
এ সময় আরেক পরিবারের শিরিন বেগম (৪৫) ও তার আরেক মেয়ে লামিয়া আক্তারকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হারিয়া এলাকার সাজিয়া আক্তার ও শিশিরের বিয়েতে অংশ নিতে স্বজনেরা হোমনা থেকে একটি ট্রলারে করে সোনারগাঁয়ের হারিয়া এলাকায় আসছিলেন। মেঘনা নদী পার হওয়ার সময় ট্রলারটি ডুবে যায় এবং যাত্রীরা পানিতে পড়ে যান।
পরে স্থানীয় লোকজন অন্য একটি ট্রলার নিয়ে কয়েকজনকে উদ্ধার করেন। আহত কয়েকজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আনুমানিক দেড়টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে তারা খবর পান বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে। খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। নিখোঁজদের সন্ধানে নদীতে উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ক্ষুধার তাড়নায় খাবারের প্যাকেট মনে করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্যাকেটটি কেড়ে নিয়েছিলেন নুর মোহাম্মদ। পরে প্যাকেটটি খুলে দেখেন, সেখানে ভাত নয় বরং মিষ্টি রয়েছে। প্রচণ্ড ক্ষুধার কারণে তিনি সেখান থেকে কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন। শেষ পর্যন্ত আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পান নুর মোহাম্মদ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যশোর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর আমলি) আদালতে শুনানি শেষে বিচারক সঞ্জয় পাল তাকে ৫০ টাকা জরিমানা করেন।
এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত এক ব্যক্তি তাকে ১০০ টাকা সহায়তা করেন। সেই অর্থ থেকে জরিমানার ৫০ টাকা পরিশোধ করে তিনি মুক্ত হন।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যশোর রেলস্টেশনে এই ঘটনাটি ঘটে। নড়াইলের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ যশোরের ঝিকরগাছার একটি কাঁচামালের আড়তে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। কাজ শেষে তিনি যশোর রেলস্টেশনে অবস্থান করছিলেন।
একপর্যায়ে প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লেও তার কাছে খাবার কেনার জন্য টাকা ছিল না। এ সময় খাবারের প্যাকেট মনে করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নেন তিনি। পরে প্যাকেট খুলে মিষ্টি দেখতে পান এবং কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
পরদিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার জিআরও এসআই হেলালুজ্জামান জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জরিমানার অর্থ পরিশোধের পর নুর মোহাম্মদকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনি জনগণ বর্তমানে তাদের ইতিহাসের অন্যতম বিপজ্জনক ও সংকটময় সময় পার করছে। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জীবনের সব ধরনের মৌলিক অধিকার ও প্রয়োজনীয় উপাদানকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সম্প্রচারিত এক পূর্ব-রেকর্ডকৃত ভিডিও ভাষণে তিনি এই মন্তব্য করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
যুক্তরাষ্ট্র টানা দ্বিতীয়বারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ও তার প্রতিনিধিদলকে ভিসা দেয়নি। ফলে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদরদপ্তরে সরাসরি উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দিতে না পেরে ভিডিও বার্তার মাধ্যমেই নিজের ভাষণ পাঠাতে বাধ্য হন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) এই শীর্ষ নেতা।
ভাষণে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। আব্বাস প্রশ্ন তোলেন, গাজা ও পশ্চিম তীরে ভয়াবহ মানববিপর্যয় দেখার পরও বিশ্ব সম্প্রদায় আর কতদিন নীরব থাকবে এবং ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ করে যাবে। তিনি জানতে চান, ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় জাতিসংঘসহ বিশ্বনেতারা কিসের জন্য অপেক্ষা করছেন।
সংঘাত নিরসনে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের ওপর জোর দিয়ে আব্বাস বলেন, দীর্ঘমেয়াদে গাজা উপত্যকাকে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম থেকে রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন রাখা যাবে না। গাজা, পূর্ব জেরুজালেম এবং পশ্চিম তীরকে একক রাষ্ট্র, একক সরকার ও একই আইনের অধীনে পরিচালিত হতে হবে, যেখানে কেবল একটিই বৈধ সশস্ত্র বাহিনী থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সাল থেকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন ৯০ বছর বয়সী মাহমুদ আব্বাস। তবে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বন্ধে ব্যর্থতার কারণে স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের বড় অংশের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা ও আস্থা এখন তলানিতে এসে ঠেকেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার চামড়া ও পাদুকা শিল্পের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে দেশীয় বাজারের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য একটি বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ তৈরি করছে। এই রোডম্যাপের খসড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত ‘দশম বাংলাদেশ লেদার অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান এই তথ্য জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, চামড়া শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য বাণিজ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় শিল্পটির জন্য কর্মমুখী রোডম্যাপ তৈরির কাজ শুরু করেছে। এই রোডম্যাপে ট্যানারি মালিক, প্রস্তুতকারক, ব্যবসায়ী, প্রযুক্তিবিদসহ সংশ্লিষ্টদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও চাহিদা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
বাণিজ্য সচিব আরও বলেন, দেশে চামড়া শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল বিদ্যমান এবং এ খাতে দেশীয় প্রযুক্তিবিদদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের জনগণকে দেশীয় চামড়াজাত পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগও রয়েছে।
রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণে সরকারের সহযোগিতার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের পরিবেশ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা প্রদান করতে হবে।
এই লক্ষ্যে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণের কাঠামো এবং জাতীয় ট্রেসেবিলিটি কাঠামো তৈরির কাজ করছে। অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলোর জন্য পৃথক ট্রেসেবিলিটি ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।
চামড়া শিল্পে গবেষণা জোরদারের জন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন মো. আতাউর রহমান খান। তিনি বলেন, চামড়া প্রযুক্তির শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে ট্যানারি মালিক ও উদ্যোক্তাদের সংযোগ আরও কার্যকর করার প্রয়োজন রয়েছে। বিষয়টি রোডম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে।
অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক শিল্পের পর চামড়া শিল্পের অবস্থান রয়েছে। নতুন বাজারে প্রবেশ এবং বিদ্যমান বাজারে অবস্থান শক্তিশালী করার সম্ভাবনা রয়েছে এ শিল্পে।
বাংলাদেশ থেকে প্রক্রিয়াজাত চামড়ার পাশাপাশি জুতা, ভ্রমণব্যাগ, বেল্ট ও মানিব্যাগ রপ্তানি হচ্ছে। চামড়াজাত শৌখিন পণ্যেরও আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা রয়েছে।
আয়োজকরা জানান, দেশে বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি প্রায় ৫ হাজার ৫০০টি ক্ষুদ্র পাদুকা কারখানা রয়েছে। পাদুকা উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম দেশ এবং ভোক্তাবাজার হিসেবে নবম।
প্রতিবছর দেশে আনুমানিক ২৭ কোটি বর্গফুট চামড়া উৎপাদিত হয়। এর বড় অংশ রপ্তানি করা হয় এবং অবশিষ্ট অংশ দেশীয় চামড়াজাত পণ্য শিল্পে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের চামড়া প্রধানত ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, হংকং ও তাইওয়ানে রপ্তানি করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. সাখাওয়াত উল্লাহ।
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ), লেদার ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস সোসাইটি, বাংলাদেশ (লেটস’বি) এবং লিমরা ট্রেড ফেয়ারস অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এক্সপোটি ২৪ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইসিসিবিতে চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী খোলা থাকবে। দেশি-বিদেশি ২৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ