বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০৩ পি.এম
রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্য নিয়ে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) নবনির্বাচিত মহাসচিব ইসমাইল উলদ শেখ আহমেদ বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের জেদ্দায় ওআইসিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত এম জে এইচ জাবেদ মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের অভিনন্দনপত্র হস্তান্তর করেন। তথ্যবিবরণী অনুযায়ী, মহাসচিব সাক্ষাৎকালে জানান, রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদী সমাধান না হলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে, যা সবার জন্য মারাত্মক ভোগান্তি বয়ে আনবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং নতুন দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশ সরকারের পূর্ণ সমর্থনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় ওআইসি মহাসচিব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশটির উন্নয়ন অগ্রযাত্রা নতুন গতি পাবে।
বাংলাদেশের গাজীপুরে অবস্থিত ওআইসির প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ভূমিকা স্মরণ করে মহাসচিব বলেন, ওআইসিভুক্ত দেশগুলোতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসারে প্রতিষ্ঠানটির অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইইউটির গবেষণা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
মহাসচিব আরও জানান, সফরসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ তার পছন্দের তালিকায় শীর্ষ সারিতে রয়েছে। বৈঠকে উভয় পক্ষ একমত হন যে, প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পদের ভিন্নতা থাকায় ওআইসিভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে পারে। বিশেষ করে চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদ (কনট্রাক্ট ফার্মিং), স্বাস্থ্যসেবা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, আতিথেয়তা এবং শিক্ষাসহ বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাতে যৌথ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশগুলো ‘উইন-উইন’ ভিত্তিতে এক সঙ্গে কাজ করতে পারে।
বাংলাদেশে জনগণ ও নতুন নেতৃত্বের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শনের জন্য মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রদূত জাবেদ বলেন, আগামী দিনগুলোতে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক যৌথ ইস্যুতে ওআইসি সচিবালয়ের সাথে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের ইতিহাসে প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা মানুষের মনে বিশেষ দাগ ফেলে। অনেক ঘটনা জন্ম নেয়, আবার অনেকের মৃত্যু ঘটে। প্রতিদিনের এই ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা ইতিহাসের পাতায় স্থায়ীভাবে স্থান করে নেয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখা যাক তেমন কিছু ঘটনা।
ঘটনাবলি
১৬৩০ সালে আমেরিকার বোস্টন শহর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ার পেনিসেলভেনিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়।
১৮৪৬ সালে সাপ্তাহিক ‘দর্পণ’ প্রকাশিত হয়।
১৮৪৮ সালে সাপ্তাহিক সংবাদপত্র ‘সাপ্তাহিক অরুণোদয়’ প্রকাশিত হয়।
১৮৭১ সালে সুইজারল্যান্ডের মন্ট সেনিস রেলওয়ে টানেল উদ্বোধন করা হয়।
১৯১৪ সালে গ্রিস ও এশিয়া মাইনরে এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
১৯২০ সালে প্রবাসে (তাসখন্দে) ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয়।
১৯২৪ সালে মহাত্মা গান্ধী হিন্দু মুসলমান সম্প্রীতির জন্য অনশন শুরু করেন।
১৯৩৬ সালে ইরান ও তুরস্কের মধ্যে শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়।
১৯৪০ সালে মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ব্যক্তিগত সত্যাগ্রহের সূচনা হয়।
১৯৪৪ সালে ওস্টল্যান্ড থেকে এস্তোনিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৪৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ ও ফিলিস্তিন সংকটের বিষয়ে জাতিসংঘের মধ্যস্থতাকারী কেন্ট বার্নাডোট বায়তুল মোকাদ্দাসে ইহুদিবাদীদের হাতে নিহত হন।
১৯৫৭ সালে মালয়েশিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৬২ সালে গণবিরোধী হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলায় ছাত্র আন্দোলন ও হরতাল অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৬৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে জেনেভা নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ১৭টি দেশের একটি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এই প্রস্তাবে পরমাণু অস্ত্র বা অন্য যে কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্র পৃথিবীর কক্ষপথে মোতায়েন না করার আহ্বান জানানো হয়।
১৯৭০ সালে জর্ডান সেনাবাহিনী ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ব্যাপক গণহত্যা অভিযান শুরু করে।
১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ, গ্রানাডা এবং গিনি-বিসাউ জাতিসংঘে যোগদান করে।
১৯৮০ সালে নিকারাগুয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট আনাসতোসিও সমোজা দেবাইলি প্যারাগুয়েতে নিহত হন।
১৯৮০ সালে ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শহীদ মোহাম্মাদ আলী রাজাই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সম্মেলনে ভাষণে তার দেশের ওপর ইরাকের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা দেন।
১৯৮২ সালে ইসরায়েলি সেনারা লেবাননের সাবরা ও শাতিলা শরণার্থী শিবিরে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর ব্যাপক গণহত্যা চালায়।
১৯৮৩ সালে ভ্যানেসা উইলিয়াম প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মিস আমেরিকান হন।
১৯৮৮ সালে সিউলে ১৬০টি দেশের অংশগ্রহণে ২৪তম অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধন হয়।
১৯৮৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোনিয়ার উত্তরাঞ্চলে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ঘটে। এই ভূমিকম্পে অনেক সড়ক ও সেতু বিধ্বস্ত হয় এবং কমপক্ষে ২৭১ জনের মৃত্যু হয়, এছাড়া ৫০০ জনেরও বেশি আহত হন।
১৯৯১ সালে উন্মুক্ত সোর্সকোড ভিত্তিক কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স কার্নেলের প্রথম সংস্করণ (0.01 Version) ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়।
১৯৯১ সালে এস্তোনিয়া, লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া, মাইক্রোনেশিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৯৪ সালে চীনের শিনচিয়াংয়ের চিওহো প্রাচীন নগরে চীনের হ্যান রাজবংশের সমাধি সংগ্রহশালা আবিষ্কৃত হয়।
২০০৫ সালে বাংলাদেশে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়।
২০০৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
২০২৩ সালে ভারতের বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় স্থান লাভ করে শান্তিনিকেতন।
জন্ম
১৮২৬ সালে বের্নহার্ট রিমান, বিখ্যাত জার্মান গণিতবিদ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৬৭ সালে গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী, শিল্পরসিক এবং মঞ্চাভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৭৯ সালে পেরিয়র ই. ভি. রামস্বামী, ভারতের তামিলনাড়ুর প্রখ্যাত সমাজকর্মী ও রাজনীতিবিদ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯১৫ সালে মকবুল ফিদা হুসেন, অত্যন্ত জনপ্রিয় ভারতীয় চিত্রশিল্পী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯১৮ সালে সত্য চৌধুরী, প্রখ্যাত বাঙালি সংগীতশিল্পী ও সুরকার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২২ সালে হরিপদ কাপালী, বাংলাদেশি কৃষক, হরি ধানের উদ্ভাবক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২৩ সালে শোভা সেন, ভারতীয় বাঙালি মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২৫ সালে প্রেমাংশু বসু, মঞ্চাভিনেতা ও নাট্যকার নির্দেশক জন্মগ্রহণ করেন। পিটার ল্যাডিফোগিড, ইংরেজ-মার্কিনি ভাষাবিজ্ঞানী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩৪ সালে বিনয় মজুমদার, বাঙালি কবি জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪০ সালে পিটার লিভার, ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৪ সালে বিভু ভট্টাচার্য, বাঙালি অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন। রেইনহোল্ড মেসনার, ইতালিয়ান পর্বতারোহী ও অভিযাত্রী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৫ সালে ভক্তিচারু স্বামী, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) আধ্যাত্মিক গুরু এবং ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের শিষ্য জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫০ সালে নরেন্দ্র মোদি, ভারতের পঞ্চদশ প্রধানমন্ত্রী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৩ সালে সানায়া ইরানি, ভারতীয় অভিনেত্রী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৬ সালে রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ভারতীয় ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৬ - অমল পরাশর, ভারতীয় অভিনেতা
১৯৯০ - নেহা শর্মা, ভারতীয় অভিনেত্রী
মৃত্যু
১৬৬৫ সালে স্পেনের রাজা চতুর্থ ফিলিপ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৫ সালে চার্লস স্পিয়ারম্যান, ইংরেজ মনোবিজ্ঞানী ও পরিসংখ্যানবিদ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৮ সালে এমিল লুধউইক, জার্মানির খ্যাতনামা জীবনীকার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫৪ সালে যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত, বাংলা ভাষার কবি জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬১ সালে আদনান মেন্দেরেস, তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬৪ সালে নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত, বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬৯ সালে চীনের ছিং রাজবংশের শেষ রাজা ফুই জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭৭ সালে উইলিয়াম টলবোট, ইংরেজ উদ্ভাবক ও ফটোগ্রাফির পুরোধা জন্মগ্রহণ করেন।
২০১২ সালে হেনরি ফ্রিডলাডের, জার্মান বংশোদ্ভূত আমেরিকান ইতিহাসবিদ ও লেখক জন্মগ্রহণ করেন।
২০১২ সালে আলেক্সান্দ্র কশক্যন, রাশিয়ান মুষ্টিযোদ্ধা জন্মগ্রহণ করেন।
২০২১ সালে আব্দেল-আজিজ বউটেফ্লিকা, আলজেরীয় সৈনিক, রাজনীতিক ও ৫ম প্রেসিডেন্ট জন্মগ্রহণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া আশ্বাসের পর দেশের অধিকাংশ শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। পাশাপাশি, বাসাবাড়িতে রান্নার গ্যাসের চাপ এবং সরবরাহও বৃদ্ধি পেয়েছে। সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।
গ্যাস সরবরাহের স্বাভাবিকতা বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলের গ্যাস সরবরাহের তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করছেন এবং জাতীয় সঞ্চালন পাইপলাইনের পরিস্থিতিও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন তারেক রহমান। তার নির্দেশনার প্রেক্ষিতে দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে।
গাজীপুর, মাওনা, ভালুকা, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীসহ বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের সরবরাহ আগের তুলনায় বেড়ে গেছে। কিছু জায়গায় ১২ থেকে ১৫ পিএসআই পর্যন্ত চাপ পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু জানান, সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্নের কারণে সৃষ্ট গ্যাস সংকট কাটিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং সার্বিক অবস্থা ক্রমান্বয়ে ভালো হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, গাজীপুর, মাওনা, ভালুকা ও ময়মনসিংহ এলাকায় গ্যাস সরবরাহের যে সমস্যা ছিল, তা অনেকটাই সমাধান হয়েছে। বর্তমানে এসব এলাকায় গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতি বেশ ভালো।
তবে কিছু এলাকায় গ্যাসের স্বল্পতা এবং চাপের ওঠানামা রয়েছে উল্লেখ করে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, মানিকগঞ্জ, ধামরাই ও সাভারের কিছু এলাকায় আগে থেকেই গ্যাস সরবরাহে সমস্যা ছিল। এসব এলাকায় পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য সরবরাহ ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পর নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ বেড়েছে। কিছু এলাকায় ১২ থেকে ১৫ পিএসআই পর্যন্ত চাপ পাওয়া যাচ্ছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে দেখা যায়নি।
তিনি বলেন, আশুলিয়া, কাসিমপুর, কালিয়াকৈর ও ধামরাইয়ের কিছু এলাকায় এখনও গ্যাসের চাপ কিছুটা কম রয়েছে। তবে সার্বিকভাবে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ জানান, শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতি উন্নতি লাভ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পর গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনে সরবরাহ আগের তুলনায় বেড়েছে।
তিনি বলেন, আগের তুলনায় পরিস্থিতি ভালো। কোথাও কোথাও টানা দুই ঘণ্টা স্বাভাবিক চাপ থাকার পর আবার চাপ কিছুটা কমে যাচ্ছে। গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের কয়েকটি কারখানাতেও সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে, তবে মাঝে মাঝে চাপের কিছুটা ওঠানামা হচ্ছে।
পারভেজ বলেন, কারখানাগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত এবং পর্যাপ্ত গ্যাসের চাপ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনে মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় ২৬১ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ ছিল। তবে জাতীয় গ্রিডে ক্রমান্বয়ে গ্যাসের সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
শিল্প উদ্যোক্তা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সরবরাহ সংকটের পর দেশের অধিকাংশ শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ এবং সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পথে রয়েছে। সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্থিতিশীল হলে শিল্পকারখানার উৎপাদন কার্যক্রমও ফের স্বাভাবিক গতিতে ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে সব খেলা দেখা সম্ভব নয়। তাই আপনার সময় ও পছন্দ অনুযায়ী কিছু খেলা বেছে নিতে হবে। লাইভ বা সরাসরি খেলা দেখার প্রতি আপনার আগ্রহ নিশ্চয়ই অন্যদের মতোই বেশি। কোথায় কী খেলা হচ্ছে তা জানার জন্য সময় নষ্ট না করে এই শিডিউল দেখে নিন। এরপর ঠিক করুন কখন কোন খেলায় নজর দেবেন।
এশিয়ান গেমসে নারী ক্রিকেটের কোয়ার্টার ফাইনালে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ও চীন মুখোমুখি হবে। এছাড়া ভারত-আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি এবং ক্লাব ফুটবলের খেলা রয়েছে।
এশিয়ান গেমস : নারী ক্রিকেট
বাংলাদেশ-চীন
সকাল ৬টা, সনি স্পোর্টস ১
পাকিস্তান-থাইল্যান্ড
বেলা ১১টা, সনি স্পোর্টস ১
৩য় টি-টোয়েন্টি
ভারত-আফগানিস্তান
রাত ৮টা, সনি স্পোর্টস ৫
২য় টি-টোয়েন্টি
ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা
রাত ১১-৩০ মি., সনি স্পোর্টস ১
ইউরোপা লিগ
ক্রিট-হফেনহাইম
রাত ১০-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ২
জুভেন্তাস-নাইমেগান
রাত ১টা, সনি স্পোর্টস ২
প্যালেস-পোজনানিয়ে
রাত ১টা, সনি স্পোর্টস ৫
লা লিগা
বেটিস-গেতাফে
রাত ১১টা, টি স্পোর্টস
মালাগা-ভিয়ারিয়াল
রাত ১-৩০ মি., টি স্পোর্টস
কারাবাও কাপ
ম্যানচেস্টার সিটি-নরউইচ
রাত ১২-৩০ মি., ফ্যানকোড।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা মো. আলামিনের অসুস্থ মায়ের খোঁজ নিয়েছেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে সংগঠনের একটি প্রতিনিধিদল আলামিনের বাসায় যায়।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গুম হন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা মো. আলামিন।
জানা যায়, তার মা জেসমিন বেগম দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছেন। এই খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রী তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে জেসমিন বেগমের খোঁজ নিতে নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বুধবার সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আলামিনের বাসায় যায়। তারা জেসমিন বেগমের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন, তার চিকিৎসার বিষয়ে আলোচনা করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সদস্য মাসুদ রানা লিটন, শাকিল আহমেদ, ছাত্রদল নেতা মশিউর রহমান মহান প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ