সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১১ পি.এম
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) স্বাধীনতা হলে সিট বরাদ্দের প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ উঠেছে। সিট বরাদ্দের প্রক্রিয়া প্রায় ছয় মাস ধরে সম্পন্ন হয়নি, ফলে অনেক শিক্ষার্থী আবাসন সংকটে পড়েছেন। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হলেও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সমস্যার কোনো দৃশ্যমান সমাধান এখনও হয়নি।
হল প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত বছরের অক্টোবরে সর্বশেষ স্বাধীনতা হলে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে, প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও সিট বরাদ্দের বিষয়ে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অনার্স শিক্ষাজীবন শেষ হয়েছে। সর্বশেষ এপ্রিল মাসে তৎকালীন হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. শাহাজান আলীর দেওয়া তথ্যমতে ৭৮টি সিট ফাঁকা থাকার কথা জানা যায়। সঠিক সময়ে সিট বরাদ্দ না দেওয়ার কারণে প্রায় সবগুলো সিটই অবৈধভাবে দখলে রয়েছে শিক্ষার্থীদের।
এছাড়া, সাবেক হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. শাহাজান আলী চলতি বছরের এপ্রিল মাসে সিট দেওয়ার লক্ষ্যে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন। তবে, সিট বরাদ্দের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম অনুমতি দেননি বলে হল প্রভোস্ট অভিযোগ করেন। রহস্যজনকভাবে ওই সময়ে জুলাই-৬ হলের সিট বরাদ্দের অনুমতি মিললেও স্বাধীনতা হলের সিট বরাদ্দের বিষয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলামের দ্বিমুখী কার্যকলাপের কারণে ২৫ এপ্রিল অধ্যাপক ড. মো. শাহাজান আলী ব্যক্তিগত কারণে হল প্রভোস্টের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
হল প্রভোস্টের আকস্মিক পদত্যাগের পর সিট বরাদ্দের বাকি কাজ থমকে যায়। এরপর বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সহকারী হল প্রভোস্ট মো. আল ফাহাদ ভূঁইয়াকে হল প্রভোস্ট (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে নিয়োগ দেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রায় চার মাস পেরিয়ে গেলেও সিট বরাদ্দের বিষয়ে প্রভোস্টের সাথে যোগাযোগ করে একাধিক সংবাদ প্রকাশ করা হলেও হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সিট বরাদ্দের প্রক্রিয়া ঝুলে থাকায় অনেক শিক্ষার্থী হলে থাকার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে কেউ কেউ বাধ্য হয়ে মেসে থাকছেন, আবার অনেকে অতিরিক্ত খরচে আবাসনের ব্যবস্থা করছেন। বর্তমানে হলের সিটগুলো প্রভোস্টের তত্ত্বাবধানে থাকলেও কবে নাগাদ নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে, তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, "হলে সিট পাওয়ার আশায় দীর্ঘদিন অপেক্ষা করছি। বিষয়টি নিয়ে সংবাদও হয়েছে। কিন্তু এখনো সিট বরাদ্দের কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখতে পাচ্ছি না। এতে আমাদের ভোগান্তি বাড়ছে।"
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে থাকার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সিট না পাওয়ায় বাইরে থাকতে হচ্ছে। এতে বাড়তি অর্থ খরচের পাশাপাশি যাতায়াতেও সমস্যা হচ্ছে।"
শিক্ষার্থীদের দাবি, স্বাধীনতা হলের সিট বরাদ্দের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে আবাসন সংকটের সমাধান করা হোক। একই সঙ্গে সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করে দ্রুত তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে হল প্রভোস্ট মো. আল ফাহাদ ভূঁইয়া বলেন, "সিট বরাদ্দের বিষয়ে একটি ড্রাফট প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে, গণরুমের ১১ জন ছাত্রের আবাসিকতা নিয়ে স্বাধীনতা হল ও জুলাই-৬ হলের মাঝে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি সমাধান করলে আমি যেকোনো সময় সিট বরাদ্দ দিতে পারব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর সাফারি পার্কে সম্প্রতি জলহস্তী পরিবারের মধ্যে নতুন একটি শাবকের জন্ম হয়েছে। মা জলহস্তী নতুন শাবককে নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। খাবার দেওয়ার সময় কেউ গেলে শাবকটি পানিতে ডুব দিয়ে হারিয়ে যাচ্ছে, আবার হঠাৎ করে ভেসে উঠে আসছে এবং কচুরিপানার আড়ালে লুকিয়ে থাকার মাধ্যমে জলহস্তী পরিবারে আনন্দের এক বন্যা বইছে। জলহস্তী বেষ্টনীতে নতুন শাবককে নিয়ে মাতিয়ে রেখেছে পরিবারটি।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গাজীপুর সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক তারেক রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বর্তমানে পার্কে নতুন শাবকসহ জলহস্তীর সংখ্যা ৫টি হয়েছে। তবে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না, কবে জলহস্তীর জন্ম হয়েছে।
সাফারি পার্কের বন্য প্রাণী পরিদর্শক রাজু আহমেদ জানান, জন্মের পর থেকে শাবকটি সুস্থ রয়েছে। তার মা শাবকটিকে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রদান করছে। পুষ্টির কথা বিবেচনা করে তাদের খাবারের পরিমাণও বৃদ্ধি করা হয়েছে। দিনের বেশিরভাগ সময় শাবকটি মায়ের সঙ্গে পানিতে থাকে। পুরো শরীর ডুবিয়ে চোখ বের করে কচুরিপানার মধ্যে লোকচক্ষুর আড়ালে থাকে। তবে মাঝে মাঝে শাবকটি ডাঙায়ও উঠে আসে।
তিনি আরও বলেন, জলহস্তীর প্রজনন প্রক্রিয়া পানির ভেতরেই সম্পন্ন হয়। স্ত্রী জলহস্তী সাধারণত ৫ থেকে ৬ বছর বয়সে এবং পুরুষ জলহস্তী ৭ থেকে ৮ বছর বয়সে প্রজননের জন্য পরিপক্কতা অর্জন করে। স্ত্রী জলহস্তীর গর্ভধারণকাল বা জেস্টেশন পিরিয়ড প্রায় ২৪০ দিন (৮ মাস)। পানির নিচে তারা সাধারণত একটি মাত্র বাচ্চার জন্ম দেয়। জন্মের পরপরই বাচ্চাকে সাঁতার কেটে পানির ওপরে এসে প্রথম শ্বাস নিতে হয়। বাচ্চারা পানির নিচে এবং ডাঙায় উভয় স্থানেই মায়ের দুধ পান করতে পারে। মা জলহস্তী তার বাচ্চার প্রতি অত্যন্ত রক্ষণশীল থাকে এবং কুমির বা অন্যান্য শিকারী প্রাণীর হাত থেকে বাচ্চাকে রক্ষা করতে যেকোনো স্তরের আক্রমণাত্মক রূপ নিতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জলহস্তীর আচরণ জল এবং ডাঙায় দুই জায়গায় ভিন্ন হয়ে থাকে। পানিতে নিজেদের এলাকা রক্ষায় পুরুষ জলহস্তীগুলো খুব উগ্র হয়ে ওঠে। কিন্তু ডাঙায় থাকার সময় সাধারণত একে অপরের এলাকা নিয়ে মাথা ঘামায় না। দিনের বেলা প্রচণ্ড সূর্যরশ্মি এবং তাপ থেকে বাঁচতে কাদার মধ্যে গা ডুবিয়ে অলস সময় কাটায়। এদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় পানি বা কাদা এদের শরীরকে ঠান্ডা ও ভেজা রাখতে সাহায্য করে। এরা পানির নিচে এবং ওপরে বিভিন্ন ধরনের আওয়াজ (গর্জন বা ফুঁসানি) করে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
শ্রীপুর সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক নূরুল ইসলাম বলেন, জলহস্তী একটি আধা-জলচর স্তন্যপায়ী প্রাণী। জলহস্তী মূলত জলজ এবং স্থলজ উভয় পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। স্থলচর প্রাণীদের মধ্যে হাতির পর জলহস্তী অন্যতম বৃহৎ প্রাণী। এদের চামড়া অত্যন্ত পুরু এবং শরীরে কোনো লোম থাকে না বললেই চলে। জলহস্তীর মুখ প্রায় ১৫০ ডিগ্রি পর্যন্ত বড় করে খোলা যায়। এদের নিচের চোয়ালের দাঁতগুলো প্রায় ৫০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। ওই দাঁতগুলো দিয়ে তারা নিজেদের রক্ষা করতে বা লড়াইয়ের সময় ব্যবহার করে। চোখ, কান এবং নাসারন্ধ্র মাথার একেবারে উপরের অংশে অবস্থিত হওয়ায় তারা শরীরের বাকি অংশ পানির নিচে ডুবিয়ে রেখেও অনায়াসে দেখতে, শুনতে এবং শ্বাস নিতে পারে। পানির নিচে যাওয়ার সময় এরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাক ও কান বন্ধ করে নিতে পারে।
তিনি আরও বলেন, জলহস্তী মূলত তৃণভোজী প্রাণী। এদের প্রধান খাবার হলো ঘাস। ডাঙার নরম ও ছোট ঘাস খেতে এরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে। দিনের বেলা পানিতে কাটানোর পর, সূর্যাস্তের সময় এরা পানি থেকে ডাঙায় উঠে আসে। পানিতে অলস বসে থাকায় এদের শক্তি খুব কম খরচ হয়। ঘাস ছাড়া এরা মাঝে মাঝে বুনো ফলমূল বা জলজ উদ্ভিদও খেয়ে থাকে। তবে এরা পানির ভেতরের জলজ উদ্ভিদ খুব একটা পছন্দ করে না। জলহস্তী দেখতে শান্ত স্বভাবের মনে হলেও এরা আক্রমণাত্মক প্রাণী হিসেবে পরিচিত।
সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান জানান, দেড় সপ্তাহ আগে পার্কের জলহস্তী বেষ্টনীতে শাবকসহ মা জলহস্তী বেষ্টনীর ভেতরে ডাঙায় উঠে আসে। পার্কের কর্মীরা তাদের দেখতে বেষ্টনীতে গেলে গভীর পানিতে ডুবে লুকিয়ে যাচ্ছে। মাঝে মাঝে জলাধারের কোথাও সামান্য ভেসে উঠেই আবার হারিয়ে যাচ্ছে। এটি যেন এক প্রকার লুকোচুরি খেলা। এখনো শাবকটির লিঙ্গ শনাক্ত করা যায়নি। তবে লিঙ্গ শনাক্ত করতে আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে। শাবকটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। মা জলহস্তীর সাথে কচুরিপানার ভেতরে দিয়ে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। মা জলহস্তীকে বাড়তি খাবারও দেওয়া হচ্ছে। মায়ের পেছন পেছন বেষ্টনীর পুকুরের পানি থেকে পাড়ে উঠে আসছে, বেশ কিছু সময় অবস্থানের পর আবার মায়ের সঙ্গে পুকুরের গভীর পানিতে মিশে যাচ্ছে। আবার গভীর পানিতে মাঝে মাঝে গা ভাসিয়ে পার্কের দর্শনার্থীদের বিনোদন দিচ্ছে সদ্য জন্ম নেওয়া শাবকসহ পার্কের বেষ্টনীতে থাকা জলহস্তীগুলো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয় নবজাতকদের জন্য ২২ ক্যারেটের এক গ্রাম ওজনের সোনার আংটি বিতরণের প্রকল্প চালু করেছেন। সোমবার(২৮ সেপ্টেম্বর) মাদুরাইয়ের সরকারি রাজাজি হাসপাতালে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি।
এই উদ্যোগটি ‘থাইমামান থাঙ্গা মোথাইরাম থিত্তাম’ বা ‘মাতুলের সোনার আংটি প্রকল্প’ নামে পরিচিত। এর আওতায় সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া যোগ্য নবজাতকদের একটি করে সোনার আংটি প্রদান করা হবে। তামিলনাড়ু সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ৭৫৫ কোটি ৮৩ লাখ রুপি বরাদ্দ করেছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বিজয় কয়েকজন নবজাতককে কোলে নিয়ে তাদের হাতে সোনার আংটি তুলে দেন। রাজ্য সরকারের মতে, নবজাতকদের প্রতি ভালোবাসা ও শুভকামনা জানানো এবং পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
সরকারের আশা, এই প্রকল্প মাতৃত্বের মর্যাদা রক্ষা, নারীদের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্মদানে মানুষকে উৎসাহিত করবে। তারা মনে করছে, এর মাধ্যমে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহও বৃদ্ধি পাবে। প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায়ে বিতরণের জন্য ইতোমধ্যে ১ লাখ ২৮ হাজার সোনার আংটি সংগ্রহ করা হয়েছে।
২০২৬ সালের ২২ জুন বা তার পরে জন্ম নেওয়া যোগ্য শিশুরা এই সুবিধা পাবে। তামিলনাড়ুর স্থায়ী বাসিন্দা যেসব মা গর্ভাবস্থায় পিকমি পোর্টালে নিবন্ধন করে আরসিএইচ আইডি পেয়েছেন, তাদের সন্তানদের এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।
রাজ্যের মন্ত্রী অরুণ রাজ জানান, মামা ও ভাগনে-ভাগনির সম্পর্ক ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের প্রতীক। এই সম্পর্কের প্রতি সম্মান জানাতেই সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া শিশুদের সোনার আংটি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিশুর জন্মের পর মামা যেমন তার বোন ও নবজাতকের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন, এই আংটিও তেমন ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবে।
মাদুরাই শহরের ঐতিহ্য ও গুরুত্ব বিবেচনায় প্রকল্পের সূচনা এখানে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি আংটিতে আলাদা সিরিয়াল নম্বর থাকবে এবং নিরাপত্তার জন্য বিশেষ প্যাকেটে করে তা পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
২২ জুন থেকে প্রকল্পের উদ্বোধন পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্য জমে থাকা আংটি বিতরণে রাজ্যজুড়ে ১০৭টি কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতিদিন ১০০ জন শিশুকে আংটি দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া যোগ্য শিশুদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার সময়ই আংটি প্রদান করা হবে।
তবে প্রকল্পটি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী দলগুলো সোনার আংটি কেনার জন্য তামিলনাড়ু মেডিকেল সার্ভিসেস কর্পোরেশনকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের বক্তব্য, সংস্থাটির মূল দায়িত্ব ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী কেনাকাটা করা। ফলে সোনার আংটি কেনার ক্ষেত্রে এ সংস্থাকে ব্যবহার করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দুবাইয়ের একজন নারী ব্যবসায়ী কর্মীদের কাজে মনোযোগ ও উদ্দীপনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি আকস্মিকভাবে সকল কর্মীর হাতে একটি করে চকলেটের প্যাকেট তুলে দেন।
কর্মীরা আনন্দের সঙ্গে প্যাকেট খুলতেই হতবাক হয়ে যান। তারা দেখতে পান, প্যাকেটে আসলে চকলেট নয়, বরং রয়েছে একেবারে নতুন ‘আইফোন ১৮’। সেরা কর্মীদের ধরে রাখার উদ্দেশ্যে নেওয়া এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ী হাসিনা নিশাদের কিছু কর্মীকে নতুন আইফোন ১৮ উপহার দেয়ার ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর তিনি জানান, কর্মীদের খুশি রাখা এবং তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা তাদের প্রতিষ্ঠানের অন্যতম মূলনীতি।
‘কর্মীরাই আমাদের শক্তি। তাদের ছাড়া আমাদের কোনো উন্নতি সম্ভব নয়। তাই প্রথম দিন থেকেই কর্মীদের পেছনে ব্যয় করাকে আমার স্বামী ও আমি অগ্রাধিকার দিয়ে আসছি,’ খালিজ টাইমসকে বলেন ওয়ার্ল্ড স্টার হোল্ডিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসিনা নিশাদ।
হাসিনা তার স্বামী নিশাদ হুসাইনের সঙ্গে মিলিতভাবে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান নিশাদ হুসাইন জনবল সরবরাহ সেবা নিয়ে কাজ করেন।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে নিশাদকে কয়েকজন কর্মীর মধ্যে প্যাকেট বিতরণ করতে দেখা যায়। সেই ভিডিওটি পরে ভাইরাল হয়ে যায়। প্যাকেটগুলোর অর্ধেকের মধ্যে নতুন আইফোন ১৮ ছিল, আর বাকি অর্ধেকের মধ্যে ছিল বড় একটি চকলেট বার।
সবাই যখন প্যাকেট খুলে ফেলেন, তখন হাসিনা সেখানে উপস্থিত হন। এরপর যেসব কর্মী চকলেট পেয়েছিলেন, তাদের প্রত্যেককেও নতুন ফোন উপহার দেয়া হয়।
‘আমাদের সেরা পারফর্ম করা ১২ জন কর্মীর জন্যই এই উপহার ছিল,’ বলেন হাসিনা। ‘চকলেটগুলো ছিল আমাদের করা ছোট্ট একটি প্র্যাঙ্ক। তবে সেখানে থাকাকালে আমি লক্ষ্য করেছি, যারা চকলেট পেয়েছিলেন, তাদের কেউই হতাশ হননি। তারা যা পেয়েছেন, খুশি মনে তা গ্রহণ করেছেন। অবশ্য আমরা যখন তাদের ফোন দিলাম, তখন তারা ভীষণ আনন্দিত হয়েছেন। তাদের মুখের আনন্দই আমাদের জন্য একটি উপহার।’
কর্মী ধরে রাখার কৌশল
কর্মীদের খুশি রাখতে হাসিনা ও নিশাদের এই উদ্যোগ অবশ্য এবারই প্রথম নয়। গত বছরও সেরা পারফর্ম করা কর্মীদের আইফোন উপহার দেয়া হয়েছিল।
২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে ১৬ কর্মীর জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়। তাদের পাঁচ তারকা হোটেলে থাকার সুযোগ, চালকসহ বিলাসবহুল গাড়িতে ভ্রমণ এবং ইয়টে পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। আর ২০২৩ সালে কর্মীদের জন্য বিশেষ সিনেমা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
হাসিনার মতে, এ ধরনের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানটিকে দীর্ঘমেয়াদে সেরা কর্মীদের ধরে রাখতে সহায়তা করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের এম৩এম হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্টে দেখা গেছে ভারতীয় অভিনয়শিল্পীদের সম্পদের মধ্যে বৈচিত্র্য। তালিকার শীর্ষে রয়েছেন বলিউডের কিং শাহরুখ খান। তাঁর আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি রুপি। অর্থাৎ, তালিকার অন্যান্য অনেক অভিনেতার সম্পদ যোগ করলেও শাহরুখের কাছাকাছি পৌঁছানো কঠিন। তবে চলতি বছরের হিসাব অনুযায়ী, শাহরুখের সম্পদের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় কমেছে। ২০২৫ সালের হুরুন তালিকায় তাঁর সম্পদ ছিল ১২ হাজার ৪৯০ কোটি রুপি। এক বছরে সেই হিসাব থেকে কমেছে ২ হাজার ৪৯০ কোটি রুপি। তবুও, তিনি ভারতের অভিনেতাদের মধ্যে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন। তালিকা অনুযায়ী, শীর্ষ ১০ তারকার সম্পদের পরিমাণ নিচে উল্লেখ করা হলো।
শাহরুখ খান
তালিকার প্রথম নামটি অবশ্যই শাহরুখ খান। ১৯৯০-এর দশকে টেলিভিশনের মাধ্যমে শুরু করে বলিউডের অন্যতম বড় তারকা হয়ে ওঠা শাহরুখ এখন শুধু একজন অভিনেতা নন, বরং একজন বড় ব্যবসায়ীও। তাঁর সম্পদের একটি বড় অংশ এসেছে অভিনয়ের বাইরের ব্যবসা থেকে।
রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্টের মতো প্রযোজনা ও ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস ব্যবসা এবং নাইট রাইডার্স স্পোর্টসের সঙ্গে শাহরুখের সম্পৃক্ততা তাঁর আর্থিক সাম্রাজ্যকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের মালিকানা ছাড়াও ক্রিকেটভিত্তিক অন্যান্য ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে এই গোষ্ঠী। ফলে শাহরুখের সম্পদের হিসাব কেবল সিনেমায় অভিনয় করে পাওয়া পারিশ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল নয়।
মজার বিষয় হলো, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শাহরুখের সিনেমার সংখ্যা খুব বেশি নয়। ২০২৩ সালে ‘পাঠান’, ‘জওয়ান’ ও ‘ডানকি’ দিয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের পর বড় পর্দায় তাঁর নতুন ছবি আসেনি। তবুও, ব্যবসায়িক বিনিয়োগ ও সম্পদের মূল্যায়ন তাঁকে ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতার অবস্থানে রেখেছে। ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে মুক্তির কথা রয়েছে ‘কিং’ ছবিটির, যেখানে তাঁর সঙ্গে অভিনয় করছেন মেয়ে সুহানা খান।
নাগার্জুন
শাহরুখের পরেই রয়েছেন দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় তারকা নাগার্জুন আক্কিনেনি। তাঁর আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ৫ হাজার কোটি রুপি। নাগার্জুনের আর্থিক সাফল্যের পেছনে অভিনয়ের পাশাপাশি রয়েছে প্রযোজনা ও ব্যবসা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে যুক্ত অন্নপূর্ণা স্টুডিওস দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের শিল্পে দীর্ঘদিনের পরিচিত নাম। চলচ্চিত্রের বাইরেও বিভিন্ন ব্যবসা ও সম্পত্তিতে বিনিয়োগ তাঁর সম্পদ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে বলে হুরুনভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অমিতাভ বচ্চন
তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন অমিতাভ বচ্চন। আনুমানিক সম্পদ ৪ হাজার কোটি রুপি। তবে তাঁর ক্ষেত্রে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, শুধু বর্তমান সম্পদের পরিমাণ নয়, বরং এক বছরে সম্পদের হিসাবের বড় পরিবর্তন।
২০২৫ সালের হুরুন তালিকায় অমিতাভের সম্পদ ছিল প্রায় ১ হাজার ৬৩০ কোটি রুপি। ২০২৬ সালের তালিকায় তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার কোটিতে। অর্থাৎ, এক বছরে মূল্যায়ন বেড়েছে ২ হাজার ৩৭০ কোটি রুপি। বিনিয়োগ, রিয়েল এস্টেট এবং পরিবারের ফ্যামিলি অফিসের মাধ্যমে পরিচালিত বিভিন্ন সম্পদ এই হিসাবের সঙ্গে যুক্ত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ছয় দশকের কাছাকাছি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অমিতাভ অভিনয়ের পাশাপাশি টেলিভিশন, বিজ্ঞাপন, বিনিয়োগ ও সম্পত্তির ক্ষেত্রেও নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। ফলে তাঁর সম্পদও এখন কেবল সিনেমার পারিশ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল নয়।
সালমান খান
চতুর্থ স্থানে রয়েছেন সালমান খান। আনুমানিক সম্পদ ৩ হাজার কোটি রুপি। এবারের তালিকায় সালমানের অন্তর্ভুক্তি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ ২০২৫ সালের আলোচিত অভিনেতাদের সম্পদের তালিকার সঙ্গে তুলনা করলে এবার তাঁর অবস্থান স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। সালমানের আয়ের বড় উৎস অভিনয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড ব্যবসা এবং তাঁর ‘বিইং হিউম্যান’ ব্র্যান্ড। দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের সবচেয়ে পরিচিত তারকাদের একজন হওয়ায় বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট থেকেও তাঁর আয় উল্লেখযোগ্য।
হৃতিক রোশন
পঞ্চম স্থানে রয়েছেন হৃতিক রোশন। আনুমানিক সম্পদ ২ হাজার ৫০০ কোটি রুপি। ২০২৫ সালের হিসাবে তাঁর সম্পদ ছিল প্রায় ২ হাজার ১৬০ কোটি রুপি। অর্থাৎ, এক বছরে প্রায় ৩৪০ কোটি রুপি বেড়েছে বলে হুরুনের হিসাবভিত্তিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। হৃতিকের সম্পদের ক্ষেত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাম এইচআরএক্স। ফিটনেস ও লাইফস্টাইলকেন্দ্রিক এই ব্র্যান্ড তাঁর তারকাখ্যাতিকে ব্যবসায়িক সাফল্যে রূপান্তর করেছে। ফলে পর্দার বাইরেও হৃতিকের পরিচিতি একটি ব্যবসায়িক ব্র্যান্ড হিসেবে তৈরি হয়েছে।
অক্ষয় কুমার
ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন অক্ষয় কুমার। আনুমানিক সম্পদ ২ হাজার ৩০০ কোটি রুপি। কয়েক দশকের ক্যারিয়ারে বিপুলসংখ্যক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। নিয়মিত কাজের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডও তাঁর আয়ের উৎস। অক্ষয়ের ক্যারিয়ারের বিশেষত্ব হলো তাঁর কাজের ধারাবাহিকতা। বছরে একাধিক ছবিতে অভিনয় করার পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে নিজের আয়ের ক্ষেত্রও বিস্তৃত করেছেন তিনি।
আমির খান
সপ্তম স্থানে রয়েছেন আমির খান। আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ১ হাজার ৮০০ কোটি রুপি। অন্যান্য অনেক তারকার তুলনায় আমির সিনেমার সংখ্যা কম করেন, কিন্তু প্রতিটি ছবিকে ঘিরে তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব ও প্রযোজনার ভূমিকা তাঁকে আলাদা জায়গা দিয়েছে। আমিরের সম্পদের সঙ্গে তাঁর প্রযোজনাপ্রতিষ্ঠানও গুরুত্বপূর্ণ। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবে কাজ করার কারণে চলচ্চিত্রের ব্যবসায়িক সাফল্যের সঙ্গে তাঁর আর্থিক স্বার্থও যুক্ত থাকে।
চিরঞ্জীবী
অষ্টম স্থানে রয়েছেন তেলুগু সিনেমার মেগাস্টার চিরঞ্জীবী। আনুমানিক সম্পদ ১ হাজার ৭০০ কোটি রুপি।
চার দশকের বেশি সময় ধরে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় কাজ করছেন চিরঞ্জীবী। অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডও তাঁর সম্পদের অংশ। তাঁর অবস্থান প্রমাণ করে, ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতাদের তালিকায় দক্ষিণ ভারতীয় তারকাদের উপস্থিতি এখন আর ব্যতিক্রম নয়।
ভেঙ্কটেশ দগ্গুবতী
নবম স্থানে রয়েছেন তেলুগু তারকা ভেঙ্কটেশ দগ্গুবতী। আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ১ হাজার ৬৫০ কোটি রুপি। দীর্ঘ অভিনয়জীবনের পাশাপাশি প্রযোজনা ব্যবসার সঙ্গেও তাঁর পরিবারের সম্পর্ক রয়েছে। সুরেশ প্রোডাকশনসের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দগ্গুবতী পরিবারের দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। ফলে ভেঙ্কটেশের আর্থিক পরিচয়ও শুধু অভিনেতা হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়।
রাম চরণ
শীর্ষ ১০-এর শেষ নাম রাম চরণ। আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ ১ হাজার ৪০০ কোটি রুপি। তালিকার অন্যদের তুলনায় বয়সে তরুণ হলেও গত এক দশকে তাঁর ক্যারিয়ারের উত্থান উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে ‘আরআরআর’-এর আন্তর্জাতিক সাফল্য তাঁর পরিচিতিকে ভারতের বাইরে নিয়ে গেছে। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা, বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড তাঁর সম্পদ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে বলে হুরুনভিত্তিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও হিন্দুস্তান টাইমস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ