০৫:৫৫ পি.এম
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে একই বাড়ির দূর সম্পর্কের চাচাতো ভাইয়ের ঘরের আগুন নেভাতে গিয়ে মো. সোহাগ (৪৩) নামে এক যুবকের মৃত্যু ঘটে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে ঢাকার বার্ন ইউনিট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে গত ৩ অক্টোবর বেলা সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নদনা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব কালুয়াই গ্রামের সুলতান চকিদার বাড়িতে আগুন নেভাতে গিয়ে সোহাগ দগ্ধ হন।
নিহত সোহাগ মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার পুত্র ছিলেন। তিনি তিন ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩ অক্টোবর সোহাগের দূরসম্পর্কের চাচাতো ভাই সালাউদ্দিনের বসতঘরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ফলে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং বাড়ির ছয়টি ঘর পুড়ে যায়। আগুন দেখে সোহাগসহ অন্যরা তা নেভাতে এগিয়ে যান। একপর্যায়ে সালাউদ্দিনের ঘর থেকে গ্যাস সিলিন্ডার বের করার সময় তার শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকার বার্ন ইউনিট হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাতদিন পর তার মৃত্যু ঘটে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আজগর হোসেন সহেল জানান, সোহাগ বেকার ছিলেন এবং তিনি খুব অসহায় ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সোনাইমুড়ী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ডিউটি কর্মকর্তা ফায়ার ফাইটার নোমান হোসেন বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ফলে ঐদিন ছয়টি ঘর পুড়ে যায়। আগুন লাগার খবর পেয়ে সোহাগও অন্যদের সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন। একপর্যায়ে একটি ঘর থেকে আসবাবপত্র বের করতে গিয়ে তিনি দগ্ধ হন।
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোহাগের মৃত্যু হয়েছে বলে তার স্বজনেরা জানিয়েছেন। তারা ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নিতে আবেদন করেছেন। এ জন্য সোনাইমুড়ী থানা থেকে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন