ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাশেদ খানের হস্তক্ষেপে নিয়োগ পাচ্ছেন বসতভিটা না থাকা প্রার্থী


রাশেদ খানের হস্তক্ষেপে নিয়োগ পাচ্ছেন বসতভিটা না থাকা প্রার্থী

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও স্থায়ী ঠিকানায় বসতভিটা না থাকার কারণে নিয়োগপত্র না পাওয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক শিক্ষার্থী মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান। তিনি আশাবাদী যে দ্রুত এই বিষয়টির সমাধান হবে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় এই তথ্য জানান রাশেদ খান। এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে ফেসবুকে একটি পোস্টে তিনি মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন।

মিশন আচার্য (৩০) ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগান এলাকায় পরিবারসহ ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। তার মা ময়না আচার্য গৃহপরিচারিকার কাজ করে তাকে পড়াশোনা করিয়েছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিশন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। যদিও তিনি চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন, কিন্তু স্থায়ী ঠিকানায় নিজের নামে বসতভিটা না থাকার কারণে তিনি নিয়োগপত্র পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

মিশন আচার্য জানান, জন্মের পর থেকেই ঝিনাইদহের কলাবাগান এলাকায় বসবাস করলেও তার নামে কোনো বসতভিটা নেই। তার বাবা বহু বছর আগে পরিবার ছেড়ে চলে যাওয়ার পর থেকে তিনি মায়ের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকছেন। স্থায়ী ঠিকানা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে নিয়োগপত্র না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেছেন।

মিশন আচার্যের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে রাশেদ খান লিখেছেন, "আমি একটু আগে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি দ্রুতই সমাধান হবে এবং সে শিগগিরই নিয়োগ পাবে। চাকরিপ্রত্যাশী ছোট ভাইটি আমার এলাকার হওয়ায় ঝিনাইদহ থেকে অনেকে আমাকে বিষয়টি জানিয়েছিল, তাদেরকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।"

শনিবারের (৩ অক্টোবর) ভিডিও বার্তায় রাশেদ খান বলেন, "আমি শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। খুব দ্রুত সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন। রবিবারের (৪ অক্টোবর) মধ্যে নিয়োগপত্র পাবেন বলেও জানিয়েছেন।"

এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিশন আচার্যের নিয়োগ আটকে যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশিত হলে তা সংশ্লিষ্ট মহলের নজরে আসে। পরে তার নিয়োগের বিষয়ে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান রাশেদ খান।

আরও পড়ুন: ইবি প্রশাসনের চার পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাবি ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে যুবককে পুলিশে সোপর্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫১ পি.এম


রাবি ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে যুবককে পুলিশে সোপর্দ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক ছাত্রীকে মুঠোফোনের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে খন্দকার সালমান হাসান মিম নামের এক যুবককে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পুলিশে সোপর্দ করেছেন। এ সময় তার ওপর মারধরের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা যায়।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলস্টেশন এলাকায় শিক্ষার্থীরা সালমানকে আটক করে। পরে শনিবার (৩ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর তার শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অভিযুক্ত সালমান টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। অভিযোগকারী ছাত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী।

অভিযোগকারী ছাত্রী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সালমানের সঙ্গে ওই ছাত্রীর সাবেক এক রুমমেটের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রে সালমানের সঙ্গে ওই ছাত্রীর পরিচয় হয়। দুই দিন আগে সালমান রাজশাহীতে আসেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৪টার দিকে তিনি ওই ছাত্রীকে মুঠোফোনে কল করেন। পরিচয় জানতে চাইলে সালমান তাকে অর্থের বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী।

পরে তিনি বিষয়টি বন্ধু ও পরিচিতদের জানালে একপর্যায়ে সালমানকে ফোন করে কৌশলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসতে বলা হয়। যখন তিনি ক্যাম্পাসে আসেন, তখন ছাত্রীর সহপাঠীরা তাকে আটক করেন।

প্রায় চার ঘণ্টা পর চন্দ্রিমা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে সালমানকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা মুঠোফোনও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগকারী ছাত্রী বলেন, "আমাকে রাত সাড়ে ৪টায় কল করে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি অর্থ দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। পরে পরিচয় জানতে পারি, সালমান আমার সাবেক রুমমেটের প্রাক্তন প্রেমিক। এ ঘটনায় আমি মামলা করার আবেদন করব। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।"

তবে সালমান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, "আমি এমন কোনো প্রস্তাব দিইনি। আমার মুঠোফোন থেকে অন্য কেউ কলটি করতে পারে। তার সঙ্গে আমার পূর্বপরিচয় ছিল। সে কারণে আমি দেখা করতে চেয়েছিলাম।"

চন্দ্রিমা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অভিযোগ দায়ের করতে ভুক্তভোগীকে প্রক্টরিয়াল বডির সহায়তায় থানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে শারীরিক অবস্থা যাচাইয়ের জন্য রামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোম বিমানবন্দরে ২৮ কেজি রুপা জব্দ, বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫১ পি.এম


রোম বিমানবন্দরে ২৮ কেজি রুপা জব্দ, বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন

শুল্ক কর্মকর্তারা ইতালির রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দরে চারটি লাগেজের মধ্যে লুকিয়ে রাখা ২৮ কেজি রুপা ও মূল্যবান গয়না জব্দ করেছেন। এসব সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য ৩৬ হাজার ইউরোর বেশি। এই ঘটনার জন্য এক বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

ফিউমিসিনো (লিওনার্দো দা ভিঞ্চি) বিমানবন্দরে এই অভিযানটি পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই বাংলাদেশি নাগরিক ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করার পরিকল্পনা করেছিলেন এবং তার ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি দেওয়ার কথা ছিল।

গোপন তথ্য ও সন্দেহের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের শুল্ক বিভাগ ‘ফিউমিসিনো গ্রুপ’এর কর্মকর্তারা যাত্রীর ওপর নজরদারি শুরু করেন। এ সময় ইতালির অর্থনৈতিক অপরাধ দমনকারী পুলিশ বাহিনী ‘গুয়ার্দিয়া দি ফিনানজা’র রোম প্রাদেশিক কমান্ডের সদস্যরাও অভিযানে অংশ নেন।

প্রথমে যাত্রীর বিমানে জমা দেওয়া চারটি লাগেজ এক্স-রে স্ক্যান করা হয়। স্ক্যানিংয়ে অসংগতি ধরা পড়লে ব্যাগগুলো খুলে তল্লাশি চালানো হয়। কর্মকর্তারা এ সময় বিভিন্ন প্লাস্টিকের মোড়কে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ রুপা ও মূল্যবান অলংকার উদ্ধার করেন।

গুয়ার্দিয়া দি ফিনানজার তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা রুপার বৈধ উৎস এবং সীমান্ত পারাপারের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমোদন দেখাতে পারেননি ওই যাত্রী।

এ ঘটনায় অবৈধভাবে পণ্য বহনের সন্দেহে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয় ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তবে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়নি।

জব্দ করা ২৮ কেজি রুপা বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে রাষ্ট্রীয় হেফাজতে রাখা হয়েছে। উদ্ধার করা সামগ্রীর মোট আনুমানিক মূল্য ৩৬ হাজার ইউরোর বেশি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজার থেকে ঢাকায় নামতেই গ্রেপ্তার স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫২ পি.এম


কক্সবাজার থেকে ঢাকায় নামতেই গ্রেপ্তার স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা

কক্সবাজার থেকে বিমানে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন মৃধা জর্জ এবং শ্রীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে বিমানবন্দরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার তথ্য যাচাই করার পর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন মৃধা জর্জ (৫২) এবং শ্রীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম (৪৪)। নাসির উদ্দিন মৃধা জর্জ শ্রীপুর উপজেলার টেপিরবাড়ি গ্রামের মৃত আবদুল হাই মৃধার পুত্র। অপরদিকে, জাহাঙ্গীর আলম মাওনা ইউনিয়নের মাওনা উত্তরপাড়া গ্রামের রিয়াজ উদ্দিন শেখের পুত্র।

ঢাকা মহানগর পুলিশের বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল হাসান তালুকদার জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আসামি নাসির উদ্দিন মৃধা ও জাহাঙ্গীর আলম কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফিরছেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের টার্মিনাল এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

দুপুর দেড়টার দিকে তাদের বহনকারী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও মামলার তথ্য যাচাই করার পর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে শ্রীপুরে নিয়ে আসার জন্য পুলিশের একটি বিশেষ দল ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। শ্রীপুর থানাসহ বিভিন্ন থানায় তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার দুই নেতাকে আদালতে সোপর্দ করার পর কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলার গ্যাস দেশের জ্বালানির ভবিষ্যৎ বদলাতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


ভোলার গ্যাস দেশের জ্বালানির ভবিষ্যৎ বদলাতে পারে

দেশের গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর বাড়তি নির্ভরতার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণের দ্বীপ জেলা ভোলার গ্যাসসম্পদ নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।

জাতীয় গ্রিডের বাইরে থাকা ভোলার গ্যাস কীভাবে দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটিই এখন বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাসের তীব্র অপ্রতুলতা দেখা দেওয়ায়, গ্যাসের পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও প্রধানত সঞ্চালন অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে ভোলার পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

ভোলার গ্যাসের গুরুত্ব স্পষ্ট হয় দেশের অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের সার্বিক হিসাবের দিকে তাকালে। জেলার শাহবাজপুর, ভোলা-নর্থ ও ইলিশা—এই তিনটি আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রে সম্মিলিতভাবে প্রায় ২ দশমিক ০৪৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) গ্যাসের মজুত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ দশমিক ৪৩২ থেকে ১ দশমিক ৪৩৩ টিসিএফ গ্যাস উত্তোলনযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও পেট্রোবাংলার সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ প্রায় ৭ দশমিক ৬৩ টিসিএফ। সেই হিসাবে দেশের মোট অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের প্রায় ১৯ শতাংশ বা প্রায় এক-পঞ্চমাংশই রয়েছে ভোলায়।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন কূপ খনন, উৎপাদন পরীক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এই উত্তোলনযোগ্য মজুত সম্পর্কে আরও নিখুঁত ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে।

বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার নয়টি কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১৮২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে প্রায় ৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে আরও প্রায় ৪৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস অব্যবহৃত থাকার তথ্য রয়েছে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘ভোলার গ্যাসকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি সঞ্চালন অবকাঠামোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। গ্যাসের মজুত থাকলেও তা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছানোর ব্যবস্থা না থাকলে জাতীয় অর্থনীতিতে প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যাবে না।’

দেশের সামগ্রিক গ্যাস পরিস্থিতিও ভোলার সম্ভাবনাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ২ হাজার ৬০৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে আসে প্রায় ১ হাজার ৬২০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানিকৃত এলএনজি থেকে আসে প্রায় ৯৯০ মিলিয়ন ঘনফুট। অর্থাৎ মোট সরবরাহের একটি বড় অংশ এখনও আমদানিনির্ভর।

এলএনজি আমদানি স্বল্পমেয়াদে গ্যাসের ঘাটতি সামাল দিতে সহায়তা করলেও এর সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য ওঠানামার ঝুঁকি রয়েছে। ফলে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানো এবং বর্তমানে অব্যবহৃত গ্যাসকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এই বাস্তবতায় ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার উদ্যোগ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) তথ্য অনুযায়ী, ভোলা-বরিশাল গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের প্রক্রিয়া চলছে।

সম্প্রতি ভোলা-বরিশাল-খুলনা রুটে পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনাও সামনে এসেছে। এ পাইপলাইন বাস্তবায়িত হলে ভোলার গ্যাস দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে। খুলনা পর্যন্ত গ্যাস সঞ্চালন অবকাঠামো তৈরি করা গেলে পরবর্তী সময়ে বৃহত্তর জাতীয় গ্যাস ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগের সুযোগও বাড়তে পারে। তবে এ ধরনের বড় অবকাঠামো নির্মাণে সময় ও বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।

ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে এর সুফল শুধু ভোলা বা বরিশালের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। খুলনা ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্পাঞ্চল, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং অন্যান্য গ্যাসনির্ভর প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। একইসঙ্গে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কিছুটা কমানো এবং আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরতা হ্রাসের সুযোগও তৈরি হতে পারে।

জাতীয় গ্রিডে গ্যাস নেওয়াই অবশ্য একমাত্র সম্ভাবনা নয়। ভোলায় উৎপাদিত গ্যাস স্থানীয়ভাবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। পর্যাপ্ত ও নির্ভরযোগ্য গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে সেখানে সার কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, গ্যাসভিত্তিক শিল্প, শিল্পপার্ক ও অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ভোলায় গ্যাসের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত হলে স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ, নদীবন্দর, বিদ্যুৎ, পানি, আবাসন ও দক্ষ জনশক্তির অবকাঠামো গড়ে উঠলে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পাঞ্চল বিকাশের সুযোগ তৈরি হবে।

ভোলায় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগও রয়েছে। বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ভোলা নর্থ-১, ভোলা নর্থ-২ ও ইলিশা-১ কূপ থেকে অতিরিক্ত ৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের জন্য প্রসেস প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ চলছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

এর পাশাপাশি ভোলায় আরও পাঁচটি নতুন গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কূপ খনন সফল হলে ভবিষ্যতে ভোলার গ্যাস উৎপাদন আরও বাড়তে পারে। ফলে শুধু বিদ্যমান গ্যাস ব্যবহারের ব্যবস্থা করাই নয়, ভবিষ্যৎ উৎপাদন বিবেচনায় নিয়েও সঞ্চালন অবকাঠামো পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।

ভোলার গ্যাসের সম্ভাবনা শুধু বর্তমানে চিহ্নিত মজুতেই সীমাবদ্ধ নয়। বাপেক্স ও রাশিয়ার গ্যাসপ্রমের অনুসন্ধানে জেলার বিভিন্ন এলাকায় আরও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে। বিশেষ করে চরফ্যাশনসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন অনুসন্ধানের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ গ্যাসসম্পদের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

ভোলার গ্যাসের সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টিও সরাসরি যুক্ত। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থাকলেও পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় অনেক সময় সেগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগানো যায় না। ভোলার গ্যাস স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা গেলে দক্ষিণাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাও শক্তিশালী হতে পারে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, ভোলার গ্যাস ব্যবহার, মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস আমদানি এবং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. বদরুল ইমাম বলেন, ‘ভোলার গ্যাসের অর্থনৈতিক মূল্য শুধু কত মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে, তা দিয়ে নির্ধারণ করা যাবে না। গ্যাসটি কোথায় ব্যবহার করলে দেশের অর্থনীতিতে সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন হবে, তা নির্ধারণ করতে হবে। বিদ্যুৎ, সার, শিল্পকারখানা এবং জাতীয় গ্রিড, সবগুলো বিকল্পের ব্যয় ও সুফল তুলনা করে দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ভোলার গ্যাস নিয়ে বড় বিনিয়োগের আগে গ্যাসের প্রকৃত উত্তোলনযোগ্য মজুত নির্ধারণ করা জরুরি। কোনো গ্যাসক্ষেত্রের সম্ভাব্য মজুত এবং বাস্তবে অর্থনৈতিকভাবে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস এক বিষয় নয়। অনুসন্ধান, কূপ খনন, উৎপাদন পরীক্ষা এবং সময়ের সঙ্গে কূপের চাপ ও উৎপাদন ক্ষমতা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রকৃত সম্ভাবনা নির্ধারণ করতে হয়।

ভোলার শিল্পোদ্যোক্তারাও গ্যাসের নির্ভরযোগ্য সরবরাহকে শিল্পায়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হিসেবে দেখছেন। ভোলার মেসার্স খান ফ্লাওয়ার মিলসের স্বত্বাধিকারী এবং ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন খান বলেন, ‘গ্যাসের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত হলে ভোলায় শিল্প স্থাপনের আগ্রহ বাড়তে পারে। তবে গ্যাসের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, সড়ক, নদীবন্দর, যোগাযোগ ও শিল্প অবকাঠামোও একসঙ্গে উন্নত করতে হবে। শুধু গ্যাস থাকলেই বড় শিল্পায়ন সম্ভব নয়।’

সরকারের সাম্প্রতিক জ্বালানি পরিকল্পনাতেও ভোলার গ্যাসের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার বিষয়টি রয়েছে। তিনি ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে নিতে ৫০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প এবং বাপেক্সের ১৫০টি কূপ খনন ও পুনঃখননের কাজ এগিয়ে চলার কথা জানান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোলার গ্যাসের ক্ষেত্রে কোনো একটি ব্যবহারের ওপর নির্ভর না করে সমন্বিত পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। জাতীয় গ্রিডে কতটা গ্যাস যাবে, স্থানীয় শিল্পে কতটা ব্যবহার হবে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে কতটা দেওয়া হবে এবং ভবিষ্যৎ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কতটা সক্ষমতা রাখা হবে, এসব বিষয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় থাকা প্রয়োজন।

এ ক্ষেত্রে পরিবেশগত বিষয়ও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। ভোলার ভৌগোলিক অবস্থান, নদী ও উপকূলীয় পরিবেশ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিল্প ও গ্যাস অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে নতুন শিল্পায়নের ফলে স্থানীয় জনগণের জন্য কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টিও পরিকল্পনায় থাকতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমছে, এলএনজি আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে এবং শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের চাহিদা বাড়ছে, এই বাস্তবতায় ভোলার গ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। বর্তমানে যে গ্যাস অবকাঠামোর অভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না, তা দ্রুত কাজে লাগানোর ব্যবস্থা করা গেলে নতুন কোনো বড় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের আগেই দেশের জ্বালানি ব্যবস্থায় অতিরিক্ত সরবরাহ যোগ করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোলার প্রায় ১ দশমিক ৪৩৩ টিসিএফ উত্তোলনযোগ্য গ্যাস দেশের অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশের সমপরিমাণ। একইসঙ্গে নতুন অনুসন্ধানে আরও গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে ভোলাকে শুধু একটি আঞ্চলিক গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে না দেখে জাতীয় জ্বালানি পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তবে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে অনুসন্ধান, উৎপাদন, প্রসেসিং, সঞ্চালন, শিল্পায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষাকে একই পরিকল্পনার আওতায় আনতে হবে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%