মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৩ পি.এম
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা বেশি দামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) জন্য সরকার একটি নির্দেশনার তালিকা প্রকাশ করেছে। নির্ধারিত দামের উপরে সিলিন্ডার বিক্রি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের কার্যক্রম সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এই তথ্য প্রকাশ করেন।
এলপিজির সরবরাহ ও বিতরণ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে জ্বালানি বিভাগ সব জেলা প্রশাসকের সঙ্গে একটি অনলাইন মতবিনিময় সভা আয়োজন করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি উল্লেখ করেন, ওই সভায় এলপিজির বাজার তদারকি ও সরবরাহ ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে, প্রত্যেক জেলা প্রশাসককে তার জেলার সব এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলারের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট অপারেটর থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজি, মাস্টার ফ্র্যাঞ্চাইজি, ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলার কত পরিমাণ এলপিজি পেয়েছেন, সেই তথ্য সংগ্রহ করা আবশ্যক। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত পরিচয় সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া জেলা প্রশাসকদের অবিলম্বে নিজেদের জেলার এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলারদের সঙ্গে সভা করতে হবে। ওই সভায় জেলার এলপিজি সরবরাহ, বিতরণ ও বাজারজাতকরণের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।
সরকারের নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এলপিজি সরবরাহের পুরো ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপ (চ্যানেল) থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, যাতে সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি পর্যায় শনাক্ত ও যাচাই করা যায়। কোনো অপারেটর, ফ্র্যাঞ্চাইজি বা ডিস্ট্রিবিউটরের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে ডিলারের পাওয়া এলপিজির পরিমাণে উল্লেখযোগ্য অসামঞ্জস্য দেখা দিলে তা আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে হবে।
সংগৃহীত তথ্যে যদি কোনো এলাকায় এলপিজির সরবরাহে অস্বাভাবিক ঘাটতি, সরবরাহ ব্যবস্থায় বিচ্যুতি অথবা অপারেটর থেকে ডিলার পর্যায় পর্যন্ত সরবরাহের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়, তাহলে তা জ্বালানি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, জেলা পর্যায় থেকে প্রাপ্ত তথ্য সমন্বয় করে এলপিজির অপারেটর থেকে ডিলার পর্যায় পর্যন্ত সরবরাহ ব্যবস্থার একটি সমন্বিত তথ্যভান্ডার তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে তদারক করা সম্ভব হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে দ্বিতীয় ধাপে মনোনীত শিক্ষার্থীদের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অনলাইনে ভর্তির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আগামী ১৫ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে নির্ধারিত লিংকে প্রবেশ করে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির একটি চিঠির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। দেশের সব সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষককে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক আগামী ১৫ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ওয়েবসাইটের প্যানেলে (কলেজের ইআইআইএন ও পাসওয়ার্ড দিয়ে) লগ-ইন করে কলেজে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই সাপেক্ষে অনলাইন ভর্তি সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ভর্তির ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে ক্লিক করুন এখানে
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বয়স ৭৪ বছর। তবুও তারুণ্যের উদ্যম ও দৌড়ের গতিতে যেন কোনো প্রতিযোগিতার প্রয়োজন পড়ে না। নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার আঞ্চলিক সড়ক ধরে ৪২ কিলোমিটার দৌড়াচ্ছেন খবির উদ্দিন খান। তার পেছনে বিভিন্ন বয়সের মানুষ ছুটছেন। কেউ তাকে ডাকছেন ‘দাদু’, আবার কেউ করতালি দিয়ে উৎসাহ জানাচ্ছেন। সড়কের দুই পাশে নারী, পুরুষ ও শিশুরা তাকে একনজর দেখার জন্য ভিড় করছেন। এভাবে সৃষ্টি হচ্ছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে রায়পুরা ম্যারাথনে এমন একটি ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখা যায়। ৭৪ বছর বয়সেও ৪২ কিলোমিটার পথ দৌড়ে পাড়ি দিয়ে তিনি অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও অধ্যবসায়ের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। এটি ছিল তার টানা তৃতীয়বারের মতো রায়পুরা ম্যারাথনে অংশগ্রহণ।
খবির উদ্দিন খানের কাছে বয়স যেন একটি সংখ্যা মাত্র। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে। ব্যবসার ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি শরীরচর্চার অংশ হিসেবে নিয়মিত দৌড়ান এবং বিভিন্ন দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে তিনি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। ব্যবসার পাশাপাশি শরীর ও মন ভালো রাখতে নিয়মিত দৌড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন এই প্রবীণ দৌড়বিদ।
খবির উদ্দিন খান বলেন, "সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকতে নিয়মিত দৌড়ানোর বিকল্প নেই।"
শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টায় রায়পুরা উপজেলা গেট থেকে ম্যারাথন শুরু হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন বকুল উদ্বোধন করেন।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা শহর থেকে আসা এক হাজার দৌড়বিদ এতে অংশ নেন। উপজেলা গেট থেকে দৌড় শুরু করে নরসিংদী-রায়পুরা আঞ্চলিক সড়ক ধরে হাসনাবাদ ১০ নম্বর সেতু পর্যন্ত যান তারা। সেখান থেকে ফিরে আবার উপজেলা গেটে এসে দৌড় শেষ করেন অংশগ্রহণকারীরা।
রায়পুরা উপজেলা প্রশাসন ও রায়পুরা রানার্স কমিউনিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই ম্যারাথনে চারটি ক্যাটাগরি ছিল। এর মধ্যে ৪২ কিলোমিটার ফুল ম্যারাথনে অংশ নেন ২৭০ জন, ২৫ কিলোমিটার দৌড়ে ২০০ জন, ১০ কিলোমিটার দৌড়ে ৪০০ জন এবং শিশুদের এক কিলোমিটার দৌড়ে অংশ নেয় ১৩০ জন।
প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন, "খবির উদ্দিন খান রায়পুরা ম্যারাথনের প্রাণ। তিনি পরপর তিনটি ম্যারাথনে অংশ নিয়েছেন। তার এই বয়সেও দৌড়ানোর উদ্যম অন্য সব দৌড়বিদের জন্য অনুপ্রেরণা।"
নিয়মিত দৌড় ও শরীরচর্চা মানুষকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণেও নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।" সুস্থ জীবনযাপনে অভ্যস্ত হতে এবং শারীরিক চর্চায় আগ্রহী হয়ে উঠতে যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ম্যারাথনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা, সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুরা-বেলাব সার্কেল) বায়েজিদ বিন মনসুর, ওয়াটসন গ্রুপের চেয়ারম্যান জান্নাতুল হক শাপলা, রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান এবং রায়পুরা রানার্স কমিউনিটির পরিচালক সবুজ শিকদার ও সাদেক হোসেন খোকা।
দৌড় শেষে চারটি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ও রানার্সআপদের হাতে মেডেল, সনদপত্র ও প্রাইজমানি তুলে দেওয়া হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা ও চট্টগ্রামের দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযান চালিয়ে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) ৭৩৩ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও সোনারবার এবং একটি আইফোন জব্দ করেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) এই অভিযানগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জব্দকৃত সোনা ও আইফোনের শুল্ককরসহ আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৩৯ লাখ ৪১ হাজার ১৬৭ টাকা।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে আসা একটি ফ্লাইটের যাত্রী ফাতেমা তুজ জোহরার ব্যাগেজ তল্লাশি করে ২৯৯ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও একটি আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স উদ্ধার করা হয়। এগুলো জব্দ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে আসা একটি ফ্লাইটে দুই যাত্রীর কাছ থেকে ৪৩৪ গ্রাম সোনা জব্দ করা হয়েছে।
অধিদপ্তর জানায়, চট্টগ্রামে আসা ফ্লাইটের যাত্রী তানবীর হাসানের জুতার ভেতরে ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়। তার দেহ তল্লাশি করে ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। একই ফ্লাইটে আসা অপর যাত্রী মো. হাবিবুর রহমানের ব্যাগেজ ও দেহ তল্লাশি করে ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি সোনার বার ও ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়। এগুলোও জব্দ করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, বিমানবন্দরগুলোতে স্বর্ণ ও উচ্চমূল্যের পণ্যের অবৈধ প্রবেশ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি, ঝুঁকিভিত্তিক যাত্রী শনাক্তকরণ এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রাজস্ব সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধের জন্য এ ধরনের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রোমানিয়ায় একটি ব্যতিক্রমী বিনোদনকেন্দ্র রয়েছে, যেখানে মাটির প্রায় ৪০০ ফুট গভীরে নাগরদোলা, মিনি-গলফ, বোলিং এবং ভূগর্ভস্থ হ্রদে নৌকাবিহার করা সম্ভব। এই কেন্দ্রটির নাম স্যালিনা তুরদা। একসময় যেখানে লবণ উত্তোলনের কাজ চলত, সেই স্থান এখন পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।
ট্রান্সিলভানিয়া অঞ্চলে অবস্থিত স্যালিনা তুরদা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন লবণ খনি হিসেবে পরিচিত। দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে এই খনি থেকে লবণ উত্তোলন করা হয়েছে। খননকাজের ফলে মাটির গভীরে বিশাল গুহা তৈরি হয়েছে, যা পরবর্তীতে আধুনিক বিনোদনকেন্দ্রে রূপান্তরিত হয়েছে।
খনির ভেতরে প্রবেশ করার সাথে সাথে দর্শনার্থীরা বিশাল লবণের দেয়াল এবং বিস্তৃত ভূগর্ভস্থ স্থান দেখতে পান। চারপাশের ব্যতিক্রমী পরিবেশ দর্শকদের একটি ভিন্ন জগতের অনুভূতি প্রদান করে। এই বিনোদনকেন্দ্রতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণ, যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০ ফুট নিচে অবস্থিত।
এখানে দর্শকদের জন্য ফেরিস হুইল বা নাগরদোলা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি, মিনি-গলফ এবং বোলিং খেলার সুযোগও রয়েছে। ভূগর্ভস্থ হ্রদে নৌকায় চড়ে ঘুরে দেখার সুযোগও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। ফলে ইতিহাস এবং প্রাকৃতিক ভূগর্ভস্থ পরিবেশের সঙ্গে বিনোদনের বিভিন্ন আয়োজন উপভোগ করতে পারেন তারা।
স্যালিনা তুরদায় পৌঁছাতে লিফট ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। দর্শনার্থীরা সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামার সুযোগও পান। খনির বিশাল গুহা, লবণের দেয়াল এবং ভূগর্ভস্থ হ্রদ মিলিয়ে পুরো স্থানটি এক অনন্য অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।
একসময় শ্রমিকদের ঘামঝরা পরিশ্রমে মুখর থাকা এই লবণ খনি এখন পর্যটনশিল্পের অন্যতম আকর্ষণ। পরিত্যক্ত শিল্পস্থাপনাকে কীভাবে নতুনভাবে ব্যবহার করে আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দেওয়া যায়, স্যালিনা তুরদা তার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। ইতিহাস, প্রকৃতি এবং আধুনিক বিনোদনের সমন্বয়ে রোমানিয়ার এই ভূগর্ভস্থ থিম পার্ক প্রতিনিয়ত ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করছে।
সূত্র: রিপলিস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ