বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৩ পি.এম
ভারতের অপরাধ বিষয়ক টিভি সিরিজ ‘ক্রাইম পেট্রোল’ দেখে সিরিয়াল কিলার হয়ে উঠেছেন আবদুল ওয়াদুদ ওরফে মানিক (২৪)। তিনজন অটোরিকশাচালককে খুন করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার নাথেরপেটুয়া এলাকার এই বাসিন্দা রিমান্ডে পুলিশকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাহিদুল ইসলাম সবুজ এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
আসামির সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের পর থেকে দাম্পত্য কলহের কারণে মানিক বিষণ্নতায় ভুগছিলেন। তার স্ত্রী প্রায়ই দেনমোহরের ৩০ লাখ টাকার জন্য চাপ দিতেন। এই অর্থ সংগ্রহের জন্য তিনি অটোরিকশা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মানিক অতিরিক্ত ভাড়ার লোভ দেখিয়ে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী কিশোর চালকদের নির্জন স্থানে নিয়ে যেতেন। এরপর তিনি সহযোগীদের নিয়ে তাদের মুখ ও হাত-পা বেঁধে মাথায় আঘাত করে হত্যা করতেন। নিহতদের অটোরিকশাগুলো কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করতেন মানিক।
এসআই নাহিদুল ইসলাম সবুজ মন্তব্য করেছেন, "আমার ধারণা, মানিক একজন সাইকো কিলার। কিশোর চালকদের হত্যা করে সে একধরনের পৈশাচিক আনন্দও পেত।"
তিনি আরও জানান, গত ২৪ জুলাই নিখোঁজ হন নাঙ্গলকোটের অটোরিকশাচালক আরমান। তার মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে মানিককে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেওয়ার পর আসামি তিন অটোচালককে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
এছাড়া, গত ১২ আগস্ট নাঙ্গলকোট থানার আটিয়াবাড়ি এলাকায় মো. মেহেদী (১৮) নামের এক অটোরিকশাচালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এরপর ২৪ আগস্ট নাঙ্গলকোটে অটোরিকশাচালক মো. আরমান হোসেন (১৫) নিখোঁজ হন। আরমানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পুলিশ মানিককে সহযোগীদের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করে।
জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে শাহজাহান ওরফে সাইমন (১৭) নামে এক কিশোরকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন মানিক।
পুলিশের দাবি, তিনটি হত্যাকাণ্ডের পেছনে অটোরিকশা ছিনতাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। তদন্তে উঠে এসেছে যে, মানিক অটোরিকশাচালকদের টার্গেট করে হত্যা ও অটোরিকশা ছিনতাই করতেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিঙ্গাপুর সরকার নাগরিকদের বই পড়ার জন্য উৎসাহিত করছে, যাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটানো বা ক্ষতিকর তথ্য স্ক্রল করার ‘ডুমস্ক্রলিং’ প্রবণতা কমানো যায়। ডিজিটাল আসক্তি থেকে নাগরিকদের ফিরিয়ে এনে বইয়ের প্রতি মনোযোগী করতে প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিনিট বই পড়ার বিনিময়ে অর্থ দেওয়ার একটি অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে দেশটির ন্যাশনাল লাইব্রেরি বোর্ড।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই উদ্যোগে অংশ নিতে পাঠকদের একটি নির্দিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইটে প্রতিদিনের বই পড়ার তথ্য ও সময় নথিভুক্ত করতে হবে। নাগরিকরা যদি প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিনিট বই পড়েন, তাহলে ২০টি ভার্চুয়াল পয়েন্ট বা কয়েন অর্জন করতে পারবেন। দিনে একটি পড়ার সেশন নথিভুক্ত করার সুযোগ থাকবে। ১ হাজার কয়েন জমা হলে নাগরিকরা ১ সিঙ্গাপুর ডলার (প্রায় ৮০ সেন্ট) পাবেন। অর্থাৎ, একটানা ৫০ দিন প্রতিদিন ১৫ মিনিট বই পড়লে ১ ডলার পাওয়া যাবে।
সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল লাইব্রেরি বোর্ডের প্রধান মেলিসা টাম জানান, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো ছোট ও সহজলভ্য পদক্ষেপের মাধ্যমে টেকসই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। দ্য স্ট্রেইটস টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "আমরা এমন এক যুগে বসবাস করছি, যেখানে বিপুল পরিমাণ তথ্যের ভিড়ে আমরা যেকোনো মুহূর্তে শত শত খবরের শিরোনাম স্ক্রল করতে পারি। কিন্তু ছোট ছোট চর্চা নিয়মিত করলেই তা স্থায়ী অভ্যাসে রূপ নেয়।" বাসে যাতায়াত, রাতে ঘুমানোর আগে বা দুপুরের খাবারের ফাঁকে দিনে অন্তত ১৫ মিনিট বই পড়ার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
এই পদক্ষেপ মূলত তরুণদের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব ও মানসিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানোর জন্য নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় ডুমস্ক্রলিং এবং অ্যাপের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তিকে তরুণদের মানসিক অবসাদের বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর আগে নাগরিকদের শারীরিক সুস্থতায় হাঁটার অভ্যাস গড়তে সুপারমার্কেটের ভাউচারসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করেছে সিঙ্গাপুর সরকার।
এদিকে নাগরিকদের বই পড়ার অভ্যাস গড়তে সরকারের এই নতুন পদক্ষেপ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে দেশটির শিক্ষার্থীরা শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে। ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী মূল্যায়ন কর্মসূচির (পিআইএসএ) তথ্য অনুযায়ী, ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের বই পড়ার ও তথ্য বোঝার দক্ষতায় বিশ্বের মধ্যে শীর্ষ স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুরের শিক্ষার্থীরা। এই তালিকায় তারা চীন ও তাইওয়ানকে পেছনে ফেলে প্রথম অবস্থান অর্জন করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে এক শিশুকে মুদি দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে হাবিবুর রহমান পাটওয়ারী, যিনি হাবু নামে পরিচিত (৭১) নামে এক মুদি দোকানির বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করেছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি অভিযুক্তের দোকানের সামনে খেলছিল। সেই সময় চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে তাকে দোকানের ভেতরে ডেকে নেওয়া হয়। পরে দোকানের শাটার বন্ধ করে শিশুটির ওপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়। স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে অভিযুক্তকে আটক করেন। পরে তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
ভুক্তভোগী শিশুর নানা বুধবার রাতে ফরিদগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ বলেন, "ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান পাটওয়ারী ওরফে হাবুকে স্থানীয়দের সহায়তায় আটক করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।"
ঘটনার শিকার শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ক্লাবের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচিতে ঔষধি, ফুল ও ফলের বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ করা হচ্ছে। আগামীকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে এই দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে ‘গিভ অ্যান্ড টেক সেশন-৪’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য উল্লেখ করেন, "পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। আমি এই অনুষ্ঠানের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে আনার পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমও চলমান রাখতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে অনেক গাছ লাগানো হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।"
এক শিক্ষার্থী গাছ নেওয়ার সময় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, "ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতল জমা দিয়ে গাছের চারা নেওয়ার উদ্যোগটি খুবই ভালো লেগেছে। এতে একদিকে প্লাস্টিকের সঠিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন হওয়া যাচ্ছে, অন্যদিকে নিজের হাতে একটি গাছ লাগানোর সুযোগও তৈরি হচ্ছে।"
ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ক্লাবের সভাপতি আসিফ মাহমুদ জানান, "আমাদের উদ্দেশ্য হলো মানুষকে প্লাস্টিক ব্যবহারের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করা। একই সঙ্গে গাছের চারা বিতরণের মাধ্যমে পরিবেশের জন্য বৃক্ষের গুরুত্ব তুলে ধরা। বৈশ্বিক উষ্ণতা মোকাবিলায় কার্বন সিকোয়েস্ট্রেশনের জন্য বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতেই আমাদের এ উদ্যোগ। গত বছরের আয়োজনে আমরা ১৫ শতাধিক গাছের চারা বিতরণ করেছিলাম। এবার দুই হাজারের অধিক চারা বিতরণের আশা করছি।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ফিজিতে এইচআইভি (হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস) সংক্রমণের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে, যার ফলে দেশটিতে জাতীয় স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানে, ফিজিতে প্রতি ৬০ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে রয়েছেন। সরকার এই পরিস্থিতিকে ‘মহামারি’ হিসেবে চিহ্নিত করে দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ফিজির স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা মন্ত্রী ড. রাতু আন্তোনিও লালাবালাভু এই জরুরি অবস্থা ঘোষণার কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, সাধারণ প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। মহামারির প্রকৃতি বিবেচনা করে জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফিজিতে প্রতি ৬০ জন প্রাপ্তবয়স্কের একজন এবং প্রতি ৫০ জন গর্ভবতী নারীর একজন এইচআইভিতে আক্রান্ত রয়েছেন। অথচ পাঁচ বছর আগে এই হার ছিল প্রতি ১৬৭ জনে একজন। ২০২৫ সালের মধ্যে ফিজিতে নতুন করে অন্তত ২ হাজার ৬০ জনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে।
জাতিসংঘের এইডসবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইডসের তথ্য অনুযায়ী, ১০ লাখেরও কম জনসংখ্যার দেশ ফিজিতে ২০১০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে নতুন এইচআইভি সংক্রমণের হার প্রায় ১২ গুণ বেড়েছে। সংস্থাটি জানায়, বর্তমানে নতুন সংক্রমণ দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া দেশগুলোর মধ্যে ফিজি শীর্ষে রয়েছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মাদক পাচারের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া এবং অনিরাপদ ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণের প্রবণতা ফিজিতে এইডস ছড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ। স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব, সামাজিক কলঙ্কের ভয় এবং যথাযথ পরীক্ষা ও চিকিৎসার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ইউএনএইডসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফিজিতে আক্রান্তদের ৫০ শতাংশের বেশি যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে এবং ৪২ শতাংশের বেশি ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণের ফলে সংক্রমিত হয়েছেন। ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটিতে আনুমানিক ৯ হাজার ১০০ জন এইচআইভি আক্রান্ত রোগী থাকলেও, তাদের মাত্র ৩৯ শতাংশ নিজেদের সংক্রমণের বিষয়ে অবহিত ছিলেন এবং মাত্র ২২ শতাংশ নিয়মিত অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল চিকিৎসা পাচ্ছিলেন।
ফিজির এই পদক্ষেপের বিষয়ে ইউএনএইডসের নির্বাহী পরিচালক উইনি বিয়ানইমা মন্তব্য করেন, ফিজির বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্বের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা যে এইডস মহামারি এখনও শেষ হয়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ