সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২১ পি.এম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিমন্স বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল-ফ্রি স্কলারশিপ প্রদান করছে। কোটজেন স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের এই স্কলারশিপ দেওয়া হবে।
বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
কোটজেন স্কলারশিপের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল দক্ষতা উন্নয়ন করা। সিমন্স ইউনিভার্সিটি ১৮৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়। জন সিমন্স নামক পোশাক প্রস্তুতকারক এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৮ সালে এটি কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।
সুযোগ-সুবিধাসমূহ
• সম্পূর্ণ টিউশন ফি প্রদান করা হবে।
• বিনামূল্যে একটি রুম সুবিধা দেওয়া হবে।
• ৩ হাজার ডলার উপবৃত্তি প্রদান করা হবে।
• স্কলারশিপের মেয়াদ ৪ বছর।
আবেদনের যোগ্যতা
• উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ হতে হবে।
• একাডেমিক ফলাফল সন্তোষজনক হতে হবে।
• মেধার ভিত্তিতে এই স্কলারশিপ প্রদান করা হবে, যার জন্য ন্যূনতম ৩.৩ সিজিপিএ বজায় রাখতে হবে।
• আইইএলটিএস এবং টোয়েফল স্কোর জমা দিতে হবে।
আবেদনের শেষ সময়: ১ ডিসেম্বর, ২০২৬।
আবেদনের প্রক্রিয়া: আবেদন করতে হবে অনলাইনে। আবেদন করতে বিস্তারিত জানুন এখানে ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারত ও মিয়ানমার থেকে আমদানি করা ইলিশ বর্তমানে দেশের বাজারে উচ্চ মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। আমদানিকারকদের হিসাব অনুযায়ী, ভারত থেকে আমদানি করা ইলিশের কেজির মোট খরচ প্রায় ৫১৪ টাকা। কিন্তু বেনাপোলের বাজারে এই ইলিশের দাম ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা কেজি পর্যন্ত উঠেছে।
অভিযোগ উঠেছে যে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ভারত ও মিয়ানমার থেকে আসা ইলিশকে পদ্মা, চাঁদপুর, বরিশাল বা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ইলিশ হিসেবে বিক্রি করছেন। এর ফলে ক্রেতারা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।
কাস্টমস ও ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৭ কেজি ইলিশ আমদানি করা হয়েছে। জুলাই মাসে ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি এবং আগস্ট মাসে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজি ইলিশ আমদানি হয়েছে।
এই দুই মাসে আমদানি করা ইলিশের মোট মূল্য ৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা হিসেবে দেখানো হয়েছে। জুলাইয়ে আমদানি মূল্য ছিল ৩৫ লাখ ৪৮ হাজার ৭৯৬ টাকা এবং আগস্টে ৬ কোটি ৫৭ লাখ ৪৫ হাজার ৭১৪ টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ফেমাস ট্রেডার্স, সততা ফিস ফিড, শরীফ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, স্বর্ণালী ইন্টারন্যাশনাল, রাব্বি এন্টারপ্রাইজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এসব ইলিশ আমদানি করেছে।
আমদানিকারকদের তথ্য অনুযায়ী, এলসির মাধ্যমে ভারত থেকে আমদানি করা ইলিশের কেজির মূল্য প্রায় ২৫২ টাকা। সরকারি শুল্ক ১৬২ টাকা এবং অন্যান্য খরচ যোগ করলে কেজিপ্রতি মোট খরচ প্রায় ৫১৪ টাকা দাঁড়ায়। কিন্তু বাজারে সেই মাছের দাম প্রায় তিন গুণ বেশি।
ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, ভারত ও মিয়ানমার থেকে আসা ইলিশ দেখতে দেশি ইলিশের মতো হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের পক্ষে পার্থক্য বোঝা কঠিন। রান্নার পর স্বাদ ও গন্ধে পার্থক্য বোঝা যায় বলে অনেক ক্রেতা দাবি করছেন।
বেনাপোল স্থলবন্দর ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয়ের পরিদর্শক আশওয়াদুল আলম জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৭ কেজি ইলিশ আমদানি হয়েছে। এসব মাছ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কোয়ারেন্টাইন সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আসা ইলিশ ভারতীয়। অন্যদিকে, মিয়ানমার থেকে আমদানি করা ইলিশ সাধারণত চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করে।
এদিকে, গত ২২ জুলাই বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সাদা মাছের ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা ১২ কার্টনে প্রায় ৩৬০ কেজি ভারতীয় ইলিশ জব্দ করে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
ক্রেতা রেজা জানিয়েছেন, তিনি দেশি ইলিশ মনে করে একটি মাছ কিনেছিলেন। পরে রান্না করে খাওয়ার পর স্বাদ ও গন্ধে পার্থক্য বুঝতে পারেন। তার মতে, দেখতে একই রকম হওয়ায় বিদেশি ও দেশি ইলিশ আলাদা করা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কঠিন।
আরেক ক্রেতা মিশুর অভিযোগ, কখনও চাঁদপুর, কখনও বরিশাল কিংবা চট্টগ্রামের ইলিশের পরিচয়ে বিদেশি মাছ বিক্রি করা হচ্ছে। এভাবে চড়া দামে মাছ বিক্রি করে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে।
বাজারের ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১ কেজি ২০০ থেকে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের দেশি ইলিশ প্রতি কেজি ৩ হাজার ৩০০ থেকে ৩ হাজার ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একই আকারের কথিত ভারতীয় ও মিয়ানমারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, কম দামে বড় আকারের বিদেশি ইলিশ বাজারে আসায় দেশি ইলিশের বিক্রি কমেছে। এর ফলে দেশি ইলিশ ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
আমদানিকারকদের কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, তারা সরকারি নিয়ম মেনে এলসির মাধ্যমে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করেছেন এবং শুল্ক পরিশোধ করেছেন। আমদানির পর আড়তদারদের কাছে মাছ বিক্রি করেন তারা। এরপর বাজারে কীভাবে মাছ বিক্রি হচ্ছে, সেটি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
ক্রেতাদের দাবি, বিদেশি ইলিশকে দেশি ইলিশের নামে বিক্রি ঠেকাতে বাজারে নিয়মিত নজরদারি বাড়াতে হবে। পাশাপাশি মাছের প্রকৃত উৎস ও আমদানির বৈধতা যাচাই করে প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া এলাকায় ১১টি ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত গ্রাম পুলিশদের দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা এবং কর্মতৎপরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০টি বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে গ্রাম পুলিশদের হাতে বাইসাইকেলগুলো তুলে দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ। অনুষ্ঠানে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আতাউর রাব্বি, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন, গ্রাম পুলিশ ও দফাদাররা তৃণমূল পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। বাইসাইকেলগুলো তাদের চলাচলকে সহজ করবে, যা গ্রামীণ এলাকায় সরকারি সেবা ও আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু করে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নিজস্ব কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন।
এই কমিশনার পরিকল্পনার বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেন, "আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।" তিনি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করবে কমিশন।
বিদ্যমান আইনি কাঠামোর বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট বার্তা দেন। আইন সংশোধনের বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি উল্লেখ করেন, "যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আইনের নতুন কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন না আসে, তবে বর্তমান ও বিদ্যমান আইনের ওপর ভিত্তি করেই কমিশন নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করবে।" তিনি আশ্বাস দেন যে, এতে নির্ধারিত সময়ে ভোট অনুষ্ঠানে কোনো আইনি বা কার্যগত জটিলতা থাকবে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের পথে যাবে না।
তিনি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ বিষয়টি তুলে ধরেন।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, "সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের পথে যাবে না সরকার। প্রয়োজনে প্রচলিত আইনকে আরও শক্তিশালী করা হবে।"
তিনি উল্লেখ করেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে মাদক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, "বর্ডারের ওপারে বসে ইয়াবা চোরা কারবারিরা পরিকল্পনা করছে। ড্রোনের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় মাদক পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।" আইনমন্ত্রী জানান, মাদক এখন আর শুধুমাত্র খুলনার সমস্যা নয়। তিনি বলেন, "সে কারণে সারাদেশে ডোপ টেস্টের ওপরে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।"
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনার বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য, বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ সুপার, কেসিসি ও জেলা পরিষদ প্রশাসকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় খুলনার আইনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তাসহ সন্ত্রাস দমনের বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ