ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শাকিরা মেসির সব সাফল্যের কৃতিত্ব রোকুজ্জোকে দিলেন


শাকিরা মেসির সব সাফল্যের কৃতিত্ব রোকুজ্জোকে দিলেন

ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ এবং কলম্বিয়ান পপস্টার শাকিরা পরস্পরের পরিপূরক বলে মনে করা যায়। ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা আসর থেকে, প্রতি বার বিশ্বকাপ এলে শাকিরার কয়েকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় গান ফুটবলভক্তদেরকে আন্দোলিত করে। এবারে বিশ্বকাপ ফাইনালে তার সঙ্গীত পরিবেশনা রাখা হয়েছে।

তার আগে, টুর্নামেন্টের ফাইনালিস্ট আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসির প্রতি প্রশংসা জানিয়েছেন শাকিরা। ৪৯ বছর বয়সী এই গায়িকা নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি স্টোরিতে মেসির প্রশংসা করেন।

শাকিরা উল্লেখ করেন, লিওনেল মেসি যা করছেন তা সত্যিই বিস্ময়কর। এটি এমন একজন মানুষের মূল্যবোধকে প্রকাশ করে যিনি অত্যন্ত নিষ্ঠাবান এবং সুশৃঙ্খল। তিনি সময় ও প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। একইসাথে, এটিও প্রমাণ করে যে, বয়স বা অন্যদের কথায় কখনোই মানুষের পরিচয় নির্ধারিত হয় না।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

শাকিরা আরও বলেন, বয়স ৩৯ হলেও মেসি এখনো ফুটবল মাঠে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। তিনি টানা বিশ্বকাপের খুব কাছে রয়েছেন। শাকিরা তার এই সাফল্যের কৃতিত্ব তার স্ত্রী অ্যান্তোনেল্লা রোকুজ্জোকে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি জানি অ্যান্তোনেল্লা রোকুজ্জোর মতো নারীর পাশে থাকা মানে নিজেকে প্রমাণ করতে শক্তি ও প্রেরণা পাওয়া।’ শাকিরার এই মন্তব্যের পর রোকুজ্জো ভালোবাসা ও ভাবাবেগ-অশ্রুসিক্ত ইমোজি দিয়ে নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন।

এছাড়া, বিশ্বকাপ ফাইনালের সাংস্কৃতিক আয়োজনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে শাকিরা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আগামী ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের এই হাফটাইম শো হবে ‘একেবারে ঐতিহাসিক’। যেখানে তার সঙ্গে পারফর্ম করতে আসবেন জাস্টিন বিবার, পপ আইকন ম্যাডোনা, কোরিয়ান ব্যান্ড বিটিএস এবং কোল্ডপ্লে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৮ জুলাই, ফারহান ফাইয়াজ: যে স্বপ্ন থেমে গেল জুলাইয়ের বুলেটে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫২ পি.এম


১৮ জুলাই, ফারহান ফাইয়াজ: যে স্বপ্ন থেমে গেল জুলাইয়ের বুলেটে

২০২৪ সালের ১৮ জুলাই, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়, রাজধানী ঢাকা ধানমন্ডির এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ফারহানুল ইসলাম ভূঁইয়া (ফারহান ফাইয়াজ-১৭)। তিনি সাধারণ জনগণের কাছে ফারহান ফাইয়াজ নামে পরিচিত। জুলাই আন্দোলনের অন্যতম কনিষ্ঠ শহীদ হিসেবে আজ তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন।

আন্দোলনে তার আত্মত্যাগের স্মৃতি রক্ষার উদ্দেশ্যে, রাজধানীর ধানমন্ডির পুরোনো ২৭ নম্বর সড়কের নাম পরিবর্তন করে শহীদ ফারহান ফাইয়াজ সড়ক রাখা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এই সড়কের নামফলক উন্মোচন করেছে। এছাড়া, জাতীয় সংসদ ভবনের পশ্চিম পাশে শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য নির্মিত শহীদ ফারহান ফাইয়াজ খেলার মাঠ উদ্বোধন করা হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে মাঠটি চালু করার পরিকল্পনা হয়েছে।

১৭ বছর বয়সী ফারহান ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ২০২৫ সালে তার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার পরিবারের সদস্যদের লোকমouth অনুযায়ী, তিনি গবেষণামূলক কাজ করতে আগ্রহী ছিলেন। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়ে পরে দেশে ফিরে দেশের জন্য কাজ করার স্বপ্ন দেখতেন।

জানা গেছে, ১৮ জুলাই সকালে ফারহান বন্ধুরা সহ আন্দোলনে যোগ দিতে ধানমন্ডিতে গিয়েছিলেন। দুপুরের পরে, ধানমন্ডির পুরোনো ২৭ নম্বর সড়কের রাপা প্লাজা ও জেনেটিক প্লাজার মাঝামাঝি এলাকায় গুলি করার শিকার হন তিনি। সহপাঠীরা তাকে হাসপাতালে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তা করতে করতে পথেই তার মৃত্যু ঘটে।

ফারহানের মৃত্যুর পর তার পরিবার গভীর শোকে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তার বাবা শহিদুল ইসলাম সে সময় মন্তব্য করেন, নিজেদের সুখের সংসারটি থমকে গেছে ছেলেকে হারিয়ে। তাঁর মা ফারহানা দিবা বলেন, তিনি হত্যার বিচার চান। বোন সায়ীমা ইসলামও ভাইকে হারিয়ে তার কষ্টের কথা প্রকাশ করে।

বন্ধুদের কাছে ফারহান ছিলেন প্রাণবন্ত, নেতৃত্বের গুণসম্পন্ন এবং সকলের প্রিয় একজন মানুষ। সহপাঠীরা জানান, পড়াশোনা ছাড়াও বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে তিনি সক্রিয় ছিলেন। তিনি বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে পছন্দ করতেন, নতুন কিছু শিখতে চাইতেন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখতেন।

ফারহান ফাইয়াজের স্বপ্ন ছিল এমন একটি জীবন গড়া, যা মৃত্যুর পরও মানুষ মনে রাখবে। মৃত্যুর আগে, নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বায়োতে তিনি জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আভিচির ‘দ্য নাইটস’ গানের একটি লাইন উল্লেখ করেছিলেন— "একদিন এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে, তাই এমন জীবন গড়ো, যা মানুষ মনে রাখবে।"

তার আত্মত্যাগের পর অনেকেই বলেছেন, ফারহান যেন বাস্তবে সেই কথাই প্রমাণ করে গেছেন।

এদিকে, ফারহান ফাইয়াজ হত্যার ঘটনায়, তার বাবা শহিদুল ইসলাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় শেখ হাসিনাসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা ও গণহত্যার অভিযোগ আনা করেছেন। অভিযোগে তৎকালীন সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, রাজনৈতিক নেতা এবং পুলিশ কর্মকর্তার নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ফারহান ফাইয়াজের আত্মত্যাগ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণ করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, তার স্মৃতিতে নামকরণ করা সড়ক ও খেলার মাঠ নতুন প্রজন্মের কাছে তার অবদান সম্পর্কে সচেতন করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কে ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের আক্রমণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ পি.এম


তুরস্কে ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের আক্রমণ

তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি প্রদেশে শনিবার সকালে ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আক্রমণ করেছে। তবে এই ভূমিকম্পের ফলে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (আফাদ)।

আফাদ জানায়, ‘মালাতিয়া প্রদেশের বাত্তালগাজি জেলায় স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ২০ মিনিটে আঘাত হানা ভূমিকম্পের ফলে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।’

এছাড়া, খবর সূত্র হিসেবে বার্তা সংস্থা এএফপি’র উল্লেখ রয়েছে। সংস্থাটি আরও জানায়, ভূমিকম্পটি মালাতিয়া, এলাজিগ, আদিয়ামান, তুনজেলি ও শানলিউরফা প্রদেশে অনুভূত হয়েছে। উদ্ধার এবং তদারকি দলগুলো মাঠপর্যায়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

তুরস্ক ভূমিকম্পপ্রবণ একটি দেশ হিসেবে পরিচিত। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের নিচ দিয়ে একাধিক ভূতাত্ত্বিক ফল্ট লাইন বা ফাটল রেখা রয়েছে, যা অতীতে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবেশবান্ধব কলম ও খাতা তৈরি করে সুনাম কুড়িয়েছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শরিফুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৮ পি.এম


পরিবেশবান্ধব কলম ও খাতা তৈরি করে সুনাম কুড়িয়েছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শরিফুল

গাইবান্ধা, ১৮ জুলাই, ২০২৬ : কথায় আছে ইচ্ছা থাকলে সবই সম্ভব। এরই এক জ্বলন্ত উদাহরণ হলো ত্রিশ বছর বয়সী গাইবান্ধার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শরিফুল ইসলাম। তিনি প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে পরিবেশবান্ধব কাগজের কলম তৈরি করে এলাকায় ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন। তার তৈরি করা বিশেষ এই কলম স্থানীয় এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর ফলে তার আয়ও হচ্ছে ভালো। গাইবান্ধা শহর থেকে দুই কিলোমিটার দূরে বোয়ালী ইউনিয়নের উত্তর ফলিয়া গ্রামে শরিফুল ইসলামের বাড়ি অবস্থিত।

সরেজমিনে শরিফুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ছোট একটি উঠানে বসে কাগজের কলম তৈরি করছেন তিনি। জন্মগতভাবে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হলেও দু’হাতের ছোঁয়ায় মুহূর্তের মধ্যে একেকটি কলম তৈরি করে ফেলছেন। যা যে কারো নজর কাড়ার মতো। তার বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। করোনার সময়ে তার ব্যবসায় ধস নামিয়ে পুঁজি হারান, ফলে তিনি পথে বসার মতো অবস্থায় পৌঁছান। ওই সময়ে নিজের খরচ চালানোর জন্য ২০২৩ সালে তিনি কলম ও খাতা তৈরি শুরু করেন। শুরুর দিকে তার জন্য এটি মোটেও সহজ ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের সহযোগিতায় প্রথম কলম ও খাতা তৈরি শুরু করেন। পরবর্তীতে আস্তে আস্তে শিক্ষার্থীদের মাঝে তার এই পরিবেশবান্ধব কলম খাতা সাড়া ফেলে।

শরিফুল প্রতিবন্ধী হয়ে বসে থাকেননি। প্রতি মাসে গড়ে ১ হাজার কলম ও ৫শ’ খাতা পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করেন। তিনি খাতা বিক্রি করেন ২০ থেকে ৪০ টাকায়। প্রতিটি কলমের দাম ১০ টাকা। পূর্বে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তার কলম খাতা অর্ডারের মাধ্যমে গেলেও বর্তমানে শহর থেকে ১ কিলোমিটার দূরে পুলবন্দি বাজারে তিনি ছোট একটি দোকান ভাড়া নিয়েছেন। সেখানেই ব্যবসার প্রচার ও তার তৈরি পরিবেশবান্ধব কলম খাতা বিক্রি করছেন।

দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও শরিফুল গাইবান্ধা ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৫ সালে এসএসসি এবং ২০১৭ সালে গাইবান্ধা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। তিনি উচ্চ শিক্ষার জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি যুদ্ধে চান্স পান এবং সেখান থেকে ২০২৩ সালে সমাজতত্ত্বে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ২০২৫ সালে একই বিষয়ে তিনি স্নাতকোত্তর শেষ করেন।

কলম তৈরির প্রক্রিয়াটি বেশ সহজ। প্রথমে বিভিন্ন রঙের কাগজের মধ্যে কালির শীষ পেঁচিয়ে আঠা দিয়ে ভালোভাবে মুড়ে দেওয়া হয়। সবশেষে, কলমটিকে রোদে শুকিয়ে শক্ত করা হয়। এইভাবে তৈরি হয় পরিবেশবান্ধব কাগজের কলম। বর্তমানে তার তৈরি করা পরিবেশবান্ধব কলম এলাকায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। শরিফুল ইসলাম সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের উত্তর ফলিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান বাসস’কে বলেন, "শরিফুল ইসলাম আমাদের জীবনে বাস্তব এক জ্বলন্ত উদাহরণ। তিনি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়েও সব বাঁধা পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা শেষ করেছেন। অন্যের ওপর নির্ভর না করেও তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা হয়ে উঠেছেন। অনেকেই পড়াশুনা শেষ করে বাড়িতে বসে থাকেন। কিন্তু শরিফুল প্রতিবন্ধকতা জয় করে জীবনের এই যুদ্ধ করে যাচ্ছেন। আমি আশা করছি যে একদিন তিনি দেশের সফল উদ্যোক্তা হবেন।"

কলেজ শিক্ষক হারুন অর-রশিদ বাসস’কে বলেন, "শরিফুল এলাকার একজন খুব নম্রভদ্র ছেলে। তিনি একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সত্ত্বেও দেশের বোঝা না হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, এটি গর্ব করার মতো।"

এ বিষয়ে উদ্যোক্তা শরিফুল ইসলাম বাসস’কে বলেন, "প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। যেহেতু আমি একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করেছি, তাই কোমলমতি শিক্ষার্থী ও পরিবেশের কথা চিন্তা করেই পরিবেশবান্ধব কলম খাতা তৈরির উদ্যোগ নিই। এসব বিক্রি করেই হাত খরচ চলাতে পারি। কিছু টাকা জমও করছি ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর জন্য।"

তিনি আরও বলেন, "কোনভাবে আর্থিক সহায়তা পেলে নিজের তৈরি শিল্পকে আরও বড় পরিসরে গড়ে তোলার চিন্তা আছে আমার।"

গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক বাসস’কে বলেন, "শরিফুল ইসলামের ব্যবসার উন্নতির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যত ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া যায়, সেগুলো তাকে দেওয়া হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাপের কামড়ের চিকিৎসায় আমেরিকান ব্যক্তির বিল ১৫ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


সাপের কামড়ের চিকিৎসায় আমেরিকান ব্যক্তির বিল ১৫ কোটি টাকা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বিষধর র‍্যাটলস্নেকের কামড়ের শিকার হওয়া এক ব্যক্তি অলৌকিকভাবে ফিরে আসেন। কিন্তু হাসপাতাল থেকে পাওয়া এক আকাশচুম্বী মেডিকেল বিল দেখে তিনি রীতিমতো স্তম্ভিত হয়ে যান।

ক্রিস হাওয়ার্থ নামক ওই ব্যক্তি সাপের বিষ থেকে বাঁচতে চিকিৎসকেরা তাকে মোট ৫৪ ডোজ অ্যান্টি-ভেনম প্রদান করেন, এর ফলে তার মোট চিকিৎসার খরচ দাঁড়ায় ১.৩ মিলিয়ন ডলার বা ১৩ লাখ মার্কিন ডলার (যা বাংলাদেশি টাকায় ১৫ কোটি টাকারও বেশি)। সাপের বিষের জটিল প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ায় তাকে একটি হাসপাতালের পুরো অ্যান্টি-ভেনম শেষ হয়ে যাওয়ার পর হেলিকপ্টারের মাধ্যমে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হয়।

ঘটনাটি ঘটেছিল যখন ক্রিস আইডাহো থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার ওরোভিলে তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গেছিলেন। এক বৃষ্টির দিনে মায়ের বাগানে হাঁটার সময় তিনি অসাবধানতাবশত একটি বিষধর র‍্যাটলস্নেকের ওপর পা দিয়ে ফেলেন। প্রথমদিকে সাপের কামড়কে গাছের কাঁটার আঘাত ভেবে ভুল করলেও, কিছুক্ষণ পর তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, জিহ্বা অবশ হয়ে যায় এবং লিম্ফ নোড ফুলে ওঠে।

পরিস্থিতি সংকটাপন্ন হলে ক্রিসের স্ত্রী জেনি হাওয়ার্থ দ্রুত তাকে ওরোবিলের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ৩৬টি অ্যান্টি-ভেনমের ভায়াল দেওয়ার পরে হাসপাতালের সম্পূর্ণ স্টক শেষ হয়ে যায়। এরপর তাকে জরুরি অবস্থায় হেলিকপ্টারে স্ট্যানফোর্ড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে চিকিৎসকদের জীবন বাঁচাতে আরও ১৮টি ভায়াল অ্যান্টি-ভেনম দিতে হয়।

ক্রিসের স্ত্রী জেনি ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্মে জানান, প্রতিটি অ্যান্টি-ভেনম ভায়ালের দাম ১৩ হাজার ডলার ছিল এবং স্ট্যানফোর্ড হাসপাতালে প্রতি রাতের খরচ ৬১ হাজার ডলার। এত বিপুল অ্যান্টি-ভেনম, রক্ত সঞ্চালন, সিটি স্ক্যান এবং অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার কারণে বিলটি এত বিশাল অঙ্কে পৌঁছে।

জেনি জানান, তাদের ইন্স্যুরেন্স বা স্বাস্থ্যবীমা এই বিলের একটি অংশ বহন করবে এবং ১৩ লাখ ডলারের হিসাবটি বিমার টাকা বাদ দেওয়ার আগের। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ক্রিসের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হয়ে উঠেছিল এবং তার শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার জটিল রোগ 'ডিআইসি' (Disseminated Intravascular Coagulation) দেখা দিয়েছিল, যা পুরো পরিবারের জন্য অত্যন্ত ভীতিকর ছিল।

২৬ মে থেকে ক্রিস কর্মক্ষেত্রে যেতে পারছেন না এবং তার সমস্ত ছুটি শেষ হয়ে গেছে। গত সাত সপ্তাহ ধরে তাদের পরিবারে কোনো বেতন আসছে না এবং সামনে এত বড় মেডিকেল বিল রয়েছে, তাই তারা চরম মানসিক এবং আর্থিক দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। বর্তমানে ক্রিস প্রায় ৮০ শতাংশ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও এখনো পা ফোলা এবং তীব্র ক্লান্তির মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভুগছেন।

এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য তাদের পরিবারকে সাহায্য করতে স্থানীয় মানুষ এগিয়ে এসেছেন এবং একটি তহবিল গঠনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ১০ হাজার ডলারেরও বেশি অর্থ সংগৃহীত হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%