বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৬ পি.এম
রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১০ এলাকায় ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রশাসনের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়েছে অবৈধ হকার ও দখলদাররা। এ সময় ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এই ঘটনার জন্য ফ্যাসিবাদের দোসরদের দায়ী করেছেন।
তিনি ঘোষণা করেছেন যে, ঢাকার ফুটপাত উদ্ধার করার প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানে হামলা ও সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
মো. শফিকুল ইসলাম খান উল্লেখ করেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার কর্মসূচি চলমান থাকবে। উচ্ছেদ অভিযানের সময় ফুটপাত দখল করে রাখা ফ্যাসিবাদের দোসরদের প্ররোচনায় সিটি করপোরেশনের পরিবহন, সাংবাদিক এবং কিছু পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হামলাকারীরা স্থানীয় সাধারণ জনগণের প্রতিরোধের মুখে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। ফুটপাত উদ্ধার করার কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে যাতে নগরবাসী নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে।
ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, উচ্ছেদ অভিযানের সময় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুন লাগার পর সিটি করপোরেশনের তিনটি ময়লার গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভেকু ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। সাংবাদিকরাও নির্যাতিত হয়েছেন। পরিকল্পিতভাবে মসজিদে অগ্নিসংযোগ করে অরাজকতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। পুলিশের পক্ষ থেকে এবং ডিএনসিসির পক্ষ থেকেও মামলা করা হবে। তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে অনেককে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, জনগণের চাহিদা অনুযায়ী ফুটপাত দখলমুক্ত করার কাজ করা হচ্ছে এবং এটি সিটি করপোরেশনের নৈতিক দায়িত্ব। মিরপুরের সাধারণ মানুষ ফুটপাত দখলমুক্ত চায়—আজকের ঘটনায় সেটি প্রমাণিত হয়েছে। ভবিষ্যতে কারও ইন্ধনে ফুটপাত দখলের চেষ্টা করা হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিএনসিসির প্রশাসক বলেন, আমি মিরপুরের সন্তান এবং এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত। ফুটপাত দখলের মতো কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ চলবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়কে (পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে) উল্টো পথে আসা মোটরসাইকেল থামানোর চেষ্টা করার সময় কর্তব্যরত এক ট্রাফিক সার্জেন্ট অসদাচরণের শিকার হন দুই আরোহীর দ্বারা। এই ঘটনার জন্য বিজ্ঞ আদালত তাদের প্রত্যেককে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মোসা. স্বপ্না (২৭) এবং মাহফুজুর রহমান অন্তর্ভুক্ত আছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ের একটি পয়েন্টে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করে উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন তারা। এ সময় সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্ট তাদের মোটরসাইকেল থামানোর সংকেত দেন। মোটরসাইকেলটি থামানোর পর সার্জেন্ট উল্টো পথে চলাচলের কারণ জানতে চান এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নেন।
এ সময় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী কর্তব্যরত সার্জেন্টের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে, মোটরসাইকেলের নারী আরোহী উত্তেজিতভাবে সার্জেন্টের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাকে লক্ষ্য করে তেড়ে যাওয়ার মতো আচরণ করেন। এর ফলে দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্টকে বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়।
পরে, সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে প্রকাশ্যে অসদাচরণ ও তাকে হেনস্তা করার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। এরপর স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করার পর বিজ্ঞ আদালত তাদের প্রত্যেককে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেন ভিউতে অবস্থিত গুগলের সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশের মন্ত্রীপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল।
পরিদর্শনের সময়, প্রতিনিধিদল গুগলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল দক্ষতা, ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেলের উদ্যোগে গত সোমবার প্রতিনিধিদল গুগলের সদর দপ্তর পরিদর্শন করে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-২ কামরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব-১ জাহিদুল ইসলাম রনি।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল কাজী মুহাম্মদ জাভেদ ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, গুগলের পক্ষে বৈঠকটি পরিচালনা করেন ‘গুগল ফর এডুকেশন’-এর স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড অপারেশন্স বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট দিব্যা জানি। এতে গুগলের একদল বিশেষজ্ঞও অংশ নেন।
বৈঠকে ‘গুগল ফর এডুকেশন’-এর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের মাধ্যমে কীভাবে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন, শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়ন করা যায়, তা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করেছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থাটি দেশের সব ব্যাংকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে। বিএফআইইউ’র একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বিএফআইইউর পাঠানো ই-মেইল বার্তায় সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য, হিসাব খোলার ফরম (এওএফ), গ্রাহকের পরিচিতি-সংক্রান্ত তথ্য (কেওয়াইসি) এবং হিসাব বিবরণী (স্টেটমেন্ট) চাওয়া হয়েছে।
এছাড়া, তার নামে থাকা হিসাবগুলোর কেওয়াইসি ও হিসাব বিবরণীর সফটকপি পাঠাতে বলা হয়েছে। বিএফআইইউর পাঠানো এক্সেল ফাইলে তার হিসাবসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য এবং চিহ্নিত প্রতিটি হিসাবের সুদ আয় ও উৎসে কর (টিডিএস)-সংক্রান্ত তথ্য পূরণ করে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য তলবের ক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালার সংশ্লিষ্ট ধারা প্রযোজ্য হবে বলেও বিএফআইইউ’র ই-মেইলে উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সংস্থাটির একটি পরিপত্রের সংশ্লিষ্ট ধারা উল্লেখ করে তলব করা তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির প্রথমে অভিযোগ করেন, বিএনপির লোকজন তার কাছে চাঁদা চেয়েছিল। তবে পরে তিনি জানান, তার কাছে চাঁদা চাওয়া হয়নি। তার বক্তব্যের এই পরিবর্তনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ-উর রহমান বলেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি ও ভাইরাল জনপ্রিয়তা পাওয়া ব্যক্তিরা ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন বলে আশা করেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার, ডিপ্লোমা ইন ফিসারিজ ও ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক শিক্ষাক্রমের ৩য়, ৪র্থ ও ৬ষ্ঠ পর্বের শিক্ষার্থীদের জন্য বদলি আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে ৩০ সেপ্টেম্বর। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত নিজেদের প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরিচালক (কারিকুলাম) প্রকৌশলী অনিমেশ পালের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বদলির আবেদন, তথ্য পাঠানো এবং প্রয়োজনীয় শর্তাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদন গ্রহণের পর ছাড়পত্র প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তা যাচাই করবে। যাচাইয়ের পর ২৬ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের তথ্য অনলাইনে বোর্ডে পাঠাতে হবে। এই প্রক্রিয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের ‘অনলাইনে তথ্য গ্রহণ’ অংশে গিয়ে ‘ডিপ্লোমা পর্যায়’-এর ‘Diploma (Engg/Text/Agri/Fish/Live/Forest) Transfer Data Entry Link’ ব্যবহার করতে হবে। সংশ্লিষ্ট পর্বের সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বদলির চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, খালি আসন থাকার পাশাপাশি বদলির নির্ধারিত শর্ত পূরণের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হবে। বদলির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বর্তমান প্রতিষ্ঠান এবং যে প্রতিষ্ঠানে যেতে চায়, উভয়ের কারিকুলাম ও প্রবিধানের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
এইচএসসি (বিজ্ঞান), এইচএসসি (ভোকেশনাল) বা আলিম (বিজ্ঞান) পাস করে সরাসরি ৩য় পর্বে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। একইভাবে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরাও এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকবেন। শুধুমাত্র ৩য়, ৪র্থ ও ৬ষ্ঠ পর্বে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বদলির আবেদন করতে পারবেন।
প্রশাসনিক কারণে একবার বদলি হওয়া শিক্ষার্থী পরবর্তীতে পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার জন্য নতুন করে বদলির আবেদন করতে পারবেন না। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বর্তমান ও কাঙ্ক্ষিত উভয় প্রতিষ্ঠানের সম্মতি থাকতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় বর্তমান প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে বোর্ডে তথ্য পাঠাবে। প্রাপ্ত আবেদনগুলো থেকে মেধাক্রম ও খালি আসনের ভিত্তিতে বদলি সম্পন্ন করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, বদলির আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের নিজেদের আবেদনপত্রের সঙ্গে রেজিস্ট্রেশন কার্ডের সত্যায়িত ফটোকপি, সর্বশেষ পর্বের পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং নম্বরপত্র বা ফলাফলের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। এছাড়া, শিক্ষার্থীপ্রতি ৩২৫ টাকা বদলি ফি সচিব, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নামে জমা দিয়ে সেই রশিদও আবেদনের সঙ্গে দিতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ