ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পিরোজপুরে স্কুল পরীক্ষার প্রশ্নে শেখ মুজিব প্রসঙ্গ, শুরু হয়েছে বিতর্ক


পিরোজপুরে স্কুল পরীক্ষার প্রশ্নে শেখ মুজিব প্রসঙ্গ, শুরু হয়েছে বিতর্ক

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার খাস মহল লতিফ ইনস্টিটিউশনের দশম শ্রেণির ২০২৬ সালের প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা পরীক্ষার একটি প্রশ্নপত্রকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্নপত্রটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।

ভাইরাল হওয়া প্রশ্নপত্রে দেখা গেছে, ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত ৭০ নম্বরের পরীক্ষায় দুটি সৃজনশীল প্রশ্ন ছিল। প্রশ্নগুলোর মধ্যে বঙ্গবন্ধুর উপাধি, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, মুজিবনগর সরকার এবং যুক্তফ্রন্ট গঠনের কারণসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রশ্ন নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমন প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিভিন্ন মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি আরও জানান, প্রশ্নপত্র প্রণয়নের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন ছিল।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এ প্রসঙ্গে খাস মহল লতিফ ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান জানান, আমরা প্রি-টেস্ট ও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন নিজেদের থেকে তৈরি করি না। আমরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন সংগ্রহ করি। প্রশ্নগুলো সাধারণত সিলগালা অবস্থায় থাকে। পরীক্ষা কমিটি পরীক্ষার দিনই সেগুলো খোলে। আগে থেকে প্রশ্ন দেখার সুযোগ সবার জন্য মেলে না। তিনি জানান, বিষয়টি কোথা থেকে এসেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার নজরুল ইসলাম বলেন, স্কুলের পরীক্ষার প্রশ্ন বাইরে থেকে করার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকের কাছ থেকে প্রশ্ন নেওয়ার কথা। বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে এ ধরনের প্রশ্ন এড়িয়ে চলা উচিত ছিল। প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা কমিটির প্রশ্নটি যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন ছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাস্তা নিয়ে বিরোধের কারণে বৃদ্ধের প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ পি.এম


রাস্তা নিয়ে বিরোধের কারণে বৃদ্ধের প্রাণহানি

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার উমর মজিদ ইউনিয়নের ডাংঘাট গ্রামে রাস্তা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যেখানে জাহিদুল ইসলাম জিন্নাত (৫০) নামে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, রাজমাল্লী ডাংহাট এলাকার ওই রাস্তাটি অনেকদিন ধরে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গিয়েছিল। সম্প্রতি এসিল্যান্ডের সহযোগিতায় রাস্তাটি আবার চালু করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলের সময় রাস্তাটি নিয়ে পুনরায় বিরোধ এবং কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ডাংঘাট গ্রামের জয়নাল গংয়ের নেতৃত্বে এবং জাহিদুল ইসলাম জিন্নাতের পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষের এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের দ্বারা শাবলের আঘাতে একই গ্রামের জাহিদুল ইসলাম জিন্নাত প্রাণ হারান।

এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে। রাত ৮টা পর্যন্ত পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।

রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "আমরা এখনও ঘটনাস্থলে আছি এবং বিষয়টির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অভিযোগ গ্রহণের পর সঙ্গে সঙ্গেই মামলা রেকর্ড করা হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্দোলন স্থগিত, রাতে আসছে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ পি.এম


আন্দোলন স্থগিত, রাতে আসছে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা

প্রায় ১০ ঘণ্টা অপেক্ষার পর আন্দোলন স্থগিত করে রাজপথ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। এই অবস্থাতেও শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে তারা এখনও অনড় রয়েছেন। রাতেই এই বিষয়টি সম্পর্কে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করার কথা জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা এই তথ্য জানান। এরপর তারা সেখান থেকে সরে গেলে ওই অঞ্চলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।

এর আগে, বেলা পৌনে ১২টার সময়ে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে সমাবেশ করে শিক্ষার্থীরা তাদের তিন দফা দাবি সামনে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে তারা মিছিল করে জাতীয় সংসদ ভবনের দিকে গমন করেন। পরে সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে অবরোধ শুরু করলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

অবরোধ চলাকালীন পুলিশ শিক্ষার্থীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু তারা অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয় এবং পুলিশের লাঠিচার্জে কিছু শিক্ষার্থী আহত হওয়ার অভিযোগ ওঠে।

পুলিশ পরে সংসদ ভবনের সামনে থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিলে তারা আসাদগেটের আড়ং মোড় এলাকায় অবস্থান নেন। এ সময় উত্তেজিত কয়েকজন শিক্ষার্থী পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পুলিশ তখন আবারও ধাওয়া দিয়ে তাদের মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে সরিয়ে দেয় এবং আসাদগেট মোড়ে অবস্থান নেয়।

আন্দোলন থামেনি এবং রাত পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তাদের অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যেতে থাকেন। তারা বিভিন্ন দাবির পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন। আন্দোলনকারীরা জানান, দুর্যোগ পরিস্থিতি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রাখতে, ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করতে এবং শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।

এদিকে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে একজন আন্দোলন স্থগিত করার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে। কিন্তু আজকের আন্দোলন এখানেই স্থগিত করা হলো।

আগামীকালের কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি বলেন, রাতে আমরা সিদ্ধান্ত নেব এবং এরপর জানিয়ে দেবো আগামীকালের কর্মসূচি। হয়তো সংসদ ভবনে অথবা শিক্ষাভবন অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যের আরও দুই দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে সংঘাত, বাড়ছে আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


মধ্যপ্রাচ্যের আরও দুই দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে সংঘাত, বাড়ছে আশঙ্কা

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা চার বছরের অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি ভেঙে সৌদি আরবের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পেছনে হুথিদের অভিযোগ রয়েছে যে, সোমবার (১৩ জুলাই) তাদের নিয়ন্ত্রিত সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি-সমর্থিত বাহিনী বিমান হামলা চালিয়েছে। এর প্রতিশোধ হিসেবেই তারা এই হামলা চালিয়েছে।

যদিও সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট এ বিষয়ে জানিয়েছে, হুথিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র দক্ষিণাঞ্চলে আসার সময় আকাশে প্রতিহত করা হয়েছে। হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। ২০২২ সালের মার্চ মাসে অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এটিই হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের প্রথম প্রকাশ্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি।

এই হামলার ফলে সৌদি আরব ও ইরান-সমর্থিত হুথিদের মধ্যে আবারও সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অতীতে হুথিরা সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা এবং লোহিত সাগরে চলাচলকারী জাহাজের ওপর হামলা চালিয়েছিল।

এর আগে সোমবার হুথিরা অভিযোগ করে, সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালিয়েছে। তারা এই ঘটনাটিকে স্পষ্ট আগ্রাসন বলে আখ্যা দিয়ে পাল্টা জবাবের ঘোষণা দেয়। একই সঙ্গে, সানার বিমানবন্দরের ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত সৌদি আকাশসীমা ব্যবহার না করারও আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে আহ্বান জানায়।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার জানিয়েছে, সানার রানওয়েতে হামলার উদ্দেশ্য ছিল একটি ইরানি বিমানকে অবতরণ করতে বাধা দেওয়া। সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, বিমানটি ইয়েমেনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে অবতরণের চেষ্টা করছিল। পরে, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, বিমানটি শেষ পর্যন্ত হুথি-নিয়ন্ত্রিত হোদেইদা বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।

২০১৫ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হূথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার পর ইয়েমেনের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ শুরু হয়, যা বিশ্বের অন্যতম বড় মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। যদিও ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর পরিস্থিতি অনেকটা শান্ত ছিল, সাম্প্রতিক এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সেই শান্তি ভেঙে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

সূত্র: রয়টার্স

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুন মাসের মধ্যে ৮৭ লাখ ৫০ হাজার প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪২ পি.এম


জুন মাসের মধ্যে ৮৭ লাখ ৫০ হাজার প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন করা হয়েছে

সরকারের চলমান কর্মসূচির আওতায় চলতি বছরের জুন মাসের শেষ পর্যন্ত দেশে ৮৭ লাখ ৫০ হাজার প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন করা হয়েছে। কারিগরি বহির্ভূত সিস্টেম লস কমানো এবং নির্বিঘ্ন রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাকি গ্রাহকদের জন্য মিটার স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম আজ বাসসকে জানিয়েছেন, ‘কারিগরি বহির্ভূত সিস্টেম লস কমানো এবং রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সব গ্রাহককে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ১০ থেকে ১৫ শতাংশ গ্রাহককে হয়ত স্মার্ট প্রিপেইড মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব হবে না। তবে সর্বোচ্চ সংখ্যক গ্রাহককে এ ব্যবস্থার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেশের ৫ কোটিরও বেশি বিদ্যুৎ গ্রাহককে ধাপে ধাপে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় আনতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় একটি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করছে।

তিনি উল্লেখ করেন, গ্রাহক পর্যায়ে ৫ থেকে ৭ শতাংশ অতিরিক্ত কারিগরি বহির্ভূত বিদ্যুৎ অপচয় ঘটে মিটারে কারসাজি, অবৈধ সংযোগ এবং অন্যান্য অনিয়মের কারণে। প্রিপেইড মিটার বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বিউবোর পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা পর্যায়ক্রমে স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপন করছে। জুন মাসের মধ্যে সারাদেশে মোট ৮৭ লাখ ৫০ হাজার ৮২৩টি প্রিপেইড মিটার স্থাপন 완료 হয়েছে।

পাওয়ার সেলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সময় প্রতি গ্রাহক গড়ে ৬৬১ কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন। এছাড়া ২০২৬ সালের ১৩ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা পৌঁছেছে ৩৩ হাজার ৯২ মেগাওয়াটে। চলতি বছরের ২০ মে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২০১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে।

বিউবো পরিচালকের মো. শামীম হাসান বাসসকে বলেছেন, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিপিডিবি ৩৫ লাখ ৩৭ হাজার ১২৬টি স্মার্ট ও প্রচলিত একক ও তিনফেজ প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে।

তিনি জানান, ‘বাকি প্রিপেইড মিটার স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) ১৮ লাখ, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ১০ লাখ ৭৯ হাজার ১৮৪, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) ৯ লাখ ১৬ হাজার ৯১০, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) ৯ লাখ ১২ হাজার ২৩৩ এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো) ৯ লাখ ৩৯ হাজার ৩০৩টি প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে।

বিউবো চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও খুলনা অঞ্চলের প্রায় ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার খুচরা গ্রাহককে সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

ডিপিডিসি ঢাকা সিটি করপোরেশন ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ১৯ দশমিক ৯ লাখ গ্রাহককে এবং বিআরইবি সারাদেশে ৩ কোটি ৩ লাখ থেকে ৩ কোটি ৬২ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সেবা দিচ্ছে।

ডেসকো প্রায় ১২ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। এর বিতরণ নেটওয়ার্ক মূলত ঢাকা মহানগরের উত্তরাংশ, গাজীপুরের টঙ্গী এবং পূর্বাচল মডেল টাউন এলাকাজুড়ে বিস্তৃত রয়েছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত নেসকো রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় আবাসিক, কৃষি ও বাণিজ্যিক খাতের প্রায় ২০ লাখ ১১ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

ওজোপাডিকো খুলনা ও বরিশাল বিভাগ এবং বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের প্রায় ১০ লাখ ৬৮ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো ২০২২ সালে ৮ লাখ ৫০ হাজার স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপনের একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এর আগে ২০১৮ সালে স্মার্ট মিটারিং ব্যবস্থা চালু হয় এবং যন্ত্রের মাধ্যমে প্রিপেইড মিটার রিচার্জ (ভেন্ডিং) ব্যবস্থা শুরু করা হয়।

স্মার্ট প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থায় বিল পরিশোধ, সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা পুনঃসংযোগের ঝামেলা থাকে না। স্মার্ট মিটারে কোনো ন্যূনতম চার্জ বা জামানৎ দিতে হয় না এবং বিতর্কিত বিলেরও কোন অবকাশ থাকে না।

এছাড়া স্মার্ট প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীরা প্রচলিত বিদ্যুৎ বিলের হারের ওপর ২ শতাংশ মূল্যছাড় পান। অফিসের অফ-পিক সময় ও সরকারি ছুটির দিনে ব্যালেন্স কমে গেলে বা ঋণাত্মক হলে আগাম সতর্কবার্তাও পাওয়া যায়।

এ ব্যবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে ঋণ সুবিধা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে এবং অস্বাভাবিক ভোল্টেজ ওঠানামা প্রতিরোধেও এটি সহায়ক। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করে।

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, মিটারে কারসাজি, অবৈধ সংযোগ এবং অন্যান্য অনিয়মের কারণে গ্রাহক পর্যায়ে ৫ থেকে ৭ শতাংশ কারিগরি বহির্ভূত ক্ষতি হয়। প্রিপেইড মিটার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর অবদান রাখতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%