মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৪ পি.এম
বাংলাদেশস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাই কমিশনার জেমস গোল্ডম্যান জানিয়েছেন, এলডিসি থেকে উত্তোরণের পরবর্তী সময়ে ৩ বছর ৯৯ দশমিক ৮ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্যের জন্য ব্রিটিশ বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার প্রদান করা হবে।
ট্রানজিশনাল পিরিয়ডের পরেও ব্রিটিশ বাজারে প্রায় ৯২ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের ব্রিটিশ পণ্য, সেবা বা প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য ব্রিটিশ সরকার ২ বিলিয়ন পাউন্ডের একটি তহবিল গঠন করেছে। এই তহবিলের সহায়তায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা ব্রিটেনে তাদের পণ্যের বাজারকে আরও সম্প্রসারিত করার সুযোগ পাবেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম নগরীর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হকের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এই তথ্য জানান। এ সময় ব্রিটিশ হাই কমিশন শীঘ্রই চিটাগাং চেম্বারে একটি কর্মশালা আয়োজন করবে, যেখানে যুক্তরাজ্যের বাজারে প্রবেশের জন্য বিভিন্ন আনুষঙ্গিক ধারণা ও পদ্ধতি সম্পর্কে চেম্বার সদস্যদের অবহিত করা হবে।
চিটাগাং চেম্বার প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হক মন্তব্য করেন, চট্টগ্রামকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক বিনিয়োগ ও লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও বিমান বন্দরসহ সামগ্রিক লজিস্টিক খাতে অধিকতর বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরি। তিনি লালদিয়া টার্মিনালে বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি অন্যান্য বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য ব্রিটিশ বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেন।
চট্টগ্রামের কৌশলগত সহায়ক ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের বাজারে প্রবেশের জন্য ফার্মাসিউটিক্যাল, স্টিল, টেক্সটাইল, গ্রিন এনার্জিসহ অন্যান্য বৃহৎ শিল্পখাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করার অনুরোধ জানান তিনি।
সৌজন্য সাক্ষাতে চেম্বারের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ ও আমীর হুমায়ূন মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী, সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, হাই কমিশনের ডাইরেক্টর অব ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সাকিব এরশাদসহ চেম্বার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বজুড়ে এবং উপমহাদেশের বিভিন্ন দেশে হৃদরোগের কারণে মৃত্যুর হার অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশ্ব হার্ট ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভারতের মধ্যে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা হৃদরোগের কারণে ৩১ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। উপমহাদেশের অন্যান্য দেশগুলিতেও হৃদরোগে মৃত্যুর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে, যদি কেউ বাড়িতে একা থাকার সময় হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন, তাহলে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত, সে বিষয়ে জরুরি কিছু পরামর্শ প্রদান করেছেন আমেরিকার প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. জেরেমি লন্ডন।
ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে, ড. জেরেমি উল্লেখ করেছেন যে, বাড়িতে একা থাকাকালীন হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
অ্যাসপিরিনের ব্যবহার
জরুরি সেবা চাওয়ার পাশাপাশি, আরামে বিশ্রাম নেওয়া এবং পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে বিষয়টি জানিয়ে রাখা উচিত। সাহায্য আসার অপেক্ষায় থাকার সময়, একটি সাধারণ (নন-এন্টেরিক প্রলিপ্ত) অ্যাসপিরিন চিবিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
তবে, অ্যাসপিরিন গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অ্যালার্জি না থাকলে, রক্তক্ষরণের সমস্যা না থাকলে এবং চিকিৎসকের নিষেধ না থাকলে এটি নিরাপদে গ্রহণ করা যেতে পারে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) (এসিল্যান্ড) মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যাকে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ২০ দিনের মাথায় প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এটি ঘটেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিয়ামত উল্ল্যার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট ও অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর, সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।
গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফিয়া আমিন সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে জানান, রোববার সকালে মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যাকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছে। আদেশে সরকারি জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম আদেশে তাকে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছিল। পরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করার আদেশ হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় এসিল্যান্ড কর্ম এলাকা ত্যাগ করেছেন নিয়ামত উল্ল্যা।
ইউএনও জানিয়েছেন, কী কারণে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে জানা যাবে। ২০২১ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যা। গত ১ সেপ্টেম্বর গৌরীপুর উপজেলা এসিল্যান্ড হিসেবে যোগদান করেন তিনি। এর আগে তিনি ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।
নিয়ামত উল্ল্যার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টের বিষয়ে ইউএনও জানান, তিনি নিয়ামত উল্ল্যার সঙ্গে কথা বলেছেন। নিয়ামতের ভাষ্য অনুযায়ী, চাকরিজীবনে তিনি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই সময় তার কর্ম এলাকায় বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি সফরের সময় তাকে খাবার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলেও তিনি জানিয়েছেন।
তবে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে নিয়ামত উল্ল্যার বিরুদ্ধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলা হয়েছে। তার ছাত্রজীবনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং ছদ্মনামে ব্লগে লেখালেখি নিয়েও নানা দাবি করা হয়েছে। এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যা ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যোগ দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে ২০২৪ সালের ১ মে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এবং ২০২৬ সালের ১ জুন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগ দেন। সর্বশেষ গত ১ সেপ্টেম্বর গৌরীপুর উপজেলা এসিল্যান্ড হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি।
ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বলেন, গৌরীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের তথ্য ও পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে। এসব বিষয় কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর তাকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
তবে কী ধরনের তথ্য বা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছেন না বলে জানান। তিনি বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিষয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই জানাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একসঙ্গে তিন পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন কল্পনা বেগম। নবজাতকদের নাম রাখা হয়েছে হাসান, হোসাইন ও বেল্লাল। জন্মের পর হাসানের ওজন ২ কেজি এবং হোসাইন ও বেল্লালের ওজন ১ কেজি ৯০০ গ্রাম করে নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, তিন নবজাতকই সুস্থ রয়েছে। তবে অসুস্থ মা ও তিন সন্তানের চিকিৎসা, খাবার এবং সিজারের খরচ বহন করতে গিয়ে পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়েছে।
পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, কল্পনার সিজারিয়ান অপারেশনটি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সম্পন্ন হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসার জন্য প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৫০০ টাকার ওষুধ প্রয়োজন হচ্ছে। পাশাপাশি তিন নবজাতকের জন্য প্রতিদিন দুই প্যাকেট ফর্মুলা দুধ কিনতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। এর মধ্যে কল্পনার সিজারের কাটা স্থানে ইনফেকশন দেখা দিয়েছে বলেও পরিবারটি জানিয়েছে।
একসঙ্গে তিন সন্তান জন্ম নেওয়ায় কল্পনা বেগম আনন্দিত হলেও নিজের অসুস্থতা ও পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তার স্বামী জায়দুল বাকপ্রতিবন্ধী। তিনি আন্ধারি ঝাড় বাজারের একটি হোটেলে কাজ করেন। আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় কল্পনা বর্তমানে তার মা-বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।
কল্পনা বেগম বলেন, "একসঙ্গে তিন সন্তান হওয়ায় আমি অনেক খুশি। আমার স্বামী বাকপ্রতিবন্ধী। তিনি মেসিয়ারের কাজ করেন। দরিদ্র ও অসহায় হওয়ায় আমার মা-বাবার বাড়িতে আছি। সেখানে বিভিন্ন মানুষের সহযোগিতা নিয়ে চিকিৎসা ও তিন সন্তানের খাবারের ব্যবস্থা করতে প্রায়ই হিমশিম খাচ্ছি। প্রতিদিন তো এক মানুষ সহযোগিতা করবে না। এই সন্তানদের জন্য সরকারি বা অন্য কোনো সহযোগিতা পেলে আমি খুশি হব।"
কল্পনার মা-বাবা জানান, তারা গরিব ও অসহায়। তিন নবজাতকের জীবন রক্ষা ও চিকিৎসার জন্য সরকারি অফিস, বিভিন্ন সংস্থা, বিত্তবান ও দানশীল মানুষের সহযোগিতা চান তারা।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেন, "পরিবারটির খোঁজখবর নিয়ে প্রাথমিকভাবে তিন হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম এবং তার স্বামী, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীসহ পরিবারের চার সদস্যের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আদালত।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ প্রদান করেন।
দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান দলের দলনেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম এই আবেদনটি করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী এবং তার স্ত্রী সাইদা মুনা তাসনিমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে দুর্নীতির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণের নামে আনুমানিক ২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচারের অভিযোগের তদন্তাধীন রয়েছেন।
দুদক জানায়, অনুসন্ধান চলাকালে বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে তারা জানতে পারে যে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশ ত্যাগ করে বিদেশে চলে যেতে পারেন। যদি তারা বিদেশে পালিয়ে যান, তাহলে অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই কারণে অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়।
আদালতের নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা চারজন হলেন—তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী, তার স্ত্রী সাইদা মুনা তাসনিম, তাদের সন্তান আলাতী আজফার চৌধুরী এবং জাভেদ অপগেন হেপেন।
দুদকের আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান। তার বিরুদ্ধে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে কমিশন। সাইদা মুনা তাসনিম, যিনি যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
আবেদনে দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম উল্লেখ করেন, অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিদেশ গমন বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। তারা যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেই জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় আদেশ দেওয়ার আবেদন করা হয়। পরে উভয় পক্ষের আবেদন বিবেচনা করে আদালত তাদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করেন।
ঋণের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে কমিশন। সাইদা মুনা তাসনিম, যিনি তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী এবং সাবেক হাইকমিশনার, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের দলনেতা মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা আবেদনে বলা হয়, অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিদেশ গমন বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ কারণে তাদের বিদেশ পলায়ন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় আদেশ দেওয়ার আবেদন করা হয়। পরে আদালত আদেশ দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ