ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায় মা, চিকিৎসার টাকা নিয়ে পালালো ছেলে


হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায় মা, চিকিৎসার টাকা নিয়ে পালালো ছেলে

মা যখন হাসপাতালে মৃত্যুর যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন, ঠিক সেই সময়ে তার বড় ছেলে চিকিৎসার জন্য ব্যাংকে জমা করা দেড় লাখ টাকা তুলে নিয়ে পালিয়ে গেছেন।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার করুণানগর এলাকায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এই অমানবিক ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ এবং চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। অর্থের অভাবে ঢাকা শহরের শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই মায়ের জীবন এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখোমুখি।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে ওই নারীর স্বামী মারা যান। মা তার বাবার বাড়ির ওয়ারিশি সম্পত্তি বিক্রি করে প্রাপ্ত ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দুই ছেলে— মোহাম্মদ আলাউদ্দিন ও সালাউদ্দিনের নামে সোনালী ব্যাংকের একটি যৌথ অ্যাকাউন্টে জমা রেখেছিলেন। এই অর্থ ভবিষ্যতে নিজের বিপদ বা চিকিৎসার প্রয়োজনে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

সপ্তাহখানেক আগে ওই নারী তৃতীয়বারের মতো স্ট্রোক করলে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে সংকটজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে মায়ের চিকিৎসার জন্য জরুরি খরচের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে দুই ভাই আলাউদ্দিন ও সালাউদ্দিন সোনালী ব্যাংক কমলনগর শাখা থেকে যৌথ অ্যাকাউন্টের পুরো টাকা উত্তোলন করেন। কিন্তু টাকা তোলার পরপরই বড় ভাই আলাউদ্দিন ছোট ভাই সালাউদ্দিনকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যান।

পরবর্তীতে যখন স্বজনরা যোগাযোগের চেষ্টা করেন, তখন আলাউদ্দিন স্পষ্ট জানিয়ে দেন— মায়ের নামে থাকা জমি তার নামে লিখে না দিলে তিনি চিকিৎসার জন্য এই টাকা দেবেন না। যদিও ঘটনাটি রোববারের, কিন্তু বুধবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগীর ছোট ছেলে সালাউদ্দিন বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান।

ছোট ছেলে সালাউদ্দিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "বড় ভাই বেশ কিছুদিন ধরেই মায়ের জমি নিজের নামে লিখে নিতে চাপ দিচ্ছিলেন। কিন্তু মা রাজি হননি। এখন মায়ের জীবন-মরণ সন্ধিক্ষণে তিনি প্রতারণা করে চিকিৎসার টাকা আটকে রেখে জমি লিখে নেওয়ার শর্ত জুড়ে দিয়েছেন। টাকার অভাবে মায়ের চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে, আমরা এখন চরম দিশেহারা।"

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সোলাইমান তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, "মায়ের চিকিৎসার জন্য রাখা টাকা তুলে ছেলে চম্পট দেওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত অমানবিক। এমন পাষণ্ড সন্তানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।"

করুণানগর এলাকার প্রবীণ বাসিন্দা আবুল কালাম আফসোস করে বলেন, "মাতা-পিতার আত্মত্যাগকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যে সন্তান মাকে মৃত্যুর মুখে ফেলে টাকা নিয়ে পালাতে পারে, আল্লাহ যেন এমন কুলাঙ্গার সন্তান আর কারো ঘরে না দেন। প্রশাসনের উচিত এ বিষয়ে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া।"

জানা গেছে, অভিযুক্ত আলাউদ্দিন উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের করুণানগর এলাকার মৃত হানিফ বেপারীর বড় ছেলে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুটি বিয়ে করে আলাদা সংসার করছেন। ঘটনার পর থেকে তার মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত উজ-জামান বলেন, "ঘটনাটি অত্যন্ত অমানবিক। অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার টাকা নিয়ে সটকে পড়া এবং শর্ত জুড়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দ্রুত লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় তিন শিক্ষার্থী জজ, ববিতে খুশির বন্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৩ পি.এম


জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় তিন শিক্ষার্থী জজ, ববিতে খুশির বন্যা

১৮তম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) আইন বিভাগের তিন শিক্ষার্থী সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ তথ্যটি জানা যায়।

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) অধীনে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাসহ বিভিন্ন ধাপের পরীক্ষার পর তাদের সিভিল জজ পদে সুপারিশ করা হয়।

সুপারিশপ্রাপ্ত তিন শিক্ষার্থী হলেন, আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ৭ম ব্যাচের জান্নাতুল আইশা, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ৬ষ্ঠ ব্যাচের জয়ন্ত হালদার এবং ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ৪র্থ ব্যাচের মো. নাইম হোসাইন।

প্রকাশিত ফলাফলে জান্নাতুল আইশা ১৫তম এবং জয়ন্ত হালদার ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। একই পরীক্ষায় মো. নাইম হোসাইনও সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে তিন শিক্ষার্থীর এই সাফল্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে জয়ন্ত হালদার বলেন, "দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, ধৈর্য ও একাগ্রতার পর এই সাফল্য অর্জন করতে পেরে তার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।" তিনি এই দীর্ঘ ও কঠিন যাত্রায় পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অবদান অপরিসীম উল্লেখ করে বলেন, "তাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন ছাড়া এ পথ অতিক্রম করা সম্ভব হতো না।"

তিনি আরও বলেন, "মেধা তালিকায় ৬৭তম স্থান অর্জন করেছি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন, যেন অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে পালন করতে পারি।"

এ বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কাইসার আহমেদ বলেন, "সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত আমাদের তিন কৃতী শিক্ষার্থী জান্নাতুল আইশা, নাইম হোসাইন ও জয়ন্ত হালদারকে আইন বিভাগের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।" তিনি আশা প্রকাশ করেন, "তারা কর্মক্ষেত্রে নিজেদের মেধা, দক্ষতা ও সততার মাধ্যমে দেশ, জাতি ও বিচার বিভাগের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও আইন বিভাগের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবে।"

তিনি আরও বলেন, "তাদের এই সাফল্য বিভাগের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে।" ভবিষ্যতেও বিভাগের শিক্ষার্থীরা সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পেতে নতুন ভিসা বিধিনিষেধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৪ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পেতে নতুন ভিসা বিধিনিষেধ

যুক্তরাষ্ট্রের সরকার নতুন ভিসা বিধিনিষেধ নীতি ঘোষণা করেছে, যা জন্মসূত্রে সন্তানের মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ঠেকাতে কার্যকর হবে। এই পদক্ষেপটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার বন্ধ করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, বিদেশি বাণিজ্যিক ‘বার্থ ট্যুরিজম’ বা নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে ভ্রমণের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি এবং তাদের সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে এই নীতি প্রয়োগ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরও জানায়, সন্তানের মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে সন্তান জন্ম দিতে ভ্রমণ করা পর্যটন ভিসার অনুমোদিত উদ্দেশ্য নয়।

রুবিও বলেন, বিদেশি বাণিজ্যিক ‘বার্থ ট্যুরিজম’ নেটওয়ার্কগুলো মুনাফার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার করছে। এসব নেটওয়ার্ক বিদেশিদের কাছে বিজ্ঞাপন দেয় এবং ভিসার আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিতে উৎসাহিত বা পরামর্শ দেয়।

এছাড়া, এসব নেটওয়ার্ক শুধুমাত্র মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দেওয়ার ব্যবস্থা করে ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত অর্থ সংগ্রহ করে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

রুবিও জানান, অভিবাসন ও জাতীয়তা আইনের ২১২(এ)(৩)(সি) ধারার আওতায় নতুন এই ভিসা বিধিনিষেধ নীতি কার্যকর করা হচ্ছে।

যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নতুন নীতিতে লক্ষ্য করা হয়েছে, যারা জেনেশুনে যুক্তরাষ্ট্রে ‘বার্থ ট্যুরিজম’-এর সঙ্গে যুক্ত হন, আগে যুক্ত ছিলেন অথবা এতে সহায়তা করেন।

এর আওতায় থাকবেন—

১. বাণিজ্যিকভাবে ‘বার্থ ট্যুরিজম’ সুবিধা দেওয়া নেটওয়ার্কের মালিক, পরিচালনাকারী ও ব্যবস্থাপক;

২. ভিসা দালাল, যারা আবেদনকারীদের জালিয়াতির কৌশল শেখায়;

৩. বিদেশি চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী, যারা জেনেশুনে এ ধরনের ভ্রমণে সহায়তা করেন;

৪. যুক্তরাষ্ট্রের মেডিকেড ব্যবস্থার জালিয়াতিমূলক ব্যবহারে সহায়তাকারী ব্যক্তিরা;

৫. বাণিজ্যিক ‘বার্থ ট্যুরিজম’-কে সমর্থন, সহায়তা বা পরিচালনায় ভূমিকা রাখা অন্য ব্যক্তিরা।

রুবিও বলেন, মার্কিন নাগরিকত্বের মর্যাদা রক্ষা, জনকল্যাণমূলক সুবিধা ও করদাতাদের শোষণ থেকে রক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসন সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা ব্যবহার করছে।

তিনি আরও বলেন, যারা এই জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত এবং এর মাধ্যমে মুনাফা করে, তাদের উভয় পক্ষের জন্য ভিসা দেওয়া সীমিত করে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু পরিবারের সদস্যও এই ভিসা বিধিনিষেধের আওতায় পড়তে পারেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সাল থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটন ভিসার নিয়মে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে সন্তান জন্ম দিতে দেশটিতে ভ্রমণকে অনুমোদিত পর্যটন উদ্দেশ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাম্বুরা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশুকে ঘরে নিয়ে যান মিরাজ, অতঃপর ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৪ পি.এম


জাম্বুরা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশুকে ঘরে নিয়ে যান মিরাজ, অতঃপর ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ছয় বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রী শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মো. মিরাজ শেখ (৩৮) নামের এক যুবককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। পাশাপাশি, তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ডেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এরপর তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত মিরাজ শেখ নগরকান্দা উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা এবং শিশুটির প্রতিবেশী।

জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে শিশুটি মিরাজের বাড়িতে তার এক সহপাঠীর সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এ সময় মিরাজ শিশুটিকে জাম্বুরা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে তার ঘরে নিয়ে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করেন। শিশুটি চিৎকার করলে মিরাজ তাকে ছেড়ে দেন। পরে বাড়ি ফিরে শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনার কথা জানায়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ওইদিনই বাদী হয়ে মিরাজকে একমাত্র আসামি করে নগরকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করেন নগরকান্দা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনিরুজ্জামান। তিনি ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মিরাজকে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, "একজন শিশুর সাথে যে ঘটনা ঘটেছে এটা অমার্জনীয়। এই অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ধারার সর্বোচ্চ রায়টা আদালত দিয়েছেন। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ ৩ লাখ ১০ হাজার ফেনসিডিলের বোতল গুঁড়িয়ে দিলেন শুভেন্দু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৫ পি.এম


হঠাৎ ৩ লাখ ১০ হাজার ফেনসিডিলের বোতল গুঁড়িয়ে দিলেন শুভেন্দু

‘নেশামুক্ত ভারত-২০২৯’ কর্মসূচির আওতায় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে জব্দ করা ৩ লাখ ১০ হাজার বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার কলকাতার নিউটাউনের ইকোপার্ক চত্বরে রোড রোলার ব্যবহার করে ফেনসিডিলগুলো ধ্বংস করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধ্বংস করা ফেনসিডিলের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩১ কোটি রুপি বলে জানা গেছে।

রাজ্য পুলিশ, বিএসএফ এবং পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স এসটিএফের বিভিন্ন অভিযানে এসব ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছিল। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের উদ্যোগে এই ধ্বংস কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। এটি পশ্চিমবঙ্গে ফেনসিডিল ধ্বংসের দ্বিতীয় বড় কর্মসূচি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী উল্লেখ করেন, পশ্চিমবঙ্গে মাদকের অবৈধ উৎপাদন ও ব্যবসা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। তিনি মাদকাসক্তির কারণে পরিবার ও সমাজের ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানকে আরও জোরদারের কথা জানান।

মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বাংলার যুব সমাজকে মাদকের কবল থেকে রক্ষা করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি জানান, ড্রাগ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এর আগে ২ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে প্রায় ২ লাখ বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করা হয়েছিল। ওই চালানের আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল ২০ কোটি রুপি। বালুরঘাটের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে বুলডোজার চালিয়ে ফেনসিডিল ধ্বংসের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ মাদক কারবারের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%