ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভূরুঙ্গামারীতে দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে কঠোর প্রশাসন, অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস


ভূরুঙ্গামারীতে দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে কঠোর প্রশাসন, অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে দুধকুমার নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অফিসের যৌথ উদ্যোগে, থানা পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেব নাথ এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তৌহিদা মোহতামিম এর নেতৃত্বে উক্ত অভিযানে ৫৮টি (১ হাজার ৭৪০ মিটার) অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৩২ হাজার টাকা।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

অভিযান শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উদ্ধার করা ৫৮টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে জালগুলো ধ্বংস করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেব নাথ জানান , অবৈধ চায়না জাল নির্বিচারে মাছের পোনা ও বিভিন্ন জলজ প্রাণী নিধন করে, যা নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও মৎস্যসম্পদের জন্য ক্ষতিকর। তাই মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের অবাধ বিচরণ ও প্রজনন নিশ্চিতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহের ত্রিশালে শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে হতাশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৪ পি.এম


ময়মনসিংহের ত্রিশালে শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে হতাশা

দিনের আলো পুরোপুরি ফোটার আগেই ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা মহিলা কলেজ মোড় পুরোপুরি সরগরম হয়ে ওঠে। সকাল ৭টা বাজতে না বাজতেই সেখানে ভিড় করেন শতাধিক দিনমজুর। কারও কাঁধে কোদাল, কেউ হাতে বেলচা, আবার কেউ এসেছেন খালি হাতেই। সবার একটাই প্রত্যাশা— আজ যেন অন্তত একটি কাজ মেলে।

স্থানীয়দের কাছে এটি পরিচিত ‘শ্রমিকের হাট’ নামে। এখানে বিক্রি হয় না কোনো পণ্য কিংবা গবাদিপশু; বিক্রি হয় মানুষের শ্রম। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত নির্মাণশ্রমিক, রাজমিস্ত্রী, রংমিস্ত্রী, মাটি কাটার শ্রমিক, কৃষিশ্রমিকসহ নানা পেশার দিনমজুররা কাজের আশায় অপেক্ষা করেন। এই সময়ে ঠিকাদার, বাড়ির মালিক অথবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এসে প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক বেছে নেন এবং মজুরি ঠিক করে নিয়ে যান।

শুধু ত্রিশালেই নয়, ময়মনসিংহ নগরীর চরপাড়া মোড়েও প্রতিদিন একই চিত্রের দেখা মেলে। সূর্য ওঠার আগেই সেখানে জড়ো হন অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষ। যাদের ভাগ্যে কাজ জোটে, তারা দিনের উপার্জনের নিশ্চয়তা পান। অন্যদিকে যাদের ভাগ্য সহায় হয় না, তাদের ফিরতে হয় শূন্য হাতে।

ত্রিশালের আমিরাবাড়ি এলাকার নির্মাণশ্রমিক মো. বাবুল মিয়া বলেন, প্রতিদিন ভোরে এখানে চলে আসি। কাজ পেলে দিনটা ভালো যায়, আর কাজ না পেলে বাড়ি ফিরে যেতে হয়। বর্তমানে সাধারণ শ্রমিকের মজুরি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা। তবে প্রতিদিন কাজ পাওয়া যায় না।

শ্রমিকদের মতে, বর্ষাকালে নির্মাণকাজ কমে যাওয়ায় কাজের সুযোগও সংকুচিত হয়ে পড়ে। তবে ধান কাটা বা বোরো মৌসুমে কৃষিশ্রমিকের চাহিদা বাড়লে তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি আসে। বছরের বাকি সময়জুড়ে কাজের অনিশ্চয়তা নিয়ে তাদের জীবনযাপন করা এক রকমের নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তারা জানান, দৈনিক আয়ের ওপরই নির্ভর করে পরিবারের সকল খরচ। একটি দিন কাজ না মিললে সংসারে নেমে আসে টানাপোড়েন।

শ্রমিক আবদুল কুদ্দুস বলেন, আমাদের কোনো মাসিক বেতন নেই। যেদিন কাজ করি, সেদিনই সংসার চলে। কাজ না থাকলে ধারদেনা করেই চলতে হয়।

আরেক শ্রমিক সম্রাট উদ্দিন বলেন, সকালের সময় সবাই আশা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। কেউ কাজ পেয়ে চলে যায়, আর যারা থেকে যায় তাদের মন খারাপ হয়ে যায়।

প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে ঠিকাদার, বাড়ির মালিক ও ব্যবসায়ীরা প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক নিতে আসেন। কাজের ধরন ও দক্ষতার ভিত্তিতে মজুরি নির্ধারণ করা হয়। দক্ষ শ্রমিকরা তুলনামূলকভাবে বেশি পারিশ্রমিক পেলেও সাধারণ শ্রমিকদের জন্য মজুরি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

ত্রিশাল পৌর এলাকার বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বাড়ির নির্মাণকাজের জন্য মাঝে মাঝে এখান থেকেই শ্রমিক নিয়ে যাই। এক জায়গায় অনেক শ্রমিক পাওয়া যায়, তাই সময়ও বাঁচে।

স্থানীয় এক ঠিকাদারের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিজ্ঞ শ্রমিক পেতে হলে কিছুটা বেশি পারিশ্রমিক দিতে হয়। তবে আগের তুলনায় এখন কাজের পরিমাণ কমে গেছে।

এই শ্রমবাজারে তরুণদের থেকে প্রবীণ পর্যন্ত সব বয়সের মানুষকেই দেখা যায়। কেউ ২০ বছরের, কেউ আবার ৬০-এ পৌঁছেছেন। বয়স বাড়লেও জীবিকার সংগ্রাম থেমে নেই। পরিবারের ভরণপোষণ, সন্তানের পড়াশোনা কিংবা চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে প্রতিদিনই তাদের হাজির হতে হয় এই শ্রমের হাটে।

দেশের অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারের বাস্তব চিত্র যেন ফুটে ওঠে এই হাটে। স্থায়ী চাকরি, মাসিক বেতন কিংবা সামাজিক নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা ছাড়াই হাজারো মানুষ প্রতিদিন একটি দিনের কাজের আশায় এখানে এসে দাঁড়ান।

সকাল গড়িয়ে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাটের ভিড়ও কমতে শুরু করে। যারা কাজ পান, তারা দ্রুত চলে যান নির্মাণস্থল, কৃষিজমি কিংবা মাটি কাটার কাজে। আর যাদের ভাগ্যে সেদিন কাজ জোটে না, তারা নীরবে বাড়ি ফেরেন— পরদিন ভোরে আবারও নতুন আশা নিয়ে একই জায়গায় দাঁড়ানোর প্রত্যাশায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের যে হাটে মানুষ ‘বিক্রি’ হয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২০ পি.এম


দেশের যে হাটে মানুষ ‘বিক্রি’ হয়

দিনের আলোর পুরোপুরি ফোটার পূর্ব মুহূর্তে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার মহিলা কলেজ মোড় সরগরম হয়ে ওঠে। সকাল ৭টা বাজতে না বাজতেই সেখানে অপেক্ষা করেন শতাধিক দিনমজুর। কারও কাঁধে কোদাল রয়েছে, কারও হাতে বেলচা, আবার কেউ খালি হাতেও উপস্থিত হন। সবার মাঝে একটাই প্রত্যাশা— আজ যেন অন্তত একটি কাজ মেলে।

স্থানীয় জনসাধারণের কাছে এটি পরিচিত ‘শ্রমিকের হাট’ হিসেবে। এখানে কোন পণ্য বা গবাদিপশু বিক্রি হয় না; এখানে মানুষের শ্রমেরই লেনদেন ঘটে। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত নির্মাণশ্রমিক, রাজমিস্ত্রি, রংমিস্ত্রি, মাটি কাটার শ্রমিক, কৃষিশ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার দিনমজুররা কাজের আশায় দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময়ে ঠিকাদার, বাড়ির মালিক বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি আসেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক বেছে নিয়ে যান, মজুরি ঠিক করার পর।

শুধু ত্রিশাল নয়, ময়মনসিংহ নগরীর চরপাড়া মোড়েও প্রতিদিন একই দৃশ্য দেখা যায়। সূর্য ওঠার আগেই সেখানে ভিড় করেন অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষ। যাদের ভাগ্যে কাজ জোটে, তারা দিনের উপার্জন নিশ্চিত করেন। আর যারা ভাগ্য সহায় হয় না, তাদের শূন্য হাতেই ঘরে ফিরতে হয়।

ত্রিশালের আমিরাবাড়ির নির্মাণশ্রমিক মো. বাবুল মিয়া বলেন, প্রতিদিন ভোরে এখানে এসে হাজির হই। কাজ পেলে দিনটি ভালো যায়, আর না পেলে বাড়ি ফিরতে হয়। বর্তমানে সাধারণ শ্রমিকদের মজুরি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে পরিবর্তিত হচ্ছে। তবে প্রতিদিন কাজ পাওয়া যায় না।

শ্রমিকদের মতে, বর্ষাকালে নির্মাণকাজ কমে যাওয়ার কারণে কাজের সুযোগ সংকুচিত হয়ে পড়ে। তবে ধান কাটা বা বোরো মৌসুমে কৃষিশ্রমিকের চাহিদা বাড়লে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে। বছরের অন্যান্য সময় তারা কাজের অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিন কাটান।

তাদের মন্তব্য অনুযায়ী, দৈনিক আয় তাদের পরিবারের সকল খরচের উপরে নির্ভর করে। একটি দিন কাজ না মিললেই সংসারে সমস্যা দেখা দেয়।

শ्रमিক আবদুল কুদ্দুস বলেন, আমাদের কোন মাসিক বেতন নেই। যেদিন কাজ করি, সেদিনই সংসার চলে। কাজ না থাকলে ধারদেনা করেই চলতে হয়।

আরেক শ্রমিক সম্রাট উদ্দিন বলেন, সকালে সবাই আশা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। কেউ কাজ পেয়ে চলে যায়, আর যারা অপেক্ষা করেন, তাদের মন খারাপ হয়ে যায়।

প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে ঠিকাদার, বাড়ির মালিক ও ব্যবসায়ীরা প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক নিতে আসেন। কাজের ধরন এবং দক্ষতায় ভিত্তি করে মজুরি নির্ধারণ করা হয়। দক্ষ শ্রমিকরা তুলনামূলক বেশি পারিশ্রমিক পেলেও সাধারণ শ্রমিকদের জন্য ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেই।

ত্রিশাল পৌর এলাকার বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বাড়ির নির্মাণকাজের জন্য মাঝে মাঝে এখান থেকেই শ্রমিক নিয়ে যাই। এখানে অনেক শ্রমিক এক জায়গায় পাওয়া যায়, তাই সময়-saving হয়।

স্থানীয় একজন ঠিকাদারের ভাষ্য হলো, অভিজ্ঞ শ্রমিক পেতে হলে কিছুটা বেশি পারিশ্রমিক দিতে হয়। তবে আগের তুলনায় এখন কাজের পরিমাণ কমে গেছে।

এই শ্রমবাজারে তরুণ থেকে প্রবীণ— সব বয়সের শ্রমিককেই দেখা যায়। কেউ ২০ বছরের, কেউ আবার ৬০ ছুঁইছুঁই। বয়স বাড়লেও জীবিকার সংগ্রামে তারা থামে না। পরিবারের ভরণপোষণ, সন্তানদের পড়াশোনা কিংবা চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে প্রতিদিনই তাদের হাজির হতে হয় এই শ্রমের হাটে।

দেশের অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারের বাস্তব চিত্র যেন ফুটে ওঠে এই হাটে। স্থায়ী চাকরি, মাসিক বেতন কিংবা সামাজিক নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা ছাড়াই হাজারো মানুষ প্রতিদিন একটি দিনের কাজের আশায় এখানে এসে দাঁড়ান।

সকাল গড়িয়ে সময় বাড়ার সাথে সাথে হাটের ভিড়ও কমতে থাকে। যারা কাজ পান, তারা ছুটে যান নির্মাণস্থল, কৃষিজমি কিংবা মাটি কাটার কাজে। আর যাদের ভাগ্যে সেদিন কাজ জোটে না, তারা নীরবে বাড়ি ফেরেন— পরদিন ভোরে আবারও নতুন আশা নিয়ে একই জায়গায় দাঁড়ানোর প্রত্যাশায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জ্বিন’ হাজির করে দ্বিগুণের লোভে ১৭ নারী সোনা হারালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৫ পি.এম


‘জ্বিন’ হাজির করে দ্বিগুণের লোভে ১৭ নারী সোনা হারালেন

ভোলার দুলারহাটে ‘জ্বিন হাজির’ করে স্বর্ণালংকারকে দ্বিগুণ করার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একটি চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জেলা পুলিশ, ভোলার গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন- নুরাবাদের রুমা (৩০), মুক্তা (২৬), মজিবনগরের স্বপন ফরাজী (৫০) এবং আলামিন (২৬)।

জেলা পুলিশ জানায়, গত ৪ ফেব্রুয়ারি সকালে দুলারহাট থানার নুরাবাদ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মকবুল মুন্সির বাসায় ইয়ানুর বেগমের বসতঘরে এই প্রতারণার ঘটনাটি ঘটে। প্রতারক চক্রটি স্থানীয় ১৭ জন নারীকে ‘জ্বিন হাজির’ করে স্বর্ণ দ্বিগুণ করে দেওয়ার প্রলোভন দেয়। তাদের কথায় বিশ্বাস করে ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন ওজনের মোট ১০ ভরি ১১ আনা স্বর্ণালংকার, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ লাখ ৪৬ হাজার টাকা, প্রতারকদের হাতে তুলে দেন। এরপর স্বর্ণ নিয়ে চক্রের সদস্যরা আত্মগোপন করে।

পুলিশ জানায়, গত ২৭ জুলাই বিকেলে একই চক্র পুনরায় প্রতারণার উদ্দেশ্যে নুরাবাদ এলাকায় এলে ভুক্তভোগীরা তাদের চিনতে পেরে চার ব্যক্তিকে আটক করেন। খবর পেয়ে দুলারহাট থানা পুলিশ এসে তাদের গ্রেপ্তার করে।

আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এক জোড়া স্বর্ণের রুলি, এক জোড়া স্বর্ণের ঝুমকা এবং নগদ ৫২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দুলারহাট থানায় প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে পেনাল কোডের ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় মামলা করা হয়েছে। ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওসার জানিয়েছেন, মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং বাকি স্বর্ণালংকার উদ্ধারে অভিযান চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের প্রতারণা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্যাস অনুসন্ধানে নোয়াখালীতে নতুন কূপ খনন কার্যক্রম শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৯ পি.এম


গ্যাস অনুসন্ধানে নোয়াখালীতে নতুন কূপ খনন কার্যক্রম শুরু

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে সন্ধান পাওয়া নতুন গ্যাস কূপের খনন কাজ শুরু হয়েছে।

খনন কাজ ৪৫ দিন ধরে চলবে এবং ১৫ দিন ডিএসটি টেস্টের পর গ্যাস কূপে মজুদ গ্যাসের পরিমাণ জানা যাবে। তবে কূপটি সফলভাবে খনন ও ডিএসটি পরীক্ষা সম্পন্ন হলে প্রতিদিন এখান থেকে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) এই নতুন কূপটির খনন কাজের সূচনা করে। এরপর বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে খননের কাজ পুরোদমে চলছে। প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্প’ এবং জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে কূপটি মাটির নিচে ১ হাজার ৫৫০ মিটার খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া এর ১ হাজার ৩৬১ মিটার ও ১ হাজার ৪৫০ মিটার মাটির নিচে ২টি জোনে প্রাকৃতিক গ্যাস মিলতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে। এটি ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিওডি ম্যাথডে খননের কাজ চলছে।

সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান গণমাধ্যমকে জানান, ৪৫ দিনের মধ্যে খনন কাজ ও ১৫ দিনের ডিএসটি টেস্ট শেষে এখানে মজুদ গ্যাসের পরিমাণ জানা যাবে। মঙ্গলবার খনন কাজ শুরু হয়েছে এবং এটি একনাগাড়ে চলবে। ১ হাজার ৫৫০ মিটার খননের জন্য প্রাথমিকভাবে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাপেক্স বলছে, নোয়াখালীর এ অঞ্চল তথা বেগমগঞ্জে ১৯৭৬ সালে প্রথম কূপের সন্ধান মেলে। ১৯৭৮ সালে দ্বিতীয় কূপের সন্ধান মিললে সেগুলো ড্রিলিং করা হয়। তবে পরবর্তীতে ওই দুটি কূপে কোনো গ্যাস পাওয়া যায়নি। ২০১৩ সালে তৃতীয় কূপের সন্ধান মিললে ড্রিলিং শেষে ওই কূপ থেকে গ্যাস প্রোডাকশনে যায় এবং ২০১৮ সালে একই কূপে ওয়ার্কওভার করে এখন প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

এছাড়াও ‘সুন্দলপুর-১’, ‘সুন্দলপুর-২’, ‘সুন্দলপুর-৩’ নামে নোয়াখালীতে তিনটি গ্যাস কূপ খনন করেছিল বাপেক্স। যার মধ্যে সুন্দলপুর-১ ও সুন্দলপুর-৩ এর উৎপাদন বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। সুন্দলপুর-২ থেকে এখনো জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। তবে সুন্দলপুর-৩ এর ওয়ার্কওভার শেষে আবারও সেটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%