ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রীর সামনে নোবিপ্রবির জলবায়ু গবেষণা প্রকল্পের উপস্থাপনা


প্রধানমন্ত্রীর সামনে নোবিপ্রবির জলবায়ু গবেষণা প্রকল্পের উপস্থাপনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে জলবায়ুবিষয়ক গবেষণা প্রকল্পটি উপস্থাপন করেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান।

এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করা হয়।

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের (বিসিসিটিএফ) অর্থায়নে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ‘মেঘনা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের ফসলের বৃদ্ধি ও উৎপাদনের উপর জলবায়ুর প্রভাব নিরূপণ এবং ভবিষ্যতের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে নোবিপ্রবির পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

প্রকল্পের আসন্ন কাজের আওতায় ১৯৫৭ থেকে ২০২১ সালের ঐতিহাসিক আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে ২১০০ সাল পর্যন্ত মেঘনা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের সম্ভাব্য জলবায়ু পরিস্থিতির পূর্বাভাস তৈরি করা হবে। এই পূর্বাভাসের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, স্বয়ংক্রিয় গ্রিনহাউজে zukünftigen জলবায়ু পরিবেশকে অনুকরণ করে বর্তমানে প্রচলিত সয়াবিন এবং সম্ভাবনাময় মিলেটজাতীয় ফসলের বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা পরীক্ষা করা হবে। পাশাপাশি, স্থানীয় আবহাওয়ার প্রভাব বিশ্লেষণ করে কৃষকদের জন্য কার্যকর অভিযোজন কৌশল প্রণয়ন করাও হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ঢাকা ও নোয়াখালীতে ইনসেপশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়াও, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রিনহাউজ পরিদর্শনের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা গবেষকরা অর্জন করেছেন। নোবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অত্যাধুনিক গ্রিনহাউজ নির্মাণের কাজ বর্তমানে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রকল্পের জন্য আধুনিক গবেষণাগার ও কার্যালয় স্থাপন, গবেষণা সহকারী ও ল্যাব টেকনিশিয়ান নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান বলেন, ‘এই গবেষণার মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য উপযোগী জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন, কৃষকদের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বৈজ্ঞানিক তথ্যভিত্তিক সুপারিশ প্রণয়ন করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে প্রকল্পটির মাধ্যমে নোবিপ্রবিতে একটি স্থায়ী জলবায়ু গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। কেন্দ্রটি ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গবেষণার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা সরকারের: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৬ পি.এম


বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা সরকারের: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

আগামী ৫ বছরের জন্য বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলুর প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য দেন। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে ১০৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ৬টি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি, মোট ১১০টি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৫৫টি কর্মসংস্থান উপযোগী স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি ট্রেড/কোর্সের মাধ্যমে দক্ষতার উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বৈদেশিক শ্রমবাজারকে সুসংহতকরণ, সম্প্রসারণ এবং সংরক্ষণ করার লক্ষ্যে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষ কর্মী গড়ে তোলা হচ্ছে। তাদের ভাষাগত সমস্যা দূরীকরণেও মন্ত্রণালয় কাজ করছে। এ কার্যক্রম সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, নিরাপদ, নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। অভিবাসন ব্যয় এবং দালালচক্রের প্রতারণাকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বিদেশগামী কর্মীদের দ্রুত সময়ে পাঠানোর জন্য মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানোর চেষ্টা চলছে। প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, মনিটরিং, সনদায়ন, বিদেশে শ্রম কল্যাণ উইংয়ের মাধ্যমে ডিমান্ড লেটার/ভিসা সত্যায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া, বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের বহির্গমন ছাড়পত্র ইস্যুর বিষয়টি আরো সহজ ও স্বচ্ছ করা হচ্ছে। এ কারণে, অভিবাসনে দালালদের দৌরাত্ম্য কিছুটা হ্রাস পেয়েছে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়া, দালাল বা সাব-এজেন্টদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনার জন্য সরকার ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (রিক্রুটিং এজেন্ট লাইসেন্স এবং সাব-এজেন্ট নিবন্ধন ও আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ প্রস্তুত করেছে। স্থানীয় পর্যায়ে অভিবাসন সংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য জেলা এবং উপজেলা অবলম্বনে যথাক্রমে জেলা অভিবাসন সমন্বয় কমিটি এবং উপজেলা অভিবাসন সমাধা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচনা ও কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচনা ও কর্মসূচি

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে "জলবায়ু পরিবর্তনে আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা" এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বৃহষ্পতিবার (৯ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আবুসাঈদ।

এই সভাটি পরিবেশ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজিম উদ্দিন শেখ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ মো. গাওছাল আজম, পিপিএম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক শরিফুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে। এছাড়াও তরী বাংলাদেশ আহবায়ক শামীম আহমেদ, বিডি ক্লিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যোবায়ের শাওন, তরী বাংলাদেশের সদস্য সোহেল রানা ভ‚ইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ খুবই জরুরি। প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিবেশ সংরক্ষণে এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কের এফ-৩৫ প্রাপ্তি ঠেকাতে তৎপর ইসরাইল, নেপথ্যে কী কারণ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


তুরস্কের এফ-৩৫ প্রাপ্তি ঠেকাতে তৎপর ইসরাইল, নেপথ্যে কী কারণ?

ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ জানিয়েছে তুরস্ককে এফ-থার্টি ফাইভ যুদ্ধবিমান না দিতে। এ ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে যে, কেন তেল আবিব বাধা দিচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি আঙ্কারা মার্কিন এই যুদ্ধবিমান পায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক সমীকরণ বদলে যেতে পারে। ফলে, দীর্ঘসময় ধরে প্রভাব বিস্তার করে আসা ইসরাইলের ক্ষমতা সেখানে কমতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনে আঙ্কারার কাছে এফ থার্টি ফাইভ যুদ্ধবিমান বিক্রির ইঙ্গিত দিয়েছে। কিন্তু ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তুরস্ককে যুদ্ধবিমান না দেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করেছেন। এখানে প্রশ্ন উঠছে, ইসরাইলের সমস্যা কোথায়, যদি তুরস্ককে এফ থার্টি ফাইভ দেওয়া হয়?

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কেবল যুদ্ধবিমান বা ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে রয়েছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি, আকাশসীমা এবং আঞ্চলিক নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা। তাহলে, যদি তুরুক মার্কিন এই যুদ্ধবিমান পায়, তবে পুরো অঞ্চলের ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তিত হবে।

ইসরাইলের সামরিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো আকাশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা। সিরিয়া, লেবানন অথবা পূর্ব ভূমধ্যসাগরে যেকোনো অভিযান পরিচালনার জন্য তেল আবিব এই সক্ষমতার উপর নির্ভর করে। আর তুরস্ক যদি এফ-থার্টি ফাইভ পায়, তাহলে তাদের বিমানবাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে, ওই অঞ্চলে ইসরাইলের কৌশলগত স্বাধীনতা এবং আকাশ প্রতিরক্ষায় শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

আঙ্কারাকে যুদ্ধবিমান না দেওয়ার পেছনে বাণিজ্যিক কারণও বিদ্যমান। ভারত, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপকে যুক্ত করতে আই.এম.ই.সি করিডোর তৈরি হচ্ছে। এটি ভারত থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, জর্ডান এবং ইসরাইল হয়ে ইউরোপে পৌঁছাবে। ভারতের জন্য এটি চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোডের বিকল্প এবং ইসরাইলের জন্য এটি ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত লাইফলাইন।

তবে, তুরস্ক এই করিডোরের বাইরেই আছে। ফলে, আঙ্কারা ইরাক হয়ে নিজেদের উন্নয়ন রোড করিডোর তৈরি করতে চায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তুরস্ক এবং তেল আবিব কেবল নিরাপত্তা নয় বরং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ পথ নিয়েও প্রতিযোগিতায় রয়েছে।

জ্বালানির রাজনীতির সৃষ্টি হয়েছে। পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ইসরাইলের লেভিয়াথন, তামারা এবং সাইপ্রাসের আফ্রোদিতি গ্যাসক্ষেত্র ইউরোপের ভবিষ্যত জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই অঞ্চলের সমুদ্রসীমা বিষয়ে তুরস্ক, গ্রিস এবং সাইপ্রাসের মধ্যে বহুদিনের বিরোধ বিদ্যমান। তাই, যদি তুরস্ক শক্তিশালী হয়ে ওঠে, তাহলে ইসরাইলের জন্য এই গ্যাস রুট এবং জ্বালানি প্রকল্পগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হবে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, গত এক দশকে ভারত ও ইসরাইলের সম্পর্ক প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং আইএমইসিকে কেন্দ্র করে আরো ঘনিষ্ঠ হয়েছে। অপরদিকে, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক অবস্থান করছে। কাশ্মীর ইস্যুতে তুরস্ক প্রায়ই পাকিস্তানের অবস্থান সমর্থন করে থাকে, আর ইসলামাবাদও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে তুরস্কের পাশে থাকে। যদি তুরস্ক এফ থার্টি যুদ্ধবিমান পায়, তাহলে তারা আরও শক্তিশালী হবে এবং এ অঞ্চলে তাদের প্রভাব বাড়বে। উল্লেখ্য, ভারত-পাকিস্তান এর মধ্যে বরাবরই বৈরী সম্পর্ক বিদ্যমান।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র চায় একদিকে ন্যাটোর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য তুরস্ককে তাদের কৌশলগত বলয়ে রাখতে, অপরদিকে ইসরাইলের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখাও ওয়াশিংটনের একটি দীর্ঘদিনের নীতি। তাই, এফ-থার্টি ফাইভ ইস্যুটি তেল আবিবের অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্তের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটি মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ শক্তির ভারসাম্য, বাণিজ্য করিডোর, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক ভূরাজনীতির একটি পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙামাটিতে বন্যাদুর্গতদের জন্য খাবার নিয়ে পাশে দাঁড়ালেন দীপেন দেওয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


রাঙামাটিতে বন্যাদুর্গতদের জন্য খাবার নিয়ে পাশে দাঁড়ালেন দীপেন দেওয়ান

টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ধসের আশঙ্কা থাকার কারণে রাঙামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নেওয়া ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাবার বিতরণ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাড. দীপেন দেওয়ান।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত লোকজনের খোঁজখবর নেন এবং খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনকালে দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, ২০১৭ সালের ভয়াবহ পাহাড়ধসের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে দুর্যোগ মোকাবিলায় রাঙামাটিতে স্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন সময়ের দাবি। এ বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান।

তিনি আরও বলেন, পাহাড়ধসের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করতে হবে।

আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি তবলছড়ি এডিসি হিল জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রুহুল আমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তারেক সেকান্দারসহ বিএনপির সহ-সভাপতি আলী বাবর, যুগ্ম সম্পাদক এ্যাড. সাইফুল ইসলাম পনির, সদর থানা বিএনপির সভাপতি মো. মুজিবুল হক প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%