ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডিএমপির ১১ পুলিশ পরিদর্শককে বদলি করা হয়েছে


ডিএমপির ১১ পুলিশ পরিদর্শককে বদলি করা হয়েছে

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ১১ জন নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শককে জনস্বার্থে দেশের বিভিন্ন রেঞ্জ ও ইউনিটে বদলি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে অ্যাডিশনাল আইজিপি (অ্যাডমিন) এ কে এম আওলাদ হোসেনের সই করা একটি প্রজ্ঞাপনে এই বদলির নির্দেশনা জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শকদের মধ্যে মো. মহিদুল ইসলামকে সিলেট রেঞ্জে (সিলেট রেঞ্জ অফিসে সংযুক্তি বহালসহ) এবং সিরাজুল ইসলাম খানকে চট্টগ্রাম রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে। একইসাথে, নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক তোফায়েল আহমেদকে রংপুর রেঞ্জে, মো. মেহেদী হাসানকে এপিবিএনে, মো. হাফিজুর রহমানকে রংপুর রেঞ্জে এবং ঠাকুর দাস মালোকে নৌ-পুলিশে বদলি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এছাড়া, নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক এস কে খোদা নেওয়াজকে ট্যুরিস্ট পুলিশে, মো. ইয়ামিন কবীরকে চট্টগ্রাম রেঞ্জে, মো. আলমগীর সিদ্দিককে বরিশাল রেঞ্জে, মো. নজরুল ইসলামকে এপিবিএনে এবং মো. নূর আলমকে খুলনা রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে।

বর্ণিত এসব নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শকদের বদলির আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে তাদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে ছাড়পত্র গ্রহণ করে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।

অন্যথায়, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখ থেকে তারা অবমুক্ত বা স্ট্যান্ড রিলিজ (Stand Release) হিসেবে গণ্য হবেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ সেমিনার অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ সেমিনার অনুষ্ঠিত

আর্থিক সংকট এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার অভাবে ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকা মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা এবং তাদের জন্য একটি সহায়ক ও মানবিক পরিবেশ তৈরি করার উদ্দেশ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব: আত্মিক সম্পর্কের ভিত্তিতে নৈতিক সমাজ বিনির্মাণ’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সেমিনারটি শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক ও মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ট্রাস্টি সদস্য কাজী শহিদুল ইসলাম, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. ফারজানা আহমেদ, সহযোগী অধ্যাপক মেজবাহ-উল-আজম সওদাগর এবং প্রক্টর (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ছালেহ উদ্দিন। প্রস্তাব উপস্থাপন করেন ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ড. মো. মাহবুবুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টের ক্যাম্পাস গার্ডিয়ান সহযোগী অধ্যাপক ড. তারেক বিন আতিক।

কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, আর্থিকভাবে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তার পাশাপাশি তাদের মানসিক সমর্থন ও সঠিক দিকনির্দেশনা প্রয়োজন। তিনি সততা, নৈতিকতা এবং মানবিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে নৈতিক সমাজ গঠনে তরুণদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্রের উন্নয়ন শুধুমাত্র অর্থনৈতিক অগ্রগতির মাধ্যমে নয়, বরং নৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমেও বিবেচনা করা উচিত।

সহযোগী অধ্যাপক ড. তারেক বিন আতিক বলেন, মোরাল প্যারেন্টিংকে শুধুমাত্র অনুদান হিসেবে দেখা উচিত নয়। এটি একটি পারস্পরিক দায়িত্ববোধ ও সহযোগিতার ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। মানুষের মানসিক সন্তুষ্টি অর্জনের ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরেন্দ্রের সৌর সেচে অনাবাদী জমি হচ্ছে উর্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


বরেন্দ্রের সৌর সেচে অনাবাদী জমি হচ্ছে উর্বর

বরেন্দ্র অঞ্চলে, যা খরার জন্য পরিচিত, যখন তপ্ত রোদ পড়ছে, তখন সেখানে একটি নীরব কৃষি বিপ্লবের দৃশ্যমান প্রমাণ দেখা যাচ্ছে। এই পরিবর্তনটি ঘটছে ডিজেল ইঞ্জিনের গর্জন কিংবা যন্ত্রপাতির কোলাহল ছাড়াই, যা ফসলি জমিগুলোকে নতুন রূপ দিচ্ছে।

সৌর চালিত সেচ পাম্পগুলো কোনো জ্বালানি খরচ ছাড়াই ভূগর্ভ থেকে পরিষ্কার পানি তুলে এনে শুষ্ক জমিতে পৌঁছে দিচ্ছে। এর ফলে এক সময়ের অনাবাদী জমিগুলো এখন ফলপ্রসূ কৃষিজমিতে পরিণত হচ্ছে।

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কৃষকেরা এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ধান, বেগুন, টমেটো, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও মরিচ চাষ করছেন। কিছু কৃষক বছরে তিনবার ধান উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন।

স্থানীয় কৃষক আনারুল বলেন, "আগে পানির জন্য কৃষকদের অনেক কষ্ট করতে হতো।" তিনি উল্লেখ করেন, দূরবর্তী পুকুর থেকে ডিজেল চালিত পাম্পের মাধ্যমে দীর্ঘ পাইপলাইন টেনে পানি আনতে হতো, যা সেচের খরচকে অনেক বেড়ে দিত। তাছাড়া পল্লী বিদ্যুতের সংযোগও ছিল না।

সৌর সেচ ব্যবস্থা চালুর পর থেকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। তিনি জানান, "এখন সূর্য ওঠার সাথে সাথেই পাম্প চালু হয়ে যায় এবং কোনো জ্বালানি খরচ ছাড়াই পানি উঠতে থাকে।"

আনারুলের মতে, এই সোলার পাম্পের মাধ্যমে বর্তমানে প্রায় ২০ জন কৃষকের আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের নিয়ে গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে যৌথভাবে এই ব্যবস্থা পরিচালনা করা হচ্ছে, যা একক মালিকানার পরিবর্তে একটি সমন্বিত উদ্যোগ।

আরেক কৃষক সুমন জানান, "আগে তারা মূলত আমন ধান এবং শীতকালীন সবজি বা ডালের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন।" তিনি বলেন, সহজে সেচের পানি পাওয়ার ফলে এখন তারা আউশ ও বোরো ধানের পাশাপাশি আগাম জাতের সবজি চাষ করছেন, যা অতিরিক্ত আয় এনে দিচ্ছে।

কৃষক আখতার হোসেন জানান, সেচের পানির সহজলভ্যতা এক সময়ের অনাবাদী জমিকে উর্বর কৃষিজমিতে রূপান্তর করেছে। তিনি বেগুন তোলার সময় জানান, পলিথিন মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে আগাম জাতের ফুলকপির চারাও তৈরি করছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প’-এর অধীনে বরেন্দ্র অঞ্চলে সৌর চালিত সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানান, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় গভীর নলকূপগুলোর কার্যকারিতা হ্রাস পাচ্ছিল, তাই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের বিনামূল্যে সৌর সেচ ব্যবস্থা সরবরাহ করা হচ্ছে। গত দুই বছরে রাজশাহী বিভাগে ৩২টি সৌর সেচ পাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে নির্ধারিত এলাকায় সেচের জন্য ২৪টি স্থায়ী সৌর সেচ ব্যবস্থা রয়েছে, যা ২ অশ্বক্ষমতা সম্পন্ন। এছাড়া ৮টি বহনযোগ্য সিস্টেমও কৃষকদের জন্য দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক এস এম হাসানুজ্জামান জানান, টেন্ডার অনুযায়ী প্রতিটি সৌর পাম্প স্থাপনে প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। তিনি বলেন, ৫৫০ ওয়াটের ছয়টি সোলার প্যানেল থেকে মোট ৩,২০০ ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। ২ অশ্বক্ষমতার পাম্পটি প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রায় ২০ থেকে ২৫ বিঘা জমিতে পানি সরবরাহ করতে সক্ষম।

তিনি আরও জানান, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণে যেসব এলাকায় গভীর নলকূপের সেচ এলাকা কমে গেছে, সেসব জায়গায় এই প্রযুক্তি বিশেষ উপযোগী। হাসানুজ্জামান উদাহরণ দিয়ে বলেন, "একটি গভীর নলকূপের সেচ এলাকা যেখানে আগে প্রায় ১৫০ বিঘা ছিল, তা কমে দাঁড়ায় প্রায় ৮০ বিঘায়।" এ ধরনের এলাকায় এই প্রযুক্তি একটি আশীর্বাদস্বরূপ।

তিনি উল্লেখ করেন, সৌর সেচ ব্যবস্থার ফলে কৃষকদের সেচ খরচ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে এবং ফসলের নিবিড়তা প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ভবিষ্যতে বিদ্যমান ডিজেল ও বিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্পগুলোতেও সোলার প্যানেল যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মোহনপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবদুল মতিন জানান, বিদ্যুৎ সংযোগ নেই এমন দুর্গম এলাকাগুলোতে সৌর সেচ বিশেষভাবে কার্যকরী। তবে সেচ মৌসুমের বাইরে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের ব্যবস্থা করা গেলে এই উদ্যোগ আরও বেশি অর্থবহ হবে।

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম এই উন্নয়নকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন এবং বলেন, "বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদনের অন্যতম প্রধান শক্তি নির্ভর উপাদান হলো সেচ।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নলডাঙ্গা প্রধান পোস্ট অফিস ভবন ‘ভূতের বাড়ি’তে পরিণত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


নলডাঙ্গা প্রধান পোস্ট অফিস ভবন ‘ভূতের বাড়ি’তে পরিণত

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের ৫ আগস্টের পর কাজের ঠিকাদার নিখোঁজ হয়ে গেছেন। এর পর থেকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার প্রধান ডাকঘর নলডাঙ্গা পোস্ট অফিসের সংস্কারকাজ বন্ধ রয়েছে। দুই বছর পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি এবং ঠিকাদারের কোনো খোঁজ নেই।

২০২৩ সালে জরাজীর্ণ পুরোনো পোস্ট অফিস সংস্কার প্রকল্পের আওতায় নলডাঙ্গা পোস্ট অফিস ভবনের সংস্কারের জন্য টেন্ডার অনুষ্ঠিত হয়। ঠিকাদার কাজ শুরু করলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তা বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে প্রধান অফিসকক্ষের দরজা-জানালা নেই, এবং ভেতরে কাঠ ও লাকড়ির স্তূপ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে, সেটি কর্মীদের সাইকেল ও মোটরসাইকেল রাখার স্থান হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে।

অফিসের পাশে মাত্র ১০ বাই ১০ ফুটের একটি কক্ষে আটজন ডাককর্মী চারটি টেবিল পেতে ঠাসাঠাসি করে কাজ করছেন। এর পাশের প্রায় ৬ ফুটের আরেকটি ছোট কক্ষে দাপ্তরিক কাজ চালাচ্ছেন উপজেলা পোস্টমাস্টার। এতে ডাক বিভাগের কর্মীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। সরকারি-বেসরকারি ও সাধারণ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ নথি গ্রহণ ও বিলি-বিতরণেও কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। জরাজীর্ণ ভবনটির নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পোস্ট অফিসের মূল প্রবেশদ্বারের দরজা ও জানালা নেই। ভবনের ভেতরে কাঠ-লাকড়ির স্তূপ এবং কর্মীদের মোটরসাইকেল রাখা হয়েছে। পাশের ছোট কক্ষে গাদাগাদি করে চলছে অফিসের কার্যক্রম।

উপজেলা পোস্টমাস্টার (ভারপ্রাপ্ত) হাফিজুর রহমান জানান, তিনি এক বছর আগে এখানে যোগ দিয়েছেন। তার যোগদানের আগ থেকেই ভবনটি এমন বেহাল অবস্থায় রয়েছে। ২০২৩ সালে জরাজীর্ণ ভবন সংস্কারের জন্য টেন্ডার হয়েছিল এবং ঝিনাইদহের এক ঠিকাদার কাজ শুরু করেছিলেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায়। দায়িত্ব পালনকালে ঠিকাদার একদিনও এখানে আসেননি এবং ঠিকাদার বা প্রতিষ্ঠানের নামও তিনি জানেন না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডাককর্মী জানান, ঠিকাদার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের একজন আশীর্বাদপুষ্ট ব্যক্তি ছিলেন। ৫ আগস্টের পর ভবনের কাজ বন্ধ রেখে তিনি চলে যান এবং এরপর আর ফিরে আসেননি।

ঝিনাইদহ প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টার রিয়াজুল হক জানান, তিনি কয়েক মাস আগে এ কার্যালয়ে যোগ দিয়েছেন। কালীগঞ্জ প্রধান পোস্ট অফিসের সংস্কারকাজ কেন বন্ধ বা ঠিকাদার কে ছিলেন, তা তিনি বলতে পারেননি। তবে কালীগঞ্জ পোস্ট অফিসের মতো অনেক উপজেলার পোস্ট অফিসের সংস্কারকাজও বন্ধ রয়েছে বলে তিনি জানান।

জরাজীর্ণ পুরোনো পোস্ট অফিস সংস্কার প্রকল্পের সাব-ইঞ্জিনিয়ার তাইবুর রহমান জানান, তিন মাস আগে তিনি কালীগঞ্জ প্রধান পোস্ট অফিস ভবন পরিদর্শন করেছেন। ২০২৩ সালে ভবন সংস্কারের টেন্ডার হয়েছিল। তবে কাজের বরাদ্দ বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম তিনি বলতে পারেননি। তিনি জানান, খুব শিগগিরই কাজ আবার শুরু হবে।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা নাহিদ জানান, ঠিকাদার পালিয়ে গেছেন বা কাজ বন্ধ রয়েছে— বিষয়টি তিনি প্রথমবারের মতো জানতে পারলেন। পোস্ট অফিসের কর্মকর্তারাও কখনো সমস্যাটি নিয়ে তাঁর কাছে আসেননি। তিনি বলেন, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে ৫০০’র মধ্যে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শাখা খোলার অনুমতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


বাংলাদেশে ৫০০’র মধ্যে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শাখা খোলার অনুমতি

বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষ ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে থাকা বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য শাখা খোলার অনুমোদন দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ঢাকাস্থ কচুয়া উপজেলা সমিতি আয়োজিত ‘কচুয়ার উন্নয়নে জনমনের ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশকে একটি এডুকেশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ক্রস বর্ডার এডুকেশন সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিশ্বের ৫০০টি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে থাকা বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে শাখা খুলতে চাইলে তাদের অনুমোদন দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হবে।

বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশে আসলে দেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে পাঠ্যপুস্তকের মান নিয়েও আলোচনা করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, নিম্নমানের বই সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে। পাঠ্যবইয়ের মানের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। ইতোমধ্যে নিম্নমানের বই বাতিল ও নষ্ট করা হয়েছে।

কচুয়ার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দক্ষ জনবল তৈরিতে কারিগরি ও উৎপাদনমুখী শিক্ষার বিকল্প নেই। কচুয়ার শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কচুয়ার প্রতিটি সেক্টরের উন্নয়নে ‘শেডো মিনিস্টার’ ও কমিটি গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাহাঙ্গীর আলম প্রধান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট নাজমুন নাহার বেবি। অনুষ্ঠানে কচুয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষাবিদ, কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কচুয়ার কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাও দেওয়া হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%