বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০১ পি.এম
নোয়াখালী ও টাঙ্গাইলে সেতু নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগের কারণে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনের স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশের মাধ্যমে এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ও রেলিংয়ের রডের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম এবং কার্যসহকারী মো. মহিন উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। একই ঘটনায় নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মন্ডল এবং বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনছুর আহমেদের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
সাত কার্যদিবসের মধ্যে তাদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব এলজিইডির নোয়াখালী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে দেওয়া হয়েছে। তাকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, টাঙ্গাইলের বাসাইলে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করে ঢালাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের কার্যসহকারী মো. হাসমত আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এলজিইডির আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত নির্মাণসামগ্রীর পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এটি আলোচিত হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কার্যসহকারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাসাইলের ঘটনার পর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানকে আগে থেকেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকৌশলীর কাছেও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে এলজিইডি।
নতুন আদেশে কার্যসহকারীকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। নোয়াখালীর ঘটনায় দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলীদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম গণমাধ্যমকে জানান, "উন্নয়নকাজে অনিয়ম-দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না। জনগণের অর্থ লুটপাট কিংবা মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলার সঙ্গে জড়িত যে-ই হোক, তাকে জবাবদিহি করতে হবে। পদ-পদবি বা প্রভাব দেখিয়ে রেহাই পাওয়ার সুযোগ নেই। শোকজ, সাময়িক বরখাস্ত ও বদলির মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অপরাধ প্রমাণিত হলে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিনের এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হয়েছে। ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন মহাপরিচালক নিয়োগের বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে, রেজাউদ্দিন স্টালিন দায়িত্ব পালনকালে শিল্পকলা একাডেমিতে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং শিল্পীদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে যে গতি সৃষ্টি হয়েছে, তা অব্যাহত রাখতে পুনরায় তাকে মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছেন শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের অনেকেই।
শিল্পকলা সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর রেজাউদ্দিন স্টালিন প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেন। তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্যও পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। পাশাপাশি, শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধি করে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশা জানার সুযোগ তৈরি করেন।
দায়িত্ব পালনের সময়, দীর্ঘদিনের পদোন্নতি, টাইমস্কেল এবং গ্রেডসংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বদলির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, মহাপরিচালকের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ তৈরি হওয়ায় শিল্পীদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রস্তাব সহজে তুলে ধরা সম্ভব হচ্ছে।
রেজাউদ্দিন স্টালিনের দায়িত্বকালে শিল্পকলা একাডেমিতে বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠান, উৎসব, প্রদর্শনী এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও সম্প্রীতির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে এসব কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে শিল্পকলা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের অনেকের বিশ্বাস, রেজাউদ্দিন স্টালিনের অভিজ্ঞতা এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পৃক্ততা শিল্পকলা একাডেমির বর্তমান কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হতে পারে। তাদের মতে, চলমান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তাকে পুনরায় দায়িত্ব দেওয়া হলে প্রতিষ্ঠানটির সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আরও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এদিকে, রেজাউদ্দিন স্টালিনের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় শিল্পকলা একাডেমিতে নতুন মহাপরিচালক কে হচ্ছেন, তা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও আলোচনা চলছে। কেউ কেউ মনে করছেন, তার চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে। আবার নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনার কথাও আলোচনা হচ্ছে। তবে, অনেকের মধ্যে রেজাউদ্দিন স্টালিনকে পুনরায় দায়িত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।
শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের প্রত্যাশা, নতুন মহাপরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে শিল্পকলা একাডেমির চলমান কার্যক্রম, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে তৈরি হওয়া যোগাযোগকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। রেজাউদ্দিন স্টালিনকে পুনরায় দায়িত্ব দেওয়া হলে তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পক্ষে মত দিয়েছেন অনেকেই।
তাদের মতে, শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রমে যে গতি তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা গেলে দেশের শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রাণ গ্রুপ জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী ব্যক্তিরা আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: ট্রেইনি এক্সিকিউটিভ
বিভাগ: স্টোর
লোকবল নিয়োগ: ৩০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিবিএ
অন্য যোগ্যতা: গুদাম বা ওয়্যারহাউসের পরিবেশে কাজ করার সক্ষমতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: প্রার্থীদের জন্য কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন, তবে অভিজ্ঞতা না থাকলেও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: কমপক্ষে ২৪ বছর
কর্মস্থল: গাজীপুর, হবিগঞ্জ, হবিগঞ্জ (চুনারুঘাট), কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী।
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্য সুবিধাসমূহ: মোবাইল বিল, প্রভিডেন্ট ফান্ড, দুপুরের খাবার সুবিধা, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, বছরে ২টি উৎসব বোনাস এবং কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা।
আবেদনের পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের একাধিক কৌশলগত অঞ্চলে, বিশেষ করে পবিত্র মক্কা নগরীতে, সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কার কারণে জরুরি ভিত্তিতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তারিখে, দেশটির সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ এই সতর্কতা জারি করে।
সাধারণত, সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা ড্রোন হামলার হুমকি দেখা দিলে, ন্যাশনাল আর্লি ওয়ার্নিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা সংকেত পাঠায়।
সৌদি সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নাগরিকদের সতর্ক করতে মক্কা নগরীতে জরুরি বার্তা পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে লোহিত সাগরের উপকূলীয় কৌশলগত এলাকা ইয়ানবু গভর্নরেট, তায়েফ, জেদ্দা ও তাবুক অঞ্চলেও পৃথক সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তবে, সতর্কবার্তা জারির কিছু মিনিটের মধ্যে তা তুলে নেওয়া হয়।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা হামলা চালানোর ঠিক আগমুহূর্তে সাধারণত এই সতর্কসংকেত সক্রিয় হয়ে ওঠে। গত সপ্তাহে রিয়াদ অভিযোগ করে যে, ২০১৭ সালের পর প্রথমবারের মতো মক্কা নগরীকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, যা আকাশপথে ভূপাতিত করা হয়। যদিও হুতি বিদ্রোহীরা এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেন সরকারের পক্ষে লড়ে আসা সৌদি জোটের বিরুদ্ধে সম্প্রতি হুতিরা হামলা জোরদার করায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। কিছুদিন আগে, সৌদির রাজধানী রিয়াদে বড় ধরনের হামলা চালানো হয়। পাশাপাশি, তারা সৌদির তেল রপ্তানির প্রধান পথ বাব আল-মানদেব প্রণালির উপকূলীয় অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণও নিয়েছে।
জুলাইয়ে সানা বিমানবন্দরে ইরানি বিমান অবতরণকে কেন্দ্র করে ২০২২ সালে স্বাক্ষরিত ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার পর থেকে, রিয়াদের ওপর সামুদ্রিক অবরোধ ও তেল ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হুতিরা। এর ফলে, শীর্ষ অপরিশোধিত তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদিসহ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি পরিবহনের নৌপথগুলোতে বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম আবারও শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সারাদেশের সব উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা সম্বলিত চিঠি পাঠিয়েছে।
এই চিঠিটি গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যালয়ে প্রেরিত হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগের মতো ভোটার স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ করা হবে এবং সার্বিক যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে তা ইস্যু ও নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা প্রদান করেছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তরসংক্রান্ত পূর্ববর্তী আবেদনগুলো গত ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য ২ সেপ্টেম্বর মাঠপর্যায়ে বিশেষ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছিল। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং নাগরিকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম পুনরায় চালুর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ