ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকায় রোহিঙ্গা সংকট বৃহত্তর নিরাপত্তা উদ্বেগের সঙ্গে জড়িত


ঢাকায় রোহিঙ্গা সংকট বৃহত্তর নিরাপত্তা উদ্বেগের সঙ্গে জড়িত

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির মন্তব্য করেছেন যে, দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট এখন আর শুধুমাত্র মানবিক উদ্বেগের বিষয় নয়, বরং এটি বৃহত্তর নিরাপত্তা এবং অনিয়মিত অভিবাসনের বিষয়েও জড়িত। তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক উদ্যোগের ওপর আরও জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ বিষয়ক যুক্তরাজ্যের অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) চেয়ার এবং এমপি আফসানা বেগমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক জোরদারে এপিপিজির অব্যাহত আগ্রহের জন্য প্রশংসা করেন। প্রতিনিধিদলে হাউস অব লর্ডসের সদস্য শওকত আদম এমপি এবং লর্ড কুরবান হুসেইনও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এই সময়, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংহতি এবং সংস্কার উদ্যোগে যুক্তরাজ্য সরকারের সমর্থনের বিষয়টি তুলে ধরেন হুমায়ুন কবির। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এপিপিজির ভূমিকা উল্লেখ করেন, যা যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট, বাংলাদেশ এবং ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করছে। তিনি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের সঙ্গে বাংলাদেশের অগ্রগতি ও বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরার জন্য এপিপিজির সহযোগিতা চান।

প্রতিনিধিদলটি বুধবার রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবে এবং এপিপিজির প্রতিনিধিরা রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের দুর্দশা মোকাবিলায় তাদের সমর্থনের কথা জানান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রতিনিধিদলটি মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের নিজভূমিতে টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় সোচ্চার থাকার আশ্বাস দিয়েছে।

আলোচনায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংসদীয় সহযোগিতা এবং বিনিময় জোরদার করার গুরুত্ব উঠে আসে। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক সংহতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অভিবাসন, দক্ষ জনশক্তি কাজে লাগানো এবং মানবাধিকারের মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

উভয় পক্ষ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করে এবং সংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় চ্যানেলের মাধ্যমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী চার দিনে বজ্রবৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া থাকবে এরকম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


আগামী চার দিনে বজ্রবৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া থাকবে এরকম

মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু বর্তমানে কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন বিভাগে আগামী চার দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে। এছাড়া, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়া, দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

এছাড়া আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেও জানানো হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যাম্পাসে ব্যানার ঝুলানোয় বিধি লঙ্ঘনের দায়ে ইবি ছাত্রশক্তিকে শোকজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


ক্যাম্পাসে ব্যানার ঝুলানোয় বিধি লঙ্ঘনের দায়ে ইবি ছাত্রশক্তিকে শোকজ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বিএনপি সরকারের ২০০ দিনের যত ব্যর্থতা’ শীর্ষক একটি ব্যানার ঝুলানোর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ইবি শাখা ছাত্রশক্তিকে শোকজ করেছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান শোকজ নোটিশটি ইবি শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক বরাবর পাঠান।

শোকজ পত্রে ছাত্রশক্তির আহবায়ককে উদ্দেশ্য করে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ‘ছাত্রশক্তির’ নাম সম্বলিত একটি ব্যানার ঝুলানো হয়েছে যা বিধি-বিধান উপেক্ষা করে করা হয়েছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসের শিক্ষার স্বাভাবিক ও সুষ্ঠ পরিবেশ এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার দায়ে কেন আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, সোমবার (৫ অক্টোবর) ক্যাম্পাসের ঝালচত্বরে একটি ব্যানার টাঙ্গানো হলে, ব্যানারটি সন্ধ্যায় ২ ঘণ্টার মধ্যে উধাও হয়ে যায়। এই ঘটনার পর সংগঠনটি প্রতিবাদ জানিয়ে পুনরায় একই ব্যানারটি প্রধান ফটক সংলগ্ন মুক্ত বাংলায় ঝুলিয়েছে। পরে আবারও উধাও হওয়ার ঘটনা ঘটে। এদিকে, বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সংগঠনটির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে প্রশাসন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একনেকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন হচ্ছে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


একনেকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন হচ্ছে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প

বাংলাদেশ সরকার বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন বৃদ্ধি, জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য আনা এবং কার্বন নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) একনেক চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটির খসড়া উপস্থাপন করা হবে অনুমোদনের জন্য। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪৯৮.০৮ কোটি টাকা।

বিদ্যুৎ বিভাগ ‘রামপাল ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প’ শীর্ষক প্রস্তাবটি এনেছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পের জন্য বিপিডিবি’র নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৭৪.৭১ কোটি টাকা এবং বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন তহবিল থেকে ২ হাজার ১২৩.৩৭ কোটি টাকা অর্থায়ন করা হবে।

বিপিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্যানেল ক্ষমতা হবে ৪৪২ মেগাওয়াট। তিনি আরও জানান, সৌর প্যানেলে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ইনভার্টারের মাধ্যমে এসি বিদ্যুতে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।

জহুরুল ইসলাম বলেন, রামপাল সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের এই উদ্যোগ দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির পরিধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। এই প্রকল্প নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে নতুন উৎপাদন ক্ষমতা যুক্ত করবে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সাহায্য করবে।

পরিকল্পনা কমিশনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন তহবিলের এই ঋণে বার্ষিক সুদের হার হবে ২ শতাংশ। এতে ১ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ঋণ পরিশোধের সময় মিলবে ১৬ বছর।

পরিকল্পনা কমিশন ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে। কমিশন বলেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে। এতে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট জ্বালানি কাঠামোর ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য শক্তি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জন করতে সহায়তা করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে জাতীয় গ্রিডে নতুন করে ৪৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। বর্তমানে দেশে ২৮ হাজার ৮২৭ মেগাওয়াট অন-গ্রিড বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার মধ্যে সৌরবিদ্যুতের অবদান ৭৯৭ মেগাওয়াট।

পরিকল্পনা কমিশনের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রকল্পটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াবে। এতে ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে।’

কমিশন জানিয়েছে, জ্বালানির প্রাথমিক উৎসে বৈচিত্র্য এনে প্রকল্পটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করবে এবং কার্বন নির্গমন কমাবে।

‘বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত জ্বালানিতে বৈচিত্র্য আসার ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়ার পাশাপাশি কার্বন নির্গমন কমবে’- এ মন্তব্য করে কমিশন প্রকল্পটি অনুমোদনের সুপারিশ করেছে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পটি রামপালের ‘ব্লক-বি’তে ৯১৮.৫০ একর জমিতে নির্মাণ করা হবে। এ জমি আগেই অধিগ্রহণ করেছে বিপিডিবি। পরিকল্পনা কমিশন বলেছে, বিপিডিবি’র নিজস্ব জমি ব্যবহার করায় নতুন করে ভূমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না। এতে প্রকল্পের ব্যয়ও কমবে।

সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কাছেই থাকা রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্তমান সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে পাঠানো হবে। প্রকল্প সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, এর ফলে প্রকল্পটি তুলনামূলক কম খরচে ও দ্রুত সময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ২০১২ সালে রামপালে মোট ১ হাজার ৮৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করে বিপিডিবি। জমিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়: ব্লক-এ ৯১৫ দশমিক ৫০ একর ও ব্লক-বি ৯১৮ দশমিক ৫০ একর। ব্লক-এ নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেডের ‘মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট’। ব্লক-বি রয়েছে বিপিডিবি’র হাতে।

প্রকল্প দলিল অনুযায়ী, ‘ব্লক-বি’-তে ভূমি উন্নয়ন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে।

প্রস্তাবিত সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রে সর্বনিম্ন ৬৪০ ওয়াট পিক ক্ষমতার সৌর ফটোভোলটাইক মডিউল ব্যবহার করা হবে। এতে ৩৬০ মেগাওয়াট মোট ক্ষমতার গ্রিড-টাইড ইনভার্টার, একটি পুলিং সাবস্টেশন, তিন কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল-সার্কিট ২৩০-কেভি সঞ্চালন লাইন এবং একটি স্পেয়ার বে সহ তিনটি ২৩০-কেভি বে স্থাপন করা হবে।

প্রকল্প খরচের সবচেয়ে বড় অংশ অর্থাৎ ১ হাজার ২৩৮.৬১ কোটি টাকা (প্রায় ৫০ শতাংশ) ব্যয় হবে সৌর ফটোভোলটাইক মডিউল ও মাউন্টিং স্ট্রাকচার কেনায়। এছাড়া ইনভার্টার, ট্র্যান্সফরমার এবং স্কাডা (SCADA) সিস্টেমসহ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম কেনাকাটায় খরচ ধরা হয়েছে ৭৩২.২৫ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা কমিশন বলেছে, আর্থিক ও অর্থনৈতিক- দুই দিক থেকেই প্রকল্পটি বেশ লাভজনক ও বাস্তবায়নযোগ্য।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নকালে প্রকল্প কার্যালয়ে ২৫ জনের কর্মসংস্থান হবে এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে প্রায় ২০০ জন সাময়িক শ্রমিক কাজ করার সুযোগ পাবেন। কাজ শেষ হলে কেন্দ্রটির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ২৬১ জনের কর্মসংস্থান হবে, যার মধ্যে ৫১ জন স্থায়ী এবং ২০৩ জন আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ পাবেন।

প্রকল্পের সারসংক্ষেপে বলা হয়, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কোম্পানি (আইআইএফসি) প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই করে এটিকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে পেয়েছে।

প্রকল্পটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অননুমোদিত ‘সবুজ পাতা’ প্রকল্প হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

পরিকল্পনা কমিশন আরও জানায়, প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সুপারিশ ও পরবর্তীতে বাস্তবায়নের সময়সীমা কমানোর সিদ্ধান্তের ফলে বিদ্যুৎ বিভাগের মূল প্রস্তাবের চেয়ে প্রকল্পের খরচ ৪.৩২ কোটি টাকা কমেছে।

প্রকল্পটি ‘সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য পঞ্চবার্ষিক কৌশলগত কাঠামো’ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ৭ নম্বর লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, যেখানে সবার জন্য সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য, টেকসই ও আধুনিক জ্বালানি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের স্বাস্থ্যসেবা জোরদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের স্বাস্থ্যসেবা জোরদার

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে সরকার পর্যাপ্ত শয্যা, ডায়াগনস্টিক কিট, ওষুধ এবং স্যালাইন সরবরাহ নিশ্চিত করেছে। এর ফলে, গত তিন বছরের তুলনায় এবারের ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের মতে, সাধারণ মানুষের জন্য ডেঙ্গু চিকিৎসা সহজলভ্য করার পাশাপাশি ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানসহ সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের ফলশ্রুতিতে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হার ০.৩১ শতাংশে রাখা সম্ভব হয়েছে। ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ২৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

২০২৩ সালে ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যুতে এই হার ছিল ০.৫৩ শতাংশ, ২০২৪ সালে ৪৮২ জনের মৃত্যুতে ০.৪৯ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ৩২৩ জনের মৃত্যুর হার ছিল ০.৩৪ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ে মৃত্যুর হার ছিল ০.৪২ শতাংশ।

সরকারি নির্দেশনার আলোকে, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, ওয়ান স্টপ সার্ভিস ও ডেডিকেটেড ডেঙ্গু ওয়ার্ড চালু, পর্যাপ্ত ডায়াগনস্টিক কিট ও স্যালাইনের মজুত এবং বিশেষ করে সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে ডেঙ্গু এনএস১ পরীক্ষা নিশ্চিতকরণসহ দেশব্যাপী ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ২২৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ছিলেন। হাসপাতালটি দুটি ফ্লোরকে ডেডিকেটেড ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রূপান্তর করে তাদের মোট শয্যা সংখ্যা ৬০টি (শিশুদের জন্য ২০টি এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৪০টি) থেকে বাড়িয়ে ২০০টিতে উন্নীত করেছে।

হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম জানান, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু করা হয়েছে, যাতে তারা ওয়ার্ড থেকে বের না হয়েই পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন।

তিনি আরও জানান, ডেঙ্গু চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকরা সম্প্রতি একটি ইন-হাউস সেমিনারে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি, মেডিসিন ও শিশু বিভাগের চিকিৎসকরা নিয়মিত সকালে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেশন পরিচালনা করছেন, যা মৃত্যুর হার কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

অন্যদিকে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ২৩১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ছিলেন। বর্তমানে ৪০২, ৫০২ এবং ৭০২ নম্বর ডেডিকেটেড ওয়ার্ডের মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে, যার মধ্যে ৭০২ নম্বর ওয়ার্ডটি নারী রোগীদের জন্য নির্ধারিত।

ঢামেক ডেঙ্গু ইউনিটের প্রধান অধ্যাপক শাহনুর শারমিন মুন্নি জানান, প্রতিটি ওয়ার্ডের নির্ধারিত ক্ষমতা প্রায় ৫০টি শয্যা হলেও রোগীর সংখ্যার ওপর নির্ভর করে অতিরিক্ত শয্যার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কারণ ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কম বেশি হয়।

তিনি জানান, ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় জরুরি পণ্যসামগ্রী, যেমন- আইভি ফ্লুইড (স্যালাইন), আইভি সেট, প্যারাসিটামল, বমি ও গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ এবং বিশেষ তরল হিসেবে ব্যবহৃত প্লাজমা সলিউশনের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে হাসপাতালে।

কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালেও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসা সক্ষমতা আরও ১০০ শয্যা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘আমরা হাসপাতালের অষ্টম তলায় আরও ১০০টি শয্যা চালু করেছি, যার মধ্যে ৫০টি পুরুষ এবং ৫০টি নারী রোগীদের জন্য।

ইতোমধ্যেই সেখানে রোগী ভর্তি শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তা করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ডেঙ্গু চিকিৎসার জন্য আলাদাভাবে ৬ জন চিকিৎসক ও ১০ জন নার্স নিয়োগ দিয়েছে।

সাইদুর রহমান জানান, ১ হাজার ২০০ শয্যার এই হাসপাতালে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ১০৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ছিলেন। বর্তমানে জরুরি বিভাগে ৫০টি শয্যা ছাড়াও প্রায় ২০০টি শয্যা বিশেষভাবে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য রাখা হয়েছে।

সব ডেঙ্গু রোগীর হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবল ১০ থেকে ১৫ শতাংশ রোগী—যাদের রক্তপাত, তীব্র ডায়রিয়া বা অনিয়ন্ত্রিত বমির মতো গুরুতর লক্ষণ রয়েছে, তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।

বাসসের খুলনা প্রতিনিধি জানান: ডেঙ্গু সংক্রমণের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হটস্পট হিসেবে খুলনা আবির্ভূত হওয়ায় সেখানকার বিভিন্ন সরকারি ও অন্যান্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলায় একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

সংক্রমণের তীব্রতা বিবেচনায় খুলনা শহরের বিভিন্ন স্থানে ৯টি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে এবং নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে সপ্তাহজুড়ে বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা সেবা প্রদান করা হয়েছে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চারটি ওয়ার্ড ও সংলগ্ন বারান্দায় ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কেসিসি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এক দিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে হাসপাতালে ৩০টি শয্যা সরবরাহ করেছে, যার ফলে হাসপাতালের মোট ডেঙ্গু শয্যা সক্ষমতা ১৫০টিতে পৌঁছেছে।

সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানেও ডেঙ্গু রোগীদের ভর্তি ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ক্ষমতাসীন দল বিএনপি শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা সেবা ও অস্থায়ী হাসপাতাল চালু করেছে এবং খুলনা ডায়াবেটিক সমিতি মাত্র ১০০ টাকা খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষার সুযোগ সুবিধা চালু করেছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নুরুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে বলেন, দেশজুড়ে বিশেষ করে রাজধানীতে ডেঙ্গুর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দেওয়ায় ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপ সামলাতে ঢামেক প্রাঙ্গণে ফিল্ড হাসপাতালটি পুনরায় চালু করার কথা বিবেচনা করছে সরকার।

একই সাথে, ডেঙ্গু চিকিৎসা সহজতর করতে পর্যাপ্ত জায়গা সাপেক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের কিছু রোগীকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তরের কথাও বিবেচনা করছেন কর্তৃপক্ষ।

ডা. নুরুল ইসলাম বলেন, সরকার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে স্যালাইনের মজুতের তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং অতিরিক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

তিনি বলেন, আগামী মাসগুলোতে প্রত্যাশিত চাহিদার কথা মাথায় রেখে সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরস ডিপো (সিএমএসডি) এবং এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)-কে পর্যাপ্ত মজুত বজায় রাখতে বলা হয়েছে।

পরিচালক জানান, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র স্ট্রাইডস কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশকে ৫ লাখ ডেঙ্গু এনএস১ র‌্যাপিড ডায়াগনস্টিক টেস্ট কিট প্রদান করেছে। এর ফলে দেশের যেকোনো অংশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এছাড়া, চিকিৎসকরা যাতে ডেঙ্গু রোগীদের শনাক্তকরণ ও চিকিৎসায় একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করেন এবং ব্যবস্থাপনার ভুলে মৃত্যু প্রতিরোধ করা যায়—সে লক্ষ্যে ২০২৫ সালের ডেঙ্গু চিকিৎসা নির্দেশিকা অনুযায়ী ১ হাজার ৬০০ চিকিৎসককে ক্লিনিক্যাল ব্যবস্থাপনার ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে জানান ডা. নুরুল ইসলাম।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা আরও জানান, হাসপাতালে যেন ডেঙ্গু থেকে নতুন করে সংক্রমণ না ছড়ায়, সেজন্য রোগীরা যাতে মশারি ব্যবহার করেন তা নিশ্চিত করছেন কর্তৃপক্ষ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%