ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তথ্যপ্রবাহের বিকেন্দ্রীকরণে ও মূল্যবোধ গঠনে সরকারের উদ্যোগ: সালেহ শিবলী


তথ্যপ্রবাহের বিকেন্দ্রীকরণে ও মূল্যবোধ গঠনে সরকারের উদ্যোগ: সালেহ শিবলী

 জনগণের সর্বস্তর তথা তৃণমূল থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যন্ত তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে তথ্যের বিকেন্দ্রীকরণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।

তিনি বলেছেন, জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের আরো বেশি ক্ষমতায়িত ও সক্রিয় করা হচ্ছে, যাতে সংশ্লিষ্ট জেলার সাংবাদিকরা স্থানীয় যেকোনো ঘটনার তথ্য খুব সহজেই পেতে পারেন।

আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে বর্তমান সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

সরকার নির্বাচনী ইশতেহারের ৩১ দফা এবং সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বলেন, ‘সরকারের এসব কর্মকাণ্ড ও বাস্তবায়নের চিত্র সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমেই জনগণ জানতে পারছে।’

বিগত সরকারের আমলের তথাকথিত উন্নয়নের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমরা অতীতে অনেক উন্নয়নের গালগল্প শুনেছি। কিন্তু, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যখন দেশের বিভিন্ন জেলা সফরে গেছেন, তখন মানুষের নানা সমস্যা ও অনুন্নয়নের বাস্তব চিত্র সামনে এসেছে।’

স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের উদাহরণ দিয়ে সালেহ শিবলী বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে ৩০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় তা ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। আর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ৪৯২টি উপজেলার সবকটি হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দিয়ে তা বাস্তবায়ন করছেন।’

সালেহ শিবলী আরো বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটের পাশাপাশি মানুষের ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধের মারাত্মক অবক্ষয় ঘটেছে, যা অন্য সব অর্জনকে ম্লান করে দেয়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে প্রধানমন্ত্রী মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনার ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছেন।’

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শুধু মুখের কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গুণগত রাজনৈতিক পরিবর্তন আনছেন। সম্প্রতি আর্মি স্টেডিয়ামে শিশুদের এক অনুষ্ঠানে মাঠ থেকে নিজ হাতে প্লাস্টিকের বোতল কুড়িয়ে এবং জাতীয় সংসদে সমাপনী বাজেট বক্তৃতায় নিজ উদ্যোগে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার তাগিদ দিয়ে তিনি দেশের নাগরিকদের প্রতি এক অনন্য বার্তা দিয়েছেন।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রশাসন, সংবাদকর্মীসহ দেশের সব স্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন বলেও জানান সালেহ শিবলী।

তিনি বলেন, সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি ...’ কবিতাটি স্মরণ করানোর প্রসঙ্গ টেনে প্রেস সচিব বলেন, এটি মূলত একটি মূল্যবোধসম্পন্ন বাংলাদেশ গড়ার বার্তা। এই বার্তা নিজেদের মধ্যে ধারণ করলে আমরা নিজেদেরকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিতে পারবো।

সংসদীয় বা যেকোনো সংবাদ সম্মেলনে অতীতের ‘নেতার বন্দনা করার অপসংস্কৃতি’ থেকে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ বেরিয়ে এসেছে উল্লেখ করে প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বলেন, ‘এখন আর চাটুকারিতার কোনো সুযোগ নেই, বরং অর্থবহ কাজের সংস্কৃতি তৈরি করা হচ্ছে। এমনকি বিগত আমলে অবহেলিত বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব বাজেট’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, অন্যান্য বছরের মতো এবার বাজেট ঘোষণার পর বাজারে কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি। বিশেষ করে ক্যান্সার ও ডায়ালাইসিসসহ বিভিন্ন জটিল চিকিৎসার খরচ কমানো হয়েছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখা হয়েছে।

এ সময় একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে গণমাধ্যমকর্মীদের এসব ইতিবাচক সামাজিক ইস্যুগুলো জনগণের সামনে বেশি বেশি তুলে ধরার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনির সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এস এ এম মাহফুজুর রহমান, উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) ও শাহাদাৎ স্বাধীন, সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক, গাজী শাহরিয়ার পামির এবং আশরোফা ইমদাদ।

উল্লেখ্য, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ ১৮ জুলাই পাঁচ মাস পূর্ণ হলো।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিলুপ্তপ্রায় ‘রেংমিটচ্য’ ভাষা জানা ছয়জনের একজনের মৃত্যু, অসুস্থ দুই জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৭ পি.এম


বিলুপ্তপ্রায় ‘রেংমিটচ্য’ ভাষা জানা ছয়জনের একজনের মৃত্যু, অসুস্থ দুই জন

বান্দরবানের বিলুপ্তপ্রায় রেংমিটচ্য ভাষা জানা ছয়জনের একজন মারা গেছেন। বর্তমানে মাত্র পাঁচজন এ ভাষায় কথা বলতে পারেন। ভাষাটির গবেষক আফসানা ফেরদৌস আশা জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব বয়সী দুজন অসুস্থ।

মারা যাওয়া রেংমিটচ্য ভাষী হলেন মাওয়াই ম্রো (৬৪)। তিনি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দুর্গম সাংপ্লং পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। তার দুই ভাই হলেন মাংপুং ম্রো (৭৪) ও রেংপুং ম্রো (৭০)। বর্তমানে এই দুই ভাইও অসুস্থ রয়েছেন। তিন জনই আলাদা আলাদা জায়গায় বসবাস করতেন।

আফসানা ফেরদৌস আশা বর্তমানে আয়ারল্যান্ডের ট্রিনিটি কলেজ ডাবলিনে রেংমিটচ্য ভাষার তথ্যচিত্র (ডকুমেন্টেশন) সংক্রান্ত পিএইচডি গবেষণা করছেন। তিনি জানিয়েছেন, আলীকদম উপজেলার তৈনখালের ক্রাংসি পাড়ার কয়েকজন ম্রো বাসিন্দা সম্প্রতি তাকে ফোন করে মাওয়াই ম্রোর মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, গত ৫ মে দুপুর ১২ টার দিকে মাওয়াই ম্রো মারা যান। ঐসময় মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল থাকায় তিনি বিষয়টি জানার জন্য বিস্তারিত জানতে পারেননি।

গবেষণার কাজে গত বছর টানা সাত মাস আলীকদমে ছিলেন আফসানা ফেরদৌস আশা। সেই সময় তিনি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ছয়জন রেংমিটচ্য ভাষীকে নতুনভাবে খুঁজে বের করে তাদের ভাষার তথ্যচিত্র সংগ্রহ করেন।

মাংওয়াই ম্রো বহুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তিনি লিভার সমস্যা নিয়ে ভুগছিলেন। গত বছর টাইফয়েডও হয়েছিল। পেইন কিলার ঔষধ খেয়ে থাকতেন তিনি। অবশেষে মারা যাওয়ার খবর পেলাম। খবরটি পাওয়ার পর থেকে আমি ছুটি কাটাই না। আমি দিন-রাত কাজ করি। আরেকজন চলে গেলে মানতে কষ্ট হয়।

তিনি আরও বলেন, গত বছর মাংওয়াই ম্রোকে আমি অনেক কষ্ট করে নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে আলীকদমের তৈনখালের ক্রাংসি পাড়ায় নিয়ে এসেছিলাম। তিন ভাইকে এক জায়গায় জড়ো করেছিলাম। তারা খুব খুশি হয়েছিলেন। অনেক বছর পর আমার জন্য দেখা হয়েছে তাদের। মাংওয়াই ম্রো তখন তিন-চারদিন ছিলেন ক্রাংসি পাড়ায়। পরে নাইক্ষ্যংছড়িতে তার পাড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলাম।

আফসানা জানান, রেংমিটচ্য ভাষা নিয়ে একটি বই প্রকাশের কাজও চলছে। তিনি বলেন, আমি যতটুকু পারি কাজ করছি। রেংমিটচ্য ভাষা নিয়ে ১৫০০ শব্দের একটি বইয়ের ড্রাফট তৈরি হয়েছে। জীবিত যে কজন আছেন, তাদের সঙ্গে বসে আরেকবার সংশোধন করা বাকি আছে।

এর আগে, বিলুপ্তপ্রায় রেংমিটচ্য ভাষা সংরক্ষণের প্রয়াস হিসেবে ওই ভাষার দৈনন্দিন কথোপকথন নিয়ে 'মিটচ্য তখক' নামে একটি বই প্রকাশ করেছেন ম্রো ভাষার লেখক ও গবেষক ইয়াংঙান ম্রো। রেংমিটচ্য ভাষার নিজস্ব লিপি না থাকায় বইটি ম্রো ও বাংলা ভাষায় প্রকাশ করা হয়। ২৮ পৃষ্ঠার বইটিতে তিন হাজারের বেশি শব্দ সংকলিত হয়েছে।

বইটি প্রকাশের সময় ইয়াংঙান ম্রো বলেছিলেন, সবার একটা আশঙ্কা, এই ভাষার ছয়জন মানুষ মারা গেলে চিরতরের জন্য বিলুপ্ত হয়ে যাবে রেংমিটচ্য ভাষাটি। এই ভাষায় কথা বলা ও চর্চা করা মানুষ আর কেউ থাকবে না। হয়ত চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আগে স্মৃতিস্মারক হিসেবে এই বইগুলো বেঁচে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় এই ভাষা নিয়ে কাজ করার সময় তাদের দৈনন্দিন জীবনের কথোপকথনগুলো সংগ্রহ করে রেখেছি। মূলত এই বইয়ে সেগুলোই তুলে ধরা হয়েছে।

বান্দরবানের আলীকদমের দুর্গম এলাকায় ম্রো জনগোষ্ঠীর একটি গোত্রের মাতৃভাষা রেংমিটচ্য। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আরও কিছু মানুষ এ ভাষা বুঝতে পারলেও সাবলীলভাবে কথা বলতে পারেন মাত্র পাঁচজন। তারা হলেন— আলীকদম সদর ইউনিয়নের ক্রাংসি পাড়ার বাসিন্দা মাংপুং ম্রো (৭৪), কুনরাও ম্রো (৬১), আরেক কুনরাও ম্রো (৭৪), নয়াপাড়া ইউনিয়নের মেনসিং পাড়ার বাসিন্দা থোয়াই লক ম্রো (৬০) এবং নাইক্ষ্যংছড়ি ইউনিয়নের ওয়াইবট পাড়ার বাসিন্দা রেংপুং ম্রো (৭০)।

এর মধ্যে কুনরাও ম্রো নামে দুজনই নারী, বাকিরা পুরুষ।

ভাষা বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, অবশিষ্ট বক্তারাও মারা গেলে পৃথিবী থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে রেংমিটচ্য ভাষা।

তবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, বিপন্নপ্রায় এ ভাষার তথ্যচিত্র (ডকুমেন্টেশন) সংরক্ষণের মাধ্যমে ভাষাটিকে ভবিষ্যৎ গবেষণার জন্য টিকিয়ে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া, কয়েকজন গবেষকের ধারণা, রেংমিটচ্য ভাষীরা মূলত একটি স্বতন্ত্র জনগোষ্ঠী। পরে ম্রো ভাষার সঙ্গে কিছুটা মিল থাকায় তারা ম্রোদের সঙ্গে মিশে তাদের পদবি গ্রহণ করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামীকাল বনানীর মঞ্চে পারফর্ম করবেন সঞ্জয় দেব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


আগামীকাল বনানীর মঞ্চে পারফর্ম করবেন সঞ্জয় দেব

ঢাকার মাটিতে পা রেখেছেন বাংলাদেশী বংশভূত মার্কিন সঙ্গীতজ্ঞ, ইলেকট্রনিক সঙ্গীত প্রযোজক এবং ডিজে সঞ্জয় দেব। ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ মাতানোর পর, এবার ঢাকার মঞ্চ মাতাবেন তিনি।

ঢাকায় সঞ্জয়ের অনুষ্ঠিতব্য কনসার্টের শিরোনাম 'শাহ সিমেন্ট ফ্যান ফেস্ট ২.০'। রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক পার্কে গত ১৪ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে গানের এ আসর, যা চলবে আগামী ২০ জুলাই পর্যন্ত।

এ মঞ্চে গান গাইতে অংশ নিতে ঢাকায় পৌঁছেছেন সঞ্জয়। তিনি আগামী ১৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টায় বনানীর কামাল আতাতুর্ক পার্কের মঞ্চে পারফর্ম করবেন। আন্তর্জাতিক জনপ্রিয় শিল্পী ও ডিজে সঞ্জয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের শিল্পীরাও পারফর্ম করবেন।

বাংলাদেশে পৌঁছে বনানীর মঞ্চ ঘুরে দেখেন সঞ্জয়। তিনি বলেছেন, "আমি এখন বাংলাদেশে। শাহ সিমেন্টের আয়োজনে বনানীর মঞ্চে আপনাদের সাথে আমার দেখা হবে আগামী ১৯ জুলাই। আমি খুব উচ্ছ্বসিত। আপনাদের জন্য পারফর্ম করতে আমি মুখিয়ে আছি। সন্ধ্যা ৬টায় আমাদের দেখা হচ্ছে।"

আয়োজক সংস্থা ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশনস জানিয়েছে, এ কনসার্টের প্রধান আকর্ষণ হলো আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান বাংলাদেশি শিল্পী সঞ্জয়ের বিশেষ লাইভ পারফরম্যান্স। ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিসিয়াল থিম সং-এর অন্যতম আলোচিত এই শিল্পীকে নিজ দেশে পেয়ে উচ্ছ্বসিত সংগীতপ্রেমীরা।

প্রসঙ্গত, ছয় দিনব্যাপী গানের এ উৎসবে বিশাল পর্দায় ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল ম্যাচ সরাসরি প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি থাকবে লাইভ মিউজিক, ডিজে পারফরমন্স, দর্শকদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন কার্যক্রম, খাবার, গেমস এবং স্পনসরদের বিশেষ আয়োজন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুথ্যানের মাধ্যমে আমরা নতুন রাষ্ট্র পেয়েছি: ডেপুটি স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুথ্যানের মাধ্যমে আমরা নতুন রাষ্ট্র পেয়েছি: ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিশ্বাস বা চেতনার কারণে অনেককে হয়রানি করা হয়েছে। অনেক মানুষের সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যদের সঙ্গে সমিতি মিলিনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভার প্রধান বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘অনেক রাজনৈতিক কর্মী মিথ্যা মামলাকে আলিঙ্গন করে যখন সংগ্রাম করেছিলেন, তাদের নাজেহাল হতে হয়েছে। তারা যেন আইনি সুবিধা না পায় সেজন্য বিধি ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হয়েছিল। আমরা আইনজীবী সমাজ সব সময় ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে। আমরা মনে করি দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

বিচার বিভাগ ও আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘বিগত দিনে অনেকেই আইনজীবী সমিতি ও আইনি কাঠামোকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছে। আমরা যেন সেসব বিষয় বাংলাদেশে পুনরাবৃত্তি না করি। আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছিলাম। সেই আমরা যেন আইনি প্রথা নিজেরা ভঙ্গ না করি। আর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বার ও বেঞ্চ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বার এবং বেঞ্চ যখন শোল্ডার টু শোল্ডার কাজ করবে, তখনই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে। আপনার আমার ও আমাদের যেসব মৌলিক অধিকার আছে, সেগুলো আমরা প্রতিষ্ঠা করতে পারব।’

জুলাই শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘২৪’র মহান গণঅভ্যুত্থান, রক্তক্ষয়ী যে গণঅভ্যুথ্যানের মাধ্যমে আমরা নতুন রাষ্ট্র পেয়েছি। যে প্রত্যাশা নিয়ে আমার ভাই, আপনার ভাই রক্ত দিয়েছেন, অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, আমরা যাতে সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে পারি সেজন্য সকলকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় আরও বক্তব্য দেন, বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাড. মো. মাহফুজুর রহমান লাহুর সভাপতিত্বে, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন মন্টু, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহবুব মোরশেদ লালন প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে মৎস্য বীজ উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত, মৎস্যচাষে আশার আলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


গোপালগঞ্জে মৎস্য বীজ উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত, মৎস্যচাষে আশার আলো

জেলার একমাত্র সরকারি মৎস্যবীজ উৎপাদন খামারে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৮৭ হাজার ৮শ’ টাকার মাছের পোনা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে মৎস্য অধিদপ্তর। এর ধারাবাহিকতায়, মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারটিতে এ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জিত হয়েছে।

নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রেণু, কার্পজাতীয় ও পাবদা মাছের পোনা উৎপাদন করে তা বিক্রি করা হয়েছে।

খামার সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থবছরে খামারটিতে ১২৭ কেজি রেণু পোনা, ১ হাজার ৩৯১ কেজি কার্পজাতীয় মাছের পোনা এবং ১ লাখ পাবদা মাছের পোনা উৎপাদন করা হয়। এর মধ্যে ১২৭ কেজি রেণু পোনা ২ লাখ ৪১ হাজার ৩০০ টাকায়, ১ হাজার ৩৯১ কেজি কার্পজাতীয় পোনা ৩ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকায় এবং ১ লাখ পাবদা পোনা ২ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

আরও জানা যায়, সরকারি এ খামারে উৎপাদিত ফলমূল ও শাক-সবজি বিক্রি করে আয় হয়েছে অতিরিক্ত ২০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে গত অর্থবছরে এই খামার থেকে মোট ৭ লাখ ৮৭ হাজার ৮০০ টাকা আয় হয়েছে। আয়ের পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে চালানের মাধ্যমে জমা দেওয়া হয়েছে।

গোপালগঞ্জ মৎস্যবীজ উৎপাদন খামারের খামার ব্যবস্থাপক তানজিলা আক্তার নিপা বাসস’কে জানান, খামারটির আয়তন ১ দশমিক ৬২ হেক্টর। এখানে মোট ৮টি পুকুর এবং একটি হ্যাচারি রয়েছে। ৪টি পুকুরে পোনা মজুদ করা হয় এবং অপর ৪টি পুকুরে সারা বছর ব্রুড মাছ সংরক্ষণ করা হয়। ব্রুড মাছ থেকে ডিম সংগ্রহ করে নিজস্ব হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদন করা হয়। উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়, ফলে এ খামার থেকে সঠিক আকার ও গুণগত মানসম্পন্ন পোনা উৎপাদন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যে এসব পোনা বিক্রি করা হয়। মানসম্মত পোনা হওয়ায় চাষিরা এ খামারের পোনা নিয়ে মাছ চাষ করে লাভবান হচ্ছেন।

জেলার সদর উপজেলার করপাড়া গ্রামের মৎস্যচাষী হাবিবুল বাহার (৫৯) বলেন, ‘১৫ বছর ধরে মাছ চাষ করছি। গোপালগঞ্জ মৎস্যবীজ উৎপাদন খামার থেকে সরকারি নির্ধারিত সাশ্রয়ী মূল্যে মাছের পোনা সংগ্রহ করি। এসব পোনা পুকুরে ছাড়ার পর উৎপাদন ভালো হয়। পোনা মারা যাওয়ার হারও কম। বছর শেষে প্রত্যাশিত হারে মাছের ওজন বৃদ্ধি পায়। এখানকার পোনার মান খুবই ভালো। মানসম্মত পোনা দিয়ে চাষ করে আমি লাভবান হয়ে আসছি।’

একই উপজেলার কাজুলিয়া গ্রামের মৎস্যচাষী কামরুল ইসলাম বাসস’কে বলেন, ‘গোপালগঞ্জ সরকারি মৎস্য খামার থেকে মাছের পোনা কিনে সবাই লাভবান হয়েছে। এখানকার পোনা মাছ চাষের জন্য উপযোগী। তবে চাহিদার তুলনায় খামারটি পোনা সরবরাহ করতে পারে না। তাই এখানে পোনা উৎপাদন আরও বাড়ানো প্রয়োজন। উৎপাদন বাড়ানো হলে জেলার মৎস্যচাষীরা আরও বেশি লাভবান হবেন।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%