সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৬ পি.এম
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: মেকানিক্যাল ডিজাইনার
পদসংখ্যা: ৩
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি
অন্যান্য যোগ্যতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, বিল অফ মেটেরিয়ালস প্রস্তুত করা, যন্ত্রাংশের ম্যাপিং নিশ্চিত করা এবং নির্দেশাবলী বাস্তবায়নে দক্ষতা থাকা আবশ্যক।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১ থেকে ৫ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: ২২ থেকে ৩৫ বছর
কর্মস্থল: গাজীপুর (কালিয়াকৈর)
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
প্রার্থীদের জন্য অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ড, মোবাইল বিল, বিমা, লভ্যাংশ, দুপুরের খাবার সুবিধা, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট এবং বছরে ২টি উৎসব বোনাস কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী প্রদান করা হবে।
আবেদন করার নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রাজধানী ঢাকায় জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছে।
দলটি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাংলামোটর এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করবে।
এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য এই বিক্ষোভ মিছিলে দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উপস্থিত থাকবেন।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানাতে এই মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে।
সরকার দেশে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়া হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার ফলে এই দামবৃদ্ধি হয়েছে।
সরকারের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক সংকটের কারণে জ্বালানি তেলের দাম হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সামনে বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতের ভারসাম্য রক্ষার জন্য, অনিচ্ছা সত্ত্বেও, সরকারকে তেলের দাম বাড়ানোর কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি সামাল দিতে গিয়ে সরকারকে প্রতি মাসে জ্বালানি খাতে প্রায় ১৩ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারের সামনে এই সমন্বয় ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না।
ভর্তুকির হিসাব তুলে ধরে তিনি বলেন, শুধুমাত্র ডিজেলের ক্ষেত্রে সরকারকে প্রতি লিটারে ৯০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দিতে হচ্ছিল, যা বছরে বিশাল বাজেট ঘাটতি তৈরি করছিল। এক ডিজেল খাতেই বছরে ভর্তুকির পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা দাঁড়াচ্ছিল। আর সার্বিকভাবে সব ধরনের জ্বালানি খাত মিলিয়ে সরকারকে বছরজুড়ে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আকিজ প্লাস্টিকস, আকিজ গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী ব্যক্তিরা আগামী ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।
পদের নাম: অফিসার/সিনিয়র অফিসার
বিভাগ: ট্রান্সপোর্ট
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি
অন্যান্য যোগ্যতা হিসেবে, যানবাহনের দৈনিক চলাচল এবং ট্রিপের হিসাব সংরক্ষণে দক্ষতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৩ থেকে ৫ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: ২৮ থেকে ৩৫ বছর
কর্মস্থল: যেকোনো জায়গায়
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
প্রার্থীদের জন্য অন্যান্য সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট এবং বছরে ২টি উৎসব বোনাস।
আবেদন করার নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করেছে পুলিশ।
ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুজ্জোহা সরকার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এই আবেদনটি করেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত মরিয়ম খাতুনের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরে বাংলা নগর থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন। মামলায় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং শ্যালক ওবায়দুর রহমান—এই তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
গত জুলাইয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
এই ঘটনার পর ২২ জুলাই সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
ভিডিও ভাইরালের পর অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে গত ২১ জুলাই গাড়ি চালক ও মরিয়ম খাতুনের মামা ওবায়দুর রহমান পল্লবী থানায় মামলা করেন। এই মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম হাইকোর্ট থেকে গত ১০ আগস্ট ৮ সপ্তাহের জামিন পান। সেই মামলার বাদী ওবায়দুরকে এবার মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় আসামি করা হয়েছে।
মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, গত জুনে গাজী নজরুলের সাথে ভিকটিমের ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী বিয়ে হয়। সংসদ সদস্য হওয়ায় ভিকটিম মরিয়ম ও তার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা ইসলামসহ শেরেবাংলা নগর থানাধীন মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় সংসদ ভবনের বিপরীত পাশে ন্যাম ভবনের ৫নং বিল্ডিং এর ৩য় তলায় বসবাস করতেন। আসামি ওবায়দুর রহমানের প্রত্যক্ষ প্ররোচনায় গাজী নজরুলের সাথে ভিকটিম মরিয়মের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী ভিকটিম মরিয়মকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত বলে বিভিন্ন সময় মোবাইলের মাধ্যমে তার পরিবারকে জানানো হয়েছে।
এর ধারাবাহিকতায় ২০ সেপ্টেম্বর বিকাল অনুমান সাড়ে ৫ টায় গাজী নজরুল ভিকটিমের বাবাকে মোবাইল ফোনে দ্রুত তাদের বাসায় যেতে বলেন। বাসায় এসে তিনি দেখতে পান সেখানে অনেক লোকজন উপস্থিত।
তখন তিনি জানতে পারেন বাসার ভিতরের রুমে ভিকটিম মরিয়ম ওড়না দিয়ে ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে। শেরেবাংলা নগর পুলিশের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে তিনি তার মেয়ের দেহ ওড়না দিয়ে ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে দেখতে পান। এ সময় বিছানার উপরে তার লেখা একটি সুসাইড নোট পান। আসামিদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে এবং আসামিদের প্ররোচনায় তার মেয়ে মরিয়ম আত্মহত্যা করেছেন বলে মামলা করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাপানের জনসংখ্যা প্রায় ১২ কোটি ২৭ লাখ। কিন্তু সেখানে প্রতি ১০ জনের মধ্যে প্রায় তিনজনের বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি। এছাড়া, বয়স ১০০ পেরিয়ে বেঁচে থাকা মানুষের সংখ্যা ১ লাখের বেশি। যদিও এটি দীর্ঘায়ুর একটি বড় সাফল্য মনে হচ্ছে, এর পেছনে রয়েছে নতুন সংকট। প্রবীণ মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু শিশুর জন্মহার ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমছে, যা কর্মী সংকটের সৃষ্টি করছে।
প্রবীণদের পেনশন, চিকিৎসা ও পরিচর্যার খরচও বাড়ছে। অর্থাৎ, যদিও মানুষ দীর্ঘদিন বাঁচছেন, কিন্তু তাদের দেখভাল করার জন্য তরুণ মানুষের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এই দীর্ঘায়ুর সাফল্য এখন জাপানের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে। ১০০ বছর বয়সী মানুষের সংখ্যা টানা ৫৬ বছর ধরে বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং তাদের মধ্যে প্রায় ৮৮ শতাংশ নারী।
কিন্তু জাপানিরা এত দীর্ঘায়ু পাচ্ছেন কীভাবে? গবেষকদের মতে, এর পেছনে একক কোনো কারণ নেই। মাছ, শাকসবজি এবং তুলনামূলকভাবে কম চর্বিযুক্ত খাবার জাপানিদের খাদ্যাভ্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। হাঁটা, সাইকেল চালানো এবং গণপরিবহন ব্যবহারের মাধ্যমে অনেকেই দৈনন্দিন জীবনে শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকেন। উন্নত চিকিৎসাসেবা এবং সার্বজনীন স্বাস্থ্যবিমাও দীর্ঘায়ুর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তবে সমস্যা অন্য জায়গায়। মানুষ দীর্ঘদিন বাঁচলেও নতুন শিশু জন্মানোর হার তুলনামূলকভাবে কম। ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি ১০০ নারীর বিপরীতে গড়ে ১১৪টি শিশু জন্মেছে। কিন্তু জনসংখ্যা স্থিতিশীল রাখতে প্রায় ২১০টি নতুন শিশুর প্রয়োজন ছিল। সংকটের গভীরতা বোঝা যায় যখন দেখা যায়, গেলো বছরে জাপানে ৯৫ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা ৮ লাখের বেশি ছিল, অথচ একই সময়ে নতুন শিশু জন্মেছে মাত্র ৭ লাখের মতো।
কম জন্মহারের পেছনের কারণ
কম জন্মহারের পেছনে বেশ কিছু কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। তরুণদের মধ্যে বিয়ে কমে যাওয়া, দেরিতে বিয়ে, অনিশ্চিত চাকরি, স্থবির মজুরি এবং দীর্ঘ কর্মঘণ্টাকে বিশেষজ্ঞরা দায়ী করছেন। সন্তান লালন-পালনের খরচ এবং কর্মজীবনের সঙ্গে পরিবার সামলানোর চাপও বড় কারণ হয়ে উঠেছে।
এটি জাপানের অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে যাওয়ায় বিভিন্ন খাতে শ্রমিক সংকট দেখা দিচ্ছে। একই সঙ্গে আয়কর ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে অবদান রাখা মানুষের সংখ্যা কমছে। প্রবীণদের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে পেনশন, চিকিৎসা ও পরিচর্যার ব্যয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এই চাপ তরুণ জনগণের ওপর পড়ছে।
আগামীতে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে। ২০০৮ সালে জাপানের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ। পূর্বাভাস বলছে, ২০৭০ সালে এটি কমে প্রায় ৮ কোটি ৭০ লাখে নেমে আসতে পারে। তখন কমসংখ্যক কর্মক্ষম মানুষকেই বহন করতে হবে বাড়তে থাকা পেনশন, চিকিৎসা ও বয়স্কদের পরিচর্যার ব্যয়। যা ভবিষ্যতের অর্থনীতি ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ