ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্রোয়েশিয়ার জালে ইংল্যান্ডের ৭-০ গোলে তাণ্ডব


ক্রোয়েশিয়ার জালে ইংল্যান্ডের ৭-০ গোলে তাণ্ডব

উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে তাদের নিজস্ব মাঠে ৭-০ গোলে পরাজিত করেছে ইংল্যান্ড। শনিবার রিজেকায় অনুষ্ঠিত এই খেলায় থমাস টুখেলের দলের অসাধারণ পারফরম্যান্স নজর কাড়ে। হ্যারি কেইন, বুকায়ো সাকা, জুড বেলিংহ্যাম এবং অ্যান্থনি গর্ডনের গোলের মাধ্যমে বড় জয় নিশ্চিত করে থ্রি লায়নরা।

ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি রুদ্ধদ্বার স্টেডিয়ামে। ২০২৫ সালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ক্রোয়েশিয়ার সমর্থকদের বর্ণবাদী আচরণের কারণে উয়েফা দর্শকশূন্য মাঠে খেলার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিল ছয় হাজারের বেশি স্কুলশিক্ষার্থী। তাদের সামনে ইংল্যান্ড সাতবার বল জালে পাঠায়।

রিজেকায় ইংল্যান্ড শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। দলের আক্রমণভাগের ধার এবং গোল করার সক্ষমতা পুরো ম্যাচজুড়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। হ্যারি কেইন ও বুকায়ো সাকা দুজনেই দুটি করে গোল করেন এবং তাদের মধ্যে প্রত্যেকের একটি করে অ্যাসিস্টও রয়েছে। জুড বেলিংহ্যাম একটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে আরও তিনটি গোল করান। অ্যান্থনি গর্ডনও একটি গোল করেন এবং একটি গোলে অবদান রাখেন।

আরও পড়ুন: শূন্য রান করেও ম্যাচের নায়ক ম্যাক্স ফিল্ড, খেললেন ১৩২ বল

ম্যাচের শেষ দিকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে গোল করেন মর্গান রজার্স। তার গোলের মাধ্যমে সাত গোলের ব্যবধান পূর্ণ হয়। সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের জন্য এটি একটি স্মরণীয় জয় হয়ে দাঁড়ায়।

এই জয়ের ফলে নেশনস লিগের এ-৩ গ্রুপে ইংল্যান্ড দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। আগামী বুধবার থ্রি লায়নরা চেক রিপাবলিকের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে। ওই ম্যাচে তিন পয়েন্ট পেলে আগামী মার্চে অনুষ্ঠিতব্য কোয়ার্টার ফাইনালের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে টুখেলের দল।

ক্রোয়েশিয়ার জন্য ম্যাচটি ছিল ঘরের মাঠে এক বিব্রতকর অভিজ্ঞতা। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের এই বড় জয় তাদের আক্রমণাত্মক শক্তি এবং দলীয় সামর্থ্যকে প্রমাণ করেছে।

আরও পড়ুন: রিয়ালের জয় ছাপিয়ে গুলারের লাল কার্ড বিতর্ক

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন ও সৎকারে ৯ কোটি ৫০ লাখ টাকার বরাদ্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন ও সৎকারে ৯ কোটি ৫০ লাখ টাকার বরাদ্দ

মুক্তিযোদ্ধাদের মৃতদেহ সমাহিত, সৎকার ও পরিবহনের তাৎক্ষণিক ব্যয় নির্বাহের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট থেকে ৯ কোটি ৪৯ লাখ ৯৪ হাজার ৪০০ টাকা আর্থিক মঞ্জুরি প্রদান করেছে।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর, মন্ত্রণালয়ের বাজেট অধিশাখা থেকে জারি করা এক আদেশে এই বরাদ্দের কথা উল্লেখ করা হয়। বরাদ্দের অর্থ দেশের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের অনুকূলে ছাড় দেওয়া হবে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিচালন বাজেটের বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় যুদ্ধাহত ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা খাতের দাফন বাবদ অনুদান হিসেবে বরাদ্দকৃত ১৮ কোটি টাকার মধ্যে থেকে এই ৯ কোটি ৪৯ লাখ ৯৪ হাজার ৪০০ টাকা ব্যয় করা হবে।

সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা প্রশাসন তাদের নিজ নিজ জেলা বা উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয় থেকে বরাদ্দের অর্থ উত্তোলন করবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে সারণি অনুযায়ী মোট বরাদ্দের অথরিটি পাঠাতে চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসারকে অনুরোধ করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের আদেশে জানানো হয়েছে, ছাড়কৃত অর্থ চলতি অর্থবছরের বাজেটের নির্ধারিত দাফন বাবদ অনুদান খাতে সমন্বিত হবে। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা যথাযথ বিলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জেলা বা উপজেলা ট্রেজারি থেকে অর্থ উত্তোলন করবেন।

শর্ত অনুযায়ী, মুক্তিযোদ্ধার মৃতদেহ সৎকার, সমাহিত ও মৃতদেহ পরিবহন ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এই অর্থ ব্যয় করা যাবে না। অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান ও নিয়মাচার যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। কোনো অনিয়মের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিতরণকারী কর্তৃপক্ষকে দায়ী থাকতে হবে।

এছাড়া, ৩০ জুন ২০২৭ তারিখের পর যদি কোনো অর্থ অব্যয়িত থাকে, তবে তা সরকারি কোষাগারের নির্ধারিত খাতে জমা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের আদেশে দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক ও সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আদেশটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশের জন্য সিস্টেম এনালিস্টকেও অনুরোধ করা হয়েছে।

আদেশে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (বাজেট) ডা. মু. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষর করেন। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিভাবকদের সন্তানদের শিক্ষা নিয়ে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫২ পি.এম


কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিভাবকদের সন্তানদের শিক্ষা নিয়ে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র করে যৌন নিপীড়নের (গণধর্ষণ) অভিযোগ নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা চলছে। এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—অভিযোগের সময় উপস্থিত অন্যরা কেন প্রতিবাদ করেননি?

২০২৪ সালের অক্টোবরে কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চি ফাই ভ্রাতৃসংঘের ভবনে সাবেক ওই শিক্ষার্থীকে কয়েকজন সদস্য যৌন নিপীড়ন (গণধর্ষণ) করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। মামলায় জেন ডো নামে পরিচয় দেওয়া ওই নারী দাবি করেছেন, বিভিন্ন মাদকের প্রভাবে তাকে যৌন নিপীড়ন (গণধর্ষণ) করা হয়।

মামলার সঙ্গে যুক্ত একটি দলীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কথোপকথনের ছবিতে দেখা যায়, ভ্রাতৃসংঘের এক সদস্য লিখেছিলেন, ওপরের তলায় ‘বিনামূল্যে যৌনতা’ পাওয়া যাচ্ছে। পরবর্তীতে ওই ভ্রাতৃসংঘের শাখাটিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। তবে এই ঘটনায় এখনো কাউকে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত করা হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে প্রসিকিউটররা।

ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হওয়ার পর অনেক অভিভাবক সন্তানদের সঙ্গে যৌন সহিংসতা, বন্ধুদের চাপ এবং অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করার বিষয়ে আলোচনা করছেন। বিশেষ করে ছেলেদের শেখানো হচ্ছে—নিজে অপরাধ না করাই যথেষ্ট নয়, বরং কোনো বন্ধু অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধেও দাঁড়াতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক অভিভাবক অন্যদেরও সন্তানদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করার পরামর্শ দিচ্ছেন। তারা সন্তানকে প্রশ্ন করতে বলছেন, এই ঘটনা সম্পর্কে তুমি কী শুনেছ? এবং এ নিয়ে তোমার কী প্রশ্ন আছে?

সন্তানদের সঙ্গে এমন কথোপকথনের অভিজ্ঞতাও অনেকে প্রকাশ করছেন, যাতে অন্য অভিভাবকেরাও কঠিন বিষয়গুলো নিয়ে সন্তানদের সঙ্গে কথা বলতে উৎসাহ পান।

যুক্তরাষ্ট্রের এক সাবেক ধর্মযাজক ব্রায়ান রেকারও তার সন্তানদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তিনি এমনভাবে সন্তানদের বড় করতে চান, যাতে তারা এমন পুরুষ হয়ে ওঠে যারা অন্যায় ঘটতে বাধা দেয়।

রেকারের ভাষায়, ‘কাউকে ধর্ষণ না করাই যথেষ্ট নয়।’ তার মতে, ওই রাতে মেয়েটির একজন ভালো মানুষের প্রয়োজন ছিল—যে বন্ধুদের সামাজিক চাপ বা তাদের অনুমোদনের চেয়ে তার নিরাপত্তাকে বেশি গুরুত্ব দিত।

রেকার জানান, তার ৯ বছর বয়সী যমজ সন্তানদের সঙ্গে তিনি নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়ে বেশি কথা বলেন। আর ১১ বছর বয়সী বড় ছেলের সঙ্গে তিনি এমন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করছেন, যেখানে তার বন্ধুদের দলীয় কথোপকথনে কর্নেলের ঘটনার মতো কোনো বার্তা দেখা গেলে সে কী করবে।

তার মতে, ছোটবেলা থেকেই এ ধরনের কথোপকথন শিশুদের চিন্তাভাবনা ও ভবিষ্যতের আচরণ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বন্ধুদের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা না বলার প্রবণতা খুব সহজেই তৈরি হতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।

মনোবিজ্ঞানী সুমি রাঘাভানও সন্তানদের সঙ্গে কঠিন বিষয় নিয়ে কথা বলার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তবে নিজের অতীতের মানসিক আঘাতের অভিজ্ঞতা থাকা অভিভাবকদের জন্য যৌন নিপীড়নের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা করা আরও কঠিন হতে পারে বলে তিনি জানান।

রাঘাভানের মতে, এ ধরনের বিষয়ে সন্তানদের সঙ্গে কথা বলতে অভিভাবকদের ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। কথোপকথনের সময় কিছুটা অস্বস্তি হওয়াটাই স্বাভাবিক। বাবা-মায়ের সঙ্গে খোলামেলা যোগাযোগ শিশুদের সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলা ও নিরাপদ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, সন্তান বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধুদের মতামতকে বেশি গুরুত্ব দিতে শুরু করলেও বড় সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বাবা-মাকেই নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে দেখতে পারে। তাই কঠিন বিষয় নিয়ে কথা বলার মধ্য দিয়ে অভিভাবক সন্তানকে বোঝাতে পারেন যে, প্রয়োজন হলে সে তাদের সঙ্গে যেকোনো বিষয়ে কথা বলতে পারবে।

অভিভাবকত্ববিষয়ক পরামর্শদাতা ও মনোবিজ্ঞানী বেকি কেনেডিও একই ধরনের পরামর্শ দিয়েছেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, সন্তানদের সঙ্গে এসব বিষয়ে আলোচনা যেন শুধুমাত্র একটি দায়িত্ব পালন হিসেবে দেখা না হয়।

তার মতে, শিশুদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও নিজের ইচ্ছা প্রকাশের দক্ষতা প্রতিদিনের পারিবারিক আচরণের মধ্য দিয়েই তৈরি হয়। কোনো শিশু কোনো বিষয়ে ‘না’ বলতে চাইলে তার কারণ বোঝার চেষ্টা করাও গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, অনেক সময় বাবা-মা সন্তানের প্রতিক্রিয়ার ভয় থেকে এমন কোনো বিষয়ে ‘না’ বলতে চেয়েও শেষ পর্যন্ত ‘হ্যাঁ’ বলে দেন। এ ধরনের ছোট ছোট ঘটনা ভবিষ্যতে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে।

কেনেডির মতে, সন্তানকে নিজের ইচ্ছা ও অস্বস্তি প্রকাশের সুযোগ না দিলে অজান্তেই এমন একটি সংস্কৃতি তৈরি হয়, যেখানে পরবর্তী সময়ে দলীয় চাপের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো তার জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

তবে সন্তান পালনের ক্ষেত্রে ভুল হওয়াটা স্বাভাবিক বলেও তিনি উল্লেখ করেন। কোনো আচরণ পরিবর্তন করা প্রয়োজন বুঝতে পারলে তখন থেকেই নতুনভাবে শুরু করা যায়।

কেনেডি বলেন, ‘অনেক দেরি হয়ে গেছে’—এই ধারণাই অনেক সময় মানুষকে আচরণ পরিবর্তন থেকে বিরত রাখে। বরং বাবা-মা নিজেদের ভুল স্বীকার করে সন্তানকে জানাতে পারেন যে তারা নতুন কিছু শিখেছেন এবং পরবর্তী সময়ে ভিন্নভাবে আচরণ করতে চান।

সূত্র: এনবিসি নিউজ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোবিন্দগঞ্জে বৌ-ভাতে চুরি করা গরু জবাই, অতঃপর একজন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫২ পি.এম


গোবিন্দগঞ্জে বৌ-ভাতে চুরি করা গরু জবাই, অতঃপর একজন আটক

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গরু চুরি করে জবাই করার অভিযোগে পুলিশ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। এ ঘটনায় গরুর মাংস, চামড়া, মাথা ও পা জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তার হওয়া রফিকুল ইসলাম বকশিচর গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বকশিচর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সোহানের সঙ্গে রুদ্রনগর গ্রামের আইয়ুব আলীর মেয়ের বিয়ে শুক্রবার সম্পন্ন হয়। পরদিন শনিবার সোহানের বাড়িতে বৌভাতের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানের জন্য রফিকুল ইসলাম একটি গরু জবাই করে রান্নার প্রস্তুতি নেন।

এদিকে, পশ্চিম মাস্তা গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম শুক্রবার সন্ধ্যায় তার ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি কালো রঙের ক্রস জাতের গাভী গোয়ালঘরে বেঁধে রাখেন। রাত ৩টার দিকে ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখতে পান, বাড়ির মূল ফটকের তালা ভাঙা এবং গোয়ালঘরের দরজা খোলা।

এরপর স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে চুরি যাওয়া গরুর সন্ধানে বের হলে বাড়ির পাশের জমিতে গরুর পায়ের ছাপ দেখতে পান তারা। সেই ছাপ অনুসরণ করে পার্শ্ববর্তী বকশিচর গ্রামের এক বাড়িতে গিয়ে চুরি যাওয়া গরুটি জবাই করে মাংস কাটার দৃশ্য দেখতে পান গরুর মালিক শহিদুল ইসলাম।

এ নিয়ে প্রতিবাদ জানালে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে রফিকুল ইসলামের ছেলে রাব্বি ধারালো অস্ত্র দিয়ে শহিদুলের ভাতিজা আনারুলের মাথায় আঘাত করেন। এতে আনারুল গুরুতর আহত হন।

এ ঘটনায় কয়েকজন অভিযুক্ত পালিয়ে গেলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে আটক করে। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জবাই করা গরুর মাংস, চামড়া, মাথা ও পা উদ্ধার করে। আহত আনারুলকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

পরে শনিবার বিকেলে গরুর মালিক শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে রফিকুল ইসলামসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বলেন, চুরি হওয়া গরুর মাথা, মাংস ও চামড়াসহ অন্যান্য অংশ জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বরের বাবা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার তাকে আদালতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপির সম্মেলন থেকে ফেরার পথে ছাত্রদল নেতা আল মামুনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ পি.এম


বিএনপির সম্মেলন থেকে ফেরার পথে ছাত্রদল নেতা আল মামুনের মৃত্যু

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিএনপির কর্মী সম্মেলন থেকে বাড়ি ফেরার সময় অসুস্থ হয়ে আল মামুন নামে এক ছাত্রদল নেতার মৃত্যু ঘটে। নিহত আল মামুন সহনাটি ইউনিয়নের সোনাকান্দি গ্রামের আলাল উদ্দিনের পুত্র ছিলেন। তিনি সহনাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর উপজেলার সহনাটি ইউনিয়নের পাছার বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে পার্শ্ববর্তী মাওহা ইউনিয়নে ভুটিয়ারকোনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে বিএনপির কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভুটিয়ারকোনা যান আল মামুন। সন্ধ্যার পর সম্মেলন শেষে বাড়ি ফেরার পথে সহনাটি ইউনিয়নের পাছার বাজারে পৌঁছালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুনায়েদ খান পাঠান সাব্বির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিএনপির কর্মী সম্মেলন শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় পাছার বাজারে চায়ের দোকানে বসেছিলেন মামুন। সেখানে হঠাৎ অসুস্থবোধ করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, স্ট্রোকের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মোফাক্কারুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই আল মামুনের মৃত্যু ঘটেছে।

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, আল মামুনের মৃত্যুর ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%