ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকারি কর্মচারীদের হাসপাতালের হেলথ কার্ড তথ্য হালনাগাদের নির্দেশ


সরকারি কর্মচারীদের হাসপাতালের হেলথ কার্ড তথ্য হালনাগাদের নির্দেশ

সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের হেলথ কার্ড পাওয়ার জন্য অনলাইনে নিবন্ধন এবং প্রোফাইলের তথ্য হালনাগাদ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিচয় ও তথ্য যাচাই করার পর প্রোফাইলের অবস্থা ‘ভেরিফায়েড’ হিসেবে হালনাগাদ করবে। এরপর যেকোনো কর্মদিবসে হাসপাতালের নির্ধারিত কক্ষ থেকে হেলথ কার্ড সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

গত ১১ অক্টোবর একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, হেলথ কার্ডের জন্য প্রথমে সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের এইচএসএমএস সফটওয়্যারে অনুমোদিত প্রোফাইলের তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।

এরপর হেলথ কার্ড নিবন্ধন ফরম ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণক আপলোড করতে হবে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিচয় ও তথ্য যাচাই করার পর প্রোফাইলে ‘ভেরিফায়েড’ অবস্থা দেখালে যেকোনো কর্মদিবসে কার্ড সংগ্রহ করা যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, হাসপাতালের এইচএসএমএস সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া আবশ্যক।

আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার পর, যদি কোনো রোগী পরপর দুবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে অনুপস্থিত থাকে এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিলের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তা বাতিল না করে, তবে তার ইউজার আইডি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। ফলে ওই আইডি ব্যবহার করে নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া সম্ভব হবে না।

পরীক্ষার প্রতিবেদন দেখানোর জন্য প্রতিবেদন পাওয়ার তারিখ থেকে সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট কাউন্টার থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন রোগীদের নিবন্ধন সম্পূর্ণ অনলাইনে করতে হবে। এ জন্য হাসপাতালের ওয়েবসাইট www.skh.gov.bd -এর ‘আমার প্রোফাইল’ অপশন ব্যবহার করতে হবে।

সরকারি কর্মচারী এবং তাদের নির্ভরশীল ব্যক্তি, মুক্তিযোদ্ধা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অনলাইনে নিবন্ধনের পর প্রয়োজনীয় প্রমাণক ও মূল কাগজপত্র নিয়ে হাসপাতালের ৪২৪ ও ৪২৫ নম্বর কক্ষে যোগাযোগ করে নিবন্ধন অনুমোদন করাতে হবে।

আরও পড়ুন: ক্যানসার হাসপাতালগুলোতে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তার জন্য হাসপাতালের আইটি তথ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আল্টিমেটাম পার হওয়ায় চুয়েটের উপাচার্যকে তালাবদ্ধ করলেন শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


আল্টিমেটাম পার হওয়ায় চুয়েটের উপাচার্যকে তালাবদ্ধ করলেন শিক্ষার্থীরা

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে উপাচার্য ভবনের অভ্যন্তরে আটকে রেখে ভবনের ফটকে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ত্যাগের জন্য আলটিমেটাম দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর তারা এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

এর আগে, চলমান ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার সকালে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। পরে তিনি উপাচার্য ভবনের ফটকের তালা ভেঙে নিজের দপ্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন চুয়েট শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান আল সাবিত এবং সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব হোসাইন।

উপাচার্য ভবনে প্রবেশের পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাঁকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ত্যাগের জন্য আলটিমেটাম দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন না ছাড়লে সেটিকে ‘ভ্যাকেন্ট’ ঘোষণা, ফটকে তালা দেওয়া এবং বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তাঁরা।

এরপর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনের ভেতরের ফটকে তালা লাগিয়ে দেন। এ সময় তারা ‘তালা, তালা, তালা হবে, ভিসি ভবন তালা হবে’ এবং ‘প্রত্যাখ্যান, প্রত্যাখ্যান, অনলাইন ভিসি প্রত্যাখ্যান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

উপাচার্য নিয়োগের প্রতিবাদ এবং সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করে আসছেন। একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মবিরতি পালন করছেন। আন্দোলন ও কর্মবিরতির কারণে টানা ২০ দিন ধরে চুয়েটে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।

উপাচার্য ভবনে তালা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাসায় হামলা ও ভাঙচুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাসায় হামলা ও ভাঙচুর

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের উত্তরার বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। রাজধানীর উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরে সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

শৌর্য দীপ্ত সূর্য, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি, জানান যে, একটি দল জি এম কাদেরের বাসভবনে হামলা চালায়। হামলার সময় বাসার লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং জানালার কাচ ভাঙচুর করা হয়।

তিনি ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একদল নারী-পুরুষ বাসার সামনে অবস্থান নেয়। তাদের অবস্থানের প্রায় ১০ মিনিট পর তারা বাসার দিকে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করে। এক পর্যায়ে বাসভবনে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

হামলার সময় জি এম কাদের বাসায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, সকালে নাশতা করার সময় হঠাৎ করে বাসার দিকে ঢিল ছোড়া শুরু হয়। সকাল হওয়ায় তখন বাসায় তেমন কেউ ছিলেন না। ইটপাটকেলের আঘাতে জানালার কাচ ভেঙে ড্রয়িংরুমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে বাসার ফটকে তালা লাগানো থাকায় হামলাকারীরা ভেতরে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়নি।

হামলাকারীদের পরিচয় জানার চেষ্টা করলে জি এম কাদের বলেন, তিনি বাসার ভেতরে থাকায় তাদের শনাক্ত করতে পারেননি।

উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মনসুর জানান, বেলা ১১টার দিকে একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন করে জি এম কাদেরের বাসায় হামলার খবর দেওয়া হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, তবে হামলাকারীরা তখন চলে গিয়েছিল।

ওসি আরও বলেন, সাধারণ জনতার ব্যানারে ৩০ থেকে ৪০ জন ওই বাসায় হামলা চালায়। তারা বাইরে থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুর করেন। তবে কেউ বাসার ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এদিকে, জাতীয় পার্টি জি এম কাদেরের বাসভবনে হামলার অভিযোগ করেছে। সোমবার দুপুরে দলটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে একদল দুর্বৃত্ত এ হামলা চালায়। এ ঘটনায় পরবর্তী করণীয় পরে জানানো হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী জানান, সকালে একদল মানুষ মিছিল নিয়ে দলের চেয়ারম্যানের বাসভবনের সামনে আসেন। তারা বাসার দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে জানালার কাচ ভেঙে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেসব অবস্থায় আজানের জবাব দেওয়া নিষেধ: ইসলামি বিধান বিশ্লেষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


যেসব অবস্থায় আজানের জবাব দেওয়া নিষেধ: ইসলামি বিধান বিশ্লেষণ

ইসলামে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের জন্য বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে আজানের। মুয়াজ্জিন আজান দিয়ে নামাজের প্রতি আহ্বান জানান। আজানের জবাব দেওয়া সুন্নত হলেও কিছু নির্দিষ্ট সময় ও পরিস্থিতিতে আজানের জবাব না দেওয়ার বিধান রয়েছে। ইসলামি বিশেষজ্ঞরা কিছু ক্ষেত্রে আজানের জবাব না দেওয়ার অবকাশ থাকলেও জবাব দেওয়াকে উত্তম বলে উল্লেখ করেছেন।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মুয়াজ্জিনের গোনাহ তার আজানের আওয়াজ যত দূর পৌঁছায়, তত দূর পর্যন্ত ক্ষমা করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রতিটি প্রাণী ও নিষ্প্রাণ বস্তু, যারা মুয়াজ্জিনের আজান শুনতে পায়, সবাই তার জন্য সাক্ষ্য দেবে।’ (সুনানে আবু দাউদ: ৫১৫)

অন্য একটি হাদিসে হজরত বারা ইবনে আজিব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) জানিয়েছেন, মুয়াজ্জিনের আজানের আওয়াজ যত দূর পৌঁছায়, সে অনুযায়ী তার গোনাহ ক্ষমা করা হয়। যেসব প্রাণী ও নিষ্প্রাণ বস্তু তার আজান শুনতে পায়, তারা কিয়ামতের দিন তার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে। (সুনানে নাসায়ি: ২৫৪)

ইসলামি বিধান অনুসারে, আজান দেওয়া সুন্নতে মুয়াক্কাদা এবং আজানের জবাব দেওয়াও সুন্নত। আজানের জবাব দেওয়ার নিয়ম হলো, মুয়াজ্জিনের প্রতিটি বাক্যের পর শ্রোতা একই বাক্য উচ্চারণ করবেন। তবে মুয়াজ্জিন যখন ‘হাইয়্যা আলাস সালাহ’ ও ‘হাইয়্যা আলাল ফালাহ’ বলেন, তখন শ্রোতা ‘লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলবেন। (সহিহ মুসলিম: ৩৮৫)

আজানের জবাব দেওয়ার ফজিলত সম্পর্কেও হাদিসে বর্ণনা রয়েছে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করেন, মুয়াজ্জিনরা বেশি সওয়াব পেলে অন্যরা কীভাবে তাদের সমান সওয়াব লাভ করবেন? উত্তরে নবীজি (সা.) বলেন, মুয়াজ্জিন যা বলেন, অন্যরাও যেন তা-ই বলেন। এরপর আজান শেষ হলে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলে তারাও অনুরূপ সওয়াব লাভ করবেন। (সুনানে আবু দাউদ: ৫২৪)

তবে সব পরিস্থিতিতে আজানের জবাব দেওয়ার সুযোগ থাকে না। ঐতিহ্যবাহী কৌড়িয়া মাদ্রাসার প্রধান মুফতি ও মুহাদ্দিস মাওলানা হেলাল আসহাব কাসেমির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কয়েকটি অবস্থায় আজানের জবাব দেওয়া থেকে বিরত থাকার বিধান রয়েছে।

যেসব অবস্থায় আজানের জবাব দেওয়া জায়েজ নয়

১. নামাজ আদায়ের সময়: কেউ নামাজে থাকা অবস্থায় আজান শুনলে আজানের জবাব দেবেন না।

২. খুতবা চলাকালে: জুমার খুতবা কিংবা বিয়ের খুতবা চলার সময় আজানের জবাব দেওয়া জায়েজ নয়।

৩. স্ত্রী সহবাসের সময়: এ অবস্থায় আজানের জবাব দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

৪. প্রস্রাব-পায়খানা করার সময়: এ সময় আজানের জবাব দেওয়া জায়েজ নয়।

যেসব অবস্থায় আজানের জবাব না দিলেও অবকাশ রয়েছে

১. ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন বা শিক্ষা দেওয়ার সময়: কোরআন-হাদিসের জ্ঞান অর্জন, শরিয়তের মাসআলা-মাসায়েল শেখা কিংবা শেখানোর সময় আজানের জবাব না দেওয়ার অবকাশ রয়েছে। তবে সুযোগ হলে জবাব দেওয়া বা উপস্থিত সবার পক্ষ থেকে একজন জবাব দেওয়া উত্তম।

২. কোরআন তেলাওয়াতের সময়: তেলাওয়াতের সময় আজান হলে তেলাওয়াত চালিয়ে যাওয়ার অবকাশ রয়েছে। তবে তেলাওয়াত সাময়িক বন্ধ রেখে আজানের জবাব দেওয়া উত্তম। (ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া, ২য় খণ্ড)

৩. খাবার খাওয়ার সময়: খাবার খাওয়ার সময় আজান হলে জবাব না দেওয়ার অবকাশ রয়েছে। তবে খাওয়া সাময়িক বন্ধ রেখে আজানের জবাব দেওয়া উত্তম। (আদ্দুররুল মুখতার: ১/৩৯৭)

ইসলামে আজানের জবাব দেওয়ার মাধ্যমে সওয়াব অর্জনের সুযোগ রয়েছে। তাই যেসব পরিস্থিতিতে আজানের জবাব দেওয়া সম্ভব ও শরিয়তসম্মত, সেসব ক্ষেত্রে আজানের জবাব দেওয়ার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শপথের পর দুর্নীতিমুক্ত থাকার দাবি আমির হামজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৪ পি.এম


শপথের পর দুর্নীতিমুক্ত থাকার দাবি আমির হামজার

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা নিজের সাড়ে ছয় মাসের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে অন্য সংসদ সদস্যদের দুর্নীতিমুক্ত থাকার নিশ্চয়তা দেওয়ার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। তিনি দেশের বন্ধ চিনিকলগুলো চালু করে চিনির উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বানও জানিয়েছেন।

সম্প্রতি একটি বক্তব্যে আমির হামজা উল্লেখ করেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেওয়ার পর থেকে তিনি নিজের বিবেক ও সজ্ঞানে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ কিংবা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হননি।

তিনি বলেন, "১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেওয়ার পর থেকে আমি নিজের বিবেক ও সজ্ঞানে বলছি, এই সাড়ে ছয় মাসে এক টাকারও সরকারি দুর্নীতি আমার দ্বারা হয়নি। আমার পাশে যারা বসে আছেন, তারাও একই নিশ্চয়তা দেবেন।"

আমির হামজা আরও জানান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৬৮ জন সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকেও একই ধরনের বক্তব্য আসবে। অন্যদিকে, তিনি মন্তব্য করেন, বাকি ২১২ জন সংসদ সদস্য যদি দুর্নীতি করেননি এমন নিশ্চয়তা দিতে পারেন, তাহলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন।

বক্তব্যে দেশের চিনি উৎপাদন ও আমদানিনির্ভরতা নিয়েও আলোচনা করেন এই সংসদ সদস্য। তার দাবি, দেশে বছরে প্রায় ২০ লাখ মেট্রিক টন চিনির চাহিদা রয়েছে। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলোতে উৎপাদন কম হওয়ায় বিপুল পরিমাণ চিনি বিদেশ থেকে আমদানি করতে হচ্ছে।

আমির হামজা বলেন, "দেশের বন্ধ চিনিকলগুলো চালু করা গেলে স্থানীয়ভাবে চিনির উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। এতে বিদেশের ওপর নির্ভরতা কমার পাশাপাশি বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা মিলবে।"

তিনি আরও বলেন, "আমরা চাই, নিজেদের সম্পদ কাজে লাগিয়ে চিনির উৎপাদন বাড়াতে। আমাদের মিলের অধীনে প্রায় ৭২০ বিঘা জমি পড়ে আছে।"

এত সম্পদ থাকার পরও বিদেশ থেকে চিনি আমদানি করতে হচ্ছে কেন, এই প্রশ্ন তুলে চিনিশিল্পের বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

সরকারের সমালোচনা করে আমির হামজা বলেন, দেশে সার, বীজ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নিয়ে মানুষের উদ্বেগ রয়েছে। তবে এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের যথেষ্ট মনোযোগ দেখা যাচ্ছে না। বরং তিনি অভিযোগ করেন, দলীয়করণের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%