শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:০৭ পি.এম
আন্তর্জাতিক স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিভারসং (Riversong) বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। লিনেক্স ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ লিমিটেডের সহযোগিতায় রিভারসংয়ের অ্যাস্ট্রো সিরিজের একাধিক স্মার্টফোন পর্যায়ক্রমে দেশের বাজারে উন্মোচিত হবে। এই ধারাবাহিকতায় আজ ‘রিভারসং অ্যাস্ট্রো ৬’ বাজারে এসেছে।
অ্যাস্ট্রো ৬ একটি ‘Made in Bangladesh’ স্মার্টফোন, যা লিনেক্স ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ লিমিটেডের নিজস্ব কারখানায় তৈরি করা হয়েছে। ফোনটিতে ৬.৫৬ ইঞ্চি LCD ডিসপ্লে, ৮ GB পর্যন্ত Extendable RAM, ৬৪ GB ROM, ৫০০০ mAh ব্যাটারি, ১৬ মেগাপিক্সেল ব্যাক ক্যামেরা, ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা, Fingerprint এবং Face Unlock সহ আধুনিক বিভিন্ন ফিচার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে লিনেক্স ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ লিমিটেডের COO ইঞ্জিনিয়ার মো. নাহিদুল ইসলাম, রিভারসং বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজের চীফ পিপল অফিসার হাসান তৈয়ব ইমাম এবং প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে লিনেক্স ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ লিমিটেডের COO উল্লেখ করেন, "নিজস্ব কারখানায় রিভারসং অ্যাস্ট্রো ৬ উৎপাদন করতে পেরে আমরা গর্বিত।" তিনি বলেন, "বাংলাদেশে স্মার্টফোন উৎপাদনের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে লিনেক্স ইলেকট্রনিক্স ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চায়।"
তিনি আরও যোগ করেন, "আমাদের নিজস্ব SMT সুবিধা, ল্যাবরেটরি এবং PCBA, চার্জার ও ব্যাটারি উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের কোয়ালিটি কন্ট্রোলের মাধ্যমে আমরা Made in Bangladesh স্মার্টফোন বাজারজাত করছি।" তিনি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের মানুষের জন্য আরও সাশ্রয়ী মূল্যে আধুনিক স্মার্টফোন সহজলভ্য করার লক্ষ্য প্রকাশ করেন।
রিভারসং বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম জানান, "রিভারসং একটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমাদের কার্যক্রম রয়েছে।" তিনি বলেন, "সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও আমরা স্মার্টফোন নিয়ে এসেছি।" তিনি বাংলাদেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আধুনিক প্রযুক্তির স্মার্টফোন বাজারজাত করার লক্ষ্য উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জানান, অ্যাস্ট্রো সিরিজের আরও বেশ কয়েকটি মডেল শিগগিরই বাংলাদেশের বাজারে আসবে। পাশাপাশি উচ্চ স্পেসিফিকেশনের স্মার্টফোন ও গেমিং ফোন বাজারজাত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে রিভারসংয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, স্থানীয় উৎপাদন এবং নতুন স্মার্টফোন লাইনআপ নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে চীন থেকে আসা রিভারসংয়ের প্রকৌশলী দলও উপস্থিত ছিল। তারা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পাশাপাশি রিভারসং অ্যাস্ট্রো ৬-এর প্রযুক্তি ও উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিদর্শন করেন এবং ফোনটির মান নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সালহা খানম নাদিয়া। তিনি রিভারসংয়ের বাংলাদেশে যাত্রা শুরুর এই আয়োজনে অংশ নেন। সবশেষে একটি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকের সফল ফলাফল বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান।
নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চারদিনের সফর শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। সফরের সময় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন এবং বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
চারদিনের সফরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ১১টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক সম্পন্ন করেন। এছাড়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন, উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্ট এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকসহ প্রতিনিধিদলের প্রায় ৮০টি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করা হয়।
বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা সংকট এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিউইয়র্ক সফরে সীমিত আকারের প্রতিনিধিদল নিয়ে সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, "বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকের সফল আউটপুট বা ফলাফল দেশের জন্য অত্যন্ত গর্বের।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে এসব আলোচনার মাধ্যমে অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে রোগীর চাপ অব্যাহত রয়েছে, যা হাসপাতালের ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি। হাসপাতালের দৈনিক রোগী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৬ সেপ্টেম্বর তারিখে ১,২০০টি অনুমোদিত শয্যার বিপরীতে মোট ৩,৩০৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। এর ফলে অনুমোদিত শয্যার অতিরিক্ত রোগীর সংখ্যা ২,১০৩ জনে পৌঁছেছে এবং শয্যা দখলের হার ২৭৫.২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আগের দিনের রোগী সংখ্যা ছিল ৩,০৯২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুনভাবে ৭৬৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ৩২৬ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং ১৮৯ জন রোগী DORB (Discharge on Risk Bond) হয়েছেন। এছাড়া ২৫ জন রোগী Absconded হয়েছেন এবং ৩২ জন রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন।
চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি হাসপাতালের অস্ত্রোপচার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩২টি মেজর অপারেশন ও ৪৩টি মাইনর অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। একই দিনে হাসপাতালের বহির্বিভাগে (আউটডোর) চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন ৫,১৪৭ জন রোগী।
বিশেষ রোগী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে হাসপাতালে ৯৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া ২৬ জন হাম (Measles) আক্রান্ত রোগী এবং ৯ জন সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীও চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কারা সেলে ৭ জন এবং ওসিসি (One Stop Crisis Centre)-তে ৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার সময় ৫০০ শয্যার অবকাঠামো নিয়ে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপ সামাল দিতে দুই শয্যার মাঝে নতুন শয্যা স্থাপন, বারান্দা ও করিডোর ব্যবহার, বিভিন্ন ফাঁকা জায়গায় ওয়ার্ড সম্প্রসারণসহ নানাভাবে রোগী ধারণের ব্যবস্থা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের অনুমোদিত শয্যার সংখ্যা ১,২০০ হলেও চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা এর প্রায় পৌনে তিন গুণ।
একই দিনে ৩,৩০৩ জন ভর্তি রোগীর পাশাপাশি বহির্বিভাগে আরও ৫,১৪৭ জন রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন। বিপুলসংখ্যক রোগীর চাপের মধ্যেও হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্টরা নিয়মিত চিকিৎসাসেবা ও অস্ত্রোপচার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁয় গোপন মিছিলের প্রস্তুতির সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের ১১ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় ছাত্রদল ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় তাদের আটক করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের বলিহার ব্রিজ এলাকা থেকে এই আটকের ঘটনা ঘটে।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা আত্রাই, রানীনগর, সাপাহার ও নিয়ামতপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
নওগাঁ জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম তাজ জানান, জেলায় অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চক্রান্ত হিসেবে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা একত্রিত হচ্ছে— এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বলিহার ব্রিজ এলাকায় অবস্থান নেন। পরে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সহায়তায় মিছিলের প্রস্তুতিকালে ১১ জনকে আটক করা হয় এবং খবর পেয়ে ডিবি পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়।
তিনি আরও বলেন, নওগাঁ জেলাকে শান্ত রাখতে ছাত্রদল সর্বদা বদ্ধপরিকর এবং কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি হাসিবুল্লাহ হাবিব আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পর পরই দ্রুত অভিযান চালিয়ে বলিহার ব্রিজ এলাকা থেকে ওই ১১ জনকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার কোনো পরিকল্পনা করছিল কিনা, সে বিষয়ে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মশাল মিছিলের কিছু ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বিরাজ করায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা শুরু থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। যার ধারাবাহিকতায় এই ১১ নেতাকর্মীকে হাতেনাতে আটক করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, "গণহত্যার বিচারের আওতায় আসতে ডিসেম্বর নয়, তাদের এখনই বাংলাদেশে আসতে হবে।" তিনি আরও বলেন, "অনলাইনে হুংকার দিলে হবে না, বাংলাদেশের মাটিতে এখন আসেন, আপনাদের জন্য ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত আছে। আপনাদের জন্য বিচার প্রস্তুত আছে। সাহস থাকলে, বুকের পাটা থাকলে, এখনই আসেন। ডিসেম্বর পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করতে চাই না।"
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জামালপুরে জেলা বিএনপির আয়োজনে সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমরা অতীতে দেখেছি, তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে, লুটপাট করেছে। বাংলাদেশের কোনো উন্নয়ন করেনি। জামালপুরের উন্নয়ন করেনি, আমার নান্দাইলসহ ময়মনসিংহে উন্নয়ন করেনি। সারা বাংলাদেশের কোথাও উন্নয়ন করেনি। ঢাকা শহরে কয়েকটি ব্রিজ আর ওভারপাস বানিয়ে তারা হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে। এই টাকা জনগণের টাকা, এই টাকা আপনাদের টাকা। তারা এই টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে দিয়েছে।"
জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, সুলতান মাহমুদ বাবু, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক।
পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে তমালতলা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ