ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পেনসিলভানিয়ায় পুলিশের গুলিতে নিহত শেন সাইবার, আহত আরেকজন


পেনসিলভানিয়ায় পুলিশের গুলিতে নিহত শেন সাইবার, আহত আরেকজন

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ফিলাডেলফিয়ায় বন্দুকধারীর সংবাদের পর ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সময় গুলির শিকার হন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। নিহতদের মধ্যে একজন হচ্ছেন শেন সাইবার (৪০)। অপর কর্মকর্তাটি ১২টি গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তার অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।

এই ঘটনা ঘটে শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে। ফিলাডেলফিয়ার পুলিশ কমিশনার কেভিন বেথেল জানান, গুলিবিদ্ধ দুই কর্মকর্তাকে পেন প্রেসব্যাটেরিয়ান মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের অস্ত্রোপচার করা হয়। আহত কর্মকর্তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে।

ফিলাডেলফিয়ার জেলা অ্যাটর্নি ল্যারি ক্রাসনার জানিয়েছেন, এরিক লুইস (৩৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। ক্রাসনারের মতে, নিহত পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার পাশাপাশি আহত কর্মকর্তাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগও এরিকের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে। আরও উল্লেখযোগ্য হলো, ঘটনাস্থলে সাড়া দিতে আসা নয়জন কর্মকর্তাকে গুলি করার ঘটনায়ও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তবে ওই নয়জনের কেউ আহত হননি।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

অভিযুক্ত এরিককে জামিন ছাড়া আটক রাখা হয়েছে। জেলা অ্যাটর্নি জানিয়েছেন, শিগগিরই তাকে আদালতে হাজির করা হবে। আদালতের নথি অনুযায়ী, এরিকের বিরুদ্ধে পূর্বে হামলা, চুরি এবং প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার তথ্য রয়েছে।

নিহত শেন সাইবার ফিলাডেলফিয়া পুলিশ বিভাগে ১০ বছর ধরে কর্মরত ছিলেন। গভর্নর জশ শাপিরো তার মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সাইবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সরকারি ভবনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শেন সাইবার স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন, যাদের বয়স যথাক্রমে সাত ও তিন বছর। জেলা অ্যাটর্নি ল্যারি ক্রাসনার এই ঘটনার নৃশংসতা, অর্থহীনতা ও ভয়াবহতা সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন।

সূত্র: এনবিসি নিউজ

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যাসাচুসেটসে অন্তঃসত্ত্বা তরুণীর মৃত্যুতে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বিচার শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ পি.এম


ম্যাসাচুসেটসে অন্তঃসত্ত্বা তরুণীর মৃত্যুতে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বিচার শুরু

ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে ২৩ বছর বয়সী সান্দ্রা বার্চমোরের মৃত্যু নিয়ে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাথিউ ফারওয়েলের বিচার শুরু হয়েছে। পাঁচ বছর আগে বোস্টনের উপশহর ক্যান্টনের নিজ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে সান্দ্রার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ফারওয়েল নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বোস্টনের আদালতে বিচার শুরুর প্রথম দিনেই সান্দ্রার মৃত্যুর আগের দিনগুলোর বিষয়ে সরকারি আইনজীবী ও আসামিপক্ষের আইনজীবী দুটি ভিন্ন বর্ণনা উপস্থাপন করেন।

সরকারি আইনজীবী টোরি বি. কামিংসের বক্তব্য অনুযায়ী, ফারওয়েল সান্দ্রার অভিভাবকসুলভ পরামর্শদাতা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সান্দ্রার বয়স ১৫ বছর এবং ফারওয়েলের বয়স ২৭ বছর থাকাকালীন তাদের মধ্যে যৌন বা শারীরিক সম্পর্ক শুরু হয়। এই সম্পর্ক প্রায় আট বছর ধরে চলতে থাকে। কামিংস অভিযোগ করেন, ফারওয়েল তার অবস্থানের সুযোগ নিয়ে সান্দ্রাকে শোষণ করেছেন। এমনকি দায়িত্ব পালনরত অবস্থায়ও মাঝে মাঝে তার সঙ্গে দেখা করতেন।

কামিংস আরও বলেন, সান্দ্রা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার পর তাদের গোপন সম্পর্ক প্রকাশের আশঙ্কা তৈরি হয়। তিনি দাবি করেন, সান্দ্রা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলতে পারেন—এমন আশঙ্কা থেকেই ফারওয়েল তাকে হত্যা করেন।

সরকারি আইনজীবী বলেন, ফারওয়েল ভেবেছিলেন, তাদের সম্পর্কের তথ্য প্রকাশ পেলে তার জীবন ও পেশাগত অবস্থান বিপন্ন হতে পারে। তাই সান্দ্রা তাকে বিপদে ফেলার আগেই তাকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী কিম্বার্লি স্টিভেন্স এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, ফারওয়েল ও সান্দ্রার মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল এবং ফারওয়েল ভুল করেছেন। তবে তিনি সান্দ্রাকে হত্যা করেননি। বরং সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর হতাশা ও মানসিক চাপের কারণে সান্দ্রা আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেন।

স্টিভেন্স আদালতে বলেন, সান্দ্রা উদ্বেগ ও একাকিত্বে ভুগছিলেন। তার ব্যাংক হিসাবে তিন ডলারেরও কম অর্থ ছিল এবং বাড়িভাড়া পরিশোধ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। মৃত্যুর দিনও তিনি ফারওয়েলকে একের পর এক বার্তা পাঠিয়েছিলেন। এসব বার্তাকে তিনি সান্দ্রার মানসিক অস্থিরতার প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেন।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ম্যাসাচুসেটসের ক্যান্টনে সান্দ্রাকে তার শোবার ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার গলায় একটি ব্যাগের ফিতা পেঁচানো ছিল, যা আলমারির দরজার হাতলের সঙ্গে বাঁধা ছিল। স্থানীয় ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের কর্তৃপক্ষ প্রথমে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছিল।

তবে সান্দ্রার পরিবার এ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তাদের দাবি, সান্দ্রা তখন ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনা করছিলেন এবং মা হতে পেরে আনন্দিত ছিলেন। পরিবার ও স্বজনদের চাপের পর বিষয়টি নতুন করে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

২০২৪ সালে ফারওয়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। পরে চলতি বছরের এপ্রিলে চিকিৎসা পরীক্ষকের কার্যালয় সান্দ্রার মৃত্যুর ধরন ‘অনির্ধারিত’ বলে সংশোধন করে। অর্থাৎ, মৃত্যুটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে, তা নিশ্চিত করা যায়নি।

সরকারি আইনজীবীরা আদালতে জানান, সান্দ্রার গলায় পেঁচানো ব্যাগের ফিতায় ফারওয়েলের ডিএনএ পাওয়া গেছে। তাদের দাবি, ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। তবে আসামিপক্ষ বলেছে, ফিতায় একাধিক ব্যক্তির ডিএনএ ছিল এবং সান্দ্রার নখের নিচে ফারওয়েলের ডিএনএ পাওয়া যায়নি। এসব তথ্যের ভিত্তিতে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হয় না বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী।

সান্দ্রার সঙ্গে ফারওয়েলের সম্পর্কের বিষয়ে তদন্তকারীরা তার বৈদ্যুতিক যন্ত্রে প্রায় ৪০ হাজার বার্তা পান। সরকারি আইনজীবীর দাবি, এসব বার্তা তাদের সম্পর্কের দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরে। সান্দ্রা ১৫ বছর বয়সে প্রথম যৌন সম্পর্কে জড়ানোর সময় যে অপরাধের শিকার হয়েছিলেন, সেটিও আদালতে উল্লেখ করেন আইনজীবী।

সরকারি পক্ষ অভিযোগ করেছে যে, সান্দ্রা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর ফারওয়েল শিশুটিকে নিজের সন্তান বলে বিশ্বাস করতেন। তবে পরবর্তী ডিএনএ পরীক্ষায় ফারওয়েলকে অনাগত শিশুটির বাবা হিসেবে বাদ দেওয়া হয়।

ফারওয়েলের বিরুদ্ধে সাক্ষী বা ভুক্তভোগীকে সম্ভাব্য অপরাধের তথ্য প্রকাশ থেকে বিরত রাখতে হত্যা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি অনাগত শিশুর সুরক্ষাসংক্রান্ত একটি কেন্দ্রীয় আইন লঙ্ঘনের অভিযোগও রয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

৪০ বছর বয়সী ফারওয়েলকে ইতিমধ্যে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে কাজের অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে এবং ম্যাসাচুসেটসে আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় কাজ করা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। বিচারটি প্রায় এক মাস ধরে চলতে পারে।

সূত্র: সিএনএন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৮ ঘণ্টা আটক থাকার পর মুক্তি পেলেন ধ্রুব রাঠি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ পি.এম


১৮ ঘণ্টা আটক থাকার পর মুক্তি পেলেন ধ্রুব রাঠি

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার গনেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পূর্বে আটক হন জার্মানিতে বসবাসরত জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। শনিবার (১০ অক্টোবর) গভীর রাতে, আটকের প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। পুলিশ কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১১ অক্টোবর) ভোর ৩টার দিকে তাকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এর কেন্দ্রীয় বিহার আবাসিক এলাকা থেকে ধ্রুব রাঠিকে আটক করা হয়। পরে তাকে গুরুগ্রামের অপরাধ শাখার একটি কার্যালয়ে রাখা হয়।

গুরুগ্রাম পুলিশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ধ্রুব রাঠির পরিবারের সদস্যরা অপরাধ শাখার কার্যালয়ে পৌঁছানোর পর তাকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দিল্লি পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করে তাকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ওই কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে তখন নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ কার্যকর ছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে—এমন কোনো দল বা জনতার সঙ্গে তিনি যুক্ত হবেন না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে পুলিশের একজন কর্মকর্তার বরাতে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ধ্রুব রাঠি জন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আবার আটক করা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে আরও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ তুলে এই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছিল।

বিক্ষোভকারীদের জন্তর মন্তরে পৌঁছানো ঠেকাতে প্রায় ৪১ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়। পুলিশের অভিযানে প্রায় সাত হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। শিক্ষার্থী, আইনজীবী ও রাজনীতিকদের পাশাপাশি চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এবং ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলন ককরোচ জনতা পার্টির নেতারাও আটক হন।

গত তিন মাস আগে শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগে ভূমিকা রাখা ককরোচ জনতা পার্টি এই বিক্ষোভের আয়োজন করেছিল। নিরাপত্তাকর্মীরা বিক্ষোভকারীদের জন্তর মন্তরে প্রবেশ করতে বাধা দিলেও দিনভর দিল্লির বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে প্রতিবাদ চলতে থাকে।

সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি ঘটে শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিল্লি বিমানবন্দরে। সেখানে অবতরণ করা এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজে প্রবেশ করে নিরাপত্তাকর্মীরা ককরোচ জনতা পার্টির তিন সদস্য অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে আটক করেন। বিরোধী দলগুলো এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে।

বিক্ষোভ দমনে পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টি রোববারও (১১ অক্টোবর) টানা দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। একই দিন বিতর্কিত এই অভিযানের বিরুদ্ধে দায়ের করা আবেদন শুনতে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ বসার কথা রয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলো সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে নতুন করে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উৎপাদন বাড়লেও ফসলের পুষ্টিমান হারাচ্ছে, বলছে গবেষকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ পি.এম


উৎপাদন বাড়লেও ফসলের পুষ্টিমান হারাচ্ছে, বলছে গবেষকরা

আধুনিক নিবিড় কৃষি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাবের ফলে বিশ্বব্যাপী খাদ্যশস্যের পুষ্টিগুণ ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। গত কয়েক দশকের উৎপাদনমুখী চাষাবাদের ফলস্বরূপ শস্যের ফলন ও আকার বৃদ্ধি পেলেও চাল, গম এবং সবজিতে জরুরি অণুপুষ্টির ঘনত্ব, যেমন জিংক, আয়রন এবং প্রোটিন, ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।

ফলস্বরূপ, পেট ভরা খাবার পাওয়ার পরও প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের অভাবে কোটি কোটি মানুষ মারাত্মক ‘প্রচ্ছন্ন ক্ষুধা’ বা অদৃশ্য অপুষ্টির শিকার হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য নীতিনির্ধারকদের সামনে একটি নতুন বৈশ্বিক সংকট হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের অলাভজনক বিজ্ঞান সংস্থা ডিপ সায়েন্স ভেঞ্চারস (ডিএসভি) এবং মার্ক লিওনার্ড ট্রাস্ট-এর যৌথ উদ্যোগে ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসের শুরুতে প্রকাশিত ‘হলো হারভেস্ট’ (ফাঁপা ফসল) নামক বৈশ্বিক গবেষণা প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে।

এই প্রতিবেদনের পূর্ণ শিরোনাম হলো: ‘হলো হারভেস্ট: রিবিল্ডিং দ্য নিউট্রিশনাল ভ্যালু অব ক্রপস ইন অ্যান এজ অব আবান্ড্যান্ট ক্যালোরিজ’ (ফাঁপা ফসল: প্রচুর ক্যালোরির যুগে ফসলের পুষ্টিমান পুনর্গঠন)।

নেদারল্যান্ডসের লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের ২০২৬ সালের একটি সাম্প্রতিক মেটা-অ্যানালাইসিসে ৪৩টি খাদ্যশস্যের প্রায় ৬০ হাজারটি পুষ্টিগত পরিমাপ পরীক্ষা করে দেখা গেছে, বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধির কারণে উদ্ভিদে শর্করা ও ক্যালোরির পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু প্রোটিন, জিংক ও আয়রনের মতো খনিজ গড়ে ৩.২ শতাংশ কমে যাচ্ছে। কিছু বিশেষ ফসলে জিংকের পরিমাণ ৩৭.৫ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পাওয়ার প্রমাণও মিলেছে।

সাম্প্রতিক গবেষণাগুলোর এই উদ্বেগজনক তথ্য কৃষি ও পুষ্টিবিজ্ঞানীদের নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক নিবিড় কৃষি পদ্ধতি, উচ্চ ফলনশীল জাতের একচেটিয়া চাষাবাদ এবং তীব্র জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবের ফলে বিশ্বব্যাপী প্রধান খাদ্যশস্যের পুষ্টির মান ও ঘনত্ব (নিউট্রিয়েন্ট ডেনসিটি) আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে।

গত কয়েক দশকে বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শস্যের গুণগত মানের চেয়ে পরিমাণের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়ার ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও উৎপাদিত খাদ্যের পুষ্টিগুণ ক্রমাগত তলানিতে ঠেকছে। ফলে পেট ভরানোর মতো পর্যাপ্ত খাবার বা ক্যালোরি পেলেও প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের অভাবে কোটি কোটি মানুষ ‘প্রচ্ছন্ন ক্ষুধা’ বা তীব্র অণুপুষ্টির ঘাটতির (মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ডেফিসিয়েন্সি) শিকার হচ্ছে।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুষ্টি জরিপের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে এই সংকটের রূপ আরও স্পষ্ট। সর্বশেষ ‘জাতীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সার্ভে’-র তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রায় ৪৪ শতাংশ শিশু এবং ৫৭ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নারী তীব্র জিংক বা দস্তার ঘাটতিতে ভুগছেন।

প্রধান খাদ্য হিসেবে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে চাল বা ভাত খাওয়া সত্ত্বেও মানুষের শরীরে জিংক ও আয়রনের মতো অত্যাবশ্যকীয় খনিজের এই ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। মূলত প্রথাগত উচ্চ ফলনশীল সাদা চালের পুষ্টি ঘনত্ব কমে যাওয়া এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের অভাবই এর অন্যতম প্রধান কারণ।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)-এর দীর্ঘমেয়াদি তথ্য বিশ্লেষণ করে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. ডোনাল্ড ডেভিস ও তার দল ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত এক ঐতিহাসিক গবেষণায় দেখিয়েছিলেন, ১৯৫০ থেকে ১৯৯৯ সালের মধ্যে উৎপাদিত ৪৩টি বিভিন্ন ফসলে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, ভিটামিন সি এবং প্রোটিনের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

কৃষিবিজ্ঞানীরা একে ‘ডিলিউশন ইফেক্ট’ বলছেন; যেখানে আধুনিক শস্যের আকার ও ফলন বৃদ্ধি পেলেও পুষ্টির ঘনত্ব আনুপাতিক হারে কমে যাচ্ছে।

এছাড়া রাসায়নিক সারের অত্যধিক ব্যবহার এবং নিবিড় চাষাবাদের ফলে মাটির গভীরে থাকা ‘মাইকোরাইজাল ছত্রাক’ ও উপকারী অণুজীবের নেটওয়ার্ক ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

সাম্প্রতিক মৃত্তিকা বিজ্ঞান সাময়িকীগুলোর গবেষণায় দেখা গেছে, এই অণুজীবগুলো উদ্ভিদের মূল বা শিকড়কে মাটি থেকে খনিজ পুষ্টি উপাদান শোষণে সরাসরি সাহায্য করে। এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত থাকায় উদ্ভিদ তার প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান পাচ্ছে না।

দেশের সরকারি সংস্থা মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই)-এর বার্ষিক ও জাতীয় ভূমি অবক্ষয় প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিবিড় চাষাবাদের কারণে বাংলাদেশের প্রায় ৭৬.২ শতাংশ আবাদি জমি মাঝারি থেকে তীব্র মাত্রার পুষ্টিহীনতার শিকার।

সংস্থাটির দেশব্যাপী মৃত্তিকা পুষ্টি মানচিত্রের তথ্য বলছে, দেশের অর্ধেকেরও বেশি ফসলি জমির মাটিতে জৈব উপাদানের পরিমাণ আদর্শ মাত্রার চেয়ে কমে ১ থেকে ১.৫ শতাংশের নিচে নেমে গেছে এবং প্রায় সাড়ে ৫ মিলিয়ন হেক্টর চাষযোগ্য জমির মাটিতে দস্তা (জিঙ্ক), বোরন ও সালফারের মতো জরুরি অণুপুষ্টির তীব্র ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, ১৯৬০ সালের পর উদ্ভাবিত রুটি তৈরির গম বা ব্রেড-হুইটের তিন-চতুর্থাংশেরও কম জাত জিংকের ন্যূনতম আদর্শ মাত্রা পূরণ করতে পারছে। এই পুষ্টিহানি মানুষের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসকে অকার্যকর করে তুলছে। যেমন, আজ থেকে ৬০ বছর আগের একটি গাজর থেকে যে পরিমাণ পটাশিয়াম পাওয়া যেত, এখনকার গাজরে তার অর্ধেক পাওয়া যাচ্ছে, অর্থাৎ একই পুষ্টি পেতে একজনকে এখন দ্বিগুণ পরিমাণ গাজর খেতে হচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং বিভিন্ন পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, খাদ্যশস্যের পুষ্টিমান কমে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়ছে মানবদেহে। এর ফলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং সাব-সাহারা আফ্রিকার উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের মধ্যে রক্তস্বল্পতা, হাড় ক্ষয় এবং অপুষ্টিজনিত বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগ বাড়ছে।

পর্যাপ্ত খাবার খাওয়ার পরও প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য খাতের ওপর বিশাল আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে। এটি ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি-২) ‘ক্ষুধা মুক্তি ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণ’ এজেন্ডা বাস্তবায়নের পথে বড় অন্তরায়।

এই অপুষ্টির সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) ইতিমধ্যে বায়োফর্টিফাইড বা জিঙ্কসমৃদ্ধ চালের জাত (যেমন- ব্রি ধান-৭৪, ব্রি ধান-১০০) উদ্ভাবন করেছে, যা মানুষের শরীরে জিংকের দৈনিক চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করতে সক্ষম।

তবে ব্রির বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়েছেন, ভোক্তা পর্যায়ে অতিরিক্ত ছাঁটা ও চকচকে ‘মিনিকেট’ চাল খাওয়ার প্রবণতার কারণে চাল মিলিং ও পলিশিংয়ের সময় এর উপরিভাগে থাকা জিংক ও আয়রনের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই নষ্ট হয়ে যায়। ফলে পুষ্টিসমৃদ্ধ জাত চাষের পাশাপাশি ভোক্তাদের আচরণ ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করাও জরুরি।

ব্রির গবেষকরা এখন জিংক ও আয়রনের দ্বৈত সুবিধাযুক্ত আরও উন্নত জাতের ‘হেলদিয়ার রাইস’ উদ্ভাবনের লক্ষ্যে কাজ করছেন, যাতে একটি জাত থেকেই শরীরের অন্তত ৮০% জিংক এবং ৫০% আয়রনের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়।

বিশেষজ্ঞ মহল এই সংকট মোকাবিলায় অবিলম্বে প্রচলিত কৃষি নীতিতে আমূল পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা শুধু মোট ফলন বা ওজনের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং ফসলের পুষ্টির ঘনত্বের ওপর ভিত্তি করে কৃষকদের মূল্যায়ন ও প্রণোদনা দেওয়ার কথা বলছেন।

পাশাপাশি মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জৈব সার, অণুজীব ইনোকুল্যান্ট এবং শস্য পর্যায় পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছেন তারা। এছাড়া প্রথাগত হাইব্রিড ধান-গমের পাশাপাশি জিংক ও আয়রনসমৃদ্ধ স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী শস্য ও মিলেট চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন।

নীতিনির্ধারকদের মতে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কেবল খাদ্যের সহজলভ্যতা বা ক্যালোরি নিশ্চিত করা নয়, বরং পুষ্টিকর ও গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্য নিশ্চিত করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষ, অর্ধশত হাতবোমা বিস্ফোরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ পি.এম


মাদারীপুরে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষ, অর্ধশত হাতবোমা বিস্ফোরণ

মাদারীপুরের কালকিনী পৌর শহরের মাছবাজারসংলগ্ন বড় ব্রিজ এলাকায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে দুই মাদককারবারির মধ্যে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে এই ঘটনা ঘটে, যার ফলে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। একের পর এক বোমা বিস্ফোরণের বিকট শব্দের কারণে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে শনিবার রাতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বড় ব্রিজের দুই পাশে অবস্থান নেয় দুই মাদককারবারি। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার পাশাপাশি প্রায় অর্ধশত হাতবোমা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মাদক ব্যবসার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে রনি চৌকিদার ও জহিরের পক্ষের লোকজনের মধ্যে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হন, যাদের মধ্যে রনি চৌকিদার ও আহাত সরদার রয়েছেন। এছাড়া, নেসার উদ্দিন নামের এক পথচারীও আহত হয়েছেন বলে জানা যায়।

কালকিনী থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত ব্যক্তিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। এ ঘটনায় বড় ধরনের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কালকিনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম জানান, "মাদক ব্যবসার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দুই মাদক কারবারির পক্ষের লোকজনের মধ্যে বিরোধ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে।" তিনি বলেন, জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%