মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২০ পি.এম
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বৃক্ষরোপণের একটি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের উদ্যোগে এই কর্মসূচি আয়োজিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের উপদেষ্টা মনোয়ার মোহাম্মদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি আকিবুর রহমান ইকবাল।
এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ক্যাম্পাসের সবুজায়ন বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘বর্তমানে সারা বিশ্বে বাস্তুতান্ত্রিক সংকট চলছে। যদি আমরা বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এই ভারসাম্য ফিরিয়ে না আনি, তাহলে মানবজাতি হুমকির মধ্যে পড়বে। টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের ‘গ্রিন টাঙ্গাইল’ গড়ার প্রচেষ্টাকে আমরা স্বাগত জানাই। বৃক্ষরোপণে আমাদের সবাইকে সচেতন ও উৎসাহিত হতে হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে আকিবুর রহমান ইকবাল বলেন, ‘গাছ হলো প্রকৃতি। এই গাছই আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে। তাই গাছকেও আমাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। আমাদের সংগঠনের কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য ‘ক্লিন টাঙ্গাইল, গ্রিন টাঙ্গাইল’। এর অংশ হিসেবে আমরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাছ লাগাচ্ছি এবং মানুষকে সচেতন করছি।’
কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট পরিচালক ড. আবু জাফর শিবলী। এই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমার এবং তৎসংলগ্ন উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে অবস্থানরত স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, এমনটি জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, এই সময়ে ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
ভারী বৃষ্টির কারণে এসব জেলার পাহাড়ি এলাকায় কোথাও কোথাও অস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে ভূমিধসের ঝুঁকিও রয়েছে, এমন সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই-আগস্টে সরকারের ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৬০১ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে সরকার মাত্র ৩ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। এর ফলে, আগের অর্থবছরের প্রথম দুই মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ ৪১০ শতাংশ বেড়েছে।
এ সময়ে, যদিও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া ধার সরকার পরিশোধ করেছে। ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সরকার লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করতে পারছে না। তাই পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বেড়ে গেছে।
দেশের বেসরকারি খাত ইতিমধ্যেই চাপের মধ্যে রয়েছে। নতুন করে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটও যুক্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় হচ্ছে না, যার ফলে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বেড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১৬ হাজার ৬০১ কোটি টাকা ঋণ নিলেও, এ সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ৩ হাজার ৭২৮ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। ফলে, এই দুই মাসে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকার ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে মোট ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সে অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেই পুরো অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার ১১ দশমিক ৪৯ শতাংশ ঋণ নিয়েছে সরকার।
ব্যাংক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। ফলে, সরকার ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে আপাতত কোনো সমস্যা অনুভব করছে না। তবে, সরকারের ঋণের সুদের হার কমে যাওয়ার ফলে ব্যাংকগুলোর আয় কমে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে, আমানতের সুদহারের নিচে নেমে এসেছে সরকারের ঋণের সুদহার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ আগস্ট বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে সরকারের নেওয়া ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮ হাজার ২৫ কোটি টাকা, যা গত জুনের শেষে ছিল ৫ লাখ ৯১ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকারের নেওয়া ঋণের স্থিতি কমে হয়েছে ৯০ হাজার ৩২২ কোটি টাকা, যা গত জুনে ছিল ৯৪ হাজার ৫১ কোটি টাকা।
এদিকে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আদায় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে। আগে প্রতি মাসে ভ্যাট জমা দিতে হতো, কিন্তু প্রতি তিন মাস পর জমা দেওয়ার নতুন নিয়মের কারণে ভ্যাট আদায় কমে গেছে। সরকার আবার মাসভিত্তিক ভ্যাট জমার নিয়ম করতে যাচ্ছে।
সরকার পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে থাকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. জিয়ারুল ইসলাম (৩৫) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেপ্তারের পর আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার কথা জানিয়েছে পিবিআই।
পিবিআই সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জানায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে ওই কিশোরী (ছদ্মনাম রুবিনা) গরুর জন্য ঘাস কাটতে মাঠে যায়। এ সময় কলারোয়া থানার হেলাতলা গ্রামের একটি কুল-বরই বাগানে তাকে ধর্ষণের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কিশোরীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
এ ঘটনার পর কিশোরীর পরিবারের পক্ষ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর কলারোয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি পিবিআইয়ের সিডিউলভুক্ত হওয়ায় তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই সাতক্ষীরা।
পিবিআই জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানার শ্রীরামকাঠী গ্রাম থেকে জিয়ারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পিবিআইয়ের একটি দল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন বলে পিবিআই জানিয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এ ঘটনায় কলারোয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত এখনও চলছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান রিমু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহে আলম মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার জন্য গুপ্ত ও নিষিদ্ধদের ষড়যন্ত্র চলছে।
তিনি মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মশাল মিছিল ও সমাবেশে এ কথা বলেন। এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র, পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে।
মীর শাহে আলম বলেন, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, “এ দেশের জনগণ শেখ হাসিনাকে আর মেনে নেবে না।”
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ আন্দোলন ও ত্যাগের মাধ্যমে জনগণের সমর্থন নিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। তাই বিএনপিকে পতনের হুমকি দিয়ে কিছু লাভ হবে না। ষড়যন্ত্র কিংবা ভয়ভীতি দেখিয়ে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না।
তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং শান্তিশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখা। এ অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে কোনো ধরনের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য কিংবা ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা করে বিএনপির ওপর দায় চাপানো হয়েছে। অথচ এ ঘটনায় জামায়াতের একজন সংসদ সদস্যের জামাই গ্রেপ্তার হয়েছেন। এসব ঘটনা থেকে ষড়যন্ত্রের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
এর আগে শিবগঞ্জ উপজেলা চত্বর থেকে বের করা মশাল মিছিলে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা অংশ নেন। সমাবেশে বক্তারা ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ