ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী ঝুঁকি নিয়ে জরাজীর্ণ ভবনে পাঠ নিচ্ছে


প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী ঝুঁকি নিয়ে জরাজীর্ণ ভবনে পাঠ নিচ্ছে

প্রতিষ্ঠার ৫৪ বছর অতিক্রম করার পরও খুলনার পাইকগাছা উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের কড়ুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বিদ্যালয়ের পুরনো ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে, পলেস্তারা খসে পড়েছে এবং রড বেরিয়ে এসেছে। বৃষ্টির সময় ছাদ থেকে পানি পড়ে শ্রেণিকক্ষে। এমন বিপজ্জনক পরিবেশে প্রতিদিন প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী পাঠ নিচ্ছে।

১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি ১৯৮৫ সালের ১ জানুয়ারি এমপিওভুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও, শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও শিক্ষা কার্যক্রম বৃদ্ধি পেলেও ভবনের উন্নয়ন হয়নি।

বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের দেয়াল ও ছাদের বিভিন্ন অংশে ফাটল রয়েছে। অনেক স্থানে পলেস্তারা উঠে গিয়ে রড বেরিয়ে পড়েছে। বর্ষাকালে ছাদ দিয়ে পানি পড়ায় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাবেরা খাতুন জানান, "অন্য স্কুলের সুন্দর ও নিরাপদ ভবন দেখে আমাদেরও এমন একটি শ্রেণিকক্ষে বসে ক্লাস করতে ইচ্ছে করে। বৃষ্টির দিনে ছাদ দিয়ে পানি পড়ে, তখন পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে যায়।"

অন্য শিক্ষার্থী সুমি আক্তার বলেন, "পুরোনো এই ভবনে ক্লাস করার সময় সব সময় ভয় লাগে। আমরা চাই, আমাদের স্কুলটিও নিরাপদ ও সুন্দর হোক।"

অভিভাবকেরাও বিদ্যালয়ের ভবন নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাদের মতে, পুরোনো ভবনে সাময়িক সংস্কার করে সমস্যার সমাধান হবে না। শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুস্তাক আহম্মেদ মন্তব্য করেন, "প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীকে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে নিয়ে প্রতিদিন পাঠদান করানো মানসিক চাপের বিষয়। ভবনটির অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে শুধু চুনকাম বা জোড়াতালি দিয়ে এর সমাধান হবে না।"

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

বিদ্যালয়ে বর্তমানে ১২ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও সাতটি পদ শূন্য রয়েছে বলে জানান প্রধান শিক্ষক। তার মতে, শিক্ষকসংকটের পাশাপাশি ভবনের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেবে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার আলো ছড়ানো প্রতিষ্ঠানটির এমন অবস্থা চলতে পারে না। কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা এখন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন আলাপে বাংলাদেশ ও মিশরের সম্পর্ক জোরদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ পি.এম


দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন আলাপে বাংলাদেশ ও মিশরের সম্পর্ক জোরদার

বাংলাদেশ ও মিশরের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন উভয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

নীল ইল-আখবরের তথ্য অনুযায়ী, মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. বদর আবদেল-আতি এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) টেলিফোনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্বাচনের জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে সংসদ নির্বাচনে তার দলের বিজয়ের পর তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায়ও অভিনন্দন জানান।

এছাড়া, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান ড. বদর আবদেল-আতি। এই মাসে শুরু হতে যাওয়া অধিবেশনের এক বছরের সভাপতিত্বকালে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সমন্বয় ও পরামর্শ অব্যাহত রাখার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি উল্লেখ করেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোর আকাঙ্ক্ষা ও অগ্রাধিকার তুলে ধরা, জাতিসংঘ সংস্কারের উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা জোরদারে সাধারণ পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

টেলিফোন আলাপে দুই দেশের সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়। মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় পরামর্শ অব্যাহত রাখা, দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকগুলো কার্যকর করা এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় ওষুধশিল্প, বস্ত্র ও তৈরি পোশাক, মৎস্যচাষ এবং চামড়াশিল্পে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি সুয়েজ খাল অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও আলোচনা করেন দুই মন্ত্রী।

মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে দুই দেশের বাণিজ্যিক বিনিময়ের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক বিনিয়োগ উৎসাহিত করা সম্ভব হবে। দুই দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র উন্মোচনেও এটি ভূমিকা রাখবে।

আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সর্বশেষ পরিস্থিতিও উঠে আসে। ড. বদর আবদেল-আতি আঞ্চলিক সংকট ও সংঘাতের উত্তেজনা কমাতে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ন্ত্রণে মিশরের অব্যাহত প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকি থেকে অঞ্চলকে রক্ষা করতে মিশর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাফেজ জায়েদের স্বপ্ন ইউরোপে গিয়েও পূরণ হলো না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


হাফেজ জায়েদের স্বপ্ন ইউরোপে গিয়েও পূরণ হলো না

২৪ বছর বয়সী কোরআনের হাফেজ জায়েদ আলী শাহ, কম খরচে ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বাড়ি ছেড়েছিলেন। দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে গ্রিসে পৌঁছালেও, তাঁর স্বপ্ন পূরণ হয়নি। নির্যাতন ও অনাহারে থাকার পর, গ্রিসে পৌঁছানোর চার দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জায়েদ আলী।

দেড় মাস পর, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ওই যুবকের প্রাণহীন নিথর দেহ গ্রামে ফিরে আসে। পরে দুপুরে জানাজার নামাজ শেষে তাঁকে নিজ গ্রামে দাফন করা হয়। হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জায়েদ আলী সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরসভার শেরপুর গ্রামের মৃত শাহ রহিম আলীর ছেলে। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে জায়েদ ছিলেন সবার ছোট ও আদরের। তবুও সংসারের হাল ধরতে গত সাত মাস আগে সার্বিয়া যাওয়ার জন্য বাড়ি ছাড়েন জায়েদ। কিন্তু দালাল চক্রের প্রতারণার শিকার হয়ে সার্বিয়ার বদলে লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে দেড় মাস আগে গ্রিসে পৌঁছান তিনি।

লিবিয়ায় অবস্থানকালে, অমানবিক শারীরিক নির্যাতন ও অনাহারে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে তাঁকে গ্রিসের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪০ দিন আগে তাঁর মৃত্যু ঘটে। পরে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় শনিবার জায়েদের মরদেহ দেশে ফেরত আনা হয়।

জায়েদের বড় ভাই রাহেদ শাহ জানিয়েছেন, গত সাত মাস আগে দালালের সঙ্গে ১৩ লাখ টাকায় তাঁর ভাইকে সার্বিয়া পাঠানোর চুক্তি হয়। কিন্তু দালাল প্রতারণা করে তাঁকে লিবিয়া পাঠায়। সেখানে তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। নির্যাতন থেকে জায়েদকে বাঁচাতে, তিনি দালাল চক্রকে আরও ৯ লাখ টাকা দেন। তবুও তিনি তাঁর ভাইকে বাঁচাতে পারেননি। তাঁরা এর বিচার চান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভরা মৌসুমেও ইলিশের সংকট, দাম বেড়ে গেছে বরিশালের বাকেরগঞ্জে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


ভরা মৌসুমেও ইলিশের সংকট, দাম বেড়ে গেছে বরিশালের বাকেরগঞ্জে

বাংলাদেশের নদীবহুল অঞ্চল বরিশালের বাকেরগঞ্জ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এই উপজেলার বিভিন্ন অংশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে একাধিক নদ-নদী, যা স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা এবং মৎস্য আহরণের সঙ্গে দীর্ঘকাল ধরে জড়িত। তবে বর্তমানে, এসব নদীতে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে রূপালি ইলিশের অভাব দেখা দিয়েছে, যা স্থানীয় জেলে ও ব্যবসায়ীদের জন্য হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভরা মৌসুমে বাকেরগঞ্জের নদীগুলোতে ইলিশের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এর ফলে স্থানীয় হাট-বাজারে ইলিশের সরবরাহও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। বাজারে যে অল্পসংখ্যক ইলিশ উঠছে, তার দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে, এ বিষয়ে ক্রেতাদের অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাজার ও মৎস্য আড়ত পরিদর্শন করে দেখা গেছে, সরবরাহ কম থাকায় বিভিন্ন আকারের ইলিশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ইলিশ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় জেলেদের মতে, নদীতে মাছের পরিমাণ কমে যাওয়ার ফলে তাদের আয়ও কমেছে। মাছ ধরতে নদীতে গেলেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে ইলিশ না পাওয়ায় অনেক জেলে পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে।

জেলে ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিমত, নদীর নাব্যতা সংকট, স্রোতের গতিপথের পরিবর্তন, আবহাওয়ার প্রভাবসহ বিভিন্ন কারণে ইলিশের প্রাপ্যতা কমে যেতে পারে। তবে ইলিশের কম পাওয়ার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন।

ক্রেতাদের অভিযোগ, নদীঘেরা বাকেরগঞ্জে বসবাস করেও সাধারণ মানুষের পাতে ইলিশ ওঠানো এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। বাজারে ইলিশ পাওয়া গেলেও উচ্চমূল্যের কারণে অনেকেই কিনতে পারছেন না।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, নদীগুলোর পরিবেশ ও নাব্যতা রক্ষা, মাছের প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ এবং অবৈধভাবে মাছ আহরণ বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে ইলিশের উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেছেন তারা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃদ্ধের মরদেহ তিন দিন পড়ে ছিল নিজ ঘরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


বৃদ্ধের মরদেহ তিন দিন পড়ে ছিল নিজ ঘরে

ভোলার লালমোহনে মো. মাহে আলম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ তিন দিন পরে তার নিজ বসতঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পেয়ারী মোহন এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে।

মৃত মাহে আলম পেয়ারী মোহন গ্রামের মৃত আজাহার সইয়ালের পুত্র।

স্থানীয় মসজিদের চিল্লার মুসল্লিরা ফজরের নামাজের জন্য দাওয়াত দিতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছিলেন। এ সময় তারা মাহে আলমের বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেন, কিন্তু কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা খোলা থাকায় ভেতরে উঁকি দিয়ে তাকে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর তারা বিষয়টি স্থানীয়দের জানিয়ে দেন।

স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে, মাহে আলমের স্ত্রী রহিমা বেগম (৩৫) তার তিন সন্তানকে নিয়ে প্রায় ১৫ দিন আগে তজুমদ্দিন থানার শিবপুর খাসের হাট এলাকায় তার বাবার বাড়িতে গিয়েছিলেন। এই সময় মাহে আলম একা বাড়িতে ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তার মৃত্যু আনুমানিক দুই থেকে তিন দিন আগে হয়েছে।

মাহে আলম শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি ঢাকার প্রাইভেট ড্রাইভিংয়ের চাকরি ছেড়ে বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তার পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জানা গেছে, তিনি এর আগে দুইবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পর লালমোহন থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ আইনি প্রক্রিয়া শেষে জানা যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%