বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:৪২ পি.এম
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ১৫ জন শিক্ষক ও গবেষক বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ারের প্রকাশিত ২০২৬ সালের একক বছরের গবেষণার ভিত্তিতে তৈরি তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশের ৮৮টি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩৪৭ জন গবেষক এ বছর তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
প্রকাশিত তালিকায় রুয়েটের অবস্থান পঞ্চম। এলসেভিয়ারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তালিকায় থাকা গবেষকদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত। গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, গবেষণার ধারাবাহিকতা এবং সহ-লেখকদের প্রভাবের মতো সূচকগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
তালিকাভুক্ত রুয়েটের ১৫ জন গবেষক হলেন—মহিউদ্দিন আহমেদ, ফয়সাল রহমান বাদল, সজল কুমার দাস, মো. আহসান হাবিব, মো. আল মেহেদী হাসান, মো. রবিউল হাসান, মোহাম্মদ উজ্জল হোসেন জোয়ার্দ্দার, আবদুল্লাহ আল কাফি, আবদুল খালেক, মো. গোলাম কিবরিয়া, মো. আসলাম মোল্লা, মনজুর মোরশেদ, মো. নাহিদুজ্জামান, মো. মাসুদ রানা ও তুষার কান্তি রায়।
মহিউদ্দিন আহমেদ অস্ট্রেলিয়ার এডিথ কোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে, মো. নাহিদুজ্জামান অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ে, আবদুল্লাহ আল কাফি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিন, মো. মাসুদ রানা ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি এবং তুষার কান্তি রায় অস্ট্রেলিয়ার ম্যাককুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত। অন্যদিকে, বাকিদের অনেকেই রুয়েটে অবস্থান করছেন।
গবেষণার ক্ষেত্রের দিক থেকে রুয়েটের এসব গবেষকদের কাজ বেশ বৈচিত্র্যময়। তারা নবায়নযোগ্য শক্তি, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, রোবোটিকস, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, যোগাযোগপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্য বিশ্লেষণ, ন্যানোপ্রযুক্তি এবং সামাজিক বিজ্ঞানের পরিসংখ্যান ভিত্তিক বিষয়ে কাজ করছেন।
মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. সজল কুমার দাস রোবোটিকস, অরৈখিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং মেকাট্রনিকসের বিভিন্ন প্রয়োগ নিয়ে কাজ করছেন। এসব ক্ষেত্রে যন্ত্র ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়ানো এবং নিয়ন্ত্রণপ্রযুক্তির উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থা কেন্দ্রিক গবেষণায় রয়েছেন তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ রানা।
গবেষণার ক্ষেত্রে সংকেত প্রক্রিয়াকরণ, স্মার্ট গ্রিড ও নবায়নযোগ্য শক্তির নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নিয়েও কাজ করছেন ড. মো. মাসুদ রানা। যোগাযোগ প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্সের ক্ষেত্রেও রুয়েটের গবেষকদের কাজ রয়েছে। ড. মো. নাহিদুজ্জামানের গবেষণার বিষয় বেতার যোগাযোগ, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) ও সংকেত প্রক্রিয়াকরণ। ড. মো. রবিউল হাসান অপটিক্যাল ফাইবার যোগাযোগ ও ফটোনিকস নিয়ে কাজ করেন। তুষার কান্তি রায়ের গবেষণার ক্ষেত্র বেতার নেটওয়ার্ক এবং পঞ্চম ও ষষ্ঠ প্রজন্মের (৫জি ও ৬জি) যোগাযোগ ব্যবস্থা।
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে ড. আবদুল্লাহ আল কাফির গবেষণার বিষয় কম্পিউটার বিজ্ঞান, তথ্য বিশ্লেষণ এবং যন্ত্রশিক্ষার প্রয়োগ। অন্যদিকে, ড. মো. আল মেহেদী হাসানের গবেষণার ক্ষেত্র পদার্থবিজ্ঞান ও ন্যানো প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিষয়। মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞানেও গবেষণা করছেন রুয়েটের শিক্ষকরা। ড. মো. আহসান হাবিবের গবেষণার ক্ষেত্র ফলিত অর্থনীতি এবং সামাজিক বিজ্ঞানের পরিসংখ্যানভিত্তিক গবেষণা।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ারের তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের একক বছরের গবেষণার ভিত্তিতে বাংলাদেশ থেকে ৩৪৭ জন গবেষক স্থান পেয়েছেন। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা ছিল ২৮৬। এক বছরের ব্যবধানে তালিকায় বাংলাদেশের গবেষকের সংখ্যা বেড়েছে ৬১ জন বা ২১ দশমিক ৩ শতাংশ। গবেষকের সংখ্যার হিসাবে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম, যা আগের বছরের তুলনায় এক ধাপ এগিয়েছে।
একই সময়ে তালিকায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বেড়েছে। ২০২৫ সালে ৭৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে গবেষকেরা তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন। ২০২৬ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৮টিতে, অর্থাৎ এক বছরে বৃদ্ধি ১৪টি (১৮ দশমিক ৯ শতাংশ)।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তালিকায় প্রথম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; প্রতিষ্ঠানটির ২২ জন শিক্ষক ও গবেষক তালিকায় স্থান পেয়েছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশে (আইসিডিডিআর,বি) রয়েছেন ২০ জন গবেষক। তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চতুর্থ অবস্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়—উভয় প্রতিষ্ঠানের ১৬ জন করে গবেষক তালিকায় রয়েছেন। পঞ্চম অবস্থানে যৌথভাবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এবং রুয়েটের ১৫ জন করে গবেষক স্থান পেয়েছেন।
এছাড়াও ষষ্ঠ অবস্থানে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন গবেষক রয়েছেন। শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন করে এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েরও ১০ জন গবেষক তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
বিশ্বসেরা গবেষকদের এ তালিকায় রুয়েটের বিজ্ঞানীদের অন্তর্ভুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণা কার্যক্রমের আন্তর্জাতিক পরিচিতি তুলে ধরছে। জ্বালানি, প্রকৌশল, যোগাযোগপ্রযুক্তি, কম্পিউটারবিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞানের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের গবেষণা দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পরিসরকে আরও বিস্তৃত করার সম্ভাবনা তৈরি করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ১১ জন শিক্ষক। চলতি বছরের তালিকায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে গবেষকের সংখ্যা অনুযায়ী ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে যবিপ্রবি।
যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক গবেষণা ও প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এলসেভিয়ারের যৌথ উদ্যোগে স্কোপাস-ভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, সহ-লেখকদের প্রভাবসহ বিভিন্ন সূচকের মাধ্যমে ২০টি বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপক্ষেত্রে তাদের ক্যারিয়ার-লং এবং সাম্প্রতিক এক বছরের গবেষণা-প্রভাব মূল্যায়ন করা হয়েছে।
তালিকায় যবিপ্রবির শিক্ষকদের মধ্যে অ্যানালিটিক্যাল কেমিস্ট্রি ক্যাটাগরিতে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসাইন খান ১১৩তম অবস্থানে রয়েছেন। এনার্জি ক্যাটাগরিতে পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ৪৩৩তম এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার ইমরান খান ৮১১তম অবস্থানে রয়েছেন। অপটোইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ফোটোনিক্স ক্যাটাগরিতে একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিপ্লব হোসাইন ৩৩৮তম এবং অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার আমজাদ হোসাইন ২ হাজার ৩২৯তম অবস্থানে রয়েছেন।
এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ক্যাটাগরিতে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মশিয়ার রহমান ২ হাজার ৩৩৬তম এবং পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. সাইবুর রহমান মোল্লা ৩ হাজার ৭৬তম অবস্থানে রয়েছেন। এছাড়া ন্যানোসায়েন্স অ্যান্ড ন্যানোটেকনোলজি ক্যাটাগরিতে গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলাম ৬৫৬তম, পলিমার ক্যাটাগরিতে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম ২ হাজার ৪৯তম, মেডিসিনাল অ্যান্ড বায়োমলিকিউলার কেমিস্ট্রি ক্যাটাগরিতে পার্থ কুমার বিশ্বাস ১ হাজার ৪০৪তম এবং অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্স ক্যাটাগরিতে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ তানভীর আহমেদ ৭ হাজার ৫০৯তম অবস্থানে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর প্রকাশিত ২০২৬ সালের তালিকায় বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২২ জন শিক্ষক ও গবেষক স্থান পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। এরপর রয়েছে আইসিডিডিআরবি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। এসব প্রতিষ্ঠানের পরবর্তী অবস্থানে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) ৮ জন শিক্ষক-গবেষক বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ারের প্রকাশিত ২০২৬ সালের গবেষণার ভিত্তিতে তৈরি এই তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, সহ-লেখকদের প্রভাবসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে ২০টি বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপক্ষেত্রে তাদের ক্যারিয়ার-লং এবং সাম্প্রতিক এক বছরের গবেষণা-প্রভাব মূল্যায়ন করা হয়েছে। এ বছর বাংলাদেশের ৮৮টি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩৪৭ জন গবেষক এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
পাবিপ্রবির তালিকাভুক্ত ৮জন শিক্ষক হলেন— গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. একরামুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক এসএম রায়হানুল ইসলাম, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. লোকমান আলী, ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইসিই) বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ রাসেল আল আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক লিটন চন্দ্র পাল এবং ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এএইচএম ইফতেখারুল ফেরদৌস।
গতবছর বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় পাবিপ্রবির ৪ জন শিক্ষক স্থান পেয়েছিলেন। এ বছরে নতুন ৪ জন যুক্ত হয়ে মোট ৮ জন শিক্ষক এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। ৮ জন শিক্ষকের মধ্যে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম টানা ৫বার বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এছাড়াও এই তালিকায় গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. একরামুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক এসএম রায়হানুল ইসলাম এবং ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইসিই) বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ রাসেল আল আহমেদও স্থান পেয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান জেলা বিএনপি সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশের আয়োজন করেছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে জেলা বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। পরে, জেলা শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ রেজার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক জসিম উদ্দীন তুষার, সরওয়ান জামাল, চনুমং মারমা এবং জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা। এ সময় বিএনপি এবং দলের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ রেজা সমাবেশে বলেন, "মাদক বিক্রি ও সেবন দুটোই সমান অপরাধ।" তিনি আরও জানান, বর্তমান বিএনপির সরকার তথা সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান এবং জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, মাদক একটি পরিবার, সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিতে পারে। নিরাপদ ও সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে মাদকের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি। মাদকের ভয়াবহ প্রভাবে পরিবারগুলো ভেঙে যাচ্ছে এবং সমাজ নানা সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে হলে পরিবার, বন্ধু এবং সমাজের অন্যদেরও সচেতন করতে হবে। তাই, মাদক প্রতিরোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি সরকার একটি নিরপেক্ষ, সৎ ও দক্ষ সিভিল সার্ভিস গঠনের জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমিতে ১৪৬, ১৪৭ ও ১৪৮তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের সনদ প্রদান ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।
মো. আব্দুল বারী উল্লেখ করেন, "গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আমরা সচেষ্ট।" তিনি সতর্ক করে বলেন, "ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা হলে দেশের সিভিল সার্ভিস আবারও নষ্ট হয়ে যাবে।" দীর্ঘ সময় ধরে ফ্যাসিজমের প্রভাব সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সমস্যার সৃষ্টি করেছে এবং দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। এই পরিস্থিতির কারণে কর্মকর্তারা তাদের আসল লক্ষ্য থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, "সরকারের রাজনৈতিক বিষয় বাস্তবায়ন করা সিভিল সার্ভিসের কাজ নয়।" বরং, সিভিল সার্ভিসের মূল কাজ হচ্ছে সরকারের নীতি বাস্তবায়ন করা।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, "ন্যায়পরায়ণতা ও নিরপেক্ষতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।" হতাশ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন, "এই দেশটা গড়ার দায়িত্ব আপনাদের।"
তিনি বলেন, "একটি ভঙ্গুর অর্থনীতির ওপর সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।" তবুও, সরকার কর্মকর্তাদের বেতন বৃদ্ধি করেছে। তিনি বলেন, "আমরা প্রত্যেকে কাজ করলেই দেশ এগিয়ে যাবে।"
আব্দুল বারী আরও বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শত শত মানুষ জীবন দিয়েছে, কারণ তারা চেয়েছে এদেশে যেন আর কখনো বৈষম্য ফিরে না আসে।" তিনি যোগ করেন, "নিজে কী পেলাম সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ হলো সমাজকে কী দিতে পেরেছি।" সকল ক্ষেত্রে সততা ও দক্ষতাকে সামনে রেখেই এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর ড. মোহাম্মদ আলতাফ উল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও অনুবিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ