ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিতের আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর


সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিতের আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর

আজ বাংলাদেশে, একজন মুসলমান নাগরিক সরকার থেকে যে সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরাও তেমন একই সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে জানান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

এই বক্তব্যটি তিনি বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে পঞ্চগড় পৌরসভার চানপাড়া ইসকন মন্দিরে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপটে প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'বিএনপি সরকার অসাম্প্রদায়িক সরকার। আমরা সকল ধর্মকে সম্মান করি, সব ধর্মের মানুষের জন্য আমাদের ধারণা রয়েছে।'

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি আরও উল্লেখ করেন, 'ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার'—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সরকার ভবিষ্যতে উন্নতির দিকে এগিয়ে যাবে।'

এ সময় পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন, পুলিশ সুপার আবু সাইম এবং বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী ও সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে চানপাড়া ইসকন মন্দির থেকে একটি বর্ণাঢ্য রথযাত্রা বের করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় চিরুনি অভিযানে ৮১ বাংলাদেশিসহ আটক শতাধিক অভিবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


মালয়েশিয়ায় চিরুনি অভিযানে ৮১ বাংলাদেশিসহ আটক শতাধিক অভিবাসী

মালয়েশিয়ার ক্যামেরন হাইল্যান্ডসের হাবু এলাকায় এক যৌথ চিরুনি অভিযানে ১১৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বেলা ২টা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে মোট ১৪৫ জনের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়।

পাহাং রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মূলত একটি মিশ্র নির্মাণাধীন বহুতল ভবনে চালানো এই অভিযানে সেখানে কর্মরত বিপুলসংখ্যক অবৈধ বিদেশি শ্রমিককে আটক করা হয়।

আটককৃতদের মধ্যে বড় একটি অংশই বাংলাদেশি নাগরিক। বিভাগীয় তথ্য অনুযায়ী, আটককৃতদের মধ্যে ৮১ জন বাংলাদেশি, ২৯ জন ইন্দোনেশিয়ান, ২ জন নেপালি এবং ১ জন মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০৭ জন পুরুষ এবং ৬ জন নারী।

অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ, অতিরিক্ত সময় অবস্থান এবং নিয়মবহির্ভূত কাজের অভিযোগে তাদেরকে অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ (আইন ১৫৫) এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩-এর বিভিন্ন ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

পাহাং রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগ আরও জানিয়েছে, আটককৃত সমস্ত বিদেশি নাগরিককে পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ ও অধিকতর তদন্তের জন্য ইমিগ্রেশন বিভাগের পাহাং রাজ্য কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই বিশেষ অভিযানে পাহাং রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগ, রাজ্য প্রয়োগকারী ইউনিট এবং রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশের জেনারেল অ্যাকশন ফোর্সের মোট ৭০ জন কর্মকর্তা ও সদস্য সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগে এত উন্নয়নের কথা শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়–প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


আগে এত উন্নয়নের কথা শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়–প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

দেশের বিরাজমান সমস্যা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, 'দেশে এত সমস্যা এখনও বিরাজমান দেখে আমি এখনও বিস্মিত হই। কেননা ১৭ বছরে এগুলো সমাধান হওয়ার কথা ছিল। যদি সে সময় এগুলো সমাধান করা হতো, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।'

তিনি আরও বলেন, 'আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়? এখন সব চাপ এসে পড়েছে আমাদের সরকারের ওপর। এই সরকারের ওপর জনগণের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চেষ্টা করছি সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে।'

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে দেশের সমতল এলাকায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রীর এসব বক্তব্য আসে।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, প্রথম সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতারা তাদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন, সমতলের আদিবাসী অনগ্রসর জনগণের জন্য জাতীয় কনভেনশন, 'ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী' শব্দের পরিবর্তে জাতিভিত্তিক পরিচয়ের দাবি, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, আইনগতভাবে ভূমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণসুবিধা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বা রিজার্ভ ফরেস্টের নামে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বসতি থেকে উচ্ছেদ বন্ধের ওপর জোর দিয়েছেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে তাদের বক্তব্য শোনেন। সভায় তিনি সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছিলেন।

তিনি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তিনি এবং তার সরকার এমন একটি দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর ওপর বৈষম্য থাকবে না। সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণের উদ্দেশ্যে তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান। কাউকে আলাদা মনে করেন না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। যদি অর্থপাচার না হতো, তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর) অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। আমাদের সরকার পর্যায়ক্রমে যেগুলো সমাধানযোগ্য, সেগুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।'

তারেক রহমান বলেন, 'এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের দেখতে হবে, আমরা আরও ভালো অবস্থানে কীভাবে থাকতে পারি।'

দেশের বিরাজমান সমস্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'দেশে এত সমস্যা এখনও বিরাজমান দেখে আমি এখনও বিস্মিত হই। কেননা ১৭ বছরে এগুলো সমাধান হওয়ার কথা ছিল। সে সময় এগুলো সমাধান করা হলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।'

তিনি বলেন, 'আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়? এখন সব চাপ এসে পড়েছে আমাদের 정부ের ওপর। এই সরকারের ওপর জনগণের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চেষ্টা করছি সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে।'

দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারের নেয়া উদ্যোগগুলোর কথাও বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, 'ওরা একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার সময়ে ৩১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর আমাদের সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই এর উন্নয়ন হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর সেটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এটিকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার।'

তিনি অভিযোগ করেন, 'অথচ আগের সরকার ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু সেগুলোর কোনো কার্যক্রম নেই।'

প্রধানমন্ত্রী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো, কিডনি ডায়ালাইসিস ও হার্টের রিংসহ জরুরি চিকিৎসা সামগ্রীর ওপর কর হ্রাসের বিষয়েও কথা বলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে সরকার কাজ করছে: কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে সরকার কাজ করছে: কৃষিমন্ত্রী

বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

তিনি জানান, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমঅধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ হাজার বছরের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির দেশ। কুমিল্লার ইতিহাসও হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ইতিহাস।’

যুগে যুগে কিছু অসাধু ব্যক্তি সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টি করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করলেও সচেতন জনগণের কারণে তারা কখনো সফল হতে পারেনি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতেও কেউ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টায় সফল হবে না। আমাদের পূর্বপুরুষরা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়ে একসঙ্গে বসবাস করেছেন।’

সেই ঐতিহ্য ধরে রেখে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ, সম্প্রীতিময় ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে বলে জানান তিনি।

পৃথিবীর কোনো ধর্মই অন্যায়, হিংসা বা বিদ্বেষকে সমর্থন করে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সব ধর্মই মানুষকে ন্যায়, মানবকল্যাণ, সহনশীলতা ও শান্তির শিক্ষা দেয়। তাই ধর্মকে বিভেদ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে।’

রথযাত্রায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ ধরনের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজন পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করে।

সব সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অটুট রেখে একটি অসাম্প্রদায়িক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, জেলা প্রশাসক রোজী আকতার, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিপুলসংখ্যক ভক্ত-অনুরাগী উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করায় সরকারের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ নাহিদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করায় সরকারের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ নাহিদের

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। পরে তিনি এবং দলের নেতাকর্মীরা শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজ-খবর নেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আমাদের দাবি ছিল তিনটি- বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচন। আমরা দেখেছি নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু বিচার ও সংস্কার এখনও বাংলাদেশে জনগণ পায়নি। আবু সাঈদ হত্যা মামলার যে রায়, তা আমরা পেয়েছি। কিন্তু সেই রায় এখনো কার্যকর হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই রায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তারা গণভোটের রায় কার্যকর করছে না। তারা বলছে, জুলাই সনদ মুখে মুখে কার্যকর করবে। এটা তাদের কেবলই মৌখিক প্রতারণা। তারা বলেছিল সংবিধান সংস্কার কমিশন করবে, সেটিও তারা করেনি।’

নাহিদ ইসলাম জানান, ‘জুলাই হত্যা মামলার রায় কার্যকরের দাবি জানাচ্ছি। বহু মামলার রায় হয়েছে। এখন বাংলাদেশের মানুষ সেই রায়গুলোর বাস্তবায়ন দেখতে চায়। শহীদ আবু সাঈদের হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে সরকার যেন দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের দেওয়া রায় কার্যকর করে। অন্যান্য মামলার বিচারকাজও দ্রুত শেষ করে রায় কার্যকর করা উচিত। এতে আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা ন্যায়বিচার পাবেন।’

সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করছে- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী সুত্রে পাওয়া এমন বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যদি সরকার সত্যিকার অর্থে সংস্কার করতে চায়, তাহলে আমরা এই প্রশ্নে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করছি। সংস্কার, বিচার, ফ্যাসিবাদের বিলুপ্তি, বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ইত্যাদি বিষয়গুলোতে আমরা সরকার এবং বিরোধী দল হিসেবে দেখি না। দেশের জনগণের পক্ষে, রাষ্ট্রের পক্ষে এক কাতারে দাঁড়ানো উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু সরকারের কোনো আচরণে সেরকম কোনো আলামত আমরা দেখতে পাচ্ছি না। ফলে গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। তাদের নোট অব ডিসেন্টের আলোকে বাস্তবায়ন করলে সেখানে আমাদের কোনো সহযোগিতা তো থাকবেই না, কোনো অংশগ্রহণও থাকবে না।’

এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%